সাবালক অবস্থায় কেউ তার মায়ের দুধ হাতায়। ৫-৬ বছর পর ফতোয়া টা জানে। মায়ের উত্তেজনা ছিলো না জিজ্ঞেস করছে। ছেলের টা মনে নাই। তবে প্রবল ধারনা যে তখন যৌন উত্তেজনা ছিলো না এবং ভয় ছিলো প্রচুর, শুধু হাতে আরাম লাগছে৷ কিন্তু প্রকৃত উত্তেজনা মনে নাই। হুরমত হবে কিনা? আরে সাবালক অবস্থায়ই হাতাইছে । এর ৫-৭ বছর পর জানছে
iftawa.info (হানাফি ফিকহ) মতে সংক্ষিপ্ত ফতোয়া:
১) মায়ের স্তন স্পর্শ করা — যদি সেটি যৌন উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে, সম্পূর্ণরূপে গুনাহ ও হারাম। মায়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক (বিয়ে বা শারীরিক মিলন) এবং যৌন মেলামেশা প্রত্যক্ষভাবে হারাম—আল্লাহ তাআলার কুরআনে মায়ের বিবাহ-সংশ্লিষ্টতা স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা রয়েছে (সূরা النساء 4:23)।
২) তবে বিচার আলাদা হবে ঘটনার প্রকৃতি অনুসারে:
- যদি তখন অনিচ্ছায়, ভয়ে, ছোটবেলাতে বা অজানতাবশত্ ও যৌন উদ্দীপনা ছিল না — তাতে দুষ্টতম অভিপ্রায় ছিল না; এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের দায়-দায়িত্ব (হুদের/হাদ্দ) পড়ে না। তবুও শোধরানোর জন্য আন্তরিক তৌবাহ (পশ্চাতাপ) করা উচিত।
- যদি তখন সজাগভাবে যৌন রুচিতে স্পর্শ করা হয়ে থাকে (সাবালক অবস্থায় এবং ইচ্ছা থাকলে) — তা বড় গুনাহ; হাদ্দ দেয়ার বিষয় নয় যদি স্বীকৃতি বা চারজন সাহাদত প্রমাণ না থাকে, কিন্তু তা তীব্রভাবে নিন্দনীয় এবং পাওনা তৌবাহ প্রয়োজন।
- যদি কোনোরূপ শারীরিক মিলন/দাখিল (=যৌন মিলন) হয়ে থাকে, তা নাহ্য–বড় অপরাধ (ইনকাসট/জিনায়) এবং ইসলামিক শাস্তি/আইনি বিধান তার প্রমাণের ওপর নির্ভর করে; সাধারণত এমন অবস্থায় তৎক্ষণাৎ আলেমের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
৩) বিশেষভাবে লক্ষণীয়: মায়ের বিরুদ্ধে স্পর্শ করা বা যৌন আচরণ কোনোভাবেই মায়ের হুরমত (মহরামীয় হারাম/বিবাহের হারামিত্ব) পরিবর্তন করে না — মা সারা জীবনের জন্য মহরামই থাকেন; কোনো স্পর্শ বা ঘটনা তাকে বিয়ে বা শারীরিক সম্পর্কের যোগ্য করে না।
৪) করণীয় (হানাফি দৃষ্টিতে): আন্তরিক তৌবাহ ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা; এরপর একই পরিস্থিতি এড়ানো, প্রয়োজন হলে মনোবিদ/কাউন্সেলিং নেয়া; যদি ঘটনার ওপর অপরাধবোধ বা সমস্যা থাকে তাহলে নিকটস্থ পণ্ডিত/মুфти’র কাছে বিস্তারিত পরামর্শ নেয়া।
সূত্র: কুরআন, সূরা নিসা (৪:২৩)।