জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
মুসলমানদের কোনো কাজ শরীয়তের খেলাফ হতে পারেনা।
চাই তাহা যেই কাজই হোক।
আল্লাহ তাআ’লা বলেন,
اتَّبِعُواْ مَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلاَ تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِ أَوْلِيَاء
তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোন বন্ধু বা অভিভাবকের অনুসরণ করো না। (সূরা আ’রাফ ৩)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুরূপ অবলম্বন করে, সে তাঁদেরই দলভুক্ত। (আবূ দাঊদ ৪০৩১)
জন্মদিন পালন করা অমুসলিদের রীতিনীতি ও তাদের আবিস্কৃত বিষয়।সুতরাং জন্মদিন পালন করা কখনো জায়েয হবে না।
যদি কারো জন্মদিন উপলক্ষ্যে কিছু করতেই হয়, তাহলে সে যেন প্রতি সাপ্তাহের ঐ দিনে রোযা রাখে।
কেননা হাদীস শরীফে এসেছে,
রাসূলুল্লাহ সাঃ সোমবারে উনার জন্ম হিসেবে এবং সর্বপ্রথম কুরআন নাযিল হয় হিসেবে এবং এ দিন আল্লাহর সামনে বান্দাদের আ'মলসমূহ পেশ হয় হিসেবে এবং এ দিনে নবুওত প্রাপ্ত হয়েছেন হিসেবে রোযা রাখতেন।শুধু এদিন নয় বরং আ'মল পেশ হয় হিসেবে বৃহস্পতিবারে ও রোযা রাখতেন।
রাসূলুল্লাহ সাঃ এর সোমবারে রোযা রাখাকে কেন্দ্র করে জন্মদিন পালনের কোনো সুযোগ নেই।কেননা শুধু জন্ম হয়েছেন হিসেবে সেদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ রোযা রাখেন নি।বরং অনেকগুলো কারণে সেদিন রোযা রেখেছিলেন।
আরো জানুনঃ-
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নের বিবরণ মতে সেই গিফট দেওয়া জায়েজ হবে না। কেননা আগে হোক বা পরে হোক আপনি মূলত জন্মদিন কে কেন্দ্র করেই উক্ত গিফট দেওয়ার নিয়ত করছেন, বিধায় এটি জায়েজ হবে না।
(০২)
এক্ষেত্রে আপনার নামাজের কোন সমস্যা হবে না।
তাই এমতাবস্থায় পুনরায় সেই নামাজ আদায় করতেও হবে না, সেজদায়ে সাহু আদায় করাও আবশ্যক হবে না।
(০৩)
এক্ষেত্রে সে যদি আপনার গীবত করার বিষয়টি না জানতে পারে, তাহলে আপনি যদি তার কাছে গিয়ে ক্ষমা না চেয়ে আল্লাহর কাছে নিজের ও তার জন্যও ক্ষমা চান, তাহলে এটি যথেষ্ট হবে।
তবে যদি সে আপনার গীবত করার বিষয়টি জানতে পারে, তাহলে আল্লাহর কাছে ক্ষমার পাশাপাশি আপনার মাহারাম কারো মাধ্যমে তার থেকেও ক্ষমা চেয়ে নিবেন।
(০৪)
যাকে উপদেশ দিলে সে আপনার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, প্রয়োজনে তাকে আর উপদেশ না দিতে পারেন, যারা আপনার নসিহত শুনছে না আপনি তাদেরকে যদি নসিহত আর না করেন, সেক্ষেত্রে আপনার গুনাহ হবে না।
দ্বীনের ওপর অটল অবিচল থাকার লক্ষ্যে মাহরাম পুরুষ এর সাথে মাস্তুরাত জামাতে যেতে পারেন।
নিয়মিত তাদের তালিমে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
আপনার জন্য আরো করণীয়ঃ-