🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ اَلسَلامُ عَلَيْكُم وَرَحْمَةُ اَللهِ وَبَرَكاتُهُ‎ এক দোকান থেকে স্ক্রাব কিনে তাতে কোন কিছু যোগ না করে সংস্কার বা সংযোজনমূলক কাজ না করে বা মেরামত না করে অন্য দোকানে যত দিয়ে কিনেছি তা থেকে বেশি দামে বিক্রি করা হালাল কিনা? শুনেছি হালাল ভাবে যিনি যত বেশি সম্পদ আয় করেন তিনি তত বেশি মানুষের উপকার করে, এখানে কোনো উপকার হচ্ছে কিনা, শুনেছি চুরি করে স্ক্রাবের দোকানে বিক্রি করে, আনেকে জিনিস চুরি করে সেখানে বিক্রি করে, এখন কিনে বিক্রি করাটা বার বার করেতই থাকা করেতই থাকা পেশা হিসেবে নেওয়া পেশা হিসেবে শুরু করা হালাল কিনা? হালাল হয়ে থাকলে এই ব্যবসাটি কোনো হুজুর বা দ্বীনদার ব্যাক্তি করেন কিনা যার সাথে আমি এই ব্যাপারে পরামর্শ করতে পারি, এই ব্যাপারে আপনাদের পরামর্শ কি, এই ব্যাপারে উত্তম কি?
ওয়ালাইকুমুস সালাম। ifatwa.info (হানাফী ফিকহ) অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ফতিয়া—

- সাধারণ নীতি: দোকান থেকে কোনো পণ্য ক্রয় করে সেটায় কোন পরিবর্তন না করে উচ্চ মূল্যে পুনরায় বিক্রি করা নিজে-স্বভাবেই হালাল। ব্যবসা হিসেবে এটি করা অনুমোদিত, যদি লেনদেনে কোনো জালিয়াতি, মিথ্যা দাবী বা চুরি-সম্পৃক্ততা না থাকে।

- মালিকানা ও বৈধতা নিশ্চিত করতে হবে: যে ব্যক্তি/দোকান থেকে আপনি কিনছেন তাকে সেই মাল বিক্রির সত্যিকারের মালিক বা বৈধ বাহক হতে হবে। বিক্রেতা যদি মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে অক্ষম বা সন্দেহজনক হয়—বিশেষত যদি সেখানে চুরির বস্তু বিক্রি হওয়ার কথা প্রচলিত—তাহলে ক্রয় থেকে বিরত থাকা উত্তম।

- চুরি-সংক্রান্ত নিয়ম: যদি মাল চুরি-সংক্রান্ত হয় বা চুরির সন্দেহ পরিণত প্রমাণিত হয়, তৎক্ষণাৎ মাল আসল মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে বা মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। knowingly (জানোয়ালা) চুরি করা মাল কেনা হারাম ও দোষসাপেক্ষ; unknowingly কিনে থাকলে জানা মাত্র ফিরিয়ে দেওয়া বা মালিকের ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন। হানাফী ম্যাজারা অনুযায়ী চুরি-সম্পৃক্ত বিক্রি অগত্যা বাতিল বা অবৈধ গণ্য।

- পেশা হিসেবে শুরু করলে করণীয়: সরবরাহকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করবেন, রশিদ/চুক্তি রাখবেন, সন্দেহজনক উৎস থেকে কিনবেন না, সততা বজায় রাখবেন। যদি প্রতিষ্ঠিত দাওয়াত/নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি (স্থানীয় ইমাম/মুফতি) থেকে নিয়মিত পরামর্শ চান, আপনার নিকটস্থ হাদিস/ফিকহ-জানাকা বা কায়কর্তে মুফতিকে দেখুন।

- নৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়: মুনাফা নেওয়া নিজে-স্বভাবেই গোনাহ নয়; কিন্তু প্রতারণা, চুরি বা অন্যের অধিকার হরণ মাধ্যমে আয় করা হারাম। আপনার আয় থেকে জাকাত ফরজ হলে তা প্রদান করবেন।

মানবিক ও শারঈ নিরাপত্তার জন্য উত্তম পথ: নিশ্চিত উৎস থেকে কেনাকাটা করা ও ব্যবসায় সততা বজায় রাখা।

উপস্থাপিত হদিস (একটি): رسول اللہ ﷺ نے فرمایا: "مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا" — (من غشنا فليس منا)؛ رواه مسلم।