আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
73 views
in পবিত্রতা (Purity) by (3 points)
শরীরের কোথাও নাপাকি লাগলে সেক্ষেত্রে তা পাক করার পদ্ধতি কী? এক্ষেত্রে কি ৩ বার করে ধোয়া বাধ্যতামূলক?

আমি মূলত তরল নাপাকির ক্ষেত্রে ১ বার এবং বীর্য বা জমাটবাধা নাপাকির ক্ষেত্রে নাপাকির চিহ্ন দূর হওয়া পর্যন্ত পানি ব্যবহার করি। ধোয়ার পর কোন ক্ষেত্রেই নাপাকির চিহ্ন নজরে পড়েনি।


পরিধেয় স্যান্ডেলও এইভাবে ধুলে হবে?

1 Answer

+1 vote
by (804,930 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শরীরের কোথাও নাপাকি লাগলে সেক্ষেত্রে তা পাক করার জন্য ৩ বার করে ধৌত করা বাধ্যতামূলক নয়।বরং তরল নাপাকির ক্ষেত্রে ১ বার এবং বীর্য বা জমাটবাধা নাপাকির ক্ষেত্রে নাপাকির চিহ্ন দূর হওয়া পর্যন্ত পানি ব্যবহার করতে হবে। একবার ধৌত করার দ্বারা যদি নাজাসত দূর হয়ে যায়, তাহলে একবার ধৌত করার দ্বারাই শরীর পবিত্র হয়ে যাবে। তবে সতর্কতামূলক তিনবার ধৌত করা উচিত ও উত্তম।

لما فى "بدائع الصنائع":
"(وأما) سائر النجاسات إذا أصابت الثوب أو البدن ونحوهما فإنها لا تزول إلا بالغسل، سواء كانت رطبة أو يابسة، وسواء كانت سائلة أو لها جرم ولو أصاب ثوبه خمر، فألقى عليها الملح، ومضى عليه من المدة مقدار ما يتخلل فيها، لم يحكم بطهارته، حتى يغسله." (ص:٨٤،ج:١،کتاب الطهارة،فصل بيان ما يقع به التطهير،ط:دار الکتب العلمية)

وفى "الفتاوى الهندية":
"وإن أصاب بدنه لا يطهر إلا بالغسل رطبا كان أو يابسا وهو مروي عن أبي حنيفة رحمه الله."(ص:٤٤،ج:١،کتاب الطہارۃ،الباب السابع في النجاسة،ط:دار الفکر،بیروت)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...