ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল-উরস ইবনু ’আমীরাহ আল-কিনদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত।
عَنِ الْعُرْسِ ابْنِ عَمِيرَةَ الْكِنْدِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا عُمِلَتِ الْخَطِيئَةُ فِي الْأَرْضِ، كَانَ مَنْ شَهِدَهَا فَكَرِهَهَا - وَقَالَ مَرَّةً: أَنْكَرَهَا - كَانَ كَمَنْ غَابَ عَنْهَا، وَمَنْ غَابَ عَنْهَا فَرَضِيَهَا، كَانَ كَمَنْ شَهِدَهَا
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো স্থানে যখন অন্যায় সংঘটিত হয়, তখন সেখানে উপস্থিত ব্যক্তি তাতে অসন্তুষ্ট হলে, সে অনুপস্থিতিদের মতোই গণ্য হবে (তার গুনাহ হবে না)। আর যে ব্যক্তি অন্যায় কাজের স্থান থেকে অনুপস্থিত হয়েও তাতে সন্তুষ্ট হয়, সে অন্যায়ে উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত। (আবূ দাঊদ-৪৩৪৫) ইমাম আবু দাউদ রাহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
মোটকথা,
উত্তম হল, যারা গিবত করে করে বেড়ায়, তাদের সংস্পর্শকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা। যদি সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা সম্ভব না হয়, তাহলে তাদের উক্ত আলোচনাকে মনযোগের সাথে শ্রবণ না করা। যদি নিজের অসন্তুষ্টি ও অনিচ্ছায় কখনো গিবতকে কেউ শুনে নেয়, তাহলে এতেকরে কোনো গোনাহ হবে না।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) আপনি আপনার বাবাকে বুঝাবেন। আপনার বাবা যদি এজন্য আপনার প্রতি নারাজ হন, তাহলে এক্ষেত্রে আপনার কোনো গোনাহ হবে না।
(২) আপনি তাকে নরম ভাষায় বারংবার বুঝাবেন। একদুই বার বুঝালে দায়িত্ব শেষ হবে না। বরং আত্মীয় স্বজনকে বারংবার বুঝাতে হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/4711
(৩) না, এটা গীবত হবে না। কেননা আপনার মা তাকে রাখবেন কি না? সেই সিদ্ধান্ত নিবেন, তাকে তাকে জানানো ঠিকাছে। তবে যারা সমাধান বা মীমাংসা করতে পারবে না, তাদের কাছে শুনানো জায়েয হবে না।
(৪) যতক্ষণ তাদের শরীরে দৃশ্যমান কোনো নাপাকি দেখা যাবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত বাচ্চাদেরকে নাপাক বিবেচনা করা যাবে না।
(৫) এভাবে টিকটিকির মল পরিস্কার করার কাপড়কে বালতিতে ভিজিয়ে উক্ত কাপড় দ্বারা ঘর মুছা যাবে না। যদি ঘর মুছ হয়ে থাকে, তাহলে ঘরকে আবার নতুন পানি দ্বারা মুছতে হবে।