আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (62 points)
উস্তাজ, ১ ও ২ ৩ ৪ নম্বর দিয়ে যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে, সেগুলোর উত্তর কষ্ট করে  ১ ২ ৩ ৪ দিয়ে তারপর  দিলে ভালো হবে   ইন শা আল্লাহ  ।

উস্তাদ, আমার  প্রশ্ন আছে।
অনেক সময় এমন হয় ;কোনো পরিস্থিতিতে না পড়ার জন্য বা কোনো কাজে  যুক্ত না হওয়ার জন্য আমরা মানুষ  কারণ উল্লেখ করি। সেই কারণগুলো বাস্তব ও সত্য হয়, কিন্তু প্রকৃত বা মূল কারণ সেগুলো নয়। তবুও যেন অপর পক্ষ কষ্ট না পায় বা খারাপ কিছু মনে না করে;এই উদ্দেশ্যে মানুষ সেই কারণগুলোই সামনে তুলে ধরে
যেমন:
আমি একটি অরাজনৈতিক দাওয়াতি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে এখনো পূর্ণভাবে যুক্ত হইনি। এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। তার মধ্যে একটি হলো;তারা যেহেতু ডোনেশন গ্রহণ করে, সেখানে হারাম আয়ের অর্থ প্রবেশ করে কি না, সে বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে তারা অনলাইনেও ফান্ড সংগ্রহ করে। এ ক্ষেত্রে তারা আদৌ সব জায়গায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় কি না যে, কেউ যেন হারাম আয়ের অর্থ দান না করে;তা আমি নিশ্চিত নই আর ফেসবুকে সরাসরি কোনো পোস্ট দেখে  ডোনেশন মানুষ  দিলে, কে হালাল আয় থেকে দিল আর কে হারাম আয় থেকে দিল ;এটা বোঝা কঠিন।

এই বিষয়টি ছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে, যা নিয়ে আমি এখনো পরিষ্কার নই। বর্তমানে আমি একজন মাদরাসার ছাত্র। এই মুহূর্তে আমি তাদের সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত হতে চাই না। কারণ তাদের কিছু ইলমি পাঠচক্র আছে। যদি আমি তাদের সঙ্গে কাজ করি, তাহলে তারা হয়তো সেগুলোতেও অংশ নিতে বলতে পারে। আমি এটা দাবী করছি না যে  তাদের  আকিদা সম্পূর্ণ সঠিক  না বা তাদের পাঠচক্রগুলো পুরোপুরি সহিহ  না। তবে তারা আলিম নন, আর আমার নিজেরও ইলম সীমিত। ফলে তাদের কথা , তা সঠিক না ভুল;অনেক সময়েই এটা যাচাই করা আমার জন্য কঠিন হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই আমি এখনই পূর্ণভাবে যুক্ত হতে চাইনি। তবে তাদের দাওয়াতি কাজে আমি সাহায্য করি।

এখন আমার প্রশ্ন হলো:
আমি আমাদের মাদরাসায় এবং অন্য একটি সেক্টরে দাওয়াতি কাজ করি। যখন তারা আমাকে তাদের সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত হওয়ার কথা বলে, তখন আমি তাদের মাদরাসার পড়াশোনার চাপের কথা বলেছি। পাশাপাশি আরও এক বা একাধিক কারণ উল্লেখ করেছি। এই কারণগুলো বাস্তবেই সত্য। তবে মূল কারণ ছিল উপরের উল্লেখিত দুইটি বিষয়। যদি এই দুইটি কারণ না থাকে , তাহলে তাদের সঙ্গে থাকা আমার জন্য কিছুটা  কষ্টকর হলেও আমি থাকতে চাই  ।

১}আমি এই কারণগুলো তাদের এই ভয়ে বলিনি যে, তারা কষ্ট পাবে বা খারাপ মনে করবে। তাহলে কি এভাবে কথা বলা মিথ্যা বলার অন্তর্ভুক্ত হবে?
২] আমার কি গুনাহ হয়েছে এভাবে বলার কারনে ?
৩}উস্তাজ, হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ভয়েসে সালাম দিলে তাকে কি লিখে উত্তর দেওয়া যাবে?

৪}আর লিখে সালাম দিলে ভয়েসে উত্তর  দেয়া যাবে কিনা ?

1 Answer

0 votes
by (755,940 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইবরাহিম আঃ যখন নিজ কওমের শিরক দেখলেন,তখন উনার মন খারাপ হয়ে গেল,মন অসুস্থ হয়ে গেল,তখন তিনি তাদের পুজাতে যাওয়ার আহবানের প্রতিউত্তরে বললেন,আমি অসুস্থ। তারা বুঝল,তিনি শারিরিক ভাবে অসুস্থ। অথচ তিনি শারিরিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন না।এবং তিনি শারিরিক ভাবে অসুস্থতাকে উদ্দেশ্যও নেননি।উনার উদ্দেশ্য ছিল,আমি মানসিকভাবে অসুস্থ। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/5050

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) আপনি যেই কারণ উল্লেখ করেছেন, যেহেতু এটাও একটি কারণ ছিলো,যদিও সেটা মূল কারণ নয়, তাই আপনার উপরোক্ত বর্ণনার কারণে আপনি মিথ্যুক হবেন না।
(২) এভাবে বলার জন্য আপনার কোনো গোনাহ হয়নি।
(৩) হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ভয়েসে সালাম দিলে সেই সালামের জবাব ওয়াজিব কি না? তা নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও বিশুদ্ধ মতানুসারে জবাব দেওয়া ওয়াজিব।   ভয়েসে সালামের জবাব ভয়েসে দেয়া ওয়াজিব।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/77094

(৪) লিখিত সালামের জবাব মুখে দেওয়া এবং লিখিত দেওয়া ওয়াজিব।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...