একবোনের প্রায়ই স্বলাতের মধ্যে সাদা স্রাবের কারণে ওজু ভেঙে যায় আর কখন ওজু ভাঙছে এটা সবসময় বুঝতেও পারে না। লাস্ট কিছু দিন কয়েক কয়েক রকমের পরিস্থিতি হয়েছে। প্রথমত, ১ বার ওজু করলে এক ওজুতে যোহর ও আসর আসরের সম্পূর্ণ স্বলাত আদায় করা সম্ভব হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ১ বার ওজু করলে ১ ওজুতে আসর, মাগরিবের সম্পূর্ণ স্বলাত ও এশার ফরজ স্বলাত আদায় করা সম্ভব হচ্ছে। তৃতীয়ত, ওজু করে এসে ফজরের ২ রাকাআত সুন্নাত নামাজও আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না, সুন্নাত নামাজ শেষ করার আগেই ওজু ভেঙে গেছে। চতুর্থত, ওজু করে এসে আসরের ৪ রাকাআত ফরজ স্বলাত শেষ করার আগেই ওজু ভেঙে গেছে। এমনও হয়েছে সাদাস্রাব নির্গত হওয়ার কারণে ওয়াক্তের স্বলাত কাযা হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হলো:
১। এই বোন কি মাজুর? আর যদি মাজুর হয় তাহলে সব ওয়াক্তের নামাজের জন্যই মাজুর হিসেবে গন্য হবে ? নাকি শুধু যেই ওয়াক্তের স্বলাতের সুন্নাত বা ফরজ নামাজ দিয়ে শুরু করা হয়েছিল আর নামাজের মধ্যেই ওজু ভেঙে সেই ওয়াক্তের জন্য মাজুর হিসেবে গন্য হবে?
২। যদি মাজুর না হয় তাহলে যেই ওয়াক্তের স্বলাতের সুন্নাত বা ফরজ নামাজ দিয়ে শুরু করা হয়েছিল আর নামাজের মধ্যেই ওজু ভেঙে সেই ওয়াক্তের স্বলাত কাযা করতে হবে?
৩। যদি মাজুর হিসেবে গন্য হয় তাহলে একবার ওজু করার পর ওজু না ভাঙলে পরবর্তী ওয়াক্তের স্বলাত গুলো আদায় করা যাবে? নাকি প্রতি ওয়াক্তের আগেই ওজু করতে হবে?
৪। যদি মাজুর হয় ও প্রতি ওয়াক্তের স্বলাতের আগে ওজু করা লাগলে তাহলে এক ওজুতে এতোদিন ২-৩ ওয়াক্ত আদায় করা হয়েছে এগুলো আবার আদায় করা লাগবে?
৫। যদি বাসার টিউবওয়েলের পানিতে প্রচুর আয়রণ এই পানি ব্যবহার করার ফলে হাত ও পায়ের নক হলুদ হয়ে যায়। পরিষ্কার করার পরে কয়েকদিন পর পর নখ হলুদ হয়ে যায়। আয়রণের কারণে নখ হলুদ হয়ে গেলে ওজু হবে?