জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ( ﺍﻟﺼَّﻼﺓُ ﺍﻟْﻤَﻜْﺘُﻮﺑَﺔُ ﻭَﺍﺟِﺒَﺔٌ ﺧَﻠْﻒَ ﻛُﻞِّ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ ﺑَﺮًّﺍ ﻛَﺎﻥَ ﺃَﻭْ ﻓَﺎﺟِﺮًﺍ ﻭَﺇِﻥْ ﻋَﻤِﻞَ ﺍﻟْﻜَﺒَﺎﺋِﺮَ )
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, ওয়াক্তিয়া ফরয নামায ইমামের পিছনে জামাতের সাথে পড়া ওয়াজিব।চায় ইমাম নেককার হোক বা বদকার হোক।এবং চায় উক্ত ইমাম কবিরাহ গুনাহ করে থাকুক না কেন।
সুনানে আবু-দাউদ;৫৯৪
,
بل مشی في شرح المنیۃ: علی أن کراہۃ تقدیمہ کراہۃ تحریم لما ذکرنا۔ (شامي ۱؍۵۶۰ کراچی، شامي ۲؍۲۹۹ زکریا)
وتجوز إمامۃ الأعرابي … والفاسق کذا في الخلاصۃ إلا أنہا تکرہ۔ (الفتاویٰ الہندیۃ ۱؍۸۵، شامي ۲؍۲۹۸ زکریا)
সারমর্মঃ ফাসেক ব্যাক্তিকে ইমাম বানানো মাকরুহ।
إمامۃ الفاسق مکروہۃ تحریماً۔ (طحطاوي علی المراقي الفلاح ۳۰۳، شامي ۲؍۲۹۹ زکریا، حلبي کبیر ۵۱۳ لاہور، الفتاویٰ الہندیۃ ۱؍۸۵ کوئٹہ)
ফাসেক ব্যাক্তির ইমামতি মাকরুহে তাহরিমি।
ولو صلی خلف مبتدع أو فاسق فہو محرز ثواب الجماعۃ لکن لاینال مثل ما ینال خلف تقي۔ (الفتاویٰ الہندیۃ ۱؍۸۴، الفتاویٰ التاتارخانیۃ ۲؍۲۵۲ رقم: ۲۳۳۵ زکریا)
সারমর্মঃ বিদআত কারী,ফাসেকের পিছনে নামাজ পড়লে সে জামাআতের সাথে নামাজ পড়ার ছওয়াব পাবে,তবে মুত্তাকি ইমামের পিছনে নামাজ পড়ার ছওয়াব পাবেনা ।
আরো জানুনঃ-
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
(০১)
ইমামের নামাজ আদায় না হলে মুক্তাদীদের নামাজ আদায় হবে না।
তবে ইমামের নামাজ কবুল না হলে মুক্তাদির নামাজও কবুল হবে না, বিষয়টা এমন নহে।
এমন অনেক ক্ষেত্রেই হয় যে ইমামের হয়তোবা লোক দেখানোর নিয়ত ছিল, তাই আল্লাহ তা'আলা তাঁর নামাজ কবুল করেননি। কিন্তু মুক্তাদী এখলাসের সহিত নামাজ আদায় করেছে, আল্লাহ তাআলা তার নামাজ কবুল করেছেন।
(০২)
ফাসিক ব্যক্তির ইবাদত কবুল হবে কিনা বিষয়টি আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
সে যদি হালাল রিজিক ভক্ষণ করে এবং শরীয়তের সমস্ত শর্তাবলী মেনে ইবাদত করে, সেক্ষেত্রে তার ইবাদতও কবুল হতে পারে।