আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
43 views
in পবিত্রতা (Purity) by (5 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ হুজুর,

হায়েজ এর ৫ম দিনে গোসলের সময় হায়েজ অবস্থায় ছিলাম তাই নরমাল গোসল করেছি। রাত ৯ টার পর দেখলাম হায়েজ আর নেই নেপকিন চেক করে সম্পূর্ণ সাদা স্রাব এসেছে। তখন ফরজ গোসল এর নিয়ত তো করা হয়নি দুপুরে যখন গোসল করেছি। এমতাবস্থায় কি অজু করে নামাজ আদায় করতে পারি?

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
গোসল সর্বোমোট এগার প্রকার যথাঃ-
(ক)পাঁচ প্রকারের গোসল ফরয যেমন-(১)যৌনমিলন  তথা পুরুষ মহিলার লজ্জাস্থান একত্রিত হওয়ার পর গোসল করা ফরয।(২)বীর্য বাহির হলে(যেকোনো কারণে) গোসল ফরয।(৩) স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরয।(৪)হায়েযের কারণে গোসল ফরয(৫)নেফাসের পর গোসল ফরয।

(খ)চার প্রকার গোসল সুন্নত।(১)জুমুআর দিনের গোসল(২)আরাফার দিনের গোসল(৩)এহরামের গোসল(৪)দুই ঈদের গোসল

(গ)ওয়াজিব গোসল।মাইয়্যিতকে গোসল প্রদান করা।

(ঘ)মুস্তাহাব গোসল।কোনো কাফির যখন ইসলাম গ্রহণ করে,তখন গোসল করা মুস্তাহাব।(মাবসুত-সারখাসী-১/৯০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/10148

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
হায়েজ এর ৫ম দিনে রাত ৯ টা যদি রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। এবং সাদা স্রাব আসে। তখন যদি ফরয গোসল না করা হয়, অতঃ দুপুরে ফরয গোসল করা হয় । তাহলে এমতাবস্থায় অজু করেই নামাজ আদায় করা যাবে। কেননা দেড়ীতে হলেও ফরয গোসল আদায় করা হয়েছে।তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পবিত্রতা অর্জন হয়ে গেছে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...