জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
https://www.ifatwa.info/10962 ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
শুকরিয়া আদায় মূলক সেজদা জায়েয। এটা রাসূলুল্লাহ সা. থেকে প্রমাণিত রয়েছে। এতে সমস্ত উলামায়ে কেরাম একমত ।
নামায ব্যতীত সেজদা করা ও সেজদায় দু'আ করা, বাহ্যিক দৃষ্টিতে এতে কোনো সমস্যা মনে হচ্ছে না। তবে নিয়মিত না করাই উত্তম।এবং সুন্নাত মনে না করাই উচিৎ।(এমদাদুল ফাতাওয়া, ১/৬৪০)
তবে শুকরিয়া আদায় মূলক নফল নামায, এ নামাযের বৈধতা নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
শুকরিয়ার নামায নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতপার্থক্য বিদমান রয়েছে,যারা বৈধতার পক্ষে রয়েছেন,তারা নিম্নোক্ত হাদীসকে দলীল হিসেবে পেশ করে থাকেন।
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
ما رواه ابن ماجه (1391) من طريق سَلَمَة بْن رَجَاءٍ حَدَّثَتْنِي شَعْثَاءُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رضي الله عنه (أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى يَوْمَ بُشِّرَ بِرَأْسِ أَبِي جَهْلٍ رَكْعَتَيْنِ) .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ জাহলের শিরশ্ছেদের সুসংবাদ প্রাপ্তি দিবসে দু' রাকআত শোকরানা সালাত (নামায/নামাজ) পড়েন।(সুনানে ইবনে মা'জা-১৩৯১)
শুকরিয়া আদায় করে নামায পড়া বৈধ।(কিতাবুল ফাতাওয়া- ২/৩৮৬, মাজমাউয-যাওয়ঈদ-২/২৮২)
তবে উল্লেখসংখ্যক উলামায়ে কেরাম মনে করেন যে, শুকরিয়া আদায় মূলক কোনো নামায রাসূলুল্লাহ সা. থেকে প্রমাণিত নয়। হ্যা সেজদায়ে শোকর অবশ্যই রয়েছে। সেজদায়ে শোকর দেয়া যাবে।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
যেকোনো ঘটনায় খুশি হয়ে বা যেকোনো দুআ কবুলের পর খুশি হয়ে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া যাবে।
(০২)
আল্লাহ তাআলা যদি আপনার দোয়া কবুল করেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই দ্রুত বিবাহ হবে।
এক্ষেত্রে শুকরিয়া আদায় করা বান্দার জন্য কর্তব্য।
৪) এরকম হাদীস খুজে পাইনি।
৫) এক্ষেত্রে তো শুধু দোয়াই যথেষ্ট নয়,পাশাপাশি চেষ্টাও থাকতে হবে।
আপনি যদি আপনার অভিভাবককে প্রয়োজনের কথা না বলেন,সেক্ষেত্রে নিজে প্রাইভেট পড়িয়ে বা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে শরীয়তের গন্ডির মধ্যে থেকে উপার্জন করতে পারেন।
৬)এই দুয়া সকালে ১০০ বার করে পড়বেন।
সূর্যোদয়ের আগে পড়তে না পারলে, সকাল থাকাকালীন সময়েই (দুপুরের আগেই) পড়বেন।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال رسول الله ﷺ: «مَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، مِائَةَ مَرَّةٍ فِي يَوْمٍ، كَانَتْ لَهُ عَدْلَ عَشْرِ رِقَابٍ، وَكُتِبَتْ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ، وَمُحِيَتْ عَنْهُ مِائَةُ سَيِّئَةٍ، وَكَانَتْ لَهُ حِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ يَوْمَهُ ذَلِكَ حَتَّى يُمْسِيَ، وَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ، إِلَّا أَحَدٌ عَمِلَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ»
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি একদিনে ১০০ বার বলে—
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীর।” তার জন্য দশজন দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব লেখা হবে,তার জন্য ১০০টি নেকি লেখা হবে,তার থেকে ১০০টি গুনাহ মুছে দেওয়া হবে,সেদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সে থাকবে, শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষিত থাকবে এবং সে যে আমল করেছে তার চেয়ে উত্তম আমল কেউ করতে পারবে না, তবে সে ব্যক্তি ছাড়া, যে এর চেয়ে বেশি আমল করেছে।
( সহিহ বুখারী হাদীস নং ৩২৯৩, ৬৪০৩, সহিহ মুসলিম হাদীস নং ২৬৯১)
৭)হ্যাঁ এটি সঠিক।
এক্ষেত্রে উক্ত বিবাহে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত নাযিল হয়না।