একজন মানসিক ভারসাম্যহীন, পাগ মানুষ সে অনেক ভুল জিনিস বিশ্বাস করে।সে মনে করে মেয়ে তার বাবাকে বুকের দুধ খাওয়ালে আল্লাহ খুশি হয়।সে তার ছেলের বউ বাড়িতে একদিন বাড়িতে একা ছিল সে বাবা মেয়ের ভালোবাসা কিভাবে কি করলে বারবে সেসব ছেলের বউকে বলতাছিল এরপর সে এক পর্যায় ছেলের বউয়ের ঠুটে চুমা দেওয়ার জন্য ঠ্যটের সাথে ঠুট স্পর্শ করায় ছেলের বউ সাথে সাথে মুখ সরিয়ে নেয়।কিন্তু দুইজনের ঠুট স্পর্শ হয়।।বাবা মেয়েকে কিভাবে চুমা দিবে সেটা দেখানুর জন্য। এখানে কি হুরমত হবে?সে ত ভারসাম্য হীন তার কথার ত দাম ও নাই।এখন কেমিনে বুজব হুরমত হইল কিনা
সংক্ষেপে ফতোয়া (হানাফি):
- বয়স বা মানসিক অবস্থার নির্বিশেষে অবিবাহিত নন-মাহরাম পুরুষ ও নারী একে অপরের সঙ্গে বৌদ্ধিক/সঙ্গমাত্মক শারীরিক স্পর্শ (বিশেষত চুমু) করা শরীয়তে নিষিদ্ধ। এমন আচরণ “যৌন পাহেলা/জোয়ায়ের দিকে এগিয়ে যাওয়া”–এ পড়ে এবং হারাম।
- তবে আইনগত/আখলাকি দায়বোধের দিক থেকে: যদি স্পর্শকারী ব্যক্তি সত্যিই “মজনুন” (মানসিকভাবে লাঞ্ছিত, দায়মুক্ত) হয়, তাহলে তার উপর তায়্যাইন করা গুনাহ-এ দায়বোধ আরোপ হয় না; কিন্তু ঘটনাটি শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ এবং অপরদের নিরাপত্তা ও হিফাজত নিশ্চিত করা জরুরি।
- যে মহিলা এখানে চুমু হলেৎ দেখে সরিয়ে নিয়েছেন (অর্থাৎ সম্মতি দেয়নি, বিক্ষুব্ধভাবে পালিয়ে গেছেন), তিনি কোনো গুনাহ বিভাগের অধীনে পড়েন না — তিনি বেকসুরি (مستثنى) ।
- যদি কোনো প্রকার ইচ্ছাকৃত সম্পর্ক বা নির্দিষ্ট যৌন প্রবৃত্তি ও নির্গমন (ইজতিহাদ/স্ফুরণ বা মিলন) ঘটেনি, তাহলে গুসলের অবস্থা তৈরি হয় না; কেবলমাত্র সাধারণ নামায-নিম্মলতার জন্য কোনো বিশেষ নিয়ম থাকে না (মৌখিক স্পর্শ বা ঠোঁটের সামান্য স্পর্শ শরীয়তে খাস ভাবে গুসলের কারণ নয়)। যদি তরল স্ফুরিত বা সর্বাঙ্গীণ যৌন মিলন হয়, তখন গুসল ফরজ।
- ব্যবহারিক নির্দেশ: নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে ওই পাগল ব্যক্তিকে আলাদা রাখা, পরিবারের বড়দের/স্বামীকে অবহিত করা, মেডিক্যাল ও আইনি সহায়তা নেওয়া উচিত যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে। যদি আপনি ইচ্ছা করে বা অনিচ্ছায় কোনো অনৈতিক কাজেই লিপ্ত হয়ে থাকেন, তাও তাওবাহ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ও ভবিষ্যতে সতর্ক থাকতে হবে।
রেফারেন্স (কিতাবী): "وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَىٰ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً..." — সুরা আল-ইসরা (১৭):৩২ (কোরআন)