আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
66 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (10 points)
আসসালামুয়ালাইকুম হুজুর,
আমি একটা মেডিসিন এর কোম্পানি তে চাকরী করি। কোম্পানির একটা নতুন স্টোর ওপেনিং করছে, সেই স্টোর এর সমস্ত দায়িত্ব আমার। স্টোর এ বাকি দুজন আছে তারা নরমাল কর্মচারী।  বিষয় হলো স্টোর টা ওপেনিং হবে তার জন্য পুজো করতে হবে , আমাদের মধ্যে একজন হিন্দু কর্মচারী আছে , আমি তাকে পুজোর বিষয় এ সমস্ত দায়িত্ব তাকে দিয়েছি। পুজোর কোনো কাজে আমি ছিলাম না , পুজো করার  জন্য বাজার করতে গিয়েছে তখন আমি সঙ্গে গিয়েছিলাম। কিন্তু মনে মনে ঘৃণা ছিল আমার সবসময়।
ওই হিন্দু ছেলেটা আর পুরোহিত পুজো সম্পূর্ণ করলো।  এবার সমস্ত অথিতি আসলো , প্রধান গেস্ট আসলো এবার ফিতে কাটতে হবে । প্রধান অথিতি ফিতে কাটলো, আর একটা বড় প্রদীপ ছিল যার পাঁচ টা মুখ সেখানে আগুন দিতে হবে মোট কথা হলো প্রদীপ জ্বালাতে হবে। কিছু মুসলিম গেস্ট ছিল তারা ও জ্বালাও। আমাকে ডাকছিল আমি বিষয় টা এড়িয়ে যাওয়ার প্রচুর চেষ্টা করেছি। আল্লাহর কসম করে বলছি আমি প্রচুর চেষ্টা করেছি। লাস্টে একজন প্রদীপ জালাচ্ছিল আমি তার হাত এ হাত ঠেকিয়ে ছি। জাস্ট এই টুকুই।

আমার কোনো ইচ্ছা ছিলনা। আর পুজোতে কোনো রকম অংশ গ্রহণ করিনি। প্রদীপ টা কি কারণে জালাই তাও জানিনা, অগ্নি পুজো কি এমনি তাও জানিনা। একচুয়ালি প্রদীপ টা কি কারণে জলাই আমি জানিনা।  আমি ঘৃণা করি এসব। শেষে আমি একজন এর হাত এ হাত রেখে প্রদীপ জ্বালায় জাস্ট তুচ্ছ মোমবাতি আমি হাতে ধরিনি।
***** হুজুর আমার কি ঈমান চলে যাবে ??? নাকি তওবা করলে হবে??

1 Answer

0 votes
by (756,750 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...