0 votes
288 views
in সালাত(Prayer) by (2 points)
আসরের নামায হানাফী মাযহাব ছাড়া অন্য মাযহাবে আরও তাড়াতাড়ি আদায় করে। তাদের মত আগে নামায আদায় করলে নামায হবে?  বিভিন্ন অ্যাপসে সময় দেওয়া হয়। সেটা অনুসরণ করা যাবে?

1 Answer

0 votes
by (255,440 points)
edited by
বিসমিহি তা'আলা

সমাধানঃ-
আসরের সালাত দুই মিছিলের পর না এক মিছিলের পর এ নিয়ে উলামায়ে আহনাফদের মধ্যেও মতবিরোধ রয়েছে,এবং দুই অভিমতের উপর-ই ফাতাওয়া রয়েছে, তবে ইবনে আবেদিন শামী সহ অধিকাংশ উলামায়ে কেরাম মনে করেন দুই মিছিলের পর-ই সুন্নাহ সম্মত ও উত্তম ।

এ সম্পর্কে উম্মে সালামাহ রাঃ থেকে বর্ণিত আছে

عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ تَعْجِيلًا لِلظُّهْرِ مِنْكُمْ، وَأَنْتُمْ أَشَدُّ تَعْجِيلًا لِلْعَصْرِ مِنْهُ»: وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الحَدِيثُ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ نَحْوَهُ،
উম্মে সালামাহ রাঃ বলেনঃনবী কারীম সাঃসর্বদাই জোহরের নামায তারাতারি পড়তেন(এবং আসর দেরীতে দুই মিছিলের পর পড়তেন) অথচ তোমরা আসরের নামায তারাতারি পড়ে নাও।সুনানু তিরমিযি-১৬১

আসরের নামায দুই মিছলের(আসল ছায়া ব্যতীত প্রতিটা জিনিষের দিগুন ছায়া) পর উত্তম নিম্নোক্ত হাদীসের দিকে তাকালে সেটা অনায়াসে বুঝা যায়।
ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﺃﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ :
( ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺑَﻘَﺎﺀُﻛُﻢ ﻓِﻴﻤَﺎ ﺳَﻠَﻒَ ﻗَﺒﻠَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻷُﻣَﻢِ ﻛَﻤَﺎ ﺑَﻴﻦَ ﺻَﻼﺓِ ﺍﻟﻌَﺼْﺮِ ﺇِﻟَﻰ ﻏُﺮُﻭﺏِ ﺍﻟﺸَّﻤﺲِ ، ﺃُﻭﺗِﻲَ ﺃَﻫﻞُ ﺍﻟﺘَّﻮﺭَﺍﺓِ ﺍﻟﺘَّﻮﺭَﺍﺓَ ﻓَﻌَﻤِﻠُﻮﺍ ، ﺣَﺘّﻰ ﺇِﺫَﺍ ﺍﻧﺘَﺼَﻒَ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭُ ﻋَﺠَﺰُﻭﺍ ، ﻓَﺄُﻋﻄُﻮﺍ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ، ﺛُﻢَّ ﺃُﻭﺗِﻲَ ﺃَﻫﻞُ ﺍﻹِﻧﺠِﻴﻞِ ﺍﻹِﻧﺠِﻴﻞَ ﻓَﻌَﻤِﻠُﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺻَﻼﺓِ ﺍﻟﻌَﺼﺮِ ﺛُﻢَّ ﻋَﺠَﺰُﻭﺍ ، ﻓَﺄُﻋﻄُﻮﺍ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ، ﺛُﻢَّ ﺃُﻭﺗِﻴﻨَﺎ ﺍﻟﻘُﺮﺁﻥَ ﻓَﻌَﻤِﻠﻨَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﻏُﺮُﻭﺏِ ﺍﻟﺸَّﻤﺲِ ، ﻓَﺄُﻋﻄِﻴﻨَﺎ ﻗِﻴﺮَﺍﻃَﻴﻦِ ﻗِﻴﺮَﺍﻃَﻴﻦِ ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺃَﻫﻞُ ﺍﻟﻜِﺘَﺎﺑَﻴﻦِ : ﺃَﻱْ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ! ﺃَﻋﻄَﻴﺖَ ﻫَﺆُﻻﺀِ ﻗِﻴﺮَﺍﻃَﻴﻦِ ﻗِﻴﺮَﺍﻃَﻴﻦِ ، ﻭَﺃَﻋﻄَﻴﺘَﻨَﺎ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ﻗِﻴﺮَﺍﻃًﺎ ، ﻭَﻧَﺤﻦُ ﻛُﻨَّﺎ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﻋَﻤَﻠًﺎ ؟ ! ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ : ﻫَﻞ ﻇَﻠَﻤﺘُﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺃَﺟﺮِﻛُﻢ ﻣِﻦ ﺷَﻲْﺀٍ ؟ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ : ﻻ ، ﻗَﺎﻝَ : ﻓَﻬُﻮَ ﻓَﻀﻠِﻲ ﺃُﻭﺗِﻴﻪِ ﻣَﻦ ﺃَﺷَﺎﺀُ ) ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ( 557 ) .
হযরত ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাঃ একবার বললেনঃ পুর্বেকার উম্মাতের স্থায়িত্বের তুলনায় তোমাদের স্থায়িত্ব হল আসর থেকে নিয়ে সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময়ের অনুরূপ।
"তাওরাত অনুসারীদেরকে তাওরাত দেওয়া হয়েছিল,তারা তদনুসারে কাজ করতে লাগল; যখন দুপুর হল, তখন তারা অপারগ হয়ে পড়ল, তাদের এক এক ‘কীরাত’ করে পারিশ্রমিক প্রদান করা হয়।
''তারপর ইনজীল অনুসারীদেরকে ইনজীল দেওয়া হল, তারা আসরের সালাত (নামায/নামাজ) পর্যন্ত কাজ করে অপারগ হয়ে পড়ল, তাদেরকে এক এক ‘কীরাত’ করে পারিশ্রমিক দেওয়া হল।
"তারপর আমাদেরকে কুরাআন দেওয়া হল,আমরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাজ করলাম, আমদের দুই দুই ‘কীরাত’ করে দেওয়া হল।
এতে উভয় কিতাবী সম্প্রদায় বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের দুই দুই ‘কীরাত’ করে দান করেছেন, আর আমাদেরকে দিয়েছেন এক এক কীরাত করে; অথচ আমলের দিক দিয়ে আমরাই বেশী। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ তোমাদের পারিশ্রমিকের ব্যাপারে আমি কি তোমাদের প্রতি কোনরূপ যুলুম করেছি? তারা বলল, না। তখন আল্লাহ্ তা’আলা বললেনঃ এ হল, আমার অনুগ্রহ যাকে ইচ্ছা তাকে দেই।সহীহ বুুখারী-৫৫৭

ﻳﻘﻮﻝ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﺍﻟﻜﺎﺳﺎﻧﻲ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ –
" ﺩﻝ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻋﻠﻰ ﺃﻥ ﻣﺪﺓ ﺍﻟﻌﺼﺮ ﺃﻗﺼﺮ ﻣﻦ ﻣﺪﺓ ﺍﻟﻈﻬﺮ ، ﻭﺇﻧﻤﺎ ﻳﻜﻮﻥ ﺃﻗﺼﺮ ﺃﻥ ﻟﻮ ﻛﺎﻥ ﺍﻷﻣﺮ ﻋﻠﻰ ﻣﺎ ﻗﺎﻟﻪ ﺃﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﺔ
ইমাম কা'সানী রাহ বলেনঃএই হাদীস একথা প্রমাণ করে যে আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময় জোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ের চেয়ে স্বল্প হবে,আর এটা একমাত্র ইমাম আবু-হানিফা রহ এর মাযহাব অনুসারে-ই হয়,অন্য মাযহাব অনুসারে হয় না।যদি আসর ও মাগরিব মধ্যবর্তী সময় স্বল্প না হয় তাহলে তাদের অভিযোগ যৌক্তিক হবে না।বাদায়ে সানায়ে-১/৩১৫

বিধায় উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝা গেল আসর দেরী করে দুই মিছলের সময় পড়া মুস্তাহাব তবে বিশেষ প্রয়োজনে প্রথম মিছলে পড়ে নিলেও যথেষ্ট হবে।
আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, IOM.
পরিচালক
ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by

আস্সালামুআলাইকুম শাইখ, দয়া করে নিচে  উল্লেখিত হাদিসের একটু ব্যাখ্যা দিবেন। জাজাকাল্লাহু খাইর 

গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত]

অধ্যায়ঃ / রাসূলুল্লাহহতে নামাযের সময়সূচী (كتاب الصلاة عن رسول الله ﷺ)

اءَ فِي تَعْجِيلِ الْعَصْرِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فِي دَارِهِ بِالْبَصْرَةِ حِينَ انْصَرَفَ مِنَ الظُّهْرِ وَدَارُهُ بِجَنْبِ الْمَسْجِدِ فَقَالَ قُومُوا فَصَلُّوا الْعَصْرَ . قَالَ فَقُمْنَا فَصَلَّيْنَا فَلَمَّا انْصَرَفْنَا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " تِلْكَ صَلاَةُ الْمُنَافِقِ يَجْلِسُ يَرْقُبُ الشَّمْسَ حَتَّى إِذَا كَانَتْ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ قَامَ فَنَقَرَ أَرْبَعًا لاَ يَذْكُرُ اللَّهَ فِيهَا إِلاَّ قَلِيلاً " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . 

হাদিস নম্বরঃ ১৬০

. আসরের নামায শীঘ্রই আদায় করা। 

১৬০৷ 'আলা ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বসরায় আনাস (রাঃ)-এর বাড়িতে আসলেন। তিনি তখন যুহরের নামায আদায় করে বাসায় ফিরে এসেছেন। তার ঘরটি মাসজিদের পাশেই ছিল। তিনি (আনাস) বললেন, উঠো এবং আসরের নামায আদায় কর। আলা বলেন, আমরা উঠে গিয়ে আসরের নামায আদায় করলাম। আমরা যখন নামায শেষ করলাম তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ এটা মুনাফিকের নামায- যে বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে, যখন সূর্য শাইতানের দুই শিং এর মাঝখানে এসে যায় তখন উঠে চারটি ঠোকর মারে এবং তাতে আল্লাহ তা'আলাকে খুব কমই স্মরণ করে।সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৪২০), মুসলিম।

 

আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।

এখন সলাতের ওয়াক্তের ব্যপারে একটি পরিস্কার হাদিস দেখে নেওয়া যাক, যা আমরা সহজেই অনুস্মরণ করতে পারিঃ

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)

অধ্যায়ঃ / সালাত (كتاب الصلاة)

হাদিস নম্বরঃ ৩৯৩

 

باب فِي الْمَوَاقِيتِ حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ فُلَانِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ، - قَالَ أَبُو دَاوُدَ هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عَيَّاشِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ - عَنْ حَكِيمِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " أَمَّنِي جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ عِنْدَ الْبَيْتِ مَرَّتَيْنِ فَصَلَّى بِيَ الظُّهْرَ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ وَكَانَتْ قَدْرَ الشِّرَاكِ وَصَلَّى بِيَ الْعَصْرَ حِينَ كَانَ ظِلُّهُ مِثْلَهُ وَصَلَّى بِيَ - يَعْنِي الْمَغْرِبَ - حِينَ أَفْطَرَ الصَّائِمُ وَصَلَّى بِيَ الْعِشَاءَ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ وَصَلَّى بِيَ الْفَجْرَ حِينَ حَرُمَ الطَّعَامُ وَالشَّرَابُ عَلَى الصَّائِمِ فَلَمَّا كَانَ الْغَدُ صَلَّى بِيَ الظُّهْرَ حِينَ كَانَ ظِلُّهُ مِثْلَهُ وَصَلَّى بِيَ الْعَصْرَ حِينَ كَانَ ظِلُّهُ مِثْلَيْهِ وَصَلَّى بِيَ الْمَغْرِبَ حِينَ أَفْطَرَ الصَّائِمُ وَصَلَّى بِيَ الْعِشَاءَ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ وَصَلَّى بِيَ الْفَجْرَ فَأَسْفَرَ ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَىَّ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ هَذَا وَقْتُ الأَنْبِيَاءِ مِنْ قَبْلِكَ وَالْوَقْتُ مَا بَيْنَ هَذَيْنِ الْوَقْتَيْنِ " . - حسن صحيح 

 

. সলাতের ওয়াক্তসমূহের বর্ণনা 

৩৯৩। ইবনুআব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বাইতুল্লাহর নিকট জিবরীল (আঃ) দুবার আমার সলাতে ইমামতি করেছেন। (প্রথমবার) সূর্য (পশ্চিম আকাশে) ঢলে যাওয়ার পর আমাকে নিয়ে তিনি যুহর সলাত আদায় করলেন। তখন (পূর্ব দিকে) জুতার ফিতার সমান ছায়া দেখা দিয়েছিল। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়েআসরের সলাত আদায় করলেন, যখন (প্রত্যেক বস্তুর) ছায়া তার সমান হয়। এরপর আমাকে নিয়ে তিনি মাগরিবের সলাত আদায় করলেন, যখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করে থাকে। এরপর তিনি আমাকে নিয়েইশার সলাত আদায় করলেন, যখন শাফাক্ব (লাল শুভ্র রং) অন্তর্হিত হয় এবং ফজরের সলাত আদায় করলেন, যখন সিয়াম পালনকারীর জন্য পানাহার হারাম হয়ে যায়।

 

(দ্বিতীয়বারে) পরের দিন তিনি আমাকে নিয়ে যুহরের সলাত আদায় করলেন, (প্রত্যেক বস্তুর) ছায়া যখন সমান হলো। তিনি আমাকে নিয়েআসর সলাত আদায় করলেন, যখন ছায়া তার দ্বিগুণ হলো। তিনি আমাকে নিয়ে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন, যখন সিয়াম পালনকারীর ইফতারের সময় হয়। তিনি আমাকে নিয়েইশা সলাত আদায় করলেন রাতের তৃতীয়াংশে এবং ফজর সলাত আদায় করলেন ভোরের আলো ছড়িয়ে যাওয়ার পর। অতঃপর জিবরীল (আঃ) আমার দিকে ফিরে বললেন, হে মুহাম্মাদ! এটাই হচ্ছে আপনার পূর্ববর্তী নাবীগণের সলাতের ওয়াক্ত এবং সলাতের ওয়াক্তসমূহ এই দুসময়ের মাঝখানেই নিহিত।[1]

 

হাসান সহীহ।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...