🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহি ওয়াবারকাতুহ সম্মানিত ওস্তায, আমার বাবা ওনার এক পরিচিত হিন্দু ব্যক্তির সাথে ওনাদের পুকুরে ছোট মাছ ( মলা মাছ) ধরেছেন। এখম এগুলো কি আমাদের জন্য খাওয়া জায়েজ হবে?
ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ ওয়া বারকাতুহু।

সারসংক্ষেপ (হানাফী রহ্‌মা্নী রায়):
- আপনার বাবা ও পরিচিত হিন্দু ব্যক্তিরা একসঙ্গে আপনার বাবার পুকুর থেকে সাধারণ মাছ (মলা মাছ) ধরেছেন — এটি খাওয়া জায়েজ। হানাফী মাযহাবে মাছ ধরা ও মাছ খাওয়ার জন্য আলাদা কটকটি (দাবিহা) প্রয়োজন নেই, মাছ যেন স্বাভাবিকভাবে জীবিত জলজ প্রাণী হয় তাই তা হারাম নয়; মাছ ধরে ফেলার ব্যক্তির ঈমান/ধর্ম হওয়া শর্ত নয়। (শর্ত: মাছ চুরি করা না হয়, পুকুর অন্য কাউদের সম্পত্তি হলে অনুগ্রহে ধরা হয়েছে কিনা ইত্যাদি — দখল/চুরি সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে আলাদা অবস্থান থাকে।)

রেফারেন্স (হানাফী):
1. Al-Hidayah (الهدية) — Kitab al-Akl: باب صيد السمك و أحكامه — যেখানে বলা হয়েছে যে মাছকে জবাই করার প্রয়োজন নেই এবং মাছ খাওয়া বৈধ। (شرح الفقه الحنفي على مذهب الإمام أبي حنيفة).
2. Radd al-Muhtar ‘ala Durr al-Mukhtar (ردّ المحتار على الدرّ المختار) — ابن عابدين — فصل الأطعمة والطيبات: মাছকে হালাল গণ্য করা হয়েছে এবং মাছ ধরা/খাওয়া সম্পর্কে যে বিধান তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
3. Fatawa al-Hindiyya / Fatawa-e-Alamgiri — باب السمك: মাছ জবাই ছাড়াই খাওয়া যায় এই রায়ে ফতওয়া মুদ্দে আছে।

সংক্ষিপ্ত সতর্কতাসমূহ (প্রযোজ্য হলে):
- পুকুরটি যদি অন্য কারো মালিকানাধীন এবং মাছ অনুমতি ছাড়া ধরা হয়ে থাকে, তাহলে সেটা চুরির ইলম বা অন্যের সম্পত্তি লঙ্ঘন — সে অবস্থায় খাওয়া জায়েজ হবে না যতক্ষণ Besitzer-এর অধিকার লঙ্ঘিত থাকে।
- মাছ যদি বিষাক্ত/অস্বাস্থ্যকর হয় বা কোন হালাল-বিপরীত প্রক্রিয়ায় মিশ্রিত করা হয় (যেমন নারকেল তেল বা রাসায়নিক ইত্যাদি দিয়ে আক্রান্ত), তাহলে খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

আপনি চান তো আমি সংশ্লিষ্ট হানাফী গ্রন্থের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা/চ্যাপ্টার লিংক বা আরও বিস্তারিত জন্য সরাসরি উদ্ধৃতি দিয়ে দেব।