আসসালামু আলাইকুম, আমি একটা জায়গায় একজন ব্যক্তিকে দাবী করতে শুনেছি যে হানাফী ফিক্বহে মাস্টারবেশন করার অনুমতি আছে অর্থাৎ হারাম নয়। তিনি বদরুদ্দিন আঈনি (রহ.) (وأجيب بأن معناه وجد ، وهو المقصود من الجماع وهو قضاء الشهوة وهل يحل له أن يفعل
ذلك إن أراد الشهوة لا يحل لقوله صلى الله عليه وسلم ناكح اليد ملعون وإن أراد به تسكين ما به من الشهوة
أرجو أن لا یکون عليه وبال .
وقال الأترازي: -رحمه الله - قيل لأبي بكر الإسكاف أيحل للرجل أن يفعل ذلك قال مثل
ما ذكرنا، ثم قال فى آخره وهو مأجور فيه، قال الفقيه أبو الليث روى عن أبى حنيفة -رحمه) কে কোট করে বলেছেন যে উক্ত কাজ করাতে না কি সে রমাদানের দিনের ভাগেও রিওয়ার্ডেড হবে। অর্থাৎ মূল দাবী হলো আল্লাহর কিতাব এবং রাসূলের সুন্নাহ হতে প্রমাণিত যে মাস্টারবেশন করা হারাম এবং জায়েয নয়, তা সত্ত্বেও হানাফী ফিক্বহে না কি হারামকে হালাল করা হয়েছে। উস্তায, যদি বিষয়টা একটু খুলে বিস্তারিতভাবে উত্তর দিলে এ বিষয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ক্লিয়ার হতো ইনশা আল্লাহ্।
ওয়ালাইকুম আসসালাম। সংক্ষেপে উত্তর (হানাফী ফিকহ অনুসারে):
- মূলত: হানাফী ফিকহে ইস্তিমনা/মাস্টারবেশন সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য নয় — এটি নিন্দনীয় ও নিষিদ্ধ রূপে বিবেচিত। নিয়মিতভাবে করা গোনা যায় গোনাহ বা কমপক্ষে জাহিরভাবে নিন্দনীয় কাজ হিসেবে।
- ব্যতিক্রম: যদি কেউ নিজের উপরে বলশালীভাবে সম্পর্কবহির্ভূত জিন্স (যেমন জিনায়) পতিত হওয়ার ভয় পায়, এবং বিয়েতে অনতক্ষণ সুযোগ নেই, এমন কঠিন লাগামহীন লতাপড়া আবেগ থেকে পড়ে কেবল বড় গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য এটি করে তখন হানাফী উলামাদের মধ্যে এটিকে ‘অজুহাতে মঞ্জুর’ (lesser of two evils — جائز কারণ größere fitna থেকে বাঁচার প্রয়োজন) মনে করা হয়েছে। তবে তা স্থায়ী বা রুচিতে ঢোকা কোনো যুক্তি নয়; প্রথমে দৃষ্টি নামানো, উপবাস, বিবাহের চেষ্টা ইত্যাদি পথ নেওয়া আবশ্যক। এতদূরেও করা হলে পরবর্তীতে তওবাহ ও সতর্কতা জরুরি।
তথ্যসূত্র (একটি কিতাবীয় রেফারেন্স):
- Ibn ʿAbidin, Radd al-Muhtar ʿala al-Durr al-Mukhtar — এখানে হানাফী উলামা হয়রানীভিত্তিক বক্তব্য ও পূর্বোক্ত শর্তানুযায়ী ইস্তিমনার বিষয়ে অনুমতি বা নিষেধের বিবরণ দিয়েছেন; সাধারণত হারাম/নিন্দনীয় হিসেবে দেখানো হয়েছে, কেবল জরুরি অবস্থায় (যদি zina হতে ভয় থাকে) তা মুক্কাদ্দমভাবে মঞ্জুর।
আল্লাহ সর্বশক্তিমান সহায় হোন।