🏠 Home

iFatwa Q&A (Hanafi Fiqh)

আসসালামু আলাইকুম। আমার হাসবেন্ড আমাকে বলেছে কোনো অধিকার দিবে না। কিন্তু কাবিন নামার ১৮ নং কলামে অধিকার দিয়ে দিছে কাজি। এখন আজকে হঠাৎ হাসবেন্ড এর সাথে জগড়া হয়। তখন আমি তাকে ম্যাসেজ এ বলি যে, আমি আমার বাসায় চলে যাবো। রাগ করে বলি। আমার হাসবেন্ড রিপ্লাই তে বলে যে,ওকে। আমি যখন এটা ম্যাসেজ এ লিখতেছিলাম, তখন মনে মনে অনেক কিছু বলে ফেলতেছিলাম। নিতে পারার মত। এখন আমাদের বিবাহিত জীবনে কি কোনো সমস্যা হবে?
ওয়ালাইকুমুস সালাম।

সংক্ষিপ্ত ফতমা (হনাফি মত):

- আপনি যে মেসেজটি লিখে বলেছেন "আমি আমার বাসায় চলে যাবো" — এই ধরনের হুমকি বা রাগভরে করা বক্তব্যে বিবাহিত সম্পর্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন হয় না। স্ত্রী নিজের কথায় তালাক কার্যকর করতে পারে না; তালাক সাধারণত স্বামীর ঘোষণা অথবা খুলা/ফাসখের মাধ্যমে হয় (হানাফি ফিকহে পতি’র তালাকই বিবাহবিচ্ছের মূল ব্যবস্থা)। কাজীয়ের নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলে যেসব অধিকার লেখা আছে, সেগুলো আইনগত ও শারLINK সম্পর্কিত অধিকার রয়ে যায়।
- যদি আপনি মেসেজে বা মনে কিছু রাগভরে বলেও ফেলেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবাহবিচ্ছেদ নয়। তবে সম্পর্ক ঠিক রাখতে শান্তভাবে আলাপ-সমঝোতা করা ভালো।
- যদি ভবিষ্যতে স্বামী ব্যক্তিগতভাবে বা স্বরূপে তালাক ঘোষণা করেন, তখন নির্দিষ্ট শর্ত ও ঊপযুক্ত ইদ্দত ইত্যাদি অনুসরণ করতে হবে; সে ক্ষেত্রে স্থানীয় আলেম/কাজীর পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

তাকওয়িম-সংকেত (হুকুমের উৎস): আল্লাহ তাআলার কিতাবে তালাক সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ আছে — "অহে রাসুল! তোমরা যখন নারীদের তালাক দেবে, তাদেরকে তাদের ‘ঈদ্দত’ বজায় রাখতে বলো..." (সূরা তালাক 65:1)। এই আয়াত থেকে পরিষ্কার যে তালাক একটি নিয়ন্ত্রিত আইনগত ব্যবস্থাপনা, যা হঠাৎ সরল কথায় যুক্ত হওয়া নয়; নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময়সীমা আছে।

আল্লাহ সম্মত সমাধান দান করুন।