আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
45 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
আমার বিয়ে হয়েছে ৬ মাস । বিয়ের সময় পরিবার ঠিকমতো খোঁজ খবর না নিয়েই আমাকে একরকম জোর করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয় । আমি সব মানিয়ে নিয়েছি। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই বুঝলাম আমার স্বামী নামাজ, আল্লাহ ভয় সম্পর্কে উদাসীন। আমি তাকে নামাজের জন্য বুজাই মাঝে মাঝে পড়ে আবার বাদ দেয় ।  বিশেষ করে ১মাস পর থেকেই আমার স্বামী আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করা শুরু করে। আমার কোনো কথা শুনে না, কিছু করতে বারন করলে আমাকে ধমক দেয় হাত তুলতে চায়। মানসিক ভাবে আমি ভেঙে পড়তেছি। এই ৬ মাস আল্লাহর কাছে দোয়া করতেছি ধৈর্য্য ধরতেছি, সে ঠিকমতো আমার খরচো দেয় না বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত যত ব্যবহারির জামা সব আমার পরিবারের দেওয়া। এখন কিছু দিন আগে জানলাম সে চুরিও করছে আর বর্তমানো একটা কেস চলছে। তাকে এবিষয়ে জিঙ্গেস করলে সে কথা এড়িয়ে যায়। আমার সাথে ভালো মন্দ কোনো কথা ঠিক মতো বলে না। আমার স্বামীর আগেও বিয়ে হয়েছিল যেটা তারা আমাদের বলেনি। আমি জানতে পেরে তাকে বললে সে রাগারাগি করে। আমি যদি কখনো রাগ করে বলি আমি চলে যাবো তো সে বলে চলে গেলে তালাক দিয়ে যা । বর্তমানে আমি মানসিক ভাবে খুবই খারাপ অবস্থায় আছি । অনেকে বলছে একটা বাচ্চা হোক তখন ঠিক হবে অনেকে বলছে তালাক নিতে এই অবস্থায় আমি কি করতে পারি? দয়াকরে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবেন

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কোনো পুরুষ ধোকা দিয়ে বিয়ে করলে, এক্ষেত্রে শরয়ী বিধান হলো
যদি স্বামী নিজেকে নিজস্ব বাস্তব বংশ ব্যতীত ভিন্ন বংশের লোক বলে দাবী করে,এবং পরবর্তীতে এর চেয়ে নিম্নমানের বংশ প্রমাণিত হয়,তাহলে সে উক্ত মেয়ের কু'ফু হতে পারবে না,এবং মহিলা ও মহিলার অভিবাবক সকলের জন্যই বিবাহকে কাযীর মাধ্যমে ভঙ্গ করা অধিকার থাকবে।
কিন্তু যদি পরবর্তীতে এমন বংশ প্রমাণিত হয়,যা উক্ত মেয়ের কু'ফু অবশ্য হবে(কিন্তু সে প্রথমে বাড়িয়ে মিথ্যে বলেছিলো)তাহলে ও মহিলার বিবাহ ভঙ্গের অধিকার থাকবে।যদিও ওলীর থাকবে না।
আর যদি তার বর্ণনাকৃত বংশের চেয়েও পরবর্তীতে উচ্ছ বংশ প্রমাণিত হয় তাহলে কারো বিবাহ ভঙ্গের অধিকার থাকবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/25515

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে আপনার জন্য উক্ত পাত্র থেকে তালাক চাওয়া নাজায়েয হবে না। উক্ত পাত্রের সাথে সম্পর্ক রাখবেন কি না? সে বিষয়ে আপনার মাতাপিতার সাথে পরামর্শ করবেন। পরিবারের বিজ্ঞজনদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিবেন। আমাদের দৃষ্টিতে এমন পাত্র বা স্বামী যার উপর চুরির অভিযোগ রয়েছে, এবং যার উপর কেইস রয়েছে, তার সাথে ভবিষ্যত জীবন নিরাপদ নাও হতে পারে। তাই এখনই সময় বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...