ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে,আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ﻳَﺎ ﻧِﺴَﺎﺀ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﻟَﺴْﺘُﻦَّ ﻛَﺄَﺣَﺪٍ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀ ﺇِﻥِ ﺍﺗَّﻘَﻴْﺘُﻦَّ ﻓَﻠَﺎ ﺗَﺨْﻀَﻌْﻦَ ﺑِﺎﻟْﻘَﻮْﻝِ ﻓَﻴَﻄْﻤَﻊَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻲ ﻗَﻠْﺒِﻪِ ﻣَﺮَﺽٌ ﻭَﻗُﻠْﻦَ ﻗَﻮْﻟًﺎ ﻣَّﻌْﺮُﻭﻓًﺎ
(তরজমা) তোমরা (পর পুরুষের সাথে) বাক্যালাপে কোমলতা অবলম্বন কর না। যাতে এরূপ লোকের অন্তরে আকাঙ্ক্ষা (সঞ্চার) হয়, যার অন্তরে কুপ্রবৃত্তি রয়েছে। (সূরা আহযাব : ৩২)..................
নারীদের তেলাওয়াত পর-পুরুষের জন্য শ্রবণ করা জায়েয নয়।(আহসানুল ফাতাওয়া-৪/২০০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1058
নারী প্রত্যেক নামাযে - চায় উচ্চস্বরের নামায হোক যেমন ফজর,মাগরিব,এশা বা নিম্নস্বরের নামায হোক যেমন,জোহর,আসর এবং চায় একাকি হোক বা মাহরামের সামনে হোক- সর্বদা নিম্নস্বরে তিলাওয়াত করবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/21219
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
নামাজে সালাত পড়ার সময় তিলাওয়াত এতটুকু পড়তে হবে যেন, নিজের কান শুনা যায়। এই বিধান মেয়েদের জন্যও প্রযোজ্য।
মেয়েরা রুকুতে পুরোপুরি ঝুকবে না বরং যৎসামান্য ঝুকবে। এতটিকু পরিমাণ যে হাত হাটু পর্যন্ত পৌছাবে। এবং আটসাট হয়ে থাকব যে , হাত বাজুর সাথে মিলিত থাকবে। এবং পায়ের নালীকে সোজা রাখবে না বরং সামনের দিকে ঝুকানো রাখবে। হাত দ্বারা হাটুকে ধরবে না বরং হাটুর উপর হাত রাখবে।এবং আঙ্গুল গুলো মিলিত রাখবে।পায়ের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখবে।দুনো পা মিলিত রাখবে।