(০১)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
ان الدين يسر
— “নিশ্চয়ই এই ধর্ম সহজ।”
(সহিহ বুখারি, হাদিস ৩৯)
অর্থাৎ নামাজ এমনভাবে পড়তে হবে যাতে মনোযোগ ও প্রশান্তি বজায় থাকে; শারীরিক কষ্টে নিজেকে বাধ্য করা ইসলামের উদ্দেশ্য নয়।
---
তাশাহুদের সময় দুইভাবে বসা যায়, (হানাফি মাযহাবে)
1. তাশাহুদের সময়:
বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা এবং ডান পা খাড়া রেখে তার আঙুলগুলো কিবলামুখী রাখা।
2. শেষ তাশাহুদ (দুই রাকাতের বেশি নামাজে):
"তাওয়াররুক" ভঙ্গি — অর্থাৎ বাম পা ডান পায়ের নিচে দিয়ে বের করে ডান দিকে রাখা, এবং নিতম্ব মাটিতে রাখা।
কিন্তু যদি এই ভঙ্গিতে ব্যথা বা অসুবিধা হয়, তবে এটি পরিবর্তন করা জায়েজ।
---
★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি যেভাবে স্বস্তি পান, সেভাবে বসুন।
ইবনু কুদামা (রহ.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে বসতে অক্ষম, সে যেমনভাবে বসতে পারে, তেমনভাবে বসবে।"
(আল-মুগনি, ২/১২৭)
নবী ﷺ নিজেও অসুস্থ অবস্থায় নামাজে বসে ইশারায় পড়েছেন (সহিহ বুখারি ১১১৭)।
(২-৩)
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।
আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে।
আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন।