আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
72 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (3 points)
assalamualaikum wa rohmatullahi wa barokatuh

সম্মানিত শায়েখ,

১.রোজা রেখে দিনের অর্ধেকের বেশি সুয়ে থাকলে কি কোনো সমস্যা হবে?

(ক্লান্তির জন্য নয়)।
২. সালাতের শেষে ডান দিকে পুরো সালাম এবং বাম দিকে"ওয়া বারকাতুহ" না বলা কি সুন্নাহ?

৩."আল্লহুম্মা ইন্নি আ'য়ুজুবিকা মিন আযাবীল কাবর..........." দুয়াটাকি শুধু নফল সালাতের শেষে পড়া রসুলুল্লাহ(সা.) সুন্নাহ  নাকি সব সালাতের শেষে পড়া যাবে?

৪.কোমো আলেম/আলেমার সম্পর্কে মনে অসম্মান সূচক কিছু আসলে কি কোনো সমস্যা হবে?

৫.কোনো কোর্সে এনরোন করলে পুরো কোর্স ঠিকঠাক মতো সম্পন্ন করা কি ওই কোর্সের হক্ব? না করলে পাপ হবে?

1 Answer

0 votes
by (770,190 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

وَعَنْهَا، رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ العَشْرُ الأَوَاخِرُ مِنْ رَمَضَانَ، أَحْيَا اللَّيْلَ، وَأَيْقَظَ أَهْلَهُ، وَجَدَّ وَشَدَّ المِئزَرَ. متفقٌ عَلَيْهِ

উক্ত রাবী (আয়েশা) রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং কোমরে লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।’

(বুখারী,মুসলিম ১১৭৪, তিরমিযী ৭৯৬, নাসায়ী ১৬৩৯, আবূ দাউদ ১৩৭৬, ২৩৮৬৯, ইবনু মাজাহ ১৭৬৭, ১৭৬৮, ২৩৬১১, ২৩৮৫৬, ২৪৩৯২, ২৫৬৫৬)

রোজা রেখে কেউ যদি অতিরিক্ত ঘুমায় তাহলে তার রোজা নষ্ট হবে না। তবে রমজান মুমিন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। তাই একজন মুমিনের উচিত, রমজানের বরকতময় সময়কে কাজে লাগানো। বিশেষ করে অতিরিক্ত ঘুম যেন ফরজ ইবাদত যেমন- নামাজ থেকে দূরে না রাখে।

হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

مَا أَتَى عَلَى الْمُسْلِمِينَ شَهْرٌ خَيْرٌ لَهُمْ مِنْ رَمَضَانَ، وَلَا أَتَى عَلَى الْمُنَافِقِينَ شَهْرٌ شَرٌّ لَهُمْ مِنْ رَمَضَانَ، وَذَلِكَ لِمَا يُعِدُّ الْمُؤْمِنُونَ فِيهِ مِنَ الْقُوَّةِ لِلْعِبَادَةِ، وَمَا يُعِد فِيهِ الْمُنَافِقُونَ مِنْ غَفَلَاتِ النَّاسِ وَعَوْرَاتِهِمْ، هُوَ غنْم الْمُؤْمِن يَغْتَنِمُهُ الْفَاجِرُ

মুসলমানদের জন্য রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসে নি এবং মুনাফিকদের জন্য রমজান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসে নি। কেননা মুমিনগণ এ মাসে (গোটা বছরের জন্য) ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মুনাফিকরা তাতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনীমত আর মুনাফিকের জন্য ক্ষতির কারণ। (মুসনাদে আহমাদ ৮৩৬৮; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা ৮৯৬৮)
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
রোজা অবস্থায় এভাবে ঘুমানো যাবে। এতে রোজা ভেঙ্গে যাবে না।

তবে রমজান মাস হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে রমজান মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা বিবেচনা করে বেশি না ঘুমিয়ে ইবাদত বন্দেগীতে সময় পার করা চাই।
,
আরো জানুনঃ

(০২)
উভয় দিকেই শুধুমাত্র আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলবেন।

(০৩)
সব সালাতের শেষে (সালাম ফিরানোর পর) পড়া যাবে।

(০৪)
গালিগালাজ না করলে সমস্যা হবে না।

(০৫)
হ্যাঁ, এটি হক।

বিনা ওযরে কোর্স সম্পন্ন না করা চুক্তির খেলাফ হওয়ায় গুনাহ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...