উস্তাজ, ১ ও ২ ৩ ৪ নম্বর দিয়ে যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে, সেগুলোর উত্তর কষ্ট করে ১ ২ ৩ ৪ দিয়ে তারপর দিলে ভালো হবে ইন শা আল্লাহ ।
উস্তাদ, আমার প্রশ্ন আছে।
অনেক সময় এমন হয় ;কোনো পরিস্থিতিতে না পড়ার জন্য বা কোনো কাজে যুক্ত না হওয়ার জন্য আমরা মানুষ কারণ উল্লেখ করি। সেই কারণগুলো বাস্তব ও সত্য হয়, কিন্তু প্রকৃত বা মূল কারণ সেগুলো নয়। তবুও যেন অপর পক্ষ কষ্ট না পায় বা খারাপ কিছু মনে না করে;এই উদ্দেশ্যে মানুষ সেই কারণগুলোই সামনে তুলে ধরে
যেমন:
আমি একটি অরাজনৈতিক দাওয়াতি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে এখনো পূর্ণভাবে যুক্ত হইনি। এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। তার মধ্যে একটি হলো;তারা যেহেতু ডোনেশন গ্রহণ করে, সেখানে হারাম আয়ের অর্থ প্রবেশ করে কি না, সে বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে তারা অনলাইনেও ফান্ড সংগ্রহ করে। এ ক্ষেত্রে তারা আদৌ সব জায়গায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় কি না যে, কেউ যেন হারাম আয়ের অর্থ দান না করে;তা আমি নিশ্চিত নই আর ফেসবুকে সরাসরি কোনো পোস্ট দেখে ডোনেশন মানুষ দিলে, কে হালাল আয় থেকে দিল আর কে হারাম আয় থেকে দিল ;এটা বোঝা কঠিন।
এই বিষয়টি ছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে, যা নিয়ে আমি এখনো পরিষ্কার নই। বর্তমানে আমি একজন মাদরাসার ছাত্র। এই মুহূর্তে আমি তাদের সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত হতে চাই না। কারণ তাদের কিছু ইলমি পাঠচক্র আছে। যদি আমি তাদের সঙ্গে কাজ করি, তাহলে তারা হয়তো সেগুলোতেও অংশ নিতে বলতে পারে। আমি এটা দাবী করছি না যে তাদের আকিদা সম্পূর্ণ সঠিক না বা তাদের পাঠচক্রগুলো পুরোপুরি সহিহ না। তবে তারা আলিম নন, আর আমার নিজেরও ইলম সীমিত। ফলে তাদের কথা , তা সঠিক না ভুল;অনেক সময়েই এটা যাচাই করা আমার জন্য কঠিন হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই আমি এখনই পূর্ণভাবে যুক্ত হতে চাইনি। তবে তাদের দাওয়াতি কাজে আমি সাহায্য করি।
এখন আমার প্রশ্ন হলো:
আমি আমাদের মাদরাসায় এবং অন্য একটি সেক্টরে দাওয়াতি কাজ করি। যখন তারা আমাকে তাদের সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত হওয়ার কথা বলে, তখন আমি তাদের মাদরাসার পড়াশোনার চাপের কথা বলেছি। পাশাপাশি আরও এক বা একাধিক কারণ উল্লেখ করেছি। এই কারণগুলো বাস্তবেই সত্য। তবে মূল কারণ ছিল উপরের উল্লেখিত দুইটি বিষয়। যদি এই দুইটি কারণ না থাকে , তাহলে তাদের সঙ্গে থাকা আমার জন্য কিছুটা কষ্টকর হলেও আমি থাকতে চাই ।
১}আমি এই কারণগুলো তাদের এই ভয়ে বলিনি যে, তারা কষ্ট পাবে বা খারাপ মনে করবে। তাহলে কি এভাবে কথা বলা মিথ্যা বলার অন্তর্ভুক্ত হবে?
২] আমার কি গুনাহ হয়েছে এভাবে বলার কারনে ?
৩}উস্তাজ, হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ভয়েসে সালাম দিলে তাকে কি লিখে উত্তর দেওয়া যাবে?
৪}আর লিখে সালাম দিলে ভয়েসে উত্তর দেয়া যাবে কিনা ?