🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি বুঝতে পারছি আমারটা ইস্তিহাদা এখন আমার ত ১ দিন চলে গেছে তাহলে নামাজটা এখন কীভাবে আদায় করবো
আলহামদুলিল্লাহ। হানাফি মাযহাব (ifatwa.info অনুযায়ী) অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ও সুস্পষ্ট নির্দেশ নিম্নরূপ —

১) যদি নিশ্চিতভাবে বের হয় যে আপনার রক্তপাত ঈস্তিহাদা (অস্বাভাবিক চলমান রক্ত), তাহলে আপনি নামাজ থেকে ছাড় পান না। প্রতি ফজরের, জুমার, আসরের ইত্যাদি যে কোনও ফরজ সময়ে নামাজ আদায় করবেন।
২) প্রতি নামাজের জন্য ওযু করবেন। (ঈস্তিহাদায় রক্তপাত থাকলে নিজের শরীর/বস্ত্র থেকে রক্ত মুছে, ওযু করে নামাজ পড়া হয়।) রক্ত ক’টি লাগে বা লেগে থাকা নামাজ নষ্ট করে না; তাই রক্ত লাগা অবস্থায়ও নামাজ বৈধ।
৩) নামাজের আগে নিকটস্থ অঙ্গভাগ পরিষ্কার করে স্টপার/কটন ইত্যাদি বেঁধে রাখুন যাতে রক্ত বলিানো না হয়। প্রয়োজনে কাপড় বদলাতে পারেন।
৪) রোজা: ঈস্তিহাদায় রোজা রাখা যায়—রোজা ভাঙে না। অতএব রমজানে রোজা রাখবেন।
৫) ঘুস্ল: ইস্তিহাদা হওয়ায় ঘুস্ল দরকার হয় না যতক্ষণ না আপনি প্রকৃত মেয়াদ (হাইদ/নিফাস) শেষ বুঝে গিয়ে সম্পূর্ণ পবিত্রতা (তুҳур) ফিরে পান; হাইদের মত হলে ঘুস্ল করবেন।
৬) যদি আপনি আগে ভুল করে মনে করে হাইদ বলেই কোনো ফরজ নামাজ বাদ দিয়েছেন, তখন সেই নামাজগুলো পরে কাদা (পূরণ) করতে হবে—কারণ ঈস্তিহাদায় নামাজ ছাড় নেই।

রেফারেন্স (হানাফি):
- Al-Hidayah (Imam al-Marghinani) — ঈস্তিহাদা সম্পর্কে বিধান: নামাজ ও রোজা চলবে, খোলোস/তাহারাত সম্পর্কিত নির্দেশ।
- Radd al-Muhtar (Ibn Abidin, Hashiya) — ঈস্তিহাদা, ওযু ও নামাজ, কাদা বিষয়ক বিস্তৃত ব্যাখ্যা।
- Fatawa al-Hindiyya / Fatawa-e-Alamgiri — হানাফি রেওয়ায়েত অনুযায়ী ইস্তিহাদার ফিকহ বিধি।

প্রয়োজনে আপনার বিশেষ পরিস্থিতি (রক্তপাত কতোদিন ধরে, গতবারের হাইদের সময়কাল কেমন ছিল ইত্যাদি) বললে নির্দিষ্ট সময় ও কাদা সম্পর্কে স্পষ্ট বলব।