বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী প্রতি ওয়াক্তের জন্য একবার অজু করবে। ঐ অজু দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়বে। ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত নফল সকল প্রকার নামায পড়তে পারবে।ফরয ওয়াক্ত যখন চলে যাবে তখন পূর্বের হাদাস থাকলে অজুও চলে যাবে। সুতরাং যেহেতু এশার ওয়াক্ত চলে যাওয়ার সাথে সাথে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাই এশার সময়ের অজু বা তাহাজ্জুদ পড়ার নিমিত্তে অজু দ্বারা ফজর পড়া যাবে না। এবং ফজরের ওয়াক্ত যেহেতু সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই শেষ হয়ে যায়, তাই ফজরের অজু দ্বারা ইশরাকের নামায পড়া যাবে না। তবে ওয়াক্তের শুরুতে বা ওয়াক্তের আগে অজু করলে সেই অজু দ্বারা পরবর্তী ফরজ নামায পড়া যাবে।সুতরাং ইশরাকের অজু দ্বারা জোহরের নামায পড়া যাবে।
بدائع الصنائع: (27/1، ط: دار الکتب العلمیة)
(وأما) أصحاب الأعذار كالمستحاضة، وصاحب الجرح السائل، والمبطون ومن به سلس البول، ومن به رعاف دائم أو ريح، ونحو ذلك ممن لا يمضي عليه وقت صلاة إلا، ويوجد ما ابتلي به من الحدث فيه فخروج النجس من هؤلاء لا يكون حدثا في الحال ما دام وقت الصلاة قائما، حتى أن المستحاضة لو توضأت في أول الوقت فلها أن تصلي ما شاءت من الفرائض، والنوافل ما لم يخرج الوقت، وإن دام السيلان
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1609