আব্বু যদি লোনের টাকায় রিকশা কিনে তাহলে আব্বু যখন রিকশার কাজে যায় তখন আমি যদি কাজ শেখা ও দ্বায়িত্ব নেওয়ার উদ্দেশ্যে (যখন লোন পরিশোধ হবে তখন নিব) যদি আব্বুর সাথে যাই তবে তা কি জায়েয হবে?
ইফতাও.ইনফো (হানাফী ফিকহ) অনুসারে সংক্ষেপে জবাব:
- যদি রিকশা বাবার নামেই আছে যা লোনে (চাইলে সুদ-নিয়মে বা সুদসহ) কেনা হয়েছে, তবুও রিকশা ব্যবহার করা ও সেখানের কাজ শেখা জায়েয। লোনটি সুদযুক্ত হলে তার গ্রহীতাকে গোনাহ রয়েছে, কিন্তু সম্পত্তিটি সরাসরি হারাম হওয়ার বিধান নেই; তাই অভিজ্ঞতা নেওয়া ও কাজ শেখা সমস্যা নয়।
- আপনি যদি ইচ্ছে করে থাকেন যে লোন পরিশোধের পর রিকশা আপনার নামে হবে, তাহলে পর্যন্ত তার মালিকানা দাবি করা যাবে না যতক্ষণ না লোন শুদ্ধভাবে পরিশোধ হয়ে এবং বাবা ইচ্ছা করে দান/বিক্রয় করে দেন। পূর্বেই কোনো অবৈধ চুক্তি বা রিবা-সম্পর্কিত সহায়তায় অংশ নেওয়া যাবে না।
- যদি আপনি বাবার সঙ্গে কাজ করে লোন পরিশোধে সাহায্য করেন, সেটি মাকবুল ও প্রাশংসনীয়, কারণ এর দ্বারা ক্ষতি রোধ হচ্ছে।
- সারমর্ম: রিকশায় কাজ শেখা ও বাবা সঙ্গে যাওয়া ঐচ্ছিকভাবে জায়েয; মালিকানা নেওয়ার জন্য লোন পরিশোধ বা বাবার প্রত্যক্ষ ইচ্ছা প্রয়োজন।
হাদিস-উক্তি (একটি রেফারেন্স): "لا ضرر ولا ضرار" — (ইবন মাজা; এ বর্ণনাটি শারীয়তীয় মূলনীতির ইঙ্গিত দেয় যে যারা ক্ষতি করে বা অন্যকে ক্ষতি পৌঁছায় তা থেকে বিরত থাকা উচিত)।