আমার ভর্তির পর একটা জিনিস শুনেছিলাম আমার ভর্তির টাকা নাকি সুদে ঋণ নিয়ে দেওয়া হয়েছে।তাই তখন আমি এই টাকাগুলোকে ঋণ হিসেবে রাখি(ঘোষণা দেইনি) যাতে আমি হারামে লিপ্ত না হই। কিন্তু পরে জানতে পারি তা লোনের টাকায় দেওয়া হয়নি এখন যদি আমি এই টাকাগুলোকে ঋণের নিয়ত থেকে বাদ দেই তবে তা কি জায়েয? এই টাকাগুলো কি পরিশোধ করতে হবে?
ইফতাও.ইনফো — হানাফি ফিকহ অনুসারে:
আপনি পরে নিশ্চিত হলে যে টাকা আসলে রিবা-ভিত্তিক কিস্তি/ঋণ ছিল না, তাহলে স্বেচ্ছা/মনের নিয়ত (আপনি যে কারণে তা ঋণ ধরে রেখেছিলেন) পরিবর্তন করা যায় এবং ওই টাকা ধরে রাখা জায়েয। অর্থাৎ প্রকৃত উৎস যদি HALAL হয়, তবে আপনাকে তা ফেরত দেওয়ার কোনো الشرعية (ধর্মীয়) বাধ্যবাধকতা নেই।
শর্ত: যদি প্রকৃতভাবে টাকা কারো ঋণ হিসেবে ছিল বা অন্য কেউ দাবি করে যে ওই টাকা তাঁকে ফেরত দেওয়ার ছিল, তাহলে ঐ দাবি মেনে দুর্জ্জন/প্রমাণ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত নিয়ত পরিবর্তনের কারণেই পরিশোধ বাধ্যতামূলক হয় না।
রেফারেন্স (একটি হাদীস): "إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ" — 'যুগৎ কাজগুলো নিয়ত দ্বারা' (সহীহ বুখারি)।