আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
48 views
in পবিত্রতা (Purity) by (13 points)
আসসালামু আলাইকুম,

১। আমার স্ত্রীর নেফাস পরবর্তী ইস্তেহাজা চলতেছে। এখন প্রতিদিন কয়েকফোটা হলুদ স্রাব বের হচ্ছে। এই অবস্থায় ১৫ দিন ইস্তেহাজা শেষ হবে। এখন কি ১০ দিন হায়েজ ধরবো?
২। স্রাব বন্ধ হলেই কি হায়েজ শেষ হয়েছে ধরবো? যদি ৩ দিনের আগেই স্রাব বন্ধ হয় তাহলে কি ঐ নামাজ কাজা পড়োতে হবে?

৩। ঔষুধ খাওয়ার কারনে স্রাব বন্ধ হলে কি হায়েজ শেষ হয়েছে ধরবো?

৪। হায়েজ কোন ওয়াক্ত থেকে ধরতে হবে? আমার স্ত্রীর ডেলিভারি হয়েছে দুপুর ১ টায়, যোহরের ওয়াক্তে। হায়েজ এবং পরিত্রতা কি যোহর থেকেই হিসাব হবে?

1 Answer

0 votes
by (754,770 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ.
«الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭,কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) এই অবস্থায় ১৫ দিন ইস্তেহাজা শেষে পূর্বের আদত অনুযায়ী হায়েয গণনা করবেন।

(২) স্রাব বন্ধ হলেই হায়েজ শেষ হয়েছে ধরে নিতে হবে। যদি ৩ দিনের আগেই স্রাব বন্ধ হয়, তাহলে ইস্তেহাযা ধরে নিতে হবে। 

(৩) ঔষুধ খাওয়ার কারনে স্রাব বন্ধ হলে হায়েজ শেষ হয়েছে ধরে নিতে হবে।

(৪) আসর থেকে নেফাস ধরবেন।এবং  পরিত্রতা  যোহর থেকেই হিসাব করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
আসসালামু আলাইকুম, ইস্তেহাজার ১৫ দিন শেষ হওয়ার পর, ১৬ তম দিন থেকে হায়েজ হিসাব করে নামাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ১৬ এবং ১৭ তম দিন ব্লিডীং হয়েছে। ১৮ তম দিন থেকে ব্লাড বন্ধ রয়েছে।

১। ১৬ এবং ১৭ তম  এই ২ দিন কি ইস্তেহাজা হিসেবে গন্য হবে? নামাজ কাজা পড়বে? 

২। এই ২ দিন ইস্তেহাজা হলে, গোসল ফরজ হবে?

৩। কতটুকু সময় ব্লাড যাওয়া বন্ধ থাকলে ধরে নিবো যে হায়েজ বন্ধ হয়েছে?

৪। যদি ২-৩ দিন পর আবার ব্লাড আসে তাহলে কি ১৬ তম দিন থেকে সম্পুর্ন সময়টুকুই হায়েজ হিসেবে গন্য হবে? 
by (754,770 points)
১। ১৬ এবং ১৭ তম  এই ২ দিন ইস্তেহাজা হিসেবে গন্য হবে। নামাজ কাজা পড়া লাগবে। 

২। এই ২ দিন ইস্তেহাজা তাই গোসল ফরজ হবে না। 

৩। এক ওয়াক্ত নামাযের সময় পরিমাণ সময় ব্লাড যাওয়া বন্ধ থাকলে ধরে নিবেন যে হায়েজ বন্ধ হয়েছে।

৪। যদি ২-৩ দিন পর আবার ব্লাড আসে তাহলে  যে দিন থেকে তিনদিন তিনরাত রক্তস্রাব হবে, সেই দিন থেকে হায়েয গণনা করবেন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 140 views
...