0 votes
70 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (39 points)
কিছুদিন আগে মনে হচ্ছিল যে আমার ইমান দুর্বল হয়ে যাচ্ছে আর আমার অন্তর আমার  control   এ নেই। তখন আমি যা না চাইতাম তা ই আমার অনিচ্ছায় মনে আসত।চাইলেও পারতাম না মন থেকে এসব সরাতে। মনে হত নিজের অন্তরের সাথে নিজেই যুদ্ধ করছি। ।তখন অনেকবার অনিচ্ছায় যেহার হয়। কিন্তু কয়বার জানিনা। এখন কিভাবে কাফফারা দিব? আর স্ত্রীর দ্বারা যেহার হবার পর শয়তানের প্ররোচনায় অনিচ্ছায় যদি স্ত্রী এমনি ই বলে যে ডিভোর্স দিয়ে দিলাম/ নিয়ে নিলাম তাহলে কি ডিভোর্স হয়ে যাবে?একটু দয়া করে জানালে উপকৃত হব

1 Answer

0 votes
by (204,600 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
الَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنكُم مِّن نِّسَائِهِم مَّا هُنَّ أُمَّهَاتِهِمْ إِنْ أُمَّهَاتُهُمْ إِلَّا اللَّائِي وَلَدْنَهُمْ وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ
তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।

وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِن نِّسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ذَلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর।

فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ذَلِكَ لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ وَلِلْكَافِرِينَ عَذَابٌ أَلِيمٌ
যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।(সূরা মুজাদালাহ-২-৪)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি পরিস্কার করে বিস্তারিত ঘটনা উল্লেখ করেন নি।আপনি কমেন্টে বিস্তারিত ঘটনা উল্লেখ করবেন।

আপনি যদি মনে মনে জিহারের কল্পনা করে থাকেন,মনে মনে যিহার করে থাকেন,জিহারের উচ্চারণ না করেন,তাহলে জিহার হবে না।কেননা অনুচ্চারিত কথা দ্বারা যিহার সাব্যস্ত হয় না।
আর যদি আপনি মুখ দ্বারা উচ্ছারণের মাধ্যমে আপনি আপনার মাহরাম মহিলার কোনো অঙ্গের সাথে আপনার স্ত্রীকে তুলনা করে থাকেন,তাহলে তখন যিহার হবে। তখন কাফফারা আদায় করতে হবে।

كفارة الفطر، وكفارة الظهار واحدة ، وهي عتق رقبة مؤمنة أو كافرة فإن لم يقدر على العتق فعليه صيام شهرين متتابعين، وإن لم يستطع فعليه إطعام ستين مسكينا كل مسكين صاعا من تمر أو شعير أو نصف صاع من حنطة
রোযা এবং যিহার উভয়ের কাফ্ফারা একিই।
তা এই যে,
একটা গোলাম আযাদ করা চায় গোলাম ঈমানদ্বার হোক বা কাফির হোক।যদি গেলাম আযাদ করা অসম্ভব হয়,তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখতে হবে। যদি রোযা রাখাও অসম্ভব হয়, তাহলে ষাটজন মিসকিন খাওয়াতে হবে। প্রত্যেক মিসকিনকে যব বা কিসমিস হলে এক সা' আর গম হলে অর্ধেক সা' করে দিতে হবে।{ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/২১৫}বিস্তারিত জানুন-https://www.ifatwa.info/102


স্ত্রী কখনো স্বামীকে তালাক দিতে পারে না।স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের অধিকার প্রদান করে থাকে,তাহলে স্ত্রী নিজে নিজের উপর তালাককে প্রদান করতে পারবে।স্বামীর উপর তালাক প্রদান করতে পারবে না।
প্রশ্বের বিবরণমতে তালাক প্রমাণিত হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...