ইস্তেখারার করে বুজতে পারবো কিভাবে যে বিয়ের জন্য পাত্রটি আমার জন্য কল্যানকর
ifatwa.info অনুযায়ী — হানাফী ফিকহমতে সংক্ষিপ্ত উত্তর:
ইস্তিখারা হচ্ছে আল্লাহর কাছে এক সিদ্ধান্তের জন্য তাওফিক/সহজিকরণ চাওয়া। জামানের বাছাই (বিয়ের পাত্র–পাত্রী) সম্পর্কে ইস্তিখারা কিভাবে ফল দেয়—সাধারণ নিয়মগুলো:
1) প্রস্তুতি ও কায়েম: wudu করে দু’ রাকআত নফল নামাজ পড়ুন (ইস্তিখারা)। তারপর ইস্তিখারা দু’আ পড়ে আল্লাহর কাছে নির্দেশ চাইবেন এবং নিজের মনকে আল্লাহর উপর ছেড়ে দেবেন।
2) সিদ্ধান্তের পরীক্ষা: ইস্তিখারা স্বপ্ন নয়-ইনিই না একমাত্র নির্ণায়ক; বরং এর পরে আপনার অন্তরে যে সুকুন (আসান্নতা), সহজতা এবং বিষয়গুলোতে সান্ত্বনা দেখা দেয় তা ভাল লক্ষণ। যদি ব্যাপারটি সহজ হয়ে যায়, যে পথে কাজ করলেই বাধা-বিঘ্ন না আসে, এবং আপনার হৃদয় ঝোঁক পায়—এটি কল্যাণকর ইঙ্গিত।
3) বাধা ও অসুবিধা: যদি ইস্তিখারার পর রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, ব্যাপারগুলো জটিল হয়, বা আপনার অন্তর ক্রমাগত অস্বস্তি বোধ করে, বা সহৃদয়দের এবং বিশ্বাসঘন অভিজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে স্পষ্ট অনুকূলে না আসে—তাহলে তা থেকে বিরত থাকা ভাল।
4) অন্য সহায়তা: ইস্তিখারা একমাত্র অটল আইন নয়; শুরা (পরামর্শ), wali/পারিবারিক সম্মতি, পাত্র–পাত্রীর ধার্মিকতা, চরিত্র, জীবিকা ইত্যাদি বাস্তব বিষয় বিবেচ্য। ইচ্ছায় অবিরত অনিশ্চয়তা থাকলে পুনরায় ইস্তিখারা করা যায় এবং পাকা পরামর্শ নেয়া উচিত।
সংক্ষিপ্ত হাদিস সূত্র: রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ইস্তিখারার নামাজ শিক্ষা দিয়েছেন (ইস্তিখারা সম্পর্কে হাদিস সৌজন্যে — সহীহ বুখারী)।