আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
1,878 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (37 points)
closed by
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
উস্তাদ,
কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে তালাক দেয়ার উপযোগী হওয়া সাপেক্ষে তালাক দিতে হলে কি ঐ স্ত্রী তার স্বামীকে পবিত্র অবস্থায় তালাক দিতে হবে নাকি অপবিত্র অবস্থায় ও তালাক দেয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে, স্বামীর কোনো খোঁজখবর না থাকায় স্ত্রী কাজীর কাছে গিয়ে তালাকের কাজটি করাতে চাইছে।জাযাকল্লাহ।
closed

1 Answer

0 votes
by (796,530 points)
selected by
 
Best answer
ওয়া আলাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
তালাক প্রদান করা সম্পূর্ণ স্বামীর অধীকার। সুতরাং স্ত্রী কখনো তার স্বামীকে তালাক দিতে পারবে না।
لما فى تبیین الحقائق” الزوج إذا طلق نفسه أو طلقته هي لا تطلق المرأة لعدم إضافته إلى المحل “(تبیین الحقائق،کتاب الطلاق،ج 2،ص 208، المطبعة الكبرى الأميرية ، القاهرة)

হ্যা শরীয়ত কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্ত্রীকে নিজের উপর তালাক প্রদানের অনুমোদন দিয়েছে।যেমন,স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক প্রদানের অনুমতি প্রদান করলে,স্ত্রী নিজেকে তালাক দিতে পারবে।তাছাড়া স্বামী খোরপোষ না দিলে,স্ত্রী কাযী সাহেবের নিকট অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।কিংবা স্বামী নিখোঁজ হলে বা ধ্বজভঙ্গ হলে কোর্ট বিবাহ ভঙ্গের রায় দিতে পারবে।

স্বামীর খোঁজখবর না থাকলে স্ত্রী চার বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।চার বছর অপেক্ষার পরও যদি স্বামীর কোনো খোঁজখবর না মিলে,কোর্ট স্বামীর পক্ষ্য থেকে বিবাহ ভঙ্গ করে দিবে।স্ত্রী তালাক দিতে পারবে না।তালাক দেয়ার অধীকার স্ত্রীর নেই।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণ অনুযায়ী স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের অধীকার প্রদান করে,তাহলে তাহলে স্ত্রী নিজের উপর তালাক দিতে পারবে।আর যদি স্বামী তালাকের অধীকার প্রদান না করে থাকে,তাহলে স্ত্রী তালাক দিতে পারবে না।বরং এক্ষেত্রে স্ত্রী তালাকের দরখাস্ত কোর্টে করবে,কোর্ট বিবাহ ভঙ্গের ফয়সালা শুনাবে।হায়েয অবস্থায় তালাক প্রদান,চায় স্বামী দেউক বা স্ত্রী দেউক,মাকরুহ হবে।তবে দিলে তালাক পতিত হয়ে যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (37 points)
edited by
উস্তাদ,
১) এক্ষেত্রে স্ত্রী কাজীর মাধ্যমে  তালাক দেয়ার সময় কোনো সাক্ষী থাকা বাধ্যতামূলক কিনা? 
২) স্ত্রী হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়ে থাকলে এই হায়েয তালাক পরবর্তী সময়ের  তিন হায়েয অতিবাহিত হওয়ার মধ্যে পড়ে কিনা? এবং এই ইদ্দতের সময় কি শুধু তিন হায়েয ই নাকি আরো বেশি সময়? জাযাক আল্লাহ।



by (796,530 points)
(১) কাজীর মাধ্যমে তালাক বা এমনিতেই তালাক দিলে সাক্ষীর কোনো প্রয়োজন নাই।
(২) যে হায়েযে তালাক দেয়া হবে, সেই হায়েযকে গণ্য করা হবে না  বরং পরবর্তী তিন হায়েযকে গণ্য করা হবে।কিতাবুন-নাওয়াযিল-১০/১৪৯

by (37 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

উস্তাদ,
১) উক্ত তালাকের ক্ষেত্রে তথা তালেকে বায়েনের ক্ষেত্রে স্ত্রী কিভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার জন্য ইদ্দত পালনের নিয়ম গুলো কি হবে?। আর স্ত্রী অনেক আগে থেকেই তার বাবার বাড়িতে আছে, আর এখানে থেকেই তালাকের কাজ করেছে।  

২) স্ত্রী হায়েয অবস্থায় ই তালাক দিয়েছে  কাজীর মাধ্যমে, এক্ষেত্রে ইদ্দত পালন কখন থেকে শুরু করা বাধ্যতামুলক। 

জাজাক আল্লাহ

by
কাজীর মাধ্যমে তালাক দিতে কি যেকোনো কাজী হলেই হবে নাকি যে কাজী বিবাহ পড়িয়েছেন তাকেই দরকার হবে?এবং এই ক্ষেত্রে কি বিয়ের কাবিননামা বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র দরকার হবে?যদি কাবিননামা না থাকে তাহলে কাজির মাধ্যমে বিবাহ ভঙ্গ করা যাবে না?সম্মানিত মুফতি দের কাছে প্রশ্ন রইলো।ইন শা আল্লাহ উত্তর দিবেন।
by (796,530 points)
এ বিষয়ে কাজী সাহেবে  সাথে পরামর্শ করুন।জানুন সরকারের আইন কি।সরকারের যে আইন থাকবে, সেই হিসেবে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...