আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
17 views
in পবিত্রতা (Purity) by (49 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহ মাতুল্লহি ওয়াবারকাতুহ।

উস্তাদ পিরিয়ড বিষয়ে জিজ্ঞাসা ছিলো।

আমি একজন ইস্তেহাজার রোগী।কিছু দিন পর পর আমি পিরিয়ডের ডেট ছাড়াও সাদাস্রাবের সাথে হাল্কা রক্তপাত দেখি।যেটা অল্প কিছু সময়ের জন্য থাকে।পরে আবার ঠিক হয়ে যায়।এভাবে দিনের মধ্যে কয়েকবারও হয়।কিন্তু গত ৩০/১২/২০২৫ তারিখের আগে প্রায় এক মাস যাবত আমি এই সমস্যা থেকে একদম মুক্ত ছিলাম।তখন আবার এই মাস পর গত ৩০/১২/২০২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ১১:৩০-১২:০০টার মধ্যে সাদাস্রাবের সাথে হাল্কা সাদাস্রাব থেকে ভিন্ন রঙের কিনা সিউর বলতে পারিনা এমন রঙের একটু স্রাব দেখতে পাই।যেটা আসলে সাদা নাকি অন্য রং আমি এই ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দিহান।আমি অনেক ভাবে দেখার চেষ্টা করেও সিউর হতে পারিনি এটা কি রক্তস্রাব নাকি স্বাভাবিক সাদাস্রাব।পরে আমি তার কয়েক ঘন্টা পর আবার কয়েকবার চেক করে দেখেছি যে এটা আসলে অন্য রঙের কিনা।কিন্তু আমি সিউর হতে পারছিলাম না।যখন আমার কাছে বেশির ভাগ ধারণা হচ্ছিলো এটা স্বাভাবিক রং তখন আমি সেই ধারণা মোতাবেক স্বাভাবিক ভাবেই নামায পড়ে গেছি।এরমধ্যে এতো গুলো দিন আর কোন অস্বাভাবিক লাগার মতো সাদাস্রাবের রঙ দেখিনি।সেই ৩০/১২/২০২৫ তারিখের পর আজ ৯/১/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮:৪৫ এ একদম স্বাভাবিক ভাবে পিরিয়ডের মতো ব্লেডিং দেখতে পাচ্ছি। এখন যেহেতু ৩০/১২/২০২৫ তারিখ সকাল ১১:৩০মিনিট থেকে আজ ৯/১/২০২৬ তারিখ সকাল ৮:৪৫ মিনিট পর্যন্ত টোটাল ১০ দিন ১০ রাত পূর্ণ হয়নি সেহেতু আমি বুঝতে পারছিনা আজকের টা পিরিয়ড নাকি ৩০/১২/২০২৫ তারিখের টা পিরিয়ড?তাছাড়া ৩০/১২/২০২৫ তারিখের যে স্রাব টা দেখেছি ওই স্রাবের রঙ নিয়েও আমি সন্দিহান।কারণ ওই স্রাব টা কি সাদা ছিল নাকি অন্য রঙের ছিলো সেটাও আমি সিউর বলতে পারছিনা।এখন আমি কি করবো?আগের টাকে পিরিয়ড ধরে এখন ফরয গোসল করে নামায পড়বো? নাকি আজকে যে স্বাভাবিক পিরিয়ডের মতো ব্লেডিং হচ্ছে এটা কে পিরিয়ড ধরবো??

1 Answer

0 votes
by (754,830 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮, কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। একাধিকবার পড়েও আমরা পরিপূর্ণ মর্মার্থ অনুধাবন করতে সক্ষম হইনি। যতটুকু বুঝতে সক্ষম হয়েছি, সেই আলোকে বলছি। যেহেতু ৩০/১২ তারিখের স্রাবকে রক্তস্রাব মনে হয়নি, তাই সেটাকে সাদাস্রাব বিবেচনা করা হবে। তবে ৯/১ /২৬ তারিখের স্রাবকে যেহেতু রক্তস্রাব মনে করা হয়েছে, এখন তা যদি ৩দিন ৩রাত স্থায়ী হয়, তাহলে সেটাকে হায়েয বিবেচনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 142 views
...