🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

আমরা আগে দেখতাম ফুল দিয়ে bouquet বানানো হতো, এখন আবার দেখি নতুন টাকা প্যাঁচিয়ে প্যাঁচিয়ে bouquet বানানো হয়। এটা sell করা কি জায়েজ? যেহেতু আমরা জানি একই জাতীয় জিনিস সমান পরিমাণে আদান-প্রদান করতে হয়। bouquet বানালে তো bouquet-এর ভেতর ২০০০ টাকা সাজানো থাকলে সেটা ৩০০০ টাকায় sell করা হয় (আনুমানিক বললাম)। । এটা কি জায়েজ হবে? আর যাকে দেওয়া হবে, সে তো আর এই bouquet সাজিয়ে রাখবে না ;সে তো টাকা বের করে খরচই করবে।
সংক্ষেপে: এইভাবে টাকা পেঁচিয়ে বানানো bouquet যদি বিক্রি করে মুখ্যভাবে একই মুদ্রার টাকা (উদাহরণ: ২০০০ টাকা) বিনিময়ে বেশি পরিমাণ (উদাহরণ: ৩০০০ টাকা) নেওয়া হয়, তাহলে এটা রিবা-বিষয় বা অনৈতিক লেনদেন হিসেবে সমস্যা হতে পারে — হানাফী মত অনুযায়ী এধরনের সমান জাতীয় মুদ্রার অনুপাতবহির্ভূত লেনদেন নিষিদ্ধ।

বিস্তারিত নির্দেশাবলী (হালাল উপায়):
- যদি আপনি কেবল সাজানোর সেবা দিতে চান, তাহলে আলাদাভাবে “সাজানোর ফি” নিই— অর্থাৎ দাতা তার ২০০০ টাকা সরাসরি দান/উপহার হিসেবে দেয়, আর সাজানোব্যক্তি সাজানোর জন্য ফি নেয়। এতে টাকা বিক্রি হচ্ছে না; সেবা বিক্রি হচ্ছে, যা পারমিটেড।
- কাস্টমারকে যদি কোনো প্যাকেজ বিক্রি করেন যেখানে টাকা “বিক্রয়ের পণ্য” হিসেবে দেখানো হয় এবং মূল্য সরাসরি টাকার চেয়ে বেশি হয়, সেটা এড়িয়ে চলুন।
- বিকল্প: টাকা না রেখে কাগজী নকল/ভাউচার বা ফুল-জিনিস বিক্রি করা যাক, আর নগদ আলাদাভাবে হস্তান্তর করা হোক।

নীতিমূলক সুপ্রমাণ (হাদিস):
- রাসূলুল্লাহﷺ বলেছেন (রিবা সংক্রান্ত হাদিস): «الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ سَوِيًّا بِسَوِيٍّ، يَدًا بِيَدٍ...» — (সাহিহ মুসলিম, কিতাব البيع) — এখানে সমজাতীয় বস্তুর অপ্রতুল বা অশুদ্ধ বিনিময় নিষিদ্ধ থাকার কারণ দেখানো হয়েছে।

অতএব সরলভাবে: টাকা-ভিত্তিক bouquet বিক্রি করে সেটি যদি বাস্তবে একই মুদ্রার জন্য বাড়তি টাকা নেওয়ার রূপ নেয়, তা থেকে বিরত থাকুন; সাজানোর বিরুদ্ধে আলাদা সেবা-ফি নিয়ে কাজ করুন।