আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
37 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (33 points)
আসসালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ্
১. উস্তায, হসপিটালের এক কলিগ ক্রিটিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত, ইমার্জেন্সি অপারেশন করতে হবে৷ তার জন্য সব কলিগরা মিলে সম্মিলিত দু'আ- মুনাজাত করা যাবে কি?
২. আমি ডরমিটরির প্রেয়ার রুমের দায়িত্বে থাকায় আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপলক্ষে (যেমন কারো অসুস্থতা, সংসারে বিপদ-আপদ, ব্যক্তিগত বালা-মুসিবত) আমাকে বলে মেয়েদেন নিয়ে একসাথে বসে দু'আ-মুনাজাত করতে। শেষে তবারক বিতরন করে। এটা করা জায়েজ আছে কি না? এটা কি বিদ'আত?

★ আমি ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে সাথে নিয়ে হাত তুলে দু'আ করতে পছন্দ করিনা। আমার ধারনা, কেউ বাকি ১৫০/২০০ বোনের সামনে কিভাবে কান্না করে দু'আ করতে পারে! আমার সাথে আমার রবের কথা বলার ধরন, চাওয়ার ধরন তো একান্ত বিষয়৷ তাকে কি নামে আমি ডাকি, বাচ্চাদের মতো আবদার করে চাই, এগুলো তো প্রকাশ করতে পারবোনা।

৩. অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, ভুমিকম্পের সময় এলাকার পুরুষ মানুষ একত্রিত হয়ে হাত তুলে দু'আ করা আল্লাহর রাসূল ﷺ এবং সাহাবীদের দ্বারা প্রমানিত। (আমি ভুল জেনে থাকলে শুধরে দিয়েন মিন ফাদ্বলিক) এখন কেউ যদি দাবি করে- যেহেতু ঐ সমস্ত ক্ষেত্রে জায়েজ, তাহলে অসুস্থতা, বিপদ-আপদে কেন এটা বিদ'আত হবে? সে কি ঠিক বললো?

৪. বালা-মুসিবতে পরলে নিজের ঘরের ৫/৭ জন মিলে কুরআন খতম দেয়ার বিষয়টা শরীয়তের দিক দিয়ে জায়েজ কি না?

৫. কোনো মৃত ব্যক্তির জন্য দু'আ চাইলে আমরা কি কি দু'আ/সূরা পরে তার মাগফিরাতের জন্য দু'আ করতে পারি?
অনুরূপ কোনো অসুস্থ ব্যক্তি দু'আ চাইলে তার জন্য কি পড়তে পারি? কোনো স্পেশাল আমল আছে?
(প্রশ্নগুলো কিছুটা কাছাকাছি, ভুল বলে ফেললে আফওয়ান উস্তায)

1 Answer

0 votes
by (714,960 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ: أَتَى رَجُلٌ أَعْرَابِيٌّ مِنْ أَهْلِ البَدْوِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الجُمُعَةِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتِ المَاشِيَةُ، هَلَكَ العِيَالُ هَلَكَ النَّاسُ، «فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ، يَدْعُو، وَرَفَعَ النَّاسُ أَيْدِيَهُمْ مَعَهُ يَدْعُونَ»

হযরত আনাস বিন মালিক রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা একজন গ্রাম্য সাহাবী রাসূল সাঃ এর কাছে আসলেন জুমআর দিন। এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! জিনিস পত্র, পরিবার, মানুষ সবই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একথা শুনে রাসূল সাঃ তার উভয় হাত উত্তলোন করলেন দুআর উদ্দেশ্যে। উপস্থিত সবাই রাসূল সাঃ এর সাথে দুআর জন্য হাত উত্তোলন করলেন। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-১০২৯}

عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ الْفِهْرِيِّ – وَكَانَ مُسْتَجَابًا -: أَنَّهُ أُمِّرَ عَلَى جَيْشٍ فَدَرِبَ الدُّرُوبِ، فَلَمَّا لَقِيَ الْعَدُوَّ قَالَ لِلنَّاسِ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – يَقُولُ: ” «لَا يَجْتَمِعُ مَلَأٌ فَيَدْعُو بَعْضُهُمْ وَيُؤَمِّنُ سَائِرُهُمْ، إِلَّا أَجَابَهُمُ اللَّهُ» “.
ثُمَّ إِنَّهُ حَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ، وَقَالَ: اللَّهُمَّ احْقِنْ دِمَاءَنَا، وَاجْعَلْ أُجُورَنَا أُجُورَ الشُّهَدَاءِ،
رَوَاهُ الطَّبَرَانِيُّ وَقَالَ: الْهَنْبَاطُ بِالرُّومِيَّةِ: صَاحِبُ الْجَيْشِ. وَرِجَالُهُ رِجَالُ الصَّحِيحِ غَيْرَ ابْنِ لَهِيعَةَ، وَهُوَ حَسَنُ الْحَدِيثِ.

হযরত হাবীব বিন মাসলামা আলফিহরী রাঃ। যিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়া ছিলেন। তাকে একবার একটি বাহিনী প্রধান নিযুক্ত করা হয়। যুদ্ধের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের পর তিনি যখন শত্রুর সম্মুখিন হলেন। তখন লোকদের বললেন, আমি রাসূল সাঃ কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন “যখনি কোন দল একত্র হয়, তারপর তাদের কথক দুআ করে, আর অপরদল আমীন বলে তখন আল্লাহ তাআলা তা কবুল করে নেন”।
এ হাদীস বলার তিনি [হাবীব বিন মাসলামা রাঃ] হামদ ও সানা পড়লেন। তারপর বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের প্রাণ রক্ষা কর। আর আমাদের শহীদের সওয়াব দান কর।
{মাযমাউজ যাওয়ায়েদ, হাদীস নং-১৭৩৪৭, মুস্তাতাদরাক আলাস সহীহাইন, হাদীস নং-৫৪৭৮, আলমুজামুল কাবীর, হাদীস নং-৩৫৩৬}

নবী করিম (সা.) বিভিন্ন সময় দোয়া করেছেন, যেমন,সাহাবাদের নিয়ে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেছেন, আরাফাতের ময়দানে দোয়া করেছেন, কখনো কখনো খাওয়ার পরও দোয়া করেছেন।

আরো যে সকল স্থানে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সম্মিলিত মুনাজাতের প্রমাণ রয়েছে। যেমন, নামাজের পর, সূর্যগ্রহণের সময়,কাহারো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সংবাদ শোনার পর, যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর সম্মুখিন হওয়ার সময়, প্রভৃতি জায়গায়; এ সকল স্থানে সম্মিলিত মুনাজাত করা জায়েজ।

ফরজ নামাজের পর সম্মিলিত মুনাজাত সম্পর্কে জানুনঃ- 

জামাতে নামাজের শেষে,  কিংবা কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে,  সকলে একসাথে হাত তুলে দোয়া করাকে কেউ যদি নিয়মিত চর্চা বানিয়ে নেয় এবং এভাবে দোয়া করলে সওয়াব বেশি হবে মনে করে,এবং অন্যভাবে করলে বেশী সওয়াব হবে না বা কবুল হবে না। তাহলে এমন দু'আ অবশ্যই  বিদআত হবে।

সকলে মিলে একসাথে হাত তুলে দু'আ করার বৈধতা এর ব্যাপারে দলিল হল,নিম্নে বর্ণিত মুসা আঃ ও হারুন আঃ এর একসাথে দু'আ।

একবার মুসা আঃ দু'আ করেছিলেন,হারুন আঃ সাথে সাথে আমীন বলেছিলেন।

যেমন, সূরায় ইউনুসে এসেছে-
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺁﺗَﻴْﺖَ ﻓِﺮْﻋَﻮْﻥَ ﻭَﻣَﻸﻩُ ﺯِﻳﻨَﺔً ﻭَﺃَﻣْﻮَﺍﻻً ﻓِﻲ ﺍﻟْﺤَﻴَﺎﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻟِﻴُﻀِﻠُّﻮﺍْ ﻋَﻦ ﺳَﺒِﻴﻠِﻚَ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻃْﻤِﺲْ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻣْﻮَﺍﻟِﻬِﻢْ ﻭَﺍﺷْﺪُﺩْ ﻋَﻠَﻰ ﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻢْ ﻓَﻼَ ﻳُﺆْﻣِﻨُﻮﺍْ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺮَﻭُﺍْ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺍﻷَﻟِﻴﻢَ
মূসা বলল, হে আমার পরওয়ারদেগার, তুমি ফেরাউনকে এবং তার সর্দারদেরকে পার্থব জীবনের আড়ম্বর দান করেছ, এবং সম্পদ দান করেছ-হে আমার পরওয়ারদেগার, এ জন্যই যে তারা তোমার পথ থেকে বিপথগামী করব! হে আমার পরওয়ারদেগার, তাদের ধন-সম্পদ ধ্বংস করে দাও এবং তাদের অন্তরগুলোকে কাঠোর করে দাও যাতে করে তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান না আনে যতক্ষণ না বেদনাদায়ক আযাব প্রত্যক্ষ করে নেয়।

আল্লাহ তা'আলা এই দু'আর জবাবে বলেন,
ﻗَﺎﻝَ ﻗَﺪْ ﺃُﺟِﻴﺒَﺖ ﺩَّﻋْﻮَﺗُﻜُﻤَﺎ ﻓَﺎﺳْﺘَﻘِﻴﻤَﺎ ﻭَﻻَ ﺗَﺘَّﺒِﻌَﺂﻥِّ ﺳَﺒِﻴﻞَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻻَ ﻳَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ
বললেন, তোমাদের দু'জনের দোয়া মঞ্জুর হয়েছে। অতএব তোমরা দুজন অটল থাকো এবং তাদের পথে চলো না যারা অজ্ঞ।(সূরা ইউনুস-৮৮-৮৯

দেখুন এই আয়াতে মুসা আঃ এবং হারুন আঃ এক সাথে দু'আ করেছিলেন।
.
আরো জানুনঃ 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
(০১)
এটি জায়েজ আছে, এতে বিদ'আত হবেনা।

(০২)
জায়েজ আছে।

তবে যদি সকলে একসাথে হাত তুলে দোয়া করাকে কেউ নিয়মিত চর্চা বানিয়ে নেয় এবং এভাবে দোয়া করলে সওয়াব বেশি হবে মনে করে,এবং অন্যভাবে করলে বেশী সওয়াব হবে না বা কবুল হবে না। তাহলে এমন দু'আ অবশ্যই  বিদআত হবে।

(০৩)
তার কথার যথেষ্ট যুক্ত আছে।
এ সংক্রান্ত শরয়ী বিধান উপরে উল্লেখ রয়েছে।

(০৪)
জায়েজ আছে।

(০৫)
মৃত ব্যক্তির জন্য দু’আ ও পাঠ

﴿رَبِّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ﴾
উচ্চারণ: “রাব্বিগ্ফির লাহু ওয়ারহামহু।”
অর্থ: হে আমার রব! তাকে ক্ষমা করুন ও দয়া করুন।

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ …
অর্থ: হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, তার প্রতি দয়া করুন, তাকে নিরাপদ রাখুন এবং তাকে মাফ করে দিন…

(এই দীর্ঘ দোয়া জানাযার নামাজেও পড়া হয়।)

পরিবার-পরিজন ও সমস্ত মৃত মুসলিমদের জন্য

﴿رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ﴾
(সূরা হাশর ১০)
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন এবং যারা ঈমানে আমাদের আগে চলে গেছে তাদেরকেও ক্ষমা করুন।

সাধারণভাবে মৃতের জন্য দু’আ

“আল্লাহুম্মা অকরিম নুযুলাহু, ওয়াসি‘ মুদখালাহু।”
(হে আল্লাহ! তার আগমনকে সম্মানিত করুন ও কবরকে প্রশস্ত করুন।)

“আল্লাহুম্মা নাওয়্যির ক্ববরাহু।”
(হে আল্লাহ! তার কবর আলোকিত করুন।)

★মৃত ব্যক্তির জন্য পড়া যায় এমন সূরাঃ-

যদিও নির্দিষ্ট করে কাউকে উদ্দেশ্য করে কোনো সূরা পাঠের বিশেষ ফজিলতের সহিহ দলিল নেই, তবুও সাধারণভাবে ছওয়াব পৌঁছানোর নিয়তে পড়া যায়—

সূরা ফাতিহা
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস
সূরা ইয়াসীন।

★অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দু’আ

রাসূল ﷺ-এর শেখানো সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দোয়া

أَسْأَلُ اللهَ العَظِيمَ رَبَّ العَرْشِ العَظِيمِ أَنْ يَشْفِيَكَ
উচ্চারণ: “আস’আলুল্লাহাল আ’যীমা রব্বাল আরশিল আ’যীম আন ইয়াশফিয়াকা।”
অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আপনাকে শিফা দান করেন।

(এটি সাতবার পড়া মুস্তাহাব।)

সুন্নতি রুকইয়াহ (হাতে ফুঁ দিয়ে পড়ার জন্য)
সূরা ফাতিহা
সূরা ইখলাস
সূরা ফালাক
সূরা নাস
---
অন্য সহিহ দোয়া

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، أَذْهِبِ الْبَاسَ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي…
অর্থ: হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করুন, শিফা দিন; আপনি ছাড়া শিফাদাতা নেই।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...