আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
86 views
in সালাত(Prayer) by (25 points)
আমার ২০ তারিখ DNC করতে হয়ছে। বাচ্চা পেটে ছিল ১০ সপ্তাহ কিন্তু ৬ সপ্তাহ ৩ দিন পর বাচ্চার হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে তার হার্টবিট ছিল। পরবর্তী দিন গুলো অপেক্ষা করার পরে ডক্টর DNC করার কথা বলে তা না হলে মা এর ক্ষতি হবে।
এমতাবস্থায় আমার নামাজের বিধান কি?
ডক্টর বলেছেন এ মাসে ২ বার মাসিক হতে পারে। সেক্ষেত্রে তখন ২ বার ই কি মাসিক ধরর নামাজ বন্ধ রাখবো?  নাকি ১৫ দিনের কম ব্যবধান হলে ইস্তেহাযা ধরে নামাজ পরবো??

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যদি চার মাস বা তার চেয়ে বেশী সময়ের পর গর্ভপাত হয় তাহলে গর্ভপাত পরবর্তী নেফাস হিসেবে গণ্য হবে।আর চার মাসের পূর্বে গর্ভপাত হলে সে রক্তকে হায়েয গণ্য করা হবে যদি তা তিনদিন বা তার চেয়ে বেশী সময় অতিবাহিত হয়।আর তিনদিনের কম বা দশদিনের বেশী সময় অতিবাহিত হলে সে রক্তকে ইস্তেহাযার রক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।(আহসানুল ফাতাওয়া-২/৭১)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1570


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি চার মাসে আগেই গর্ভপাত হয়, তাহলে ১০ দিন পর্যন্ত রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু যদি তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশী হয়, তাহলে সেটা ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। আপনার পূর্বের যত দিনের অভ্যাস ছিলো, ততদিন হায়েয হিসেবে গণ্য হবে এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
এক হায়েযের পর ১৫ দিনের পূর্ব  রক্তস্রাব হলে সেটা ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। আর ১৫ দিন পর হলে এবং তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হলে সেটা হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...