আসসালামু আলাইকুম।
১. আরবী ক্যালিগ্রাফি করা কি বৈধ? এমনি খাতায় নিজের একটু ভালো লাগার জন্য করা যাবে কি? আরবী ক্যালিগ্রাফি করে বাঁধাই করে দেয়ালে রাখা যাবে কি? কুরআনের আয়াত বা কোনো আরবি শব্দ, আল্লাহর নাম নিজে হাতে ক্যালিগ্রাফি করা যাবে কি?
২. কারো অনুমতি না নিয়ে তার জিনিস নেওয়া নিষেধ। কিন্তু রুম্মেট এর সাথে সবসময় থাকি। একসাথে মিলে মিশে সবকিছু করি। তখন মাঝে মধ্যে টুকটাক অনেক কিছুই না বলে ব্যবহার করা হয়ে যায়। যদিও সে আগেও অনেকবার বলেছে যে তার এগুলা জিনিস যখন ইচ্ছা আমি ব্যবহার করতে পারি বারবার তার পারমিশন নিতে হবে না। এক্ষেত্রে করণীয় কি? আমিও আমার জিনিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাকে বলেছি যখন ইচ্ছা নিতে আমাকে বলা লাগবে না বারবার যেহুতু একসাথেই থাকি মিলেমিশে।
৩. হয়তো জীবনে চলার পথে অনেকের ছোট-বড় হক নষ্ট করেছি বুঝে, না বুঝে, জেনে - না জেনে। কিন্তু এখন তো সবকিছু মনে নেই। আল্লাহর কাছে খাস দিলে তওবা করলে আল্লাহ কি মাফ করে দিবেন ? সবার হক তো আদায় করা সম্ভব না এখন কারণ মনেও নেই কার কি হক নষ্ট করেছি আমি ছোট থেকে আজ অবধি। আমার আশেপাশে যারা আছে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু আরো কতজন আছে তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে সাবধান থাকব ইং শা আল্লাহ তাও ভুল হয়ে যেতে পারে। কী করব এখন? কী করলে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিবেন?
৪. ঋণ এর পাপ মৃত্যুর পরেও শাস্তি ভোগ করতে হয়। এখন আমরা দৈনন্দিন চলার সময় অনেক কাজে কারো থেকে সাহায্য নিয়ে থাকি , বলি যে কালকে/ পরে দিয়ে দিব ইং শা আল্লাহ। এখন কাল আসার আগেই আমার মৃত্যু হলে আল্লাহ আমাকে কি ক্ষমা করবেন না? বেঁচে থাকলে আমি অবশ্যই তার পাওনা যত দ্রুত সম্ভব দিয়ে দিতাম এই নিয়ত করেই কথা দিয়ে তার থেকে টাকা বা অন্য কিছু সাহায্য নেই। কিন্তু মৃত্যু তো অনিশ্চিত। এই ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন।
এই বিষয়গুলো নিয়ে খুব চিন্তিত আমি। টেনশনে কোন কাজ করতে পারিনা ভয় লাগে সবসময় অনেক। আমার জন্য দোয়া রাখবেন উস্তাদ। আল্লাহ যেন আমাকে হেদায়েতের পথে অটুট রাখে, জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য আমাকে কবুল করেন।
জাজকুমুল্লাহু খায়রান