আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
45 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (67 points)
১।যদি কোনো যায়গায় জীনের ঘটনা শুনার সময় সয়তান পুজারি কালো যাদু করা জিনের ঘটনা শুনি। তারা বিতাড়িত সয়তানের জন্য বিভিন্ন জিনিস কে বলি দিয়ে কালো যাদু করে।তারা জিন  দের প্রভু বলে। আবার জিনদের ক্ষমতা অসিম বলে। অনেক জিন বলে তাদের বিনাশ নেই। জিনরা জিনদের মালিক বলে মানুষ ও বলে। জিনকে বিভিন্ন জিনিস ভোগ দেয় মানুষ, গরু ছাগল এবং বিভিন্ন প্রানি। তান্ত্রিকরা মন্ত্র পরে এতটুকুই বলে কি মন্ত্র পরে বলেনা। জিনরা মানুষ কে রাকিকে তান্ত্রিক কে  হত্যা করে।   এরপর রাকি এবং মুসলিম জিনের মাধ্যমে তাদের বন্দী করা হয় হত্যা করা হয় বা অনেকে পারেনা এধরণের ঘটনা  শুনলে কি ইমানে সমস্যা হবে?


২।জামাতে নামাজ পড়তে ছিলাম পায়জামা একটু টাইট ছিলো সিজদাহতে যাওয়ার সময় পায়জামার দুই রানের দিকে দুইহাত দিয়ে উপরে উঠায় যাতে করে একটু ঢিলা হয় এটা কি আমলে কাছির হবে?

1 Answer

0 votes
by (701,430 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
এধরণের ঘটনা শুনে কুফরি কোনো কথায় বিশ্বাস করলে ঈমানে সমস্যা হবে।

(০২)
নামাজের ভিতর নড়াচড়া করা যাবেনা।
এক রুকন সমপরিমাণ এমনটি করলে নামাজ ভেঙ্গে যাবে। 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ    
সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের নবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন সাতটি (অঙ্গের) ওপর সিজদা করে এবং নামাজে চুল বা কাপড় না গুটায়। -সুনানে আবু দাউদ: ২/১৪

নির্ভরযোগ্য বর্ণনায় এসেছে, বিখ্যাত তাবেয়ি মুজাহিদ (রহ.) বলেন, হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রা.) যখন নামাজে দাঁড়াতেন তখন মনে হত একটি কাঠ মাটিতে গেড়ে দেওয়া হয়েছে। -মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা: ৭৩২২

প্রখ্যাত তাবেয়ি আমাশ (রহ.) থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) যখন নামাজে দাঁড়াতেন তাকে দেখে মনে হত যেন একটি পড়ে থাকা কাপড়। -মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক: ৩৩০৩।

আমলে কাসির নিয়ে বিস্তারিত জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নের বিবরণ মতে এক্ষেত্রে আপনার নামাজ ভেঙ্গে যাবেনা।

তবে ভবিষ্যতে এমনটি আর করবেননা,যদি প্রয়োজনে এমনটি করতেই হয়,সেক্ষেত্রে এক হাত দিয়ে দ্রুত সময়ে করতে পারেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (701,430 points)
 سجدے میں جاتے ہوئے یا اٹھتے وقت قمیص کو دونوں یا ایک ہاتھ سے صحیح کرنا عملِ کثیر نہیں ہے، اس سے نماز فاسد نہیں ہوگی، لیکن بلاضرورت عمل قلیل بھی نہیں کرنا چاہیے۔ اور اگر  قمیص ٹھیک  کرنا ضروری ہو تو ایک ہاتھ سے ہی کرے، دو سے نہ کرے





আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 20 views
+3 votes
1 answer 2,025 views
...