আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (9 points)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ উস্তাদ। 

১. সুব'হা- নাল্লহ (১০০) - [১০০ গোলাম আযাদের সমপরিমাণ সওয়াব]
২. আলহামদুলিল্লাহ (১০০) - [১০০ ঘোড়া সাদাকার সমপরিমাণ সওয়াব]
৩. আল্লহু আকবার (১০০) - [১০০ উট কুরবানির  সমপরিমাণ সওয়াব]
৪. আস্তাগফিরুল্লহ (১০০) - [রিজিক + মানসিক শান্তি + সমস্যা সমাধান+আরো অনেক]
৫. লা- ইলা-হা ইল্লাল্লহ (১০০) - [আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা পরিমাণ নেকি লাভ]
৬. দুরুদ (১০০) - [দোয়া কবুলের চাবিকাঠি]
৭. সুবহা-নাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী (১০০) - [সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গুনাহ মাফ]
৮. লা- হাওলা ওয়ালা- কুয়্যাতা ইল্লা- বিল্লাহ (১০০) -[জান্নাতের একটি গুপ্তধন]
৯. ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ (১০০) - [মানসিক শান্তি লাভ+ দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি+ কঠিন বিপদ দূর]
১০. লা- ইলা-হা ইল্লাল্লহু ওয়া'হদাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাই ইং ক্বদীর (১০০) -[শয়তান থেকে নিরাপত্তা+১০ কৃতদাস মুক্তি+১০০নেকি+১০০গুনাহ মাফ]
১১. সূরা ইখলাস (১০) -[জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরি]

১. সূরা ফাতিহা➡️ ৩ বার পড়লে = ২ খতম কুরআনের সওয়াব
২. সূরা নাসর➡️ ৪ বার পড়লে = ১ খতম
৩. সূরা কাফিরুন➡️ ৪ বার পড়লে = ১ খতম
৪. সূরা কদর➡️ ৪ বার পড়লে = ১ খতম
৫. সূরা যিলযাল➡️ ২ বার পড়লে = ১ খতম
৬. সূরা আদিয়াত➡️ ২ বার পড়লে = ১ খতম
৭. আয়াতুল কুরসি➡️ ৪ বার পড়লে = ১ খতম
৮. সূরা ইখলাস➡️ ৩ বার পড়লে = ১ খতম
৯. সূরা ইয়াসিন➡️ ১ বার পড়লে = ১০ খতম
 

উস্তাদ, এখানে যে আমলের যে ফজিলত গুলো দেয়া আছে, তা কি সহিহ? দয়া করে একটু প্রতিটি আমলের জন্য জানাবেন ইন শা আল্লাহ। এখানে ম্যাক্সিমাম ফজিলত গুলো বিভিন্ন হুজুরদের লেকচার থেকে সংগ্রহ করে একত্রিত করা। অনেকেই বলছে এখানে কিছু ভুল ফজিলতের কথা লিখা আছে। এজন্য সঠিকটা জানতে চাইছি উস্তাদ

১. প্রতিটির জন্য আলাদা করে সঠিক কিনা জানাবেন

২. যদি সঠিক না হয়, তাহলে সঠিক ফজিলত আসলেই আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিটির জন্য আলাদাভাবে কি কি ভাবে যাবে, কষ্ট করে জানাবেন উস্তাদ। 

 

জাজাকুমুল্লাহ খইরন ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ 

1 Answer

0 votes
by (746,550 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا " إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا "

 তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
অতীব জরুরী ও সাধারণ মাস'আলা মাসাঈল আয়ত্বে না থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনে দ্বীন-ইসলাম পালন করতে, যে সমস্ত দ্বীনি ভাই-বোন থমকে দাড়ান,এবং যাদের দ্বীনি ইলম অর্জনের কাছাকাছি কোনো নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নেই, মূলত তাদেরকে দিকনির্দেশনা দিতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস .....

মুহতারাম/মুহতারামাহ!
দ্বীনের পরিধি অনেক ব্যাপক, সকল বিষয়ে আলোচনা করা বা দিকনির্দেশনা দেওয়া স্বল্প পরিসরের এই ভার্চুয়ালি মাধ্যম দ্বারা আমাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে। চেষ্টা করলেও প্রশ্নকারীর পিপাসা মিটানো সম্ভব হবে না। প্রত্যেক বিষয়ে আমরা শুধুমাত্র সামান্য আলোকপাত করে থাকি।

উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তরের জন্য আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট উলামায় কেরামের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা আপনার জন্য কল্যাণকর হবে বলেই আমাদের ধারণা।

তাছাড়া ইলম অর্জনের জন্য সফর করা অত্যান্ত  জরুরী। এবং কষ্ট করে ইলম অর্জন করাই আমাদের  আকাবির আসলাফদের রীতি ও নীতি। এদিকেই কুরআনের এই আয়াত ইঙ্গিত দিচ্ছে,
 ۚفَلَوْلَا نَفَرَ مِن كُلِّ فِرْقَةٍ مِّنْهُمْ طَائِفَةٌ لِّيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ
তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্ব-জাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।(সূরা তাওবাহ-১২২)

সুতরাং আপনাকে বলবো, আপনি বিস্তারিত জানতে স্ব-শরীরে কোনো দারুল ইফতায় যোগাযোগ করবেন।
প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।আল্লাহ তা'আলা আপনার ইলম অর্জনের স্পৃহাকে আরো বাড়িয়ে দিক, আমীন।

প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথে নিম্নের হাদীসকে লক্ষ্য রাখবেন।
হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।
ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ 
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি।তিনি বলেন,সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো।(সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (9 points)
উস্তাদ, আমি মেয়ে মানুষ। বাইরে কোথায় যাব বলুন? মাহরম ও নেই! জানার অন্য কোনো মাধ্যম না থাকাতেই তো এখানে প্রশ্ন করা! আপনারা যদি উত্তর না জানিয়ে অন্য কোথাও যেতে বলেন, তাহলে কি করব? শিখবই বা কোথা থেকে? ভুলের মধ্যেই তো থেকে যাব! 

যারা জেনারেল লাইনের, শেখার কোনো সোর্স নেই, তাদের জন্যই তো IOM! এখন IOM যদি অন্য কোথাও যেতে বলে, এটা আসলেই আমাদের জন্য হতাশার! আমাদের শেখার মাধ্যমই তো আপনারা! 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...