🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

একজন মেয়ে আরেকজন মেয়েকে (হায়েজ গ্ৰস্থ) জিজ্ঞেস করল যে, নামাজ নাই? তখন মেয়েটি বলল যে, না, ছুটি। এখন মেয়েটি এখানে না বলার সময় তার মনে হয়েছে যে সে নামাজকে নাই বুঝাচ্ছে। কিন্তু সে তো কথাটা বলে ফেলেছে। এখন এই কথাটি বলার কারনে তার ঈমান কি নষ্ট হয়ে যাবে? মানে এক্ষেত্রে কথাটা বলার সময় উত্তর দাতার মনে হয়েছে যে সে নামাজকে নাই বুঝাচ্ছে
ফেতবা (হানাফী মাযহাবের অধীনে, ifatwa.info-এর মত): না — এর ফলে আপনার ঈমান নষ্ট হবে না।

তাহলের কারণ সংক্ষেপে:
- কুফর (ইমান ত্যাগ) তখনই হয় যখন কেউ আল্লাহ, রিসালত, বা ঈমানের মূল বিষয়গুলো স্বচ্ছভাবে অস্বীকার করে বা নামাজের মতো ফরজ ibadah-এর বিধানকে ধর্মতাত্ত্বিকভাবে অস্বীকার করে; সাধারণভাবে “আমি নামাজ পড়িনি” বলা বা অন্যকে সেইভাবেই বোঝানো কুফরের পর্যায়ে পড়ে না।
- হানাফী ফিকহে ফরজ ত্যাগ (আমাল থেকে অবহেলা) কঠোর পাপ হলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কুফর নয়; কুফর তখনই হয় যখন ব্যক্তি মূল ঈমানের দিকে খোলাখুলি বিরতি বা অস্বীকার প্রদর্শন করে।
- নিয়তের গুরুত্ব আছে — “কৃত্যগুলো নির্ধারিত হয় নিয়তো দিয়ে” (ইনামা আল-'আমালু বিলনিয়্যাত) — অর্থাৎ কথা-বক্তব্য ও নiyet দেখে কৃত্য নির্ধারিত হয়; আপনি যখন “না, (ছুটি/হায়েজ)” বলতে বলেন এবং মূল অর্থ হচ্ছিল যে আপনি হায়েজে আছেন, তখন তা কুফর নয়।

তবে সতর্কতা: যদি কেউ খোলা অনুমতি বা ব্যাখ্যা না দিয়ে নামাজকে অবহেলা বা অবিহিত বলে ঘোষণা করে (যেমন: “নামাজ ফরজ নয়” ইত্যাদি), তাহলে তা দ্বিধাহীনভাবে কুফরের সংকেত দিতে পারে। আর যদি আপনি মনে করেন ভুলভাবে কাউকে ভুল বোঝিয়েছেন বা মিথ্যা বলেছিলেন, সৎভাবে বিষয়টি স্পষ্ট করে দিন এবং আল্লাহর কাছে তওবা করুন।

হাদিস-উক্তি (৫িলাল রেফারেন্স): حديث: "إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ..." — صحيح البخاري (একটি সূত্র হিসেবে, কারণ নীয়ত নির্ণায়ক)।