নতুন একটা ফিরকার ব্যাপারে পরিচিত হলাম। এটা সিয়ামের ব্যাপারে, একটা দল আছে তারা সাহরী করে আমাদের মতই কিন্তু ইফতার করে মাগরিবের নামাজ পরে। দলিল বাকারাঃ ১৮৭ & সূরা ইনশিকাক:১৬।
ইফতার সন্ধ্যায় না করে রাতের শুরুতে করে। এখন প্রশ্ন হলো সন্ধ্যা ও রাতের মধ্যে তফাৎ কি & এভাবে কি রোজা হবে?
উত্তর (হানাফী — ifatwa.info অনুযায়ী):
- সন্ধ্যা (ghurub/সূর্যাস্ত) এবং রাতের আরম্ভের মধ্যে তফাৎ: সন্ধ্যা বা সূর্যাস্ত হল যেদিন সূর্য افقের নিচে নামা শুরু করে — এটিই মাগরিবের সময়ের আরম্ভ। "রাতের শুরু" (লাইল) হয় যখন আকাশের লাল সোনালী ঝলক (শাফাক/শামকেরা) মুছি যায়; অর্থাৎ ইশা’র সময়ের ঘোষণার পূর্বে যে রাতীয় অন্ধকার আসে।
- ইফতারের নিয়ম (হানাফী): রোজা ফজরের শুরু থেকে সূর্যাস্ত (ঘুরুব) পর্যন্ত ফরজ। তাই রোজা সূর্যাস্ত হওয়ার সঙ্গে শেষ হয় এবং ইফতার কি—তার অধিকারিক সময়ও সূর্যাস্ত থেকেই। নবী (স.)-এর সুনাহ অনুযায়ী ইফতারে তৎক্ষণাৎ তৎপর হওয়া উত্তম (হস্তানো প্রার্থনা/খাওয়া)। সূত্র: Sahih al‑Bukhari (Kitab al‑Sawm) — নবী (স.) প্রায়শই সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙতেন এবং তাড়াতাড়ি ইফতার করতেন।
- প্রয়োগ ও বিচার: যাদের মতো কেউ যদি ইফতার না করে রাতের শুরু (ইশা’র পর বা ইশা’র সময় পর্যন্ত) পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তা সুনাহ বিরুদ্ধ ও অনুচিত; ফয়সালা হিসেবে দোষারোপযোগ্য কিন্তু রোজার আদায় (ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা) স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না—কিন্তু অনেকে বলবেন অনর্থক দেরি করা গোনাহসম্ভব এবং সংযমহীনতা; সুতরাং সঠিক পথ হল সূর্যাস্তেই ইফতার করা বা বিঃসময়েই (মাগরিবের সময়েই) খাওয়া।