আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
36 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (1 point)
আসসালামুয়ালাইকুম, আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম এর সম্পর্কে জরিয়ে পরি। আমি তখন সদ্য দ্বীনের পথে আসি তাই হারাম সম্পর্কে থাকতে চাচ্ছিলাম না তাই আমাদের প্রায় কথা হতো না আমরা হারাম থেকে বাঁচার অনেক চেষ্টা করি এমন করে আমাদের ৯ মাস সম্পর্কের হয় । আমরা হারাম থেকে বাঁচতে না পারায় সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করার তখন পরিবারকে জানানোর মতো অবস্থা ছিলো না তাই পরিবারকে না জানিয়ে একজন পুরুষ ও এক একজন নারী সাক্ষী নিয়ে ফাতেমা দেনমোহর এ বিয়ে করি । আমার বয়স তখন ১৭+ আর আমার স্বামীর ১৮ + । বিয়ের ৩ মাস এর মাথায় আমার মা আর বড় বোন এ বিষয়ে জানতে পারেন অনেক কষ্ট পান আস্তে আস্তে মেনে নেন আমার মা কিন্তু বোন না । দিন যায় অনেক কিছু আমায় সহ্য করে যেতে হচ্ছে। আমার বাবা এই বিষয়ে এখনো কিছু জানেনা । কয়েদিন আগে হারাম সম্পর্ক ভেবে ওর সাথে , এই নিয়ে অনেক ঝামেলা হয় ওর সাথে কোনোভাবেই আমার বিয়ে দিবেন না এমন কথা বলেন কিন্তু আমি তো বিয়ে করে ফেলেছি।  আমাদের মাঝে এখনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি । আমাকে মাঝে-মাঝে  খুব ভাবায় আমার কি সত্যিই বিয়েটা হয়েছে নাকি শয়তান নেক সুরতে আমাকে জঘন্য যেনায় লিপ্ত করলো আল্লাহু আলাম । বিয়ের আগে ও যেমন ছিলো বিয়ের পর কেমন যেনো বদলে গেছে আমার কাছে লাগে আল্লাহু আলাম। ওর সাথে যদি পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়  সবাই ভাববে হারাম সম্পর্ক করে বিয়ে করেছি। আমি নামাজ পর্দা করি আলহামদুলিল্লাহ কিন্তু আমি চাইনাদরখাস্ত আমার বিয়ের মাঝে ১০ জন পাক্কা দ্বীনি বোন কথা শুনোক বা দ্বীন নিয়ে কোনো বাজে মন্তব্য হক আমার জন্য, যে পর্দার নিচে শয়তানি ইত্যাদি। অনেক পেরেশানির মাঝে আছি । আমার কী করা উচিত। আমি এগুলো লিখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমার জন্য সহায়ক হন আমিন। আপনার পরামর্শে উপকৃত হতাম ইনশাআল্লাহ। দোয়ার দরখাস্ত।

1 Answer

0 votes
by (755,490 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য ইজাব কবুল হওয়া শর্ত।
لما في الفتاوي الهندية ج ١- ص:٢٧٠
ينعقد بالإيجاب والقبول وضعا للمضي أو وضع أحدهما للمضي والآخر لغيره مستقبلا كان كالأمر أو حالا كالمضارع،
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/79209

আল্লামা হাসক্বফী রা বলেনঃ 
(وَ) شُرِطَ (حُضُورُ) شَاهِدَيْنِ(حُرَّيْنِ) أَوْ حُرٌّ وَحُرَّتَيْن (مُكَلَّفَيْنِ سَامِعَيْنِ قَوْلَهُمَا مَعًا)
 দুজন স্বাধীন পুরুষ অথবা একজন স্বাধীন পুরুষ ও দুজন স্বাধীন মহিলা সাক্ষী হিসেবে  উপস্থিত থাকতে হবে,যারা শরীয়তের বিধি-বিধান পালনে দায়বদ্ধ থাকবে,এবং একসাথে উভয় (স্বামী-স্ত্রী) র ইজাব-কবুল শ্রবণ করবে।(আদ্দুরুল মুখতার-৩/২২)

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে বর্ণিত আছে....
(ومنها) سماع الشاهدين كلامهما معا هكذا في فتح القدير فلا ينعقد بشهادة نائمين إذا لم يسمعا كلام العاقدين، 
দুনু সাক্ষীকে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ইজাব-কবুল শুনতে হবে,(ফাতহুল ক্বাদীর)সুতরাং না শুনার ধরুণ ঘুমন্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য দ্বারা বিবাহ সংগঠিত হবে না।(১/২৬৮;)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2679


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
শরয়ী সাক্ষী তথা দুইজন পুরুষ বা একজন পুরুষ এবং দুইজন নারী ব্যতিত বিয়ে সংগঠিত হবে না। সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত সূরতে যেহেতু একজন একজন পুরুষ এবং একজন মহিলার সাক্ষীতে বিয়ে সংগঠিত হয়েছে, তাই বিয়ে সংগঠিত হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (1 point)
আমি হানাফী মাযহাবের অনুসারী। আমার কি তাহলে বিয়ে হয়নি। শয়তান কি নেক সুরতে আমাকে জঘন্য যেনায় লিপ্ত করেছে আল্লাহুম্মা মাগফিরলি । আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন কেন একজন পুরুষ ও  একজন নারী সাক্ষী নিয়ে দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে হয়না। আমি খুব বেশি দুশ্চিন্তা আছি দয়া করে জানাবেন।
by (755,490 points)
শরয়ী সাক্ষী হল, কমপক্ষে দুইজন পুরুষ বা একজন পুরুষ এবং দুইজন নারী সাক্ষী হিসেবে থাকতে হবে।নতুবা সাক্ষী গ্রহণযোগ্য হবে না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...