আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
31 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته উস্তায।

কবরস্থানের গাছ গাছালি পরিষ্কার করে ওইগুলা কি কবরস্থানে পোড়ানো যাবে? অনেকে বলে সেগুলো সেখানে পোড়ালে নাকি কবরবাসীদের কষ্ট হয়। আসলে কি এমন কিছু হয়? জানাবেন মিন ফাদ্বলিক। জাযাকুমুল্লহু খ্বইর।

1 Answer

0 votes
by (720,840 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَوَّارَاتِ الْقُبُورِ، وَالْمُتَّخِذِينَ عَلَيْهَا الْمَسَاجِدَ وَالسُّرُجَ.
— رواه الترمذي (رقم ৩২০)

অনুবাদ:
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ ﷺ কবর জিয়ারতকারী (প্রচুর) নারীদের, এবং যারা কবরকে মসজিদ বানায় ও যারা কবরের উপর প্রদীপ/আলো (সুরুজ/ল্যাম্প) জ্বালায় — তাদের প্রতি লানত করেছেন।
(তিরমিযী ৩২০)

ফাতওয়ার কিতাবে এসেছে 

في التنوير مع الدر:

(ويسوي اللبن والقصب لا الأجرم المطبوخ إلخ) وقوله: «المطبوخ» صفة كاشفة. قال في البدائع: ... ولأنه مما مسته النار، فيكره أن يجعل على الميت تفاولًا كما يكره أن يتبع قبره بنار تفاؤلًا.(كتاب الصلاة، باب صلاة الجنازة، مطلب: في دفن الميت: 3/167، رحمانية)

মর্মার্থঃ-
যেহেতু এটি এমন কিছু যা আগুন দ্বারা স্পর্শ করা হয়েছে, তাই সৌভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে মৃত ব্যক্তির গায়ে আগুন জ্বালানো অপছন্দনীয়, ঠিক যেমন সৌভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে তার কবরের পিছনে আগুন লাগানো অপছন্দনীয়।

وفي مرقاة المفاتيح:

ويكره كل ما لم يعهد من السنة، والمعهود منها ليس إلا زيارتها والدعاء عندها قائما، كما كان يفعل رسول الله صلي الله عليه وسلم في الخروج إلى البقيع، ...... ولا يكره دوسه لحاجة كحفر أو قراءة عليه أو زيارة، ولو لأجنبي للاتباع، صححه ابن حبان، ولأنه مع الحاجة ليس فيه انتهاك حرمة الميت بخلافه مع عدم الحاجة، هذا كله قبل البلى، أما بعده فلا حرمة ولا كراهة مطلقا لعدم احترامه أيضًا إھ. وفي اعتبار الحاجة لغير الحفر نظر ظاهر، وكذا فى تقييده بما قبل البلى لمعارضته ظاهر النصوص.(كتاب الجنائز، باب دفن الميت، الفصل الأول: 4/178، 179، رشيدية)

মর্মার্থঃ-
এক্ষেত্রে এমন সব কিছু মাকরুহ, যা সুন্নাতের অংশ নয়,এক্ষেত্রে যাহা অনুমোদিত,  তা হল কেবল সেখানে যিয়ারত করা এবং দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করা, যেমন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল-বাক্বীতে যাওয়ার সময় করতেন, ... এবং তিনি খনন বা তেলাওয়াতের মতো প্রয়োজনে সেখানে পা রাখা অপছন্দ করেন না।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে কবরস্থানের উপর এভাবে ঐগুলো পুড়ানো যাবেনা।

যদি পুড়ানোর মতো আর কোনো জায়গা না থাকে,সেক্ষেত্রে উক্ত কবরস্থানের কোনো একটি কর্নারে যেখানে কোনো কবর নেই,সেখানে বিশেষ প্রয়োজনে পুড়ানো যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...