আমি একজন সালাফি। সহি হাদিস অনুসরণ করি হানাফী মাযহাবের না। আমি কি দুই ওয়াক্ত নামাজে এক সাথে পড়তে পারব।
সংক্ষেপে উত্তর (হানাফী ফিকহ অনুযায়ী):
1) যদি আপনার অর্থ হয়ে থাকে — একজন সালাফি হলেও হানাফী মাযহাবের লোকের নেতৃত্বে (ইমামের পেছনে) জামাতে নামাজ পড়া — তবে হ্যাঁ, এটা جائز। ছোট-বড় ফিকহী اختلاف থাকলে তা নামাজকে বাতিল করে না যতক্ষণ না ইমাম এমন কিছু করে যা নামাজের রুকন বা شرطকে মাফ করে/বাদ দেয়। (রেফ.: Al-Hidayah, Kitab al-Ṣalāh; Radd al-Muḥtār `alá Durr al-Mukhtār — Ibn ʿĀbidīn)
2) নামাজ “একসাথে” মানে যদি আপনি প্রশ্ন করে থাকেন — দুই ওয়াক্ত (যেমন বছরজাহর ও আসর বা মাগরিব ও ইশা) যেকোনো কারণে একসাথে (জামʻ/জমাʻ) আদায় করা — হানাফীwhereর বিধান অনুযায়ী সাধারণত অনুমোদিত নয়; শুধু শারʻআই কেরণায়ই জমা করা যাবে, যেমন: সফর, অসুস্থতা, ভারী বৃষ্টি/ভয় বা অন্য জরুরি কারণ। সাধারণ অবস্থায় একাই বা অকারণে দুই ওয়াক্ত একসাথে করা মঞ্জūr নয়। (রেফ.: Al-Hidayah; Durr al-Mukhtār ও Radd al-Muḥtār — باب الجمع)
3) যদি ইমাম সময়ের আগেই কোনো ফরজ নামাজ শুরু করে (অর্থাৎ নামাজ ওই সময়ে এখনও শুরু হয়নি) এবং আপনি তার সাথে পড়েন — হানাফী মতে সে নামাজ বৈধ হবে না, কারণ ফরজের সময় শুরু না হলে নামাজ শর্তযুক্ত না। অতএব যদি ইমাম আগে-অন্যভাবে নামাজ আদায় করে (বিশেষত সময় বিহীনভাবে মিলিয়ে) আপনি সেক্ষেত্রে তার সাথে না পড়া উত্তম। (রেফ.: Al-Hidayah; Radd al-Muḥtār)
সংক্ষিপ্ত নির্দেশনা: আপনি যদি সালাফি বিধি অনুসরণ করেন, তবুও হানাফী জামাতে শেয়ারের সাথে জামে‡ত পড়া বৈধ; কিন্তু নিশ্চিত হোন—(ক) নামাজ ইতিবাচক সময়ে হচ্ছে, (খ) ইমাম এমন কিছু করছে না যা নামাজ বাতিল করে, এবং (গ) যদি ইমাম জমা করে (দুই ওয়াক্ত একসাথে) ও সে সম্মানিত শারʻআই কারণ ছাড়া করে, তবে তার সাথে না পড়াই হবে সঠিক পালন। রেফারেন্স: Al-Hidayah (شرح البداية), Durr al-Mukhtār with Radd al-Muḥtār (Ibn ʿĀbidīn) — Kitab al-Ṣalāh (باب الجمع وباب شروط الصلاة).