বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।
مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ هَمَّامٍ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ يُشِيرُ أَحَدُكُمْ عَلَى أَخِيهِ بِالسِّلاَحِ فَإِنَّهُ لاَ يَدْرِي لَعَلَّ الشَّيْطَانَ يَنْزِعُ فِي يَدِهِ فَيَقَعُ فِي حُفْرَةٍ مِنْ النَّارِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার অন্য কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উঠিয়ে ইশারা না করে। কারণ সে জানে না হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে (এক মুসলিমকে হত্যার কারণে) সে জাহান্নামের গর্তে পতিত হবে। [সহীহ বোখারী-৭০৭২, সহীহ মুসলিম ৪৫/৩৫, হাঃ ২৬১৭]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মুসলমান ভাইয়ের দিকে অস্ত্র তাক করে ভয় দেখানো বা ইংগিত করা নিষেধ। গোনাহের সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান। হাদীসে গোনাহের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। নিশ্চিত গোনাহ হবে বিষয়টা এমন নয়। কাজেই প্রশ্নের বিবরণমতে গোনাহ হয়নি। তবে সম্ভাবনা বিদ্যমান হওয়ার দরুণ ভবিষ্যতে এত্থেকে বেচে থাকার সমূহ চেষ্টা করতে হবে।