<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Islamic Fatwa - Recent questions and answers</title>
<link>https://ifatwa.info/qa</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>সরকারি গাছের ফল খাওয়া,সরকারের আইন মানা,ব্যাংক সম্পর্কে</title>
<link>https://ifatwa.info/144078/</link>
<description>১। আমি সরকারি মেডিকেলে পড়ি৷ আমাদের ক্যাম্পাসে অনেক ফলের গাছ যেমন আম গাছ আছে৷ প্রিন্সিপাল নির্দেশ দিয়েছেন যে আম শুধু মেডিকেলের কর্মচারী বা নার্সরা খেতে পারবে৷ আমরা ছাত্ররা পারব না৷ এটা আমাদের কাছে অন্যায় মনে হচ্ছে কারণ সরকারি মেডিকেল তো আমাদের জন্যই,ছাত্র ছাত্রীদের সংখ্যা ও অনেক বেশি,তাও আমরা বঞ্চিত হবো? এখন এই আম নির্দেশ ছাড়াই পেড়ে খাওয়া জায়েজ হবে কি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৷ বর্তমানে দেশসহ সব জায়গায় কুফরি সেক্যুলার আইন চলছে৷ এক্ষেত্রে যেখানে আমার ক্ষতির আশংকা নাই বা কারও হক্ব নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ও নাই সেক্ষেত্রে কি এই আইনগুলা অমান্য করা যাবে? যেমন ধরেন আমি সরকারি ক্যাম্পাসের আম পেড়ে খেলাম স্যারদের নির্দেশের বিরুদ্ধে৷ বা ধরা পড়া ব্যাতীত টিকেট না কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করলাম অন্য কারও সিট দখল ব্যাতীত এটা জায়েজ হবে? আবার ধরেন রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষ আইন যেটা সরাসরি ইসলামের বিরুদ্ধে যায় না ওটা মানা জরুরি কি? কুফফার সরকার তো আমার দেওয়া টাকা ইসলামের বিরুদ্ধেই খরচ করবে দিনশেষে।&lt;br /&gt;
৩। বর্তমানে যে ইসলামী ব্যংক আছে দেশে,সেখানে চাকরি করা কি জায়েজ? শুনেছি তারা সুদ না দিয়ে মাল কিনে নেই,দিয়ে ওটা বেশি দামে বিক্রি করে যেটা নাকি জায়েজ। এই পদ্ধদিতে কাজ করে। এটা কি সত্য?&lt;br /&gt;
৪। আইনজীবি বা বিচারপতি হওয়া কি জায়েজ? তারা তো সরাসরি কুফরি আইন অনুযায়ী বিচার ফয়সালা করার সাথে জড়িত। আর্মির চাকুরি কি জায়েজ? কারণ দেশের জঙ্গি নাটক,ইসলামপন্থীদের গুম খুন এসবে তারাও জড়িত ছিলো। এছাড়াও তাগুত কুফরি সরকারের গোলামি তো আছেই।</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144078/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:43:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144014/?show=144077#a144077</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144014/?show=144077#a144077</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:34:54 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: রিকশা যাতায়াতে নারীর দিকে দৃষ্টি পড়লে কি কোনো গোনাহ হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/143923/?show=144076#a144076</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত জারির ইবনে আব্দুল্লাহ রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋﻦ ﺟﺮﻳﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : &quot; ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦْ ﻧَﻈَﺮِ ﺍﻟْﻔُﺠَﺎﺀَﺓِ ﻓَﺄَﻣَﺮَﻧِﻲ ﺃَﻥْ ﺃَﺻْﺮِﻑَ ﺑَﺼَﺮِﻱ .&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে হঠাৎ হারামে পতিত হওয়া দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞাস করলাম।তিনি প্রতিউত্তরে বললেন,আমি যেন তাৎক্ষণাৎ দৃষ্টিকে অন্যদিকে ফিরিয়ে নেই। (সহীহ মুসলিম-২১৫৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ হযরত আলী রাযি কে ওসিয়ত করে বললেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;« ﻳَﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﻻَ ﺗُﺘْﺒِﻊِ ﺍﻟﻨَّﻈْﺮَﺓَ ﺍﻟﻨَّﻈْﺮَﺓَ، ﻓَﺈِﻥَّ ﻟَﻚَ ﺍﻷُﻭﻟَﻰ ﻭَﻟَﻴْﺴَﺖْ ﻟَﻚَ ﺍﻵﺧِﺮَﺓُ »&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে আলী! তুমি গায়রে মাহরাম মহিলার দিকে লাগাতার দৃষ্টি দিও না।অযাচিত ভাবে প্রথমবার দৃষ্টি পড়ে গেলে কোনো সমস্যা নাই।দ্বিতীয়বার আর কখনো দৃষ্টি দিবে না। (সুনানু-আবি-দাউদ-২১৪৯,সুনানু তিরমিযি-২৭৭৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/12713&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/12713&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রিকশায় বসে চোখ খুলে দৃশ্য দেখলে, বা আমল করলে বা দুআ করলে কিংবা মোবাইল দেখলে সকল অবস্থাতেই যদি আগ্রহের সাথে বেগানা কোনো নারীর দিকে চোখ না দেওয়া হয়, অতঃপর হঠাৎ যদি কোনো নারীর দিকে দৃষ্টি পড়ে যায়, তাহলে এতেকরে কোনো গোনাহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) রিকশায় চলাচলের সময় যদব বিল্ডিং এবং আকাশের দৃশ্য দেখা হয়, এবং তখন হঠাৎ কোনো নারীর দিকে দৃষ্টি পড়ে যায়, তাহলে কোনো গোনাহ হবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) যদি রিকশায় বসে আমল, দুআ বা মোবাইল দেখা হয়, তখন যদি কোনো নারীর দিকে দৃষ্টি পড়ে, তাহলে কোনো গোনাহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩) প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143923/?show=144076#a144076</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:28:15 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Bie nie proshno</title>
<link>https://ifatwa.info/144075/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম , আমি আমার এক বিপদগ্রস্থ বোনের হয়ে প্রশ্ন করছি।&lt;br /&gt;
&amp;quot;আমার এক বোন ২০বছর &amp;nbsp;আগে বিবাহ করসিলো পরিবারের অনুমতি ছাড়া। তখন যে ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলো সে ই স্বাক্ষী ও কাজীর বেবস্থা করেছিল। &amp;nbsp;বছর খানিকের পর ,পরবর্তীতে ৩মাস এর গর্ভকালীন সময় এ এই বিয়ে কে &amp;nbsp;তার স্বামী অস্বীকার করে, বলে বিয়েটা ফেইক ,স্বাক্ষীদের যেহেতু চিনেনা তাই পেপার্স বা স্বাক্ষী কোনোটার ই &amp;nbsp;হদিস আর পাওয়া যায়নি &amp;nbsp;। যার প্রেক্ষিতে সে গর্ভপাত ঘটায় &amp;nbsp;যেহেতু সে তার পরিবারকে বিয়ের বিষয়টা জানায়নি। এই পুরোটা সময় সে পড়াশোনার খাতিরে হোস্টেল এ ছিল বিধায় অভিভাবক কিছুই জানতোনা।&lt;br /&gt;
পরবর্তীতে ১০ বছর পূর্বে তার আবার পারিবারিক ভাবে অন্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে হয় যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতার কারণে ৫বছরের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। &amp;nbsp;বর্তমানে সে নিজেকে নিয়ে হতাশা গ্রস্থ। &amp;nbsp;এই প্রেক্ষিতে সে জানতে পারে প্রথম বিয়েটা তার ফেইক ছিলোনা। যেহেতু ফেইক ছিলোনা তাহলে &amp;nbsp;দ্বিতীয় বিয়ে টা &amp;nbsp;অবৈধ। &amp;nbsp;এই মুহূর্তে সে কোনো ধরণের বিয়ে বা ফ্যামিলি র সাথে জড়াতে চাচ্ছেনা। সে তওবা করে দিনের পথে ফিরতে চেষ্টা করছে। তার ভাষ্য মতে , প্রশ্ন হচ্ছে শরিয়া ভিত্তিতে যেহেতু প্রথম বিয়েটা ফেইক ছিলোনা এবং প্রথম পক্ষের স্বামী &amp;nbsp;বর্তমানে তার ফ্যামিলি নিয়ে settled তাহলে তার কি ডিভোর্স &amp;nbsp;নেয়া টা জরুরি , যদিও প্রথম পক্ষের স্বামী র সাথে যোগাযোগ পসিবল নয় ? কিভাবে কি করলে আল্লাহ র ক্ষমা পাওয়া যাবে? যেহেতু মনের অজান্তে ও knowledge এর স্বল্পতাআর &amp;nbsp;বয়স কমের সিদ্ধান্তের কারণে &amp;nbsp;দ্বিতীয় বিয়েটা জেনার পর্যায়ে হয়ে গেছে তাহলে শরিয়াহ ভিত্তিতে তার সমাধান কি হবে. কি করলে আল্লাহ তালার কাছে ক্ষমার যোগ্য হওয়া যাবে? পরবর্তীতে কি দিক নির্দেশনা তার জন্য প্রযোজ্য?&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমার বোনের পক্ষ থেকে লিখলাম। তার হেদায়েত এর দোআ চেয়ে শেষ করছি। উত্তর পেলে তাকে জানিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144075/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:02:11 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কাযআন ও দিয়ানাতান নিয়ে জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144072/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। এখানে আগে তালাক চাওয়র পর বা তালাকের মজলিশে কেনায়া শব্দ বললে নিয়ত ছাড়া তখন তালাক হবে বলত।এখন বলা হয় দিয়ানাতান হবে না কাযআন হবে।কাযআন হলে দিয়ানাতান না হলে সংসার করা যায়।এখনো অনেক পেজে দেখি তালাক হবে বলে।তারা আর এই সাইটে আগে কি কাযআন এর উপর ফতোয়া দিত?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144072/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 06:15:26 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কুরবানী  প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/144071/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একজন মানুষ ব্যাংকে ডিপোজিট করেছিল(১০ বছর ধরে অল্প অল্প টাকা রেখেছিল)। ব্যাংক থেকে ডিপোজিট ভেঙ্গে ফেলেছে এবং কিছু টাকা লাভও দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১.এই লভ্যাংশ ব্যবহার করা জায়েজ হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২.যেহেতু ওনি কতটাকা জমা রেখেছেন এবং কতটাকা লাভ পেয়েছে এই হিসাব করেননি। এই টাকা দিয়ে কুরবানি জায়েজ হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩.যদি জায়েজ না হয় কারো কাছ থেকে কর্যে হাসানা নিয়ে কুরবানি করে পরবর্তীতে ডিপোজিটের টাকা থেকে পরিশোধ করা যাবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪.যদি ওনি এসব মানতে না চায়, এই টাকা দিয়ে কুরবানী দিয়ে থাকে তাহলে ওনার সন্তানের এই খাবার খাওয়া জায়েজ হবে?সন্তান(সাবালক এবং মেয়ে) কি ধরনের আচরণ করতে পারে?</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144071/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 02:54:39 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আগের প্রশ্নটা আরেকটু বিস্তারিত জানতে</title>
<link>https://ifatwa.info/144070/</link>
<description>&lt;p&gt;&lt;a target=&quot;_blank&quot; rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://ifatwa.info/126440/&quot;&gt;https://ifatwa.info/126440/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;হুজুর এখানে যদি মেয়েটা বলে থাকে আমি হিজাব পড়ে আছি।আমাকে দেখলে বুঝবে আমি হিন্দু না,অন্য কেউ মাথায় কাপড় নাই যে ওদের বল।তবু জোর করলে বা জোর না করলেও এমনিতে বান্ধবী দিতে বললে আগে থেকে বা এমনিতে বন্ধুত্বের কারণে প্রেজেন্ট দিলে,এসাইনমেন্টে সাইন করলে বা সার্টিফিকেট তুললে স্যাররা না জানে মত মানে চুরি করে ওদের নাম পরিচয় দিয়ে মানে উদ্দেশ্য হচ্ছে সাহায্য করা তাহলে কি কোন সমস্যা হয় ঈমানে?মানে মোটেও নিজেকে হিন্দু বলা বা মনেও করে না আর হতেও চায় না।আর এসজবে ঈমানে সমস্যা হতে পারে কিনা মোটেও ধারণা না থাকলে এতে কি সমস্যা হয়? বিবাহিত কেউ করলে জানার পর আর জীবনে করবে না বলে তওবা করলে কি কোন সমস্যা হয়?&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144070/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 01:24:38 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>শুধু ব্যায়াম করতে বললে কি যিহার হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144068/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। আমার স্বামী বলতেছে কোমর আর থাই কমানোর ব্যায়াম করতে।বলতেছিল নাহলে কয়েকদিন পর হাঠতে কষ্ট হবে।পা ফোলে যাবে, আর তুমার মায়ের মত বাত এর সমস্যা হবে।শুধু শুধু এতটুকু বললে কি যিহার হয়?&lt;br /&gt;
আমার মায়ের পা,কোমর এসব ও মোটা স্বামীও জানে কিন্তু ওটা বলে নি। আম্মুর বাতের সমস্যা আছে ডাক্তার ওজন কমাতে বলেছে আম্মুকে। তহ আমার কোমর ও আমার মায়ের মত মোটা,পা ও।আমার ও আবার এমন সমস্যা হতে পারে মনে করে স্বামী শুধু ব্যায়াম করতে বলেছে আর কিছু বলে নি।এতে কি যিহার হবে?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144068/</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 00:11:51 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>দাজ্জাল এবং  সালাত নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144065/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১) একজন পুরুষের জন্য দাজ্জালের ফেতনা নাকি নারীর ফেতনা কোনটি বেশি ভয়ংকর?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২) দাজ্জাল কি কিছু মানুষের জাহান্নাম নিশ্চিত করার জন্য পৃথিবীতে আসবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩) দাজ্জাল ফিতনা ছড়াবে তা জানি তবে দুর্বল ঈমানের &amp;nbsp;ব্যক্তিদের সে জাহান্নাম নিশ্চিত করবে এমনটা কি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪) সালাতে রুকু সিজদায় কয় তাসবীহ সর্বনিম্ন পড়তে হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাযাকাল্লাহু খাইরান</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144065/</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 17:40:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>হুরমতে মুসাহারা নিয়ে মুফতি ইমদাদুল হক সাহেবের কাছে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144063/</link>
<description>
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;প্রশ্ন নং১: ফতোয়ায়ে শামী এর মাসয়ালা মতে হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হতে হলে বাবাকে মেয়ের গোপনাঙ্গ দিকে কামভাব বা সহবাসের নিয়তে দৃষ্টি এবং শরীলেও কামভাব বা সহবাসের নিয়তে স্পর্শ করলেই কেবল হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হবে।মুফতি সাহেব আপনি নিজেও এরকম অনেক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন যে, শ্বাশুড়ি ও মেয়েকে স্পর্শ কিংবা দৃষ্টি দেওয়ার সময় কেবল তাদের দিকেই যদি কামভাব বা সহবাসের নিয়ত থাকে তাহলে হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হবে।যদি গোপনঙ্গ অন্য কোনো কারনে দাড়িয়ে থাকে কিংবা অন্য কারো প্রতি কামভাবের কারনে গোপনাঙ্গ দাড়িয়ে থাকে এমন অবস্থায় যদি মেয়ে,শ্বাশুড়ির শরীলে স্পর্শ লাগে তাহলেও হুরমতে মুসাহারা হবে না কারন মেয়ে শ্বশুড়ির প্রতি ত কামভাব নেই।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;&amp;nbsp;ফাতওয়ায়ে আলমগীরী এর মতে কামভাব বা সহবাসের নিয়ত যদিও নিজ স্ত্রী এর উপরেই থাকে কিন্ত ভুল বসত নিজের মেয়ের উপর হাত পরে যায় তাহলেও হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হবে।যা থেকে বুঝা যায় ফাতওয়ায়ে শামী ও আলগীরী একটি এর মত আরেকটির বিপরীত কারন ফতওয়ায়ে শামীর মতে মেয়েকে স্পর্শ করলে তখনই হুরমত সাব্যস্ত হবে যখন মেয়ের প্রতি কামভাব বা সহবাসের নিয়ত থাকবে আর ফাতওয়ায়ে আলমগীরী এর মতে যদিও স্ত্রী এর প্রতি কামভাব কিন্ত মেয়ের দিকে কামভাব না থাকলেও স্পর্শ লাগলে হুরমতে মুসাহারা হয়ে যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;এখন আমার প্রধান প্রশ্ন হল কোনটা সঠিক এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি,ফাতওয়ায়ে শামী নাকি আলমগীরী?বর্তমানে আমি আপনার দেওয়া মাসয়ালা এবং ফতওয়ায়ে শামী এর মতামত মেনে চলছি,&amp;nbsp; সকল দিক ও গ্রহনযোগ্যতা বিবেচনা করে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;আমি কি সঠিক দিকেই আছি যে হুরমতে মুসাহারা হতে হলে মেয়েকে যদি স্পর্শ করা হয়, তাহলে মেয়ের প্রতি সহবাস বা কামবাবের নিয়তে থাকতে হবে অন্য কারো প্রতি থাকলে হবে না?একটু বুঝিয়ে বলবেন দয়া করে মুফতি সাহেব?&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;প্রশ্ন ২:শ্বশুর কর্তৃক পুত্র বধুকে কামভাব ও সহবাসের নিয়তে স্পর্শ করার পর যদি হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হয়ে যায়।এমন অবস্থায় যদি শ্বশুর হুরমত সম্পর্কে না জানে এবং হুরমত সাব্যস্ত হওয়ার পর ও তার ছেলে এবং ছেলের বৌ সংসার করতে থাকে এবং ১০ বছর পর গিয়ে ছেলের বৌ মারা যায়।ছেলের বৌ মারা যাওয়ার পর, শ্বশুর যদি জানতে পারে হুরমতে মুসাহারা সম্পর্কে এবং এটা ও জানতে পারে যে তার কারনে তার ছেলে এবং ছেলের বৌ এর হালাল সম্পর্ক নস্ট হয়ে গিয়ে তারা অবৈধ ভাবে বসবাস করেছিল।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;এক্ষেত্রে শ্বশুর জানার পর শ্বশুর এর কি করনীয়?শ্বশুর ত এখন ভুল বুঝতে পারছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;তার ছেলে ও ছেলের বৌ এর সম্পর্ক অবৈধ হওয়ার পর ও যে একসাথে থেকেছে এতে করে ত জিনার গু না হয়েছে,তাহলে এখন এই গুনার দায় ভার কার, শ্বশুরের নিতে হবে নাকি?শ্বশুর এর এখন কি করা প্রয়োজন, তার ছেলের কাছে ক্ষমা চাইবে নাকি আল্লহর কাছে ক্ষমা চাইবে?&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;একটু সহজ করে সমাধান দিবেন কারন ছেলের কাছে ক্ষমাই চাইবে কিভাবে আর এগুলো কিভাবে বলবে, লজ্জার বিষয়।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;প্রশ্ন ৩:কোনো ব্যাক্তি যদি অন্য কোনো স্বামী এবং স্ত্রী এর সহবাসে মিলনের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গিয়ে দেখে,এবং স্বামী ও স্ত্রী ঐ ব্যাক্তিকে দেখে ফেলার পর ব্যাক্তিটি চলে যায়।পরবর্তীতে ব্যাক্তিটি তার অপরাধ বুঝতে পারে।এতে করে ব্যাক্তিটি কি বান্দার হক নস্ট করেছে? এখন এই অপরাধ এর কারনে কি স্বামী ও স্ত্রী এর কাছে ক্ষমা চাইবে নাকি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে?স্বামী ও স্ত্রী এর কাছে ত ক্ষমা চাওয়া লজ্জার বিষয় এক্ষেত্রে সহজে কিভাবে ক্ষমা পেতে পারে একটু সমাধন দেন?&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:15.84px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#f6fafd&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:Arial,Tahoma,Helvetica,FreeSans,sans-serif; font-size:12pt&quot;&gt;মুফতি সাহেব দয়া করে সমাধানগুলো দেন, এখানে ৩ টা প্রশ্নের ভিতরেই অনেকগুলো প্রশ্ন করে ফেলেছি, দয়া করে সবগুলো উত্তর ই একটু বুঝিয়ে দিয়েন।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144063/</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 16:41:00 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ভীমরুল কে পুরিয়ে মারা এবং অন্যন্য</title>
<link>https://ifatwa.info/144061/?show=144062#a144062</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/129255/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/129255/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর সৃষ্টজীব ছোট হোক বা বড় হোক, আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে মারা জায়েয  নয়৷ কারণ আগুন দ্বারা শাস্তি প্রদান কেবল আল্লাহ তাআলাই করবেন৷ এটা আল্লাহ তাআলার জন্যে খাস৷ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেমন হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: إِنَّ النَّارَ لاَ يُعَذِّبُ بِهَا إِلاَّ اللَّهُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আগুন দ্বারা আল্লাহ তাআলা ছাড়া অন্য কেউ শাস্তি দিতে পারে না৷&quot; (সহীহ বুখারী: ৩০১৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَرَأَى النبي صلى الله عليه وسلم قَرْيَةَ نَمْلٍ قَدْ حرقها بعض الصحابة بالنار فقال: إِنَّهُ لَا يَنْبَغِي أَنْ يُعَذِّبَ بِالنَّارِ إِلَّا رَبُّ النَّارِ. &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;রাসূলুল্লাহ সা, দেখলেন জনৈক সাহাবী পিঁপড়ার বাসা আগুন দ্বারা জ্বালিয়ে দিয়েছেন৷ তখন রাসূল সা, বললেন, আগুনের প্রতিপালক ছাড়া আগুন দ্বারা অন্য কেউ শাস্তি দিতে পারে না৷&quot; (সুনানে আবু দাউদ: ২৬৭৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কষ্টকর প্রাণীকে হত্যা করা জায়েয। আগুন দিয়ে জ্বালানো জায়েয হবে না। সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে ভিমরুলকে আগুনে পুড়ে ফেলা জায়েজ হবেনা। কেননা তাহা অন্য কোন পদ্ধতিতেও তাড়ানো যায়। এ বিষয়ে যারা অভিজ্ঞ তাদের থেকে পরামর্শ নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে এছাড়া কোনো পথ না থাকলে তখন অনুমোদিত হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতে গুনাহ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/122996/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/122996/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144061/?show=144062#a144062</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 16:27:34 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্ন্যাপচ্যাট অ্যাপ দিয়ে ছবি তোলা হলে চেহারায় যে পরিবর্তন হয় তা নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144059/?show=144060#a144060</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইসলামের মৌলিক বিধান হচ্ছে, জড়বস্তুর ছবি তোলা ও আঁকায় শরয়ী কোন বিধিনিষেধ নেই। আর প্রাণীর ছবি প্রয়োজন ছাড়া তোলা, সংরক্ষণ করা, প্রকাশ করা, ব্যবহার করা হারাম।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে শরীয়তে ছবি বলতে কী বোঝায়, এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিশ্লেষণ রয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/4522/?show=4522#q4522&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/4522/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা, কম্পিউটার ও মোবাইলে সংরক্ষিত ছবিও ‘নিষিদ্ধ ছবি’র অন্তর্ভুক্ত বিধায় এটিও হারাম। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;সহিহ হাদিসে এসেছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ يُجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسٌ فَيُعَذِِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রত্যেক ছবিনির্মাতা জাহান্নামে যাবে, তার নির্মিত প্রতিটি ছবি পরিবর্তে একটি করে প্রাণ সৃষ্টি করা হবে, যা তাকে জাহান্নামে শাস্তি দিতে থাকবে। (বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, মুসলিম ৫৬৬২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরীফে এসেছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قال حدثنا الاعمش عن مسلم قال كنا مع مسروق فى دار يسار بن نمير فراى فى صفته تماثيل فقال سمعت عبد الله قال سمعت النبى ﷺ يقول ان اشد الناس عذابا عند الله المصورون&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আ’মাশ তিনি  মুসলিম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি মাসরুকের  সঙ্গে ইয়াসার ইবনে নুমাইরের ঘরে ছিলাম, তিন ঘরের মধ্যে প্রাণীর ছবি দেখতে পেলেন, অতঃপর বললেন, আমি হযরত আব্দুল্লাহ্  রাযি.-এর নিকট শুনেছি, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘নিশ্চয় মানুষের মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তাআলা কঠিন শাস্তি দেবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে।’ (বুখারী ২/৮৮০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/2253/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/2253/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞের মতে তা জায়েয। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তাদের বক্তব্য হলো কম্পিউটার ও মোবাইল স্ক্রীনে থাকা প্রাণীর (অশ্লীল ও নারীর ছবি ছাড়া) ছবি প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত জায়েজ বলেছেন জামিয়া বিন্নুরিয়া পাকিস্তানের ফাতওয়া বিভাগ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কম্পিউটার স্ক্রীনে বা মোবাইল স্ক্রীনে ছবি না রাখাটাও তাক্বওয়ার দাবী। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/5371/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/5371/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত অ্যাপ দিয়ে ছবি তোলা যাবে। তবে এক্ষেত্রে কোন ধোঁকার আশ্রয় নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ যেমন কোন পাত্রী এ পদ্ধতিতে ছবি তুলে পাত্রকে দেখাতে পারবে না বা যেসব ক্ষেত্রে এই ছবি পাঠালে ধোকা দেয়া হবে, সেসব ক্ষেত্রে ছবি পাঠানোর কোন সুযোগ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে এক্ষেত্রে এটি আল্লাহর সৃষ্টির অপমান হিসেবে গণ্য হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরেকটি বিষয় হলো এই ছবিটি কোন গায়রে হারাম যেন কোনক্রমেই দেখতে না পায় সে ব্যাপারেও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনেক ওলামায়ে কেরামগণ বিনা প্রয়োজনে মোবাইলেও ছবি তোলা কে নাজায়েজ বলেছেন,তাই বিনা প্রয়োজনে সতর্কতামূলক যেকোনো ধরনের ছবি তোলা হতে বেঁচে থাকাই উচিত।     &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144059/?show=144060#a144060</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 15:27:38 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিবাহে ইস্তেখারার পর স্বপ্ন ও পরামর্শ বিষয়ে।</title>
<link>https://ifatwa.info/144054/?show=144058#a144058</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/13381/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/13381/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ  &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারা অর্থ হল, ভালোকে তালাশ করা। অর্থাৎ যখন কারো সামনে দু’টি রাস্তা থাকে, সে জানেনা কোন রাস্তাটি তার জন্য মঙ্গলজনক, তাহলে এমতাবস্থায় সে ইস্তেখারা করে একটি রাস্তাকে নির্দিষ্ট করবে। সুতরাং কারো অসুখ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে কি না? সেটা জানার জন্য ইস্তেখারা করার কোনো নিয়ম নাই। হ্যা এ বিষয়ে আল্লাহর মদদ ও সাহায্য কামনার স্বার্থে ইস্তেখারা করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত জাবির রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا الِاسْتِخَارَةَ فِي الأُمُورِ كُلِّهَا، كَمَا يُعَلِّمُنَا السُّورَةَ مِنَ القُرْآنِ، يَقُولُ: &quot; إِذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالأَمْرِ، فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ الفَرِيضَةِ، ثُمَّ لِيَقُلْ: &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সব কাজে ইস্তিখারাহ্* শিক্ষা দিতেন। যেমন পবিত্র কুরআনের সূরাহ্ আমাদের শিখাতেন। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করলে সে যেন ফরজ নয় এমন দু’রাক‘আত সালাত আদায় করার পর এ দু’আ পড়েঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ العَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلَّامُ الغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي - أَوْ قَالَ عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ - فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي، ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي - أَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ - فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ، وَاقْدُرْ لِي الخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، ثُمَّ أَرْضِنِي &quot; قَالَ: «وَيُسَمِّي حَاجَتَهُ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভাবার্থঃ‘‘প্রভু হে! আমি তোমার জ্ঞানের ওয়াসিলাহ্তে তোমার অনুমতি কামনা করছি; তোমার কুদরতের ওয়াসিলায় শক্তি চাচ্ছি আর তোমার অপার করুণা ভিক্ষা করছি। কারণ তুমিই সর্বশক্তিমান আর আমি দুর্বল। তুমিই জ্ঞানী আর আমি অজ্ঞ এবং তুমিই সর্বজ্ঞ। প্রভু হে! তুমি যদি মনে কর যে, এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায়, ইহকালে ও পরকালে সত্বর কিংবা বিলম্বে আমার পক্ষে মঙ্গলজনক হবে তা হলে আমার জন্য তা নির্ধারিত করে দাও এবং তার প্রাপ্তি আমার জন্য সহজতর করে দাও। অতঃপর তুমি তাতে বারাকাত দাও। আর যদি তুমি মনে কর এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায় ইহকালে ও পরকালে আমার জন্য ক্ষতিকর হবে শীঘ্র কিংবা বিলম্বে তাহলে তুমি তাকে আমা হতে দূর করে দাও এবং আমাকে তা হতে দূরে রাখো; অতঃপর তুমি আমার জন্য যা মঙ্গলজনক তা ব্যবস্থা কর- সেটা যেখান থেকেই হোক না কেন এবং আমাকে তার প্রতি সন্তুষ্টচিত্ত করে তোল।’’তিনি ইরশাদ করেন هَذَا الْأَمْرَ  তার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করবে।(সহীহ বুখারী- (শামেলা);২/৫৭,হাদীস নং১১৬২,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৪/৬২৯) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুন-&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1472&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1472&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারাকৃত বিষয়টির ফায়সালা কিভাবে বুঝতে পারবে? কোন পদ্ধতিতে তা জানা যাবে? এ নিয়ে উলামায়ে কেরাম থেকে একাধিক পদ্ধতি জানা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত আমল শেষ করে কারো সাথে কথা না বলে কিবলামুখী হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। ঘুম থেকে জাগার পর মন যেদিকে সায় দিবে, বা যেদিকে আগ্রহী হয়ে উঠবে, সেটিই ফলাফল মনে করবে। [তুহফাতুল আলমায়ী-২/৩৩৮, বেহেশতী জেওর]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বাকি এছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি আছে,তবে সেসব  পদ্ধতিকে রাসূল সাঃ থেকে প্রমাণিত পদ্ধতি বলা যাবে না। বাকি একদম বাতিল পদ্ধতিও বলা ঠিক নয়। কারণ এটি জানার পদ্ধতি যেহেতু কোন দ্বীনী বিষয় নয়। বরং দুনিয়াবী বিষয়ের ফায়সালা জানতে এমনটি করা হয়ে থাকে, তাই এটির ক্ষেত্রে মানুষের অভিজ্ঞতার একটি দখল রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; কারো অভিজ্ঞতায় যদি এমন আমল করার দ্বারা ইস্তেখারাকৃত বিষয়ের ফলাফল স্পষ্ট হয়, তাহলে সেএর উপর আমল করতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যখন কারো সামনে দু’টি রাস্তা থাকে, সে জানেনা কোন রাস্তাটি তার জন্য মঙ্গলজনক, তাহলে এমতাবস্থায় সে ইস্তেখারা করে একটি রাস্তাকে নির্দিষ্ট করবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মানুষ বিভিন্ন সময় একাধিক বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে গ্রহণ করবে সে ব্যাপারে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। কারণ, কোথায় তার কল্যাণ নিহীত আছে সে ব্যাপারে কারো জ্ঞান নাই। তাই সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে কল্যান লাভের জন্য আসমান জমীনের সৃষ্টিকর্তার নিকট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইস্তেখারা করতে হয় বা সাহায্য প্রার্থনা করতে হয়,যেন তিনি তার সিদ্ধান্তকে এমন জিনিসের উপর স্থীর করে দেন যা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী জন্য উপকারী হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ইস্তিখার ফলাফল নেগেটিভ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং উক্ত বিবাহে না এগোনোর পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144054/?show=144058#a144058</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 14:41:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পবিত্রতা নিয়ে মাসয়ালা</title>
<link>https://ifatwa.info/144056/?show=144057#a144057</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْعَلَاءِ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شَوْكَرِ بْنِ رَافِعٍ الطُّوسِيُّ ، نَا أَبُو إِسْحَاقَ الضَّرِيرُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ زَكَرِيَّا ، نَا ثَابِتُ بْنُ حَمَّادٍ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ ، قَالَ : أَتَى عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - وَأَنَا عَلَى بِئْرٍ أَدْلُو مَاءً فِي رِكْوَةٍ لِي ، فَقَالَ : يَا عَمَّارُ ، مَا تَصْنَعُ ؟ قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، بِأَبِي وَأُمِّي ، أَغْسِلُ ثَوْبِي مِنْ نُخَامَةٍ أَصَابَتْهُ . فَقَالَ &quot; يَا عَمَّارُ ، إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ : مِنَ الْغَائِطِ ، وَالْبَوْلِ ، وَالْقَيْءِ ، وَالدَّمِ ، وَالْمَنِيِّ ، يَا عَمَّارُ ، مَا نُخَامَتُكَ وَدُمُوعُ عَيْنَيْكَ وَالْمَاءُ الَّذِي فِي رِكْوَتِكَ إِلَّا سَوَاءٌ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল 'আলা (রহঃ) ... আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন, তখন আমি একটি কূপ থেকে বালতি দিয়ে পানি তুলে আমার একটি পানির পাত্রে ভর্তি করছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আম্মার! তুমি কি করছো? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কোরবান হোক। আমি আমার পরিধেয় বস্ত্রে লেগে যাওয়া শ্লেষ্মা পরিষ্কার করছি। তিনি বলেনঃ হে আম্মার! পাঁচটি জিনিস থেকে কাপড় ধৌত করা প্রয়োজনঃ বিষ্ঠা, পেশাব, বমি, রক্ত ও বীর্য। হে আম্মার! তোমার নাকের শ্লেষ্মা, তোমার উভয় চোখের অশ্রু এবং তোমার এই পানির পাত্রের পানি একই সমান (পাক-নাপাকীর হুকুমের ক্ষেত্রে)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুনানে দারা কুতনি ৪৫০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে পেশাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জনের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছেঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَبْرَيْنِ، فَقَالَ: ” إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ، وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبِيرٍ، أَمَّا أَحَدُهُمَا: فَكَانَ لَا يَسْتَنْزِهُ مِنَ البَوْلِ – قَالَ وَكِيعٌ: مِنْ بَوْلِهِ – وَأَمَّا الْآخَرُ: فَكَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ “.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূল সাঃ দু’টি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম হচ্ছিলেন। বললেন, এ দু’টি কবরে আযাব হচ্ছে। কোন বড় কারণে আজাব হচ্ছে না। একজনের কবরে আজাব হচ্ছে সে পেশাব থেকে ভাল করে ইস্তিঞ্জা করতো না। আরেকজন চোগোলখুরী করতো। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৯৮০, বুখারী, হাদীস নং-১৩৬১}&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/137942/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/137942/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;পবিত্রকরণ এর দিক দিয়ে নাজাসত দুই প্রকারঃ যথা-&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;দৃশ্যমান নাজাসত&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;অদৃশ্যমান নাজাসত&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;,&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;দৃশ্যমান নাজাসতের বিধানঃ কাপড়ে প্রথম প্রকার তথা দৃশ্যমান নাজাসত লাগলে সেই নাজাসতকে  দূর করে দিলেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে এক্ষেত্রে নাজাসত দূর করতে ধৌত করার কোনো পরিমাণ নেই। যতবার ধৌত করলে নাজাসত দূর হবে ততবারই ধৌত করতে হবে। যদি একবার ধৌত করলে তা চলে যায় তবে একবারই ধৌত করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;,&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;অদৃশ্যমান নাজাসতের বিধানঃ কাপড়ে দ্বিতীয় প্রকার তথা অদৃশ্যমান নাজাসত লাগলে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;কাপড়কে তিনবার ধৌত করে তিনবারই নিংড়াতে হতে এবং শেষ বার একটু শক্তভাবে নিংড়ানো হবে যাতে করে পরবর্তীতে আর কোনো পানি বাহির না হয়। (ফাতাওয়ায়ে হাক্কানিয়া&lt;/span&gt;;&lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;২/৫৭৪জা&lt;/span&gt;'&lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;মেউল ফাতাওয়া&lt;/span&gt;;&lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;৫/১৬৭)&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;,&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;নাজাসতকে ১০টি পদ্ধতিতে পবিত্র করা যায় যথা-&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;১. ধৌত করা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন কাপড় ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;২. মোছা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন আয়না&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;তলোয়ার ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৩. টুকা দিয়ে নাজাসত দূর করা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন গাড় বীর্য কে টুকা দিয়ে কাপড় থেকে দূরে সরিয়ে ফেলা&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৪. ঘর্ষণ&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;মর্দন&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন শরীর বিশিষ্ট নাজাসত যাকে ঘর্ষণ-মর্দন করে দূর করা হলে তা পবিত্র হয়ে যায়&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৫. শুকিয়ে নাজাসতের আসর দূর হয়ে যাওয়া&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন জমিন&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;গাছ ইত্যাদি শুকিয়ে পবিত্র হয়ে যায়&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৬. জ্বালানো&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন গোবর ইত্যাদি জ্বলে ভস্ম হয়ে ছাই হয়&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যা পবিত্র। ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৭. এক অবস্থা থেকে ভিন্নরূপ ধারণ করে পবিত্র হওয়া। যেমনঃ মদ থেকে সিরকায় পরিণত হওয়া যা কিনা পবিত্র। ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৮. দেবাগত&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;যেমন মানুষ এবং খিনযির ব্যতীত সকল প্রকার প্রাণীর চামড়া কে লবন মাখিয়ে রৌদ্রে রাখলে তা পবিত্র হয়ে যায়&lt;/span&gt;,&lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;৯. যবেহ&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;প্রাণীকে যবেহ করার মাধ্যমে উক্ত প্রাণীর চামড়া পবিত্র হয়ে যায়। যদি এমন প্রাণীও হয় যার গোস্ত ভক্ষণ করা হারাম&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;তবে তার চামড়াকে পবিত্র করে দেয়&lt;/span&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;১০. নরখ&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;span lang=&quot;BN&quot;&gt;তথা যদি কোনো কূপে নাজসত পড়ে যায় তাহলে উক্ত কূপের মুনাসিব পরিমাণ পানি বাহিরে নিক্ষেপ করলেই উক্ত কোপ পবিত্র হয়ে যায় ইত্যাদি।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;এই মোট দশ ভাবে কোনো অপবিত্র জিনিষকে পবিত্র করা যায়।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;,&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;b&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;★&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt; &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন,&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে উভয় সূরতে নাপাকি দূর করে &lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;ভালো ভাবে পানি দ্বারা হাত ধৌত করলেই হাত পাক হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে সাবান ব্যবহার করা আবশ্যক নয়। আবশ্যক হলো ভালো ভাবে পানি দ্বারা নাপাকি দূর করা। &lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় একবার ভালোভাবে হাত ধৌত করলেও তাতে যদি নাপাকে দূর হয়,হাত পাক হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেখানে নাপাকি আছে,সেখানে হালকা ভাবে ২/১ বার ডলে ধুয়ে নিবেন,বাকি অঙ্গগুলো ডলে ধোয়া আবশ্যক নয়।&lt;/div&gt;</description>
<category>পবিত্রতা (Purity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144056/?show=144057#a144057</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 14:37:23 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ের ভ্যালিডিটি</title>
<link>https://ifatwa.info/144046/?show=144051#a144051</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো যদি দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক সমঝদার সাক্ষ্যির সামনে প্রাপ্ত বয়স্ক পাত্র ও পাত্রি যদি প্রস্তাব দেয় এবং অপরপক্ষ তা গ্রহণ করে নেয়, তাহলে ইসলামী শরীয়াহ মুতাবিক বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। অভিভাবকের সম্মতি থাকুক বা না থাকুক। অভিভাবক জানুক বা না জানুক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; তবে যদি গায়রে কুফুতে বিবাহ করে, তথা এমন পাত্রীকে বিবাহ করে, যার কারণে ছেলে বা মেয়ের পারিবারিক সম্মান বিনষ্ট হয়, তাহলে পিতা সে বিয়ে আদালতের মাধ্যমে ভেঙ্গে দিতে পারে। যদি কুফুতে বিবাহ করে, তাহলে পিতা এ অধিকারও পাবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটিই হানাফি মাযহাবের প্রাধান্য পাওয়া মত,যার উপরেই ফতোয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ؛ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, মেয়ে তার ব্যক্তিগত বিষয়ে অভিভাবকের চেয়ে অধিক হকদার। {মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং-৮৮৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৪২১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: ” جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبِي وَنِعْمَ الْأَبُ هُوَ، خَطَبَنِي إِلَيْهِ عَمُّ وَلَدِي فَرَدَّهُ، وَأَنْكَحَنِي رَجُلًا وَأَنَا كَارِهَةٌ. فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أَبِيهَا، فَسَأَلَهُ عَنْ قَوْلِهَا، فَقَالَ: صَدَقَتْ، أَنْكَحْتُهَا وَلَمْ آلُهَا خَيْرًا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا نِكَاحَ لَكِ، اذْهَبِي فَانْكِحِي مَنْ شِئْتِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত সালামা বিনতে আব্দুর রহমান রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক মেয়ে রাসূল সাঃ এর কাছে এল। এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা! কতইনা উত্তম পিতা! আমার চাচাত ভাই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল আর তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। আর এমন এক ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাইছেন যাকে আমি অপছন্দ করি। এ ব্যাপারে রাসূল সাঃ তার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলে পিতা বলে, মেয়েটি সত্যই বলেছে। আমি তাকে এমন পাত্রের সাথে বিয়ে দিচ্ছি যার পরিবার ভাল নয়। তখন রাসূল সাঃ মেয়েটিকে বললেন, “এ বিয়ে হবে না, তুমি যাও, যাকে ইচ্ছে বিয়ে করে নাও”। {মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১০৩০৪, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১৫৯৫৩}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: ” أَنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرَتْ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ”&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। কুমারী মেয়ে রাসূল সাঃ এর কাছে এসে বলল, আমার পিতা আমার অপছন্দ সত্বেও বিয়ে দিয়েছে, তখন রাসূল সাঃ সে মেয়েকে অধিকার দিলেন, [যাকে ইচ্ছে বিয়ে করতে পারে বা এ বিয়ে রাখতেও পারে]। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৪৬৯, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৮৭৫}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: جَاءَتْ فَتَاةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: ” إِنَّ أَبِي زَوَّجَنِي ابْنَ أَخِيهِ، لِيَرْفَعَ بِي خَسِيسَتَهُ، قَالَ: فَجَعَلَ الْأَمْرَ إِلَيْهَا، فَقَالَتْ: قَدْ أَجَزْتُ مَا صَنَعَ أَبِي، وَلَكِنْ أَرَدْتُ أَنْ تَعْلَمَ النِّسَاءُ أَنْ لَيْسَ إِلَى الْآبَاءِ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ “&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত বুরাইদা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক মহিলা নবীজী সাঃ এর কাছে এসে বলল, আমার পিতা আমাকে তার ভাতিজার কাছে বিয়ে দিয়েছে, যাতে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। রাবী বলেন, তখন রাসূল সাঃ বিষয়টি মেয়ের ইখতিয়ারের উপর ন্যস্ত করেন, [অর্থাৎ ইচ্ছে করলে বিয়ে রাখতেও পারবে, ইচ্ছে করলে ভেঙ্গেও দিতে পারবে] তখন মহিলাটি বললেন, আমার পিতা যা করেছেন, তা আমি মেনে নিলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল, মেয়েরা যেন জেনে নেয় যে, বিয়ের ব্যাপারে পিতাদের [চূড়ান্ত] মতের অধিকার নেই্ {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৮৭৪}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত মাসয়ালায় চার মাযহাবের অবস্থান দলীল,বিপরীত মুখি হাদীসের জবাব সহ বিস্তারিত জানুন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/1525/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/1525/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/4801/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/4801/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসুল সাঃ কুফু মিলাইতে বলেছেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدَّيْنِ تَرِبَتْ يَدَاكَ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মূলত) চারটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয়- নারীর ধন-সম্পদ, অথবা বংশ-মর্যাদা, অথবা রূপ-সৌন্দর্য, অথবা তার ধর্মভীরুর কারণে। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) সুতরাং ধর্মভীরুকে প্রাধান্য দিয়ে বিবাহ করে সফল হও। আর যদি এরূপ না কর তাহলে তোমার দু’ হাত ধূলায় ধূসরিত হোক (ধর্মভীরু মহিলাকে প্রাধান্য না দিলে ধ্বংস অবধারিত)!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, নাসায়ী ৩২৩০, আবূ দাঊদ ২০৪৭, ইবনু মাজাহ ১৮৫৮, আহমাদ ৯৫২১, ইরওয়া ১৭৮৩, সহীহ আল জামি‘ ৩০০৩।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুফু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে উক্ত বিবাহে যদি শরীয়তের নীতিমালা ফলো করে ইজাব কবুল করা হয় আর সাক্ষীদ্বয় যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে,সেক্ষেত্রে উক্ত বিবাহ শরীয়তের বিধান অনুসারে শুদ্ধ বলে গন্য হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/11771&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/11771&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144046/?show=144051#a144051</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 13:18:34 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: লেনদেন,ইমান  ফরজ গোসল, অযু, পবিত্রতা সম্পর্কে জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/144030/?show=144043#a144043</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে এভাবে তার কাছ থেকে ৫৪ টাকায় ট্যাবলেট  কিনলে জায়েজ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দোকানকদারের সম্মতিতে ঐ দোকান থেকে  ৫৪ টাকা ধরে ট্যাবলেট কিনলে তাহা জায়েজ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাবে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/79138/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/79138/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَلَّذِیۡنَ یَتَّبِعُوۡنَ الرَّسُوۡلَ النَّبِیَّ الۡاُمِّیَّ الَّذِیۡ یَجِدُوۡنَہٗ مَکۡتُوۡبًا عِنۡدَہُمۡ فِی التَّوۡرٰىۃِ وَ الۡاِنۡجِیۡلِ ۫ یَاۡمُرُہُمۡ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ یَنۡہٰہُمۡ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ یُحِلُّ لَہُمُ الطَّیِّبٰتِ وَ یُحَرِّمُ عَلَیۡہِمُ الۡخَبٰٓئِثَ وَ یَضَعُ عَنۡہُمۡ اِصۡرَہُمۡ وَ الۡاَغۡلٰلَ الَّتِیۡ کَانَتۡ عَلَیۡہِمۡ ؕ فَالَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا بِہٖ وَ عَزَّرُوۡہُ وَ نَصَرُوۡہُ وَ اتَّبَعُوا النُّوۡرَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ مَعَہٗۤ ۙ اُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ ﴿۱۵۷﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;“(এরা তো তারাই) যারা সেই রাসূল ও নিরক্ষর নবীর অনুসরণ করে যার কথা তারা তাদের তাওরাত ও ইনজীলে লিখিত পাচ্ছে। তিনি তাদেরকে ভালকাজ করার আদেশ দেন ও মন্দকাজ করতে নিষেধ করেন, তাদের জন্য ভাল জিনিসকে বৈধ ও খারাপ জিনিসকে অবৈধ ঘোষণা করেন।”[সূরা আরাফ, আয়াত: ১৫৭]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং পোকামাকড় খারাপ জিনিসের অন্তর্ভুক্ত; যেমন- কীট, গুবরে পোকা, তেলাপোকা, ইঁদুর, গিরগিটি, তক্ষক, টিকটিকি, গেছু ইঁদুর, বিচ্ছু, সাপ ইত্যাদি খারাপ জিনিস হিসেবে গণ্য।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম শাফেয়ির অভিমত...”। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আল-মুগনী (১৩/৩১৬-৩১৭) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;অধিকাংশ ফুকাহায়ে কেরামদের মতে যেহেতু তেলাপোকার মধ্যে প্রবাহমান পরিমান রক্ত নেই,বা কোনো রক্তই নেই,তাই তেলাপোকার বিষ্ঠা নাপাক নয়। কাজেই শরীরে বা কাপড়ে বা অন্য কোথাও যদি তা লাগে তাহলে কোনো ক্ষতি নেই। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরিফে এসেছে,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ لَمْ يَرْ بَأْسًا بِالْعَقْرَبِ وَالْخُنْفِسَاءِ وَكُلِّ نَفْسٍ لَيْسَتْ بِسَائِلَةٍ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘ইবরাহীম নাখয়ী (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বিচ্ছু, গোবরে পোকাসহ যে সকল প্রাণিতে কোনো প্রবহমান রক্ত নেই সেগুলো পানি পড়লে কোনো সমস্যা মনে করতেন না।’ [মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদিস: ৬৫২]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কিতাবুল আসল ১/৫৫,ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১/৩৩৪; আলবাহরুর রায়েক ১/৮৮; শরহুল মুনয়া পৃ. ১৬৪)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু ফুকাহায়ে কেরামদের মতে তেলাপোকার বিষ্ঠা নাপাক। সুতরাং সতর্কতা অবলম্বন করা ভালো হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★তেলাপোকা মারলে দেখা যায় সাদা সাদা কি যেনো বের হয়, সেগুলো নাপাক নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং তেলাপোকা যদি শলার ঝাড়ু দিয়ে মারা হয়,তাহলে সেই শলার ঝাড়ুতে উক্ত সাদা লাগলে ঝাড়ু নাপাক হয়ে যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনার শরীর নাপাক হয়ে যাবে না। তদুপরি শরীরের উক্ত স্থান পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়ার পরামর্শ থাকবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144030/?show=144043#a144043</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 11:22:18 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্বালাত সম্পর্কিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144023/?show=144041#a144041</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো ছবি যুক্ত ঘরে নামাজ পড়া মাকরুহ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নামাযীর মাথার উপর সামনে ডানে, বায়ে এবং জুতোর মধ্যে এবং সিজদার স্থানে প্রাণীর ছবি থাকলে নামায মাকরূহে তাহরিমী হবে|&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن انس رضى الله تعالى عنه قال كان قر ام لعائشة سترت به جانب بيتها , فقال النبى صلى الله عليه وسلم اميطى عنى لا تزال تصاوير. تعرض لى فى صلاتى.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থঃ হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত| তিনি বলেন, হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার একখানা (প্রাণীর ছবিযুক্ত) পর্দা ছিল, যা তিনি উনার ঘরের এক পাশে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন| হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললেন, “হে হযরত ছিদ্দিকা আলাইহাস সালাম পর্দাটি আমার থেকে দূরে সরিয়ে নিন| কারণ এর ছবিগুলো নামাযে আমার দৃষ্টি ও মন আকৃষ্ট করে।” [ বুখারী শরীফ ২/ ৮৮১,ফাতহুল বারী ১০/ ৩৯১]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال لا يصلى فى بيت فيه تماثيل.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থঃ হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, “ঐ ঘরে নামায পড়োনা যে ঘরে প্রাণীর মূর্তি বা ছবি থাকে|” &lt;/div&gt;&lt;div&gt;[ মুছান্নিফ ইবনে আবী শায়বা ২/ ৪৬ ]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/7258/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/7258/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে এমন স্থানে নামাজ পড়া মাকরুহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ছবি দেখা না গেলে বরং তাহা কোনো কিছু দিয়ে ঢেকে রাখলে বা সেই কার্ড উল্টিয়ে রাখলে এমন স্থানে নামাজ পড়া যাবে, এতে নামাজ মাকরুহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে সেজদায়ে সাহু আবশ্যক হবেনা। &lt;/div&gt;</description>
<category>সালাত(Prayer)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144023/?show=144041#a144041</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 11:14:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: মহিলাদের জাকাত ও কুরবানী সংক্রান্ত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144022/?show=144038#a144038</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ وَجَدَ سَعَةً فَلَمْ يُضَحِّ فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন অবশ্যই আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়। (মুসনাদ আহমাদ ৮২৭৩, ইবনে মাজাহ ৩১২৩, হাকেম ৭৫৬৫-৭৫৬৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো,প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর নিসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্ত্তর ক্ষেত্রে নিসাব হল এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে কোরবানির দেওয়ার মতো নগদ ক্যাশ না থাকলে কাহারো থেকে ঋণ নিয়ে অথবা কোন কিছু বিক্রয় করে কুরবানী দিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বর্ণের বছর পূর্ণ হওয়া তো মূল কথা নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মূল কথা হল নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়ার পর বছর পূর্ণ হয়েছে কিনা! সেটি মূল বিষয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি যেদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছিলেন, তার পরবর্তী বছর সেই দিনে আপনাকে যাকাত দিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেই দিন আপনার মালিকানায় থাকা যত ব্যবহৃত ব্যবহৃত স্বর্ণ আছে সমস্ত স্বর্ণের বর্তমান বিক্রয় মূল্য হিসাব করে আপনার মালিকানায় থাকা দৈনন্দিন প্রয়োজন অতিরিক্ত টাকার সাথে যোগ করে তার ৪০ ভাগের একভাগ যাকাত প্রদান করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উল্লেখ্য আরবি মাস অনুযায়ী হিসাব করবেন,ইংরেজি মাস নয়।&lt;/div&gt;</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144022/?show=144038#a144038</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 11:10:15 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কুরবানী মাসয়ালা</title>
<link>https://ifatwa.info/144026/?show=144036#a144036</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ وَجَدَ سَعَةً فَلَمْ يُضَحِّ فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন অবশ্যই আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়। (মুসনাদ আহমাদ ৮২৭৩, ইবনে মাজাহ ৩১২৩, হাকেম ৭৫৬৫-৭৫৬৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো,প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর নিসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্ত্তর ক্ষেত্রে নিসাব হল এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;و بالشراء بنية الأضحية إن كان المشتري غنيا لا يجب عليه باتفاق الروايات حتى لو باعها و اشترى بثمنها أخرى فالثانية دون الأولى جاز و لايجب عليه شيء. فإن كان المشتري فقيرا قال في شرح الشافي: من اشترى شاة ليضحي بها تعينت لها بالنية عند الطحاوي. قال: و مذهب الجمهور أنها لا يصير لها إلا أن يقول: علي أن أضحي بها لأن نفس النية غير موجبة. و هكذا ذكر شمس الأئمة الحلواني ؒ. و ذكر الإمام خواهر زاده ؒ في ظاهر الرواية عن أصحابنا رحمهم الله: تصير واجبة. و هكذا ذكر الطحاوي ؒ. و في الزيادات في كتاب الهبة: رجل اشترى شاة فأوجبها أضحية وجبت عليه، موسرا كان أو معسرا۔۔۔.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; (خلاصة الفتاوى، 4/319، ط: مکتبہ رشیدیہ)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মর্মার্থঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয়ের পর সেটা যদি বিক্রয় করা হয়, তাহলে এক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি ধনী হয়, তাহলে পরবর্তীতে নতুন আরেকটি পশু কুরবানি দেওয়ার দিলে আর কোন সমস্যা থাকবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি যদি ধনী হয়ে থাকেন,সেক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কিন্তু আপনি যদি গরিব হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে যে পশু দিয়ে কুরবানি দিবেন সেটির মূল্য আগের পশুর সমমূল্যের হওয়া চাই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি এর চেয়ে কম হয়, তাহলে অতিরিক্ত টাকা গরিবদের মাঝে দান করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/2573/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/2573/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সে যদি হালাল কাজ করে টাকা ইনকাম করে, সেক্ষেত্রে তার ইনকাম টা হালাল হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এখন সে যে টাকা কামাই করতেছে ওই টাকা দিয়ে অন্য কিছু ক্রয় করে খেয়ে ইবাদত করলে সেই ইবাদত কবুল হবে।&lt;/div&gt;&lt;br&gt;এবং তার ওই টাকা দিয়ে আপনি কুরবানী করতে পারবেন।</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144026/?show=144036#a144036</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 11:00:32 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বাবা মা কে টাকা দেয়া নিয়ে, বাইরে সেটেল্ড হওয়া নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144018/?show=144034#a144034</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/6603/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/6603/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে যে,  &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পরিবারের জন্য খরচ করা,মা বাবার ভরনপোণের জন্য খরচ করা উত্তম কাজ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মা বাবা নিজেদের ভরনপোষণের ক্ষেত্রে অসমর্থ হলে সন্তানদের জন্য তাদের ভরনপোষণের খরচ দেওয়া শুধু শরীয়তেই নয়  এটা মানবতার দিক লক্ষ্য করেও জরুরি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরিফে এসেছে, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘খরচের ব্যাপারে তুমি আগে নিজের প্রয়োজনীয় খরচের দায়িত্বশীল, তারপর তোমার স্ত্রীর, তারপর সামর্থ্য হলে তোমার নিকটাত্মীয়ের খরচ তোমার ওপর বর্তাবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৯৯৭)&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মা-বাবা  ভরণ-পোষণের অধিকারী হওয়ার জন্য শর্ত হলো দুটি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★এক. তাঁরা এমন দরিদ্র হতে হবে যে তাঁরা নিজের মালিকানার সম্পদে চলতে অক্ষম। এখন কথা হলো, যদি তাঁরা উপার্জনের শক্তি রাখে, তাহলেও তাঁদের সন্তানদের ভরণ-পোষণ দিতে হবে কি না? এ ক্ষেত্রে বিধান হলো, তাঁদের উপার্জনের শক্তি থাকলেও যদি তাঁদের কাছে চলার মতো নগদ টাকাকড়ি না থাকে, তাঁদের সন্তানদের ভরণ-পোষণ দিতে হবে। তাদের সন্তানরা এ কথা বলতে পারবে না যে আপনি তো উপার্জনে সক্ষম, আপনি নিজে উপার্জন করে চলুন। তবে যদি তাঁরা ধনী হন, তথা তাঁদের মালিকানায় নগদ এমন সম্পত্তি থাকে, যা দ্বারা তাঁরা শান্তিতে কালাতিপাত করতে পারেন, তাহলে সন্তানদের ওপর তাঁদের ভরণ-পোষণ দেওয়া ওয়াজিব নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★দুই. সন্তান-সন্ততি সামর্থ্যবান ও উপার্জনে সক্ষম হতে হবে। তাদের সামর্থ্যবান হওয়ার পরিমাণ হলো, তাদের মালিকানার সম্পত্তি বা উপার্জনকৃত আয়ের দ্বারা নিজের ও নিজের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততির স্বাভাবিক ভরণ-পোষণের পর অতিরিক্ত সম্পদ থাকতে হবে। অন্যথায় তাদের উপার্জনকৃত আয়ের মধ্য থেকে যদি তার নিজের ও স্ত্রী বা সন্তান-সন্ততির ভরণ-পোষণের অতিরিক্ত সম্পদ না থাকে, তাহলে মা-বাবা ও ঊর্ধ্বতন আত্মীয়ের ভরণ-পোষণ দেওয়া ওয়াজিব নয়। যদিও এ ক্ষেত্রে উত্তম হলো, কষ্ট হলেও যথাসাধ্য মা-বাবারও ভরণ-পোষণের খরচ চালিয়ে যাবে। (তাবঈনুল হাকায়েক : ৩/৬৪, রদ্দুল মুহতার : ২/৬৭৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মা-বাবার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব উপরোক্ত দুই শর্তে সব ছেলে-মেয়ের ওপর ওয়াজিব। এ দায়িত্ব সব সাবালক সামর্থ্যবান ছেলে-মেয়ের ওপর সমভাবে বর্তাবে। এ ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, তাই কোনো মেয়ে যদি সামর্থ্যবান ও বিত্তবান হয়, তাহলে ছেলেদের মতো সমভাবে তার ওপরও মা-বাবার খরচের দায়িত্ব বর্তাবে। কেননা মা-বাবার জীবিত অবস্থায় সন্তানের জন্য খরচ ও উপহারে মেয়েরাও তাদের ভাইদের মতো সমঅধিকারী, তাই মা-বাবার খরচ বহনে তারাও সামর্থ্যের শর্তে তাদের ভাইদের সমদায়িত্বশীল হবে। ছেলে-মেয়ে না থাকলে তারপর সিরিয়াল আসবে নাতি-নাতনিদের। অতএব, তাদের ওপর সমভাবে এ দায়িত্ব বর্তাবে। (ফাতহুল কাদির : ৪/৪১৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে এভাবে তার বাবার আয়ের ব্যবস্থা করে দেয়া আপনার স্বামীর উপর আবশ্যক নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তদুপরি তিনি যদি এমনটি করেন,তাহলে এটি তার বাবা মার প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি মুসলিম কান্ট্রিতে সেটেল্ড হতে পারবেন,সমস্যা নেই।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144018/?show=144034#a144034</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 10:45:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হায়েজ ভালো হওয়ার ১৪ দিন পর ব্লিডিং শুরু হলে হুকুম কী?</title>
<link>https://ifatwa.info/144031/?show=144033#a144033</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তুহর তথা দুই হায়েজের মাঝে পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমা পনেরো দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই পনেরো দিনের মধ্যে কোনো রক্ত আসলে সেটি হায়েজ নয়,বরং সেটি ইস্তেহাজা তথা অসুস্থতা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই সময়ে নামাজ রোযা আদায় করতে হবে।    &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হজরত হান্নাদ [রহ] আম্মাজান আয়েশা [রা]-এর হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, ফাতিমা বিনতে হুবাইশ নামক এক নারী একবার রাসুল [সা]-এর সমীপে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসুল, আমি একজন ইস্তেহাযাগ্রস্ত মেয়ে। আমি তো পাক হই না। তাই আমি কি নামাজ পড়া ছেড়ে দেবো? রাসুল [সা] বললেন, না, কারণ এ রক্ত হায়েযের নয়; বরং এ হলো শিরা থেকে বেরিয়ে আসা রক্ত। সুতরাং যখন তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলি আসে তখন সে দিনগুলি নামাজ ছেড়ে দেবে। আর হায়েযের দিন চলে গেলে তোমার রক্ত ধুয়ে নেবে এবং নামাজ আদায় করবে। [তিরমিজি, হাদিস-১২৫]&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10488/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10488/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হায়েযের সর্বনিম্ন সময়সীমা হলো ৩ তিন,আর সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬)  &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;أقل الحیض للجاریۃ البکر والثیب ثلاثۃ أیام ولیالیہا وأکثرہ عشرۃ أیام&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;دار قطني، السنن، 1: 219، رقم: 61&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসুল সাঃ বলেন  মহিলাদের হায়েজের সর্বনিম্ন সীমা হলো ৩ দিন ৩ রাত,সর্বোচ্চ সীমা হলো ১০ দিন ১০ রাত।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হায়েজের দিন গুলোতে যেই কালারেরই রক্ত হোক,সেটি হায়েজের রক্ত বলেই গন্য হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত সময় নামাজ রোযা ইত্যাদি আদায় করা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(কিতাবুল ফাতওয়া ২/৭৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্পষ্ট সাদা কালারের কিছু বের হলে সেটাকে হায়েজ বলা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াহ ২/৮৩৩)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : &quot; كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।(মুয়াত্তা মালিক-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/40252/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/40252/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে এটি হায়েজ নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে আগের মাসের হায়েজ বন্ধ হওয়ার পরদিন হতে হিসাব করে এটি যদি ১৬ তম দিনেও আসে,এবং এরপর নুন্যতম ৩ দিন ব্লিডিং হয়,সেক্ষেত্রে ১৬ তম দিন হতে হায়েজ ধরবেন। &lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144031/?show=144033#a144033</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 10:41:29 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: Redot Pay এর ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহার কি হালাল?</title>
<link>https://ifatwa.info/144013/?show=144032#a144032</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;কুরআনে কারীমে ইরশাদ হচ্ছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ [٢:٢٧٨] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে ঈমানদারগণ,তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে,তা পরিত্যাগ কর,যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক। [সূরা বাকারা-২৭৮] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَا أَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ [٣:١٣٠] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণ অর্জন করতে পারো। [সুরা আলে ইমরান-১৩০] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরিফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لَعَنَ رَسُولُ اللهِ ﷺ آكل الربا وموكله وكاتبه وشاهديه، وقال : هم سواء.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর রাসূল ﷺ সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং তার উপর সাক্ষীদ্বয়কে অভিশাপ করেছেন, আর বলেছেন, ওরা সকলেই সমান। (মুসনাদে আহমাদ ৩৮০৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/14543/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/14543/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ড (ব্যাংক কার্ড অথবা চেক কার্ড হিসেবে পরিচিত) হল এমন একটি প্লাস্টিক কার্ড, যেটি কেনাকাটার সময় ক্যাশ টাকার বিকল্প মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কার্যত, এই কার্ডকে ইলেকট্রনিক চেক বলা চলে। কারণ এই কার্ড দিয়ে দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করলে, সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন দেখানো হয়। ডেবিট কার্ড সাধারণত ক্যাশ অথবা ব্যক্তিগত চেক এর মত কাজ করে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ক্রেডিট কার্ড হল এমন একটি প্লাস্টিক কার্ড, যে কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার গ্রাহকদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে এবং গ্রাহক সেই মঞ্জুরকৃত ঋণের টাকা তার চাহিদা মত যে কোন সময় পণ্য এবং সেবা ক্রয় করতে পারে অথবা ক্যাশ টাকা উত্তোলন করতে পারে। এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই টাকা আবার ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ডের পার্থক্য হল-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে পণ্য ও সেবা ক্রয় করার জন্য গ্রাহককে সাথে সাথেই টাকা প্রদান করতে হয়। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে খরচকৃত টাকা গ্রাহককে সাথে সাথে প্রদান করতে হয় না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডকে ক্যাশ কার্ড বলা চলে। অপরপক্ষ, ক্রেডিট কার্ডকে এক কথায় লোন কার্ড বলা চলে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডের সাথে লিংক করা একাউন্টে যে পরিমাণ ব্যালেন্স থাকে, গ্রাহক শুধু সেই টাকা ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে পরিমাণ টাকা গ্রাহকের জন্য ঋণ মঞ্জুর করে থাকে, গ্রাহক শুধু সেই টাকা ব্যবহার করতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে একাউন্টে শুধু নিজের জমা করা টাকা ব্যবহার করা যায়। অপরপক্ষে, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে ক্রেডিট লিমিট দিয়ে থাকে, সেই টাকা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ব্যবহার করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে গ্রাহকের একাউন্টে টাকা জমা থাকলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহককে সুদ বা মুনাফা প্রদান করা হয় । অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডের আউটস্ট্যান্ডিং ব্যালেন্স থাকলে তার বিপরীতে গ্রাহক কর্তৃক ক্রেডিট কার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সুদ প্রদান করতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডে কোন একোয়াটেড মান্থলি ইনস্টলমেন্ট (ইএমআই) সুবিধা পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডে একোয়াটেড মান্থলি ইনস্টলমেন্ট (ইএমআই) সুবিধা পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডে কেনাকাটার পর পুনরায় পেমেন্ট করার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটা পর পুনরায় পেমেন্ট করতে হয়, সেটা গ্রাহক পুরো টাকা পরিশোধ করতে পারে অথবা সর্বনিম্ম বিল পরিশোধ করতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডধারীকে কোন প্রসেসিং ফি প্রদান করতে হয় না। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহককে জয়নিং, প্রসেসিং ফি, লেট পেমেন্ট ফি, বার্ষিক ফি প্রদান করতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ডেবিট কার্ডের গ্রাহকের কাছে বিল পেপার হিসেবে কোন স্টেটমেন্ট প্রদান করা হয় না। অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকের কাছে স্টেটমেন্ট প্রদান করা হয়। যেখানে লেনদেনের বিস্তারিত বর্ণনা থাকে, বর্তমানে ব্যালান্স কত আছে, মিনিমাম কত টাকা প্রদান করতে হবে এবং বিল প্রদান করার শেষ তারিখ উল্লেখ করা থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেভিংস/কারেন্ট/এসটিডি অ্যাকাউন্টধারী যেকোনো গ্রাহক ডেবিট কার্ড নিতে পারে। অপরপক্ষে, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করার জন্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন, গ্রাহকের কত টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঋণ মঞ্জুর করা আছে, নিয়মিত ব্যাংকের লেনদেন করেন কিনা ইত্যাদি যাচাই-বাছাই করার পরে গ্রাহককে ক্রেডিট কার্ড প্রদান করা হয়। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুদের সংশ্লিষ্টতা থাকায় প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতেও Visa card ব্যবহার জায়েজ নয়।&lt;/div&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144013/?show=144032#a144032</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 10:34:03 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সাহরিতে না উঠতে পারলে রোজা এবং না রাখার বিধান</title>
<link>https://ifatwa.info/144021/?show=144029#a144029</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/22627/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/22627/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ-&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;রমজানের কাজা রোজা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;সাধারণ মানত&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;কাফফারা ও যিহারের কাফফারা রোজার নিয়ত রাতে না করলে রোজা বিশুদ্ধ হবে না।&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt; &lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;হাদীস শরীফে এসেছে। উম্মুল মুমিনীন হাফসা রা. বলেন&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; dir=&quot;RTL&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal; direction: rtl; unicode-bidi: embed;&quot;&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt; &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;AR-SA&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;من لم يجمع الصيام قبل الفجر فلا صيام له&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;.&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোযা রাখার নিয়ত করবে না তার রোযা (পূর্ণাঙ্গ) হবে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;(সুনানে আবু দাউদ ১/৩৩৩)&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt; &lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;২. আর রমজান মাসের রোজা&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;নির্দিষ্ট মানতের রোজা ও নফল রোজার নিয়ত রাত থেকে শুরু করে দ্বিপ্রহরের পূর্ব পর্যন্ত করা যাবে। &lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; dir=&quot;RTL&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal; direction: rtl; unicode-bidi: embed;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;AR-SA&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ رَجُلاً يُنَادِي فِي النَّاسِ، يَوْمَ عَاشُورَاءَ &quot; أَنْ مَنْ أَكَلَ فَلْيُتِمَّ أَوْ فَلْيَصُمْ، وَمَنْ لَمْ يَأْكُلْ فَلاَ يَأْكُلْ&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot;&gt;&lt;/span&gt; &quot;.&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; dir=&quot;RTL&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal; direction: rtl; unicode-bidi: embed;&quot;&gt;&lt;span dir=&quot;LTR&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;সালমা ইবনু আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, ‘&lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;আশূরা (আশুরা/আসুরা/আসূরা)র দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যাক্তিকে এ বলে লোকদের মধ্যে ঘোষণা দেওয়ার জন্য পাঠালেন&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;যে ব্যাক্তি খেয়ে ফেলেছে সে যেন পূর্ণ করে নেয় অথবা বলেছেন&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;সে যেন সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) আদায় করে নেয় আর যে এখনো খায়নি সে যেন আর না খায়। সহীহ বুখারী&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;, &lt;/span&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;১৮০২)&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;b&gt; &lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;span lang=&quot;BN&quot; style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন,&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 12pt;&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;কাজা রোযার নিয়ত রাতের মধ্যেই করতে হবে। সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি যদি রাতেই কাজা রোযার নিয়ত করে থাকেন,সেক্ষেত্রে আপনার উক্ত কাজা রোযা আদায় হবে।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;অন্যথায় কাজা রোযা হিসেবে আদায় হবেনা।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin: 0px 0px 0.0001pt; line-height: normal;&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কারন ফজরের ওয়াক্ত চলে আসলে আর কাজা রোযার নিয়তের সুযোগ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/39675/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/39675/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গুনাহ হবেনা। &lt;/div&gt;</description>
<category>সাওম (Fasting)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144021/?show=144029#a144029</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 09:19:38 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: AI দিয়ে পুরুষালী কন্ঠে পরিবর্তন</title>
<link>https://ifatwa.info/144025/?show=144028#a144028</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَعْرُوفًا (32) وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও [ইহুদী খৃষ্টান)। তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় পাও তবে বিনম্র হয়ে কথা বলনা, যাতে যাদের মাঝে পৌরষত্ব আছে তারা তোমাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বরং তোমরা স্বাভাবিক কথা বল। এবং তোমরা অবস্থান কর স্বীয় বসবাসের গৃহে। {সূরা আহযাব-৩২}&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;লক্ষণীয় বিষয় হল, কন্ঠস্বরের কোমলতা পরিহারের নির্দেশ সরাসরি নবীযুগের নারীদেরকে দেয়া হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং আমাদের যুগের মহিলাদের আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;কুরআনে কারীমে ইরশাদ হয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;إِنَّ السَّمْعَ وَالبَصَرَ وَالفُؤَادَ كُلُّ أُولَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;...নিশ্চয় কান, চোখ, হৃদয় এর প্রতিটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। সূরা বনী ইসরাঈল (১৭) : ৩৬&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فَالْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ، وَالْأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الِاسْتِمَاعُ، وَاللِّسَانُ زِنَاهُ الْكَلَامُ، وَالْيَدُزِنَاهَا الْبَطْشُ، وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الْخُطَا، وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الْفَرْجُ وَيُكَذِّبُهُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন, চোখের জিনা হল [হারাম] দৃষ্টিপাত। কর্ণদ্বয়ের জিনা হল, [গায়রে মাহরামের যৌন উদ্দীপক] কথাবার্তা মনযোগ দিয়ে শোনা। জিহবার জিনা হল, [গায়রে মাহরামের সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের জিনা হল, [গায়রে মাহরামকে] ধরা বা স্পর্শকরণ। পায়ের জিনা হল, [খারাপ উদ্দেশ্যে] চলা। অন্তর চায় এবং কামনা করে আর লজ্জাস্থান তাকে বাস্তবে রূপ দেয় [যদি জিনা করে] এবং মিথ্যা পরিণত করে [যদি অন্তরের চাওয়া অনুপাতে জিনা না করে]। {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৮৯৩২}&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ;১৯/১৯৩ এ নারীদের আওয়াজ সতরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার (মারজুহ) রেওয়াতকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার দিয়ে বলা হয়েছে যে,পর-পুরুষের সামনে মহিলা বক্তৃতা দিতে পারবে না।বক্তৃতা প্রদান জায়েয হবে না।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★নারীকন্ঠ সতরের অন্তর্ভুক্ত কি না? &lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1058&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1058&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★পরপুরুষের (গায়রে মাহরামের) সঙ্গে পর্দার আড়াল থেকে কথা বলার সময় কণ্ঠস্বর কঠোর রাখবে, সুমিষ্ট মোলায়েম স্বরে নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আয়েশা (রা) এর নিকট মাসয়ালা বা হাদিসের প্রয়োজনে অন্যান্য সাহাবীগণ আসলে, তিনি মুখের ওপর হাত রেখে কণ্ঠ বিকৃত করে পর্দার আড়ালে থেকে কথা বলতেন যেন কারো অন্তর ব্যাধিগ্রস্থ না হয়। (তাফসীরে কুরতুবী ১৪/১৪৬)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ধরনের ভিডিও বানানো জায়েজ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়ত এ ধরনের অনার্থক কাজের অনুমোদন দেয়না।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144025/?show=144028#a144028</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 09:12:45 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তা** সম্পর্কে প্রশ্ন??</title>
<link>https://ifatwa.info/144024/?show=144027#a144027</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তালাক খুবই মারাত্মক একটি শব্দ। নিকৃষ্ট হালাল বলা হয়েছে হাদীসে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُعَرِّفِ بْنِ وَاصِلٍ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ &quot; أَبْغَضُ الْحَلاَلِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى الطَّلاَقُ &quot; .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কাসীর  ইবন  উবায়দ .......... ইবন  উমার  (রাঃ)  নবী  করীম  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  হতে  বর্ণনা  করেছেন যে,  আল্লাহ্  তা‘আলার  নিকট  নিকৃষ্টতম  হালাল বস্তু  হল  তালাক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আবূ দাউদ ২১৭৮, ইরওয়া ২০৪০, যইফ আবু দাউদ ৩৭৩-৩৭৪, আর-রাদ্দু আলাল বালীক ১১৩।) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ভয়ানক শব্দটি নিয়ত থাকুক বা না থাকুক রাগে বলুক আর ভালবেসে বলুক স্ত্রীকে উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ দিয়ে এ শব্দ বের হলেই তালাক পতিত হয়ে যায়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীসে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” ثَلَاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ: الطَّلَاقُ، وَالنِّكَاحُ، وَالرَّجْعَةُ “&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, তিনি বিষয় এমন যে, ইচ্ছেকৃত করলে ইচ্ছেকৃত এবং ঠাট্টা করে করলেও ইচ্ছেকৃত বলে ধর্তব্য হয়। তা হল, তালাক, বিবাহ এবং তালাকে রেজয়ীপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২০৩৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২১৯৪}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★তালাক স্পষ্ট বাক্য দ্বারাও হতে পারে,আবার কেনায়া শব্দ,ইঙ্গিতসূচক শব্দ দ্বারাও হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেনায়া তালাক বলা হয় স্পষ্ট তালাক শব্দ না বলে বরং তালাকের ইঙ্গিতসূচক শব্দ বলে তালাক দেওয়া। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★★শরিয়তের পরিভাষায় ইঙ্গিত সূচক শব্দে তালাক দেয়াটাকে বলা হয় ‘কেনায়া তালাক’ বা ইঙ্গিতসূচক শব্দ দ্বারা তালাক। আর কেনায়া তালাকের ক্ষেত্রে নিয়ত তথা তালাকের ইচ্ছা থাকা অত্যাবশ্যক। আর কেনায়া তালাক দ্বারা এক তালাকে বায়েন পতিত হয় ৷&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং যদি কেউ স্ত্রীকে এরূপ কথা বলে এবং তালাকের নিয়ত করে, তবে স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। আর যদি তালাকের নিয়ত না করে তাহলে তালাক হবে না। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/৩৭৫)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/24050/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/24050/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে কোনো তালাক পতিত হবেনা। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144024/?show=144027#a144027</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 09:08:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক ও বান্দার হক নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143962/?show=144017#a144017</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/23529/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/23529/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিনা কারণে তালাক আবেদন কারী মহিলা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,&lt;br&gt;&lt;br&gt; ﺃَﻳُّﻤَﺎ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓٍ ﺳَﺄَﻟَﺖْ ﺯَﻭْﺟَﻬَﺎ ﻃَﻼَﻗًﺎ ﻓِﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﺎ ﺑَﺄْﺱٍ ﻓَﺤَﺮَﺍﻡٌ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﺭَﺍﺋِﺤَﺔُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ . ‘&lt;br&gt;&lt;br&gt;যে মহিলা বিনা কারণে তার স্বামীর নিকটে তালাক্ব চায়, তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধিও হারাম’।&lt;br&gt;&lt;br&gt;[আবুদাউদ হা/২২২৬; তিরমিযী হা/১১৮৭; ইবনু মাজাহ হা/২০৫৫; মিশকাত হা/৩২৭৯, সনদ ছহীহ।].&lt;br&gt;&lt;br&gt;ﺫﻫﺐ ﻓﻘﻬﺎﺀ ﺍﻟﺤﻨﻔﻴّﺔ ﻭﺍﻟﺤﻨﺎﺑﻠﺔ ﺇﻟﻰ ﺃﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﺑﻼ ﺳﺒﺐ ﻣﺤﺮّﻡٌ ﺷﺮﻋﺎً ﻭﻳﺄﺛﻢ ﻓﺎﻋﻠﻪ، ﻭﺫﻟﻚ ﻟﻘﻮﻟﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﻟﻌﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻛﻞ ﺫﻭﺍﻕ، ﻣﻄﻼﻕ ) ﻭﻷﻥ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻛﻔﺮﺍً ﻟﻨﻌﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﻭﺗﻌﺎﻟﻰ ، ﺣﻴﺚ ﺇﻥّ ﺍﻟﺰﻭﺍﺝ ﻧﻌﻤﺔ ﻣﻦ ﻧﻌﻢ ﺍﻟﻠﻪ، ﻭﺍﻟﻄﻼﻕ ﺑﻼ ﺳﺒﺐٍ ﻛﻔﺮٌ ﻟﻨﻌﻤﺔ ﺍﻟﺰﻭﺍﺝ؛ ﻭﻛﻔﺮﺍﻥ ﺍﻟﻨﻌﻤﺔ ﺣﺮﺍﻡ، ﻓﻼ ﻳﺤﻞّ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﺇﻻ ﻟﻀﺮﻭﺭﺓ .&lt;br&gt;&lt;br&gt;فقه السنة (الطبعة الثالثة)، بيروت: دار الكتاب العربي، صفحة 242، جزء 2&lt;br&gt;&lt;br&gt;ভাবার্থ-&lt;br&gt;&lt;br&gt;হানাফি এবং হাম্বলী ফুকাহায়ে কেরামগণ মনে করেন যে,বিনা কারণে তালাক প্রদাণ শরীয়তের দৃষ্টিকোণে হারাম।এবং তালাক প্রদাণকারী গোনাহগার। কেননা রাসূলুল্লাহ সাঃ আমভাবে বলেছেন,আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক স্বাদ আস্বাদনকারীদের উপর লা'নত প্রদাণ করেন।কেননা তালাক প্রদাণ দ্বারা আল্লাহ তা'আলা র নিয়ামতকে অস্বীকার করা হয়। বিবাহ আল্লাহর নিয়ামত সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি নিয়ামত।আর বিনা কারণে তালাক প্রদাণ মানে বিবাহ নামক নিয়ামতকে পরিত্যাগ, অস্বীকার এবং অবহেলা করা। আর নিয়ামতকে অস্বীকার বা পরিত্যাগ করা হারাম।সুতরাং প্রয়োজন ব্যতীত তালাক হালাল হবে না।&lt;br&gt;ফিকহুস সুন্নাহ-২/২৪২&lt;br&gt;&lt;br&gt;সুতরাং বিনা কারণে তালাক প্রদাণ করা হারাম।এর শাস্তি আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে অবশ্যই পেতে হবে।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/468/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/468/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেসব কারণে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া বৈধ, সেসব কারণ না পাওয়া যাওয়া সত্ত্বেও আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এর শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাতে আপনাকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে আপনি তার জন্য কোন ভালো পাত্রের সাথে বিবাহের ব্যবস্থা করে দিয়ে বা তার স্থায়ী ভরণপোষণের কোন ব্যবস্থা করে দিয়ে আপজি আপনার অভিভাবকদের মাধ্যমে তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে প্রথম স্ত্রী কে গ্রহণ করাও ঠিক হবে না, কারণ দ্বিতীয় স্ত্রীকেও বিনা ওযরে তালাক দেওয়ার দরুন আপনার গুনাহ হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143962/?show=144017#a144017</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 19:30:27 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হাসবেন্ড যদি ওয়াইফকে তালাক না দেয় এবং কোথাও চলে যায়। তাহলে করনীয় কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/143963/?show=144016#a144016</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/40258/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/40258/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «امْرَأَةُ الْمَفْقُودِ امْرَأَتُهُ حَتَّى يَأْتِيَهَا الْبَيَانُ».&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিরুদ্দিষ্ট বা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ব্যক্তির সংবাদ তার স্ত্রীর নিকটে না পৌছা পর্যন্ত ঐ স্ত্রী তারই থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(দারা কুতনি ৩/৩১২৫৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - فِي امْرَأَةِ الْمَفْقُودِ: تَرَبَّصُ أَرْبَعَ سِنِينَ, ثُمَّ تَعْتَدُّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا. أَخْرَجَهُ مَالِكٌ, وَالشَّافِعِيُّ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি নিরুদ্দিষ্ট (দীর্ঘদিন অনুপস্থিত) পুরুষের স্ত্রীকে চার বৎসর কাল অপেক্ষা করার জন্য বলেছেন। অতঃপর সে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(মুয়াত্তা মালিক ১২১৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ أَيُّمَا امْرَأَةٍ فَقَدَتْ زَوْجَهَا فَلَمْ تَدْرِ أَيْنَ هُوَ فَإِنَّهَا تَنْتَظِرُ أَرْبَعَ سِنِينَ ثُمَّ تَعْتَدُّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ثُمَّ تَحِلُّ قَالَ مَالِك وَإِنْ تَزَوَّجَتْ بَعْدَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا فَدَخَلَ بِهَا زَوْجُهَا أَوْ لَمْ يَدْخُلْ بِهَا فَلَا سَبِيلَ لِزَوْجِهَا الْأَوَّلِ إِلَيْهَا قَالَ مَالِك وَذَلِكَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا وَإِنْ أَدْرَكَهَا زَوْجُهَا قَبْلَ أَنْ تَتَزَوَّجَ فَهُوَ أَحَقُّ بِهَا قَالَ مَالِك وَأَدْرَكْتُ النَّاسَ يُنْكِرُونَ الَّذِي قَالَ بَعْضُ النَّاسِ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ قَالَ يُخَيَّرُ زَوْجُهَا الْأَوَّلُ إِذَا جَاءَ فِي صَدَاقِهَا أَوْ فِي امْرَأَتِهِ قَالَ مَالِك وَبَلَغَنِي أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ فِي الْمَرْأَةِ يُطَلِّقُهَا زَوْجُهَا وَهُوَ غَائِبٌ عَنْهَا ثُمَّ يُرَاجِعُهَا فَلَا يَبْلُغُهَا رَجْعَتُهُ وَقَدْ بَلَغَهَا طَلَاقُهُ إِيَّاهَا فَتَزَوَّجَتْ أَنَّهُ إِنْ دَخَلَ بِهَا زَوْجُهَا الْآخَرُ أَوْ لَمْ يَدْخُلْ بِهَا فَلَا سَبِيلَ لِزَوْجِهَا الْأَوَّلِ الَّذِي كَانَ طَلَّقَهَا إِلَيْهَا قَالَ مَالِك وَهَذَا أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَيَّ فِي هَذَا وَفِي الْمَفْقُودِ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ-জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চারি বৎসর অপেক্ষা করিবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করিবে। তারপর অন্যত্র তাহার বিবাহ হালাল হইবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তাহার সাথে সংগম করুক বা না করুক তাহার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাহাকে গ্রহণ করার কোন পথ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তাহার সহিত প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হইলে তবে তিনিই অধিক হকদার হইবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ কিছু লোক বলিয়া থাকে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ প্রথম স্বামী আসিলে তাহাকে ইখতিয়ার দেওয়া হইবে (দ্বিতীয় স্বামী হইতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়াছেন বলিয়া কিছু লোককে অস্বীকার করিতে পাইয়াছি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নাই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়াছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করিতে চাহিয়াছে। কিন্তু সে যে রুজু করিতে চাহিয়াছে এই খবর তাহার স্ত্রীর নিকট পৌছে নাই। শুধু তাহাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পাইয়াছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করিয়াছে। দ্বিতীয় স্বামী তাহার সহিত সংগত হউক না হউক প্রথম স্বামী যে তাহাকে তালাক দিয়াছিল তাহার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নাই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা আমার নিকট পছন্দনীয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(মুয়াত্তা মালেক ১২১০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী হারিয়ে যাওয়ার পর স্ত্রী যদি দ্বিতীয় বিবাহ করে,এমতাবস্থায় ১ম স্বামী ফিরে আসলে সেক্ষেত্রে যদি স্ত্রী তালাকের অধিকার প্রাপ্ত হয়ে প্রথম স্বামী থেকে তালাক গ্রহন করে দ্বিতীয় স্বামী গ্রহন করে থাকে, তাহলে তাদের দ্বিতীয় বিবাহ বহাল থাকবে৷ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যদি তালাকের অধিকারপ্রাপ্ত না হয়ে থাকে, তাহলে শরিয়তসম্মত উল্লেখিত পদ্ধতি অনুযায়ী বিচ্ছেদ হওয়ার পর যদি দ্বিতীয় বিবাহ হয়, অতপর স্বামী ফিরে আসলে, হানাফি সহিহ মতানুযায়ি উক্ত স্ত্রীর প্রথম স্বামীর স্ত্রী হিসেবে বহাল থাকবে৷&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং দ্বিতীয় স্বামীর সাথে বিবাহ বাতিল হয়ে যাবে৷ আর যদি শরিয়তসম্মত পন্থায় বিচ্ছেদ না ঘটিয়ে অন্যত্রে বিবাহ বসে থাকে৷ তাহলে সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত স্ত্রী প্রথম স্বামির স্ত্রী হিসেব বহাল থাকবে৷ সর্বাবস্তায় প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শিবহে নিকাহ হওয়ার কারণে গর্ভের বাচ্চাটির নসব দ্বিতীয় স্বামি থেকে হবে৷ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ইমামদুল মুফতিয়ীন, পৃ: ৫৫৮; আল হিলাতু নাজেযা, পৃ: ৮৭-৮৮৷)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী হারিয়ে গেলে তার সম্পর্কে  কোনো তথ্য পাওয়া না গেলে শরীয়তের নিয়ম হলো স্ত্রীর জন্য ৪ বছর অপেক্ষা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে খোরপোশ না থাকা,গুনাহের আশংকা থাকা ইত্যাদি কারনে স্ত্রী চাইলে এতো দিন অপেক্ষা করতে না চাইলে আদালতের স্বরনাপন্ন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী হারিয়ে গেলে স্ত্রী বিষয়টি আদালতে পেশ করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তারা এক্ষেত্রে স্ত্রীকে যতদিন অপেক্ষার কথা বলবে,ততদিন অপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(কিতাবুন নাওয়াজেল ১০/৭০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরয়ী আদালতের সিদ্ধান্তের পর ২য় বিবাহ হলে এক্ষেত্রে ১ম স্বামী ফিরে আসলে ইমাম মালেক রহঃ ব্যাতিত সকল ইমামের মতে সেই স্ত্রী ১ম স্বামীর কাছেই ফিরে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে ইমাম মালেক রহঃ বলেন যে ২য় স্বামীর সাথেই সে থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১ম স্বামীর কাছে ফিরে যাবেনা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;إن تزوجت بعد انقضاء عدتها ، فدخل بها زوجها ، أو لم يدخل بها ، فلا سبيل لزوجها الأول إليها ، قال مالك : وذلك الأمر عندنا ، وإن أدركها زوجها قبل أن تتزوج فهو أحق بها &quot; انتهى من &quot; الموطأ &quot; (2/575) .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্ত্রী ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্রে বিবাহ বসলে ইমাম মালেক রহঃ এর মতে ১ম স্বামীর আর কিছুই করার থাকবেনা।  &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143963/?show=144016#a144016</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 19:23:06 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আল্লাহর হুকুম আর আল্লাহর ইচ্ছে নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144011/?show=144015#a144015</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بَدِیۡعُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ اِذَا قَضٰۤی اَمۡرًا فَاِنَّمَا یَقُوۡلُ لَہٗ کُنۡ فَیَکُوۡنُ ﴿۱۱۷﴾&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি আসমানসমূহ ও যমীনের উদ্ভাবক। আর যখন তিনি কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তার জন্য শুধু বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা ১১৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قَالَتۡ رَبِّ اَنّٰی یَکُوۡنُ لِیۡ وَلَدٌ وَّ لَمۡ یَمۡسَسۡنِیۡ بَشَرٌ ؕ قَالَ کَذٰلِکِ اللّٰہُ یَخۡلُقُ مَا یَشَآءُ ؕ اِذَا قَضٰۤی اَمۡرًا فَاِنَّمَا یَقُوۡلُ لَہٗ کُنۡ فَیَکُوۡنُ ﴿۴۷﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সে বলল, হে আমার রব! আমাকে কোন পুরুষ স্পর্শ করেনি, এমতাবস্থায় আমার সন্তান হবে কিভাবে? তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘এভাবেই’, আল্লাহ যা ইচ্ছে সৃষ্টি করেন। তিনি যখন কিছু স্থির করেন তখন বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা আল ইমরান ৪৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;مَا کَانَ لِلّٰہِ اَنۡ یَّتَّخِذَ مِنۡ وَّلَدٍ ۙ سُبۡحٰنَہٗ ؕ اِذَا قَضٰۤی اَمۡرًا فَاِنَّمَا یَقُوۡلُ لَہٗ کُنۡ فَیَکُوۡنُ ﴿ؕ۳۵﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ এমন নন যে, কোন সন্তান গ্রহণ করবেন, তিনি পবিত্ৰ মহিমাময়। তিনি যখন কিছু স্থির করেন, তখন সেটার জন্য বলেন, ‘হও’ তাতেই তা হয়ে যায়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা মারইয়াম ৩৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তায়ালা যখন কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তার জন্য শুধু বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটিই মূলত মূল কথা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;আল্লাহর হুকুম&quot; এ শব্দটি কোন ক্ষেত্রে বললে কুফরি হবে,সেটি কমেন্ট স্পষ্ট করলে ভালো হতো।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144011/?show=144015#a144015</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 19:17:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: মুফতি আবদুল ওয়াহিদ হুজুরের কাছে আগের জবাবের বিবরণ দিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/143930/?show=144010#a144010</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/103624/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/103624/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসআলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায় এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন - &lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার আমলঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে হাজার আল-হাইছামি তাঁর ‘আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা’ গ্রন্থে (১/১৪৯) এসেছে, তাঁকে এর প্রতিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان – فإنه متى لم يلتفت لذلك لم يثبت بل يذهب بعد زمن قليل كما جرب ذلك الموفقون , وأما من أصغى إليها وعمل بقضيتها فإنها لا تزال تزداد به حتى تُخرجه إلى حيز المجانين بل وأقبح منهم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থাৎ, এর ঔষধ একটাই সেটা হচ্ছে– ওয়াসওয়াসাকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও। কেননা কেউ যদি সেটাকে ভ্রুক্ষেপ না করে তাহলে সেটা স্থির হবে না। কিছু সময় পর চলে যাবে; যেমনটি তাওফিকপ্রাপ্ত লোকেরা যাচাই করে পেয়েছেন। আর যে ব্যক্তি ওয়াসওয়াসাকে পাত্তা দিবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে সে ব্যক্তির ওয়াসওয়াসা বাড়তেই থাকবে; এক পর্যায়ে তাকে পাগলের কাতারে নিয়ে পৌঁছাবে কিংবা পাগলের চেয়েও নিকৃষ্ট পর্যায়ে পৌঁছাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে– বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা, لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ পড়া, আউযুবিল্লাহ্ পড়া তথা বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَلْحَمْدُ لِلهِ الَّذِىْ رَدَّ اَمْرَهُ عَلَى الْوَسْوَسَة&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর যিনি শয়তানের বিষয়টি কুমন্ত্রণা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছেন।’ (নাসাঈ)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে হাজার আল-হাইতামি রহ. বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসার কার্যকরী চিকিৎসা হল, একে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও।’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা ১/১৪৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে তো আপনাকে উস্তায উত্তর ইতি পূর্বে দিয়েছেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;“আপনার সবগুলো প্রশ্ন আমরা পড়েছি। প্রশ্নগুলোর আলোকে আমরা বলবো যে, আপনার সংসার চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা হবে না।”&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুন - &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/136199/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/136199/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর আপনি সব রকম ওয়াসওয়াসা পরিহার করে চলবেন। কারণ, ওয়াসওয়াসার কার্যকরী চিকিৎসা হল, একে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও।’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা ১/১৪৯)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143930/?show=144010#a144010</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 17:03:43 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: “ইয়া বাদীউ” (يا بديع) ৩১৩ বার পড়ার কোনো সহিহ ভিত্তি আছে কি, এবং অসুস্থতা, বিপদ ও দুশ্চিন্তার জন্য কুরআন-হাদিসে প্রমাণিত দোয়া ও আমল কী কী?</title>
<link>https://ifatwa.info/144006/?show=144009#a144009</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/469&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/469&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যিকির মানে স্বরণ করা,আল্লাহকে আল্লাহর গুনাগুনকে সম্মান ও আজমতের সাথে স্বরণ করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যিকির প্রসঙ্গে  আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻗُﻞِ ﺍﺩْﻋُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺃَﻭِ ﺍﺩْﻋُﻮﺍْ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦَ ﺃَﻳًّﺎ ﻣَّﺎ ﺗَﺪْﻋُﻮﺍْ ﻓَﻠَﻪُ ﺍﻷَﺳْﻤَﺎﺀ ﺍﻟْﺤُﺴْﻨَﻰ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(হে নবী আপনি) বলুনঃতোমরা  আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই তোমরা আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই।(সূরা বনী ইসরাঈল-১১০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ﻭَﻟِﻠّﻪِ ﺍﻷَﺳْﻤَﺎﺀ ﺍﻟْﺤُﺴْﻨَﻰ ﻓَﺎﺩْﻋُﻮﻩُ ﺑِﻬَﺎ ﻭَﺫَﺭُﻭﺍْ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﻠْﺤِﺪُﻭﻥَ ﻓِﻲ ﺃَﺳْﻤَﺂﺋِﻪِ ﺳَﻴُﺠْﺰَﻭْﻥَ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍْ ﻳَﻌْﻤَﻠُﻮﻥَ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই তারা পাবে।(সূরা আ'রাফ ১৮০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﺳﺒﺢ ﺍﺳﻢ ﺭﺑﻚ ﺍﻷﻋﻠﻰ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থ, তোমার প্রভূর নামের তাসবীহ পাঠ কর।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻗﺪ ﺃﻓﻠﺢ ﻣﻦ ﺗﺰﻛﻰ ﻭﺫﻛﺮ ﺍﺳﻢ ﺭﺑﻪ ﻓﺼﻠﻰ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ আয়াতের মাঝেও বলাহয়েছেঃ প্রকৃত সফলকাম ঐ ব্যক্তি যে তার রবের নামের যিকির করে ৷(সূরাঃ আ'লা-১৪-১৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং নবীজী সাঃ বলেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺃﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ; ﺇِﻥَّ ﻟِﻠَّﻪِ ﺗِﺴْﻌَﺔً ﻭَﺗِﺴْﻌِﻴﻦَ ﺍﺳْﻤًﺎ ﻣِﺎﺋَﺔً ﺇِﻟَّﺎ ﻭَﺍﺣِﺪًﺍ ﻣَﻦْ ﺃَﺣْﺼَﺎﻫَﺎ ﺩَﺧَﻞَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নবীজী সাঃ বলেন,নিশ্চয় আল্লাহর নিরান্নব্বইটা নাম রয়েছে,যে ব্যক্তি তা ঈমান ও আমলের সাথে ডাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(সহীহ বুখারী-২৭৩৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল-বাদিউ البديع আল্লাহর নাম সমূহের একটি নাম। সুতরাং এই নাম দ্বারা বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য সামনে রেখে আল্লাহকে ডাকা যেতে পারে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে আপনি যে ত্বরিকার কথা উল্লেখ করেছেন, তা কুরআন সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ,  এগুলো বুজুর্গানে কেরামের অভিজ্ঞতার আলোকে বাতলিয়ে দেওয়া ত্বরিকা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এগুলোকে কুরআন সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয় এমন আকিদা বিশ্বাস রেখে এগুলো দ্বারা আ’মল করা যেতে পারে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144006/?show=144009#a144009</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 16:27:51 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আমার স্বামী যদি কোন ভিডিও দেখার জন্য এবং  মানার জন্য শেয়ার করে এটা কি বৈবাহিক জীবনে কোন সমস্যা করে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144007/?show=144008#a144008</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144007/?show=144008#a144008</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 16:25:06 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ফসলের ওশর: কাঁচা-শুকনা ওজন, চিকন-মোটা ধান, বন্ধকী জমি ও আদি জমির ক্ষেত্রে করণীয় কী?</title>
<link>https://ifatwa.info/143998/?show=144005#a144005</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن سالم بن عبد الله عن أبيه رضي الله عنه : عن النبي صلى الله عليه و سلم قال ( فيما سقت السماء والعيون أو كان عثريا العشر وما سقي بالنضح نصف العشر ) (صحيح البخارى : كتاب الزكوة : باب العشر فيما يسقي من ماء السماء وبالماء الجاري : 1/201 برقم : 1453)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থাৎ,আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী স. বলেন, আসমানী বা নদীনালা অথবা অন্যান্য প্রাকৃতিক পানি সিঞ্চনে যা উৎপাদিত হয় তাতে ওশর আসবে। আর যা কৃত্রিম উপায়ের পানি দ্বারা সিঞ্চিত হবে তাতে অর্ধেক ওশর লাযেম হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعن جابر أنه سمع رسول الله صلى الله عليه و سلم يقول : [ فيما سقت الأنهار والغيم العشر وفيما سقي بالسانية نصف العشر ] أخرجه مسلم و أبو داود (المغنى 2/547&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থাৎ, হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত, তিনি শুনেছেন, নবী স. বলেছেন, যা নদীনালা ও বৃষ্টির পানি দ্বারা সিঞ্চনে উৎপাদিত, তাতে আসবে ওশর। আর যা কৃত্রিম উপায়ের পানি দ্বারা সিঞ্চিত, তাতে আসবে অর্ধেক ওশর।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/3145/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/3145/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমাদের দেশ উশরিও নয়,খারাজিও নয়।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই জন্য এদেশের শষ্যাদির উপর ওশর অথবা ওশরের অর্ধেক কোনোটাই ওয়াজিব নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেহ যদি সন্তুষ্টি চিত্তে অংশ নির্দিষ্ট করা ব্যতিত কিছু দেয়,তাহলে কোনো ক্ষতি নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অবশ্য কিছু বা পুরো শষ্য বিক্রয়ের পর নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে যাকাত দিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/13129/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/13129/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে বিষয়টি আপনার ইখতিয়ারধীন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি যদি ওশর আদায় নাও করন,তবুও কোনো গুনাহ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে সেক্ষেত্রে উক্ত ধান যদি আপনি বিক্রয় করেন,সেক্ষেত্রে ধান বিক্রয়ের মুল্যেরও যাকাত আদায় করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেকোনো এক ধরনের ধানের ওপর সমস্ত ধানের হিসাব করে ওশর আদায় করলেই যথেষ্ট হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বন্ধকের উক্ত ছুরতটি অবৈধ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে সেই জমি চাষ করাই যেহেতু জায়েজ নেই,তাই তাই তার ওশর আদায়ের প্রশ্নই উঠেনা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/13152/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/13152/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;বিষয়টি আপনার ইখতিয়ারধীন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি যদি ওশর আদায় নাও করন,তবুও কোনো গুনাহ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে সেক্ষেত্রে উক্ত ধান যদি আপনি বিক্রয় করেন,সেক্ষেত্রে ধান বিক্রয়ের মুল্যেরও যাকাত আদায় করবেন।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143998/?show=144005#a144005</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:41:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: দান এবং দুরুদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143996/?show=144004#a144004</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দশকের ব্যাপারে ইরশাদ করেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;مَا مِنْ أَيّامٍ الْعَمَلُ الصّالِحُ فِيهَا أَحَبّ إِلَى اللهِ مِنْ هَذِهِ الْأَيّامِ يَعْنِي أَيّامَ الْعَشْرِ.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর নিকট যিলহজ্বের দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৩৮; সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৬৯; জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৫৭; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৭২৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৯৬৮&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النّارِ، مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরাফার দিনের মতো আর কোনো দিন এত অধিক পরিমাণে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩৪৮&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাওবা-ইস্তিগফার, যিকির-তিলাওয়াত, রোনাযারী-কান্নাকাটি, দান-সদকা প্রভৃতি নেক আমল এই দশ দিনে করার কথা হাদীসে এসেছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;مَا مِنْ أَيّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ وَلَا أَحَبّ إِلَيْهِ الْعَمَلُ فِيهِنّ مِنْ هَذِهِ الْأَيّامِ الْعَشْرِ، فَأَكْثِرُوا فِيهِنّ مِنَ التّهْلِيلِ وَالتّكْبِيرِ وَالتّحْمِيدِ.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তাআলার নিকট আশারায়ে যিলহজ্বের আমলের চেয়ে অধিক মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদু লিল্লাহ’ পাঠ কর। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৫৪৪৬; আদদাআওয়াতুল কাবীর, তবারানী, হাদীস ৫৩৪&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জিলহজ এর ১০ দিন দান করলে অন্য দিনগুলোর চেয়ে সওয়াব বেশি হবে,ইনশাআল্লাহ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রমজান মাসে ও জিলহজ এর ১০ দিনে দান করলে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমন কোন ফজিলতের কথা হাদিসে পাইনি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ গুনাহ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে একই মজলিসে যদি একাধিকবার পড়া হয় বা একাধিক বার শোনা হয়, সেক্ষেত্রে প্রথম বার দরুদ পাঠ করা ওয়াজিব। পরবর্তী বারগুলোতে মুস্তাহাব। এক্ষেত্রে পরবর্তী বারগুলোতে দরুদ পড়া না হলে গুনাহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এখানে তো নাম উল্লেখ নেই,তাই দরুদ লেখা হয়নি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;না,এক্ষেত্রে গুনাহ হবেনা।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143996/?show=144004#a144004</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:33:32 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হায়েজ নাকি ইস্তিহাজা বুঝতে পারছি না।</title>
<link>https://ifatwa.info/144000/?show=144003#a144003</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তুহর তথা দুই হায়েজের মাঝে পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমা পনেরো দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই পনেরো দিনের মধ্যে কোনো রক্ত আসলে সেটি হায়েজ নয়,বরং সেটি ইস্তেহাজা তথা অসুস্থতা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই সময়ে নামাজ রোযা আদায় করতে হবে।    &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হজরত হান্নাদ [রহ] আম্মাজান আয়েশা [রা]-এর হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, ফাতিমা বিনতে হুবাইশ নামক এক নারী একবার রাসুল [সা]-এর সমীপে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসুল, আমি একজন ইস্তেহাযাগ্রস্ত মেয়ে। আমি তো পাক হই না। তাই আমি কি নামাজ পড়া ছেড়ে দেবো? রাসুল [সা] বললেন, না, কারণ এ রক্ত হায়েযের নয়; বরং এ হলো শিরা থেকে বেরিয়ে আসা রক্ত। সুতরাং যখন তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলি আসে তখন সে দিনগুলি নামাজ ছেড়ে দেবে। আর হায়েযের দিন চলে গেলে তোমার রক্ত ধুয়ে নেবে এবং নামাজ আদায় করবে। [তিরমিজি, হাদিস-১২৫]&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10488/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10488/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হায়েযের সর্বনিম্ন সময়সীমা হলো ৩ তিন,আর সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬)  &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;أقل الحیض للجاریۃ البکر والثیب ثلاثۃ أیام ولیالیہا وأکثرہ عشرۃ أیام&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;دار قطني، السنن، 1: 219، رقم: 61&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসুল সাঃ বলেন  মহিলাদের হায়েজের সর্বনিম্ন সীমা হলো ৩ দিন ৩ রাত,সর্বোচ্চ সীমা হলো ১০ দিন ১০ রাত।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হায়েজের দিন গুলোতে যেই কালারেরই রক্ত হোক,সেটি হায়েজের রক্ত বলেই গন্য হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত সময় নামাজ রোযা ইত্যাদি আদায় করা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(কিতাবুল ফাতওয়া ২/৭৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্পষ্ট সাদা কালারের কিছু বের হলে সেটাকে হায়েজ বলা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াহ ২/৮৩৩)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : &quot; كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।(মুয়াত্তা মালিক-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/40252/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/40252/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে এটি ইস্তেহাজা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সময়ে নামাজ আদায় করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে ১৪ তারিখেও যদি আপনার ব্লিডিং হয়,যাহা সর্বনিম্ন ৩ দিন চলে,সেক্ষেত্রে ১৪ তারিখ হতে হায়েজ ধরবেন। &lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144000/?show=144003#a144003</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:27:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: খোলা নিতে অসমর্থ</title>
<link>https://ifatwa.info/143999/?show=144002#a144002</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1205&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1205&lt;/a&gt; নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;br&gt;যেহেতু আপনার স্বামী এখনো আপনার সাথে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। বিচ্ছেদের আলোচনা করছেন না বা সেদিকে অগ্রসর হচ্ছেন না।এটা প্রমাণ করে সে আপনাকে ভালবাসে।হয়তো কোনো কারণে সে পরকিয়ায় লিপ্ত রয়েছে।তাই আমি মনে করি যে, আপনি তাকে পূর্ণ ভালবাসা প্রদাণ করুন।তার সাথে যথেষ্ট মায়াবী আচরন করুন।তার সামনে সু-সজ্জিত হয়ে আসুন।এবং প্রথম দিনের মত তাকে আগ্রহ ভরে দেখুন।এবং সাথে সাথে তাকে আখেরাতের ভয় প্রদর্শন করুন।বা ইসলামী বিধি-বিধান সম্পর্কে সম্মক অবগত করানোর চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমি আপনাকে বিশেষ কয়েকটি নসিহত করবো-&lt;br&gt;(ক)&lt;br&gt;আপনার স্বামীর পরকিয়া সম্পর্কে অন্য কাউকে জানাবেন না।কেননা গোনাহে গোপন রাখা ওয়াজিব।তাই গোপন রাখার চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(খ)&lt;br&gt;পূর্ণ আগ্রহের সাথে তাকে সময় দিন।তাকে কখনো একা ছেড়ে দিবেন না।বরং সর্বদা তার সাথে লেগে থাকুন।তার সকল প্রকার পছন্দের জিনিষকে নিজের পছন্দ বানিয়ে তার সাথে সর্বদা থাকার চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(গ)&lt;br&gt;তার হেদায়তের জন্য দু'আ করতে থাকুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!&lt;br&gt;আমাদের মনে রাখতে হবে,&lt;br&gt;পরকালে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ আ'মলের হিসাব নিকাশ দিতে হবে।কারো পাপের বোঝাকে অন্য কেহ বহন করবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ&lt;br&gt;ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺰِﺭُ ﻭَﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯْﺭَ ﺃُﺧْﺮَﻯ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺪْﻉُ ﻣُﺜْﻘَﻠَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺣِﻤْﻠِﻬَﺎ ﻟَﺎ ﻳُﺤْﻤَﻞْ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﺫَﺍ ﻗُﺮْﺑَﻰ الخ&lt;br&gt;কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়।&lt;br&gt;(সূরা ফাতির-১৮)&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার স্বামীকে যথাযথ ভাবে বুঝাবেন,পরকালের শাস্তির ব্যাপারে বুঝাবেন,নিজের পরিবারের মুরব্বিদের মাধ্যমে তাকে বুঝাবেন।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে এই পরকিয়া থেকে হটানোর যথাযথ চেষ্টা করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেই মহিলাটির সাথে কথা বলা,যোগাযোগ  করার যাবতীয় রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার জন্য আরো করনীয় সম্পর্কে জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/66205/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/66205/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/66187/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; style=&quot;color: rgb(52, 152, 219); text-decoration: underline;&quot;&gt;https://ifatwa.info/66187/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;উপরে উল্লেখিত যাবতীয় করণীয় গুলির উপর আমল করার পরেও যদি আপনার স্বামী সঠিক পথে ফিরে না আসে, সেক্ষেত্রে আপনি যদি তাকে ইগনোর করে চলেন, তাহলে আপনার গুনাহ হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;তবে তার হক যথাযথ ভাবে আদায় করবেন।&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143999/?show=144002#a144002</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:25:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143966/?show=144001#a144001</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143966/?show=144001#a144001</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:16:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: একজন মানুষকে হবে কিনা সেই বিষয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143994/?show=143995#a143995</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গুনাহের কাজ যেমন নিজে করা জায়েজ নেই,গুনাহের কাজে সহযোগিতা করাও জায়েজ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গুনাহের কাজে সহযোগিতা করা গুনাহ করারই নামান্তর। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিধায় তাহা জায়েজ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ [٥:٢] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা। {সূরা মায়িদা-২}&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاعٍ يَدْعُو إِلَى هُدًى إِلَّا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ اتَّبَعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَا مِنْ دَاعٍ يَدْعُو إِلَى ضَلَالَةٍ إِلَّا كَانَ عَلَيْهِ مِثْلُ أَوْزَارِهِمْ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْئًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট খবর পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ যেকোন আহবানকারী হিদায়াতের দিকে আহবান করিবে তবে তাহাকে তাহার অনুসরণকারীদের সমান পুণ্য দেওয়া হইবে। অনুসরণকারীদের পুণ্য হইতে বিন্দুমাত্র কম করা হইবে না। আর যেকোন আহবানকারী পথভ্রষ্টতার দিকে আহবান করিবে, তবে তাহার উপর অনুসরণকারীদের পাপসমূহের সমান পাপ বৰ্তাইবে। তাহাতে অনুসরণকারীদের পাপসমূহের এতটুকুও কম করা হইবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(মুয়াত্তা মালিক ৪৯৬)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمُسْلِمُونَ عَلَى شُرُوطِهِمْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ মুসলমানগণ তার শর্তের উপর থাকবে। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৫৯৪, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-২৮৯০, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৪০৩৯}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে তাকে শীয়া বানানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার গুনাহ আপনার হবে। আপনি অনেক বড় অন্যায় কাজ করেছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ কাজের প্রায়শ্চিত্ত হলো তাকে বুঝিয়ে সঠিকভাবে ইসলাম ধর্মে নিয়ে আসা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/97510/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/97510/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143994/?show=143995#a143995</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 12:31:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পরিবারে স্বামীর কর্তৃত্ব সম্পর্কিত</title>
<link>https://ifatwa.info/143984/?show=143991#a143991</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَلرِّجَالُ قَوّٰمُوۡنَ عَلَی النِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ اللّٰہُ بَعۡضَہُمۡ عَلٰی بَعۡضٍ وَّ بِمَاۤ اَنۡفَقُوۡا مِنۡ اَمۡوَالِہِمۡ ؕ فَالصّٰلِحٰتُ قٰنِتٰتٌ حٰفِظٰتٌ لِّلۡغَیۡبِ بِمَا حَفِظَ اللّٰہُ ؕ وَ الّٰتِیۡ تَخَافُوۡنَ نُشُوۡزَہُنَّ فَعِظُوۡہُنَّ وَ اہۡجُرُوۡہُنَّ فِی الۡمَضَاجِعِ وَ اضۡرِبُوۡہُنَّ ۚ فَاِنۡ اَطَعۡنَکُمۡ فَلَا تَبۡغُوۡا عَلَیۡہِنَّ سَبِیۡلًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَلِیًّا کَبِیۡرًا ﴿۳۴﴾&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক, ঐ (বিশেষত্বের) কারণে, যার দ্বারা আল্লাহ তাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং ঐ সম্পদের কারণে, যা তারা ব্যয় করেছে। সুতরাং সৎ নারীরা হল অনুগত, (স্বামীর) অবর্তমানে (নিজের সতিত্ব ও স্বামীর সম্পদ) রক্ষাকারী, আল্লাহ রক্ষা করার কারণে ... -সূরা নিসা : ৩৪&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই আয়াতে ‘পুরুষের ব্যয়কৃত সম্পদ’ মানে স্ত্রীর মোহরানা, খোরপোষ ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচ, কুরআন ও সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী যা বহন করা অবশ্যকর্তব্য। এ আয়াত প্রমাণ করে, স্ত্রীর নাফাকা ও খোরপোষ স্বামীর উপর ফরয। -তাফসীর ইবনে কাছীর ১/৪৯২; আহকামুল কুরআন, জাসসাস ২/১৮৮&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ، شَهِدَ حَجَّةَ الْوَدَاعِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَذَكَّرَ وَوَعَظَ فَذَكَرَ فِي الْحَدِيثِ قِصَّةً فَقَالَ &quot; أَلاَ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا… أَلاَ وَحَقُّهُنَّ عَلَيْكُمْ أَنْ تُحْسِنُوا إِلَيْهِنَّ فِي كِسْوَتِهِنَّ وَطَعَامِهِنَّ &quot; .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুলাইমান ইবনু আমর ইবনুল আহওয়াস (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্ণিতঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিদায় হজ্জের সময় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। তিনি আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং ওয়াজ-নাসীহাত করলেন। এ হাদীসের মধ্যে বর্ণনাকারী একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্ত্রীদের সাথে ভালো আচরণের উপদেশ নাও। ... জেনে রাখ! তোমাদের প্রতি তাদের অধিকার এই যে, তোমরা তাদের উত্তম পোশাক-পরিচ্ছদ ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করবে। (সুনানে তিরমিযী ১১৬৩)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর ওপর স্ত্রীর হকসমূহ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. স্ত্রীর সাথে সর্বদা ভালো আচরণ করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. স্ত্রীর কোনো কথায় বা কাজে কষ্ট পেলে ধৈর্য্য ধারণ করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. উচ্ছৃঙ্খল, বেপর্দা চলাফেরা করতে থাকলে নম্র ভাষায় তাকে বোঝানো।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৪. সামান্য বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ না করা। কথায় কথায় ধমক না দেওয়া। রাগ না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৫. স্ত্রীর আত্মমর্যাদায় আঘাত করে এমন বিষয়ে সংযত থাকা। শুধু শুধু স্ত্রীর প্রতি কুধারণা না করা। স্ত্রীর সম্পর্কে উদাসীন না থাকা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৬. সামর্থ্যানুযায়ী স্ত্রীর খোরপোষ দেওয়া। অপচয় না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৭. নামায পড়া এবং দ্বীনের আহকাম মেনে চলার জন্য উৎসাহ দিতে থাকা। হায়েয-নেফাসের মাসআলাগুলো ভালোভাবে শিক্ষা দেওয়া। শরীয়ত পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৮. একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মাঝে সমতা রক্ষা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৯. চাহিদানুযায়ী তাদের সাথে মেলামেশা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১০. অনুমতি ব্যতীত আযল অর্থাৎ মেলামেশার সময় শেষ মুহূর্তে স্বাভাবিক স্থান ত্যাগ না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১১. একান্ত নিরুপায় না হলে তালাক না দেওয়া এবং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে শরীয়ত-গৃহীত পন্থায় তালাক দেওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১২. প্রয়োজন মাফিক থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১৩. মাঝে মাঝে স্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাত করার সুযোগ করে দেওয়া।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/93970/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/93970/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর উপর ওয়াজিব যে,সে তার স্ত্রীর ভরণপোষণ করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنْفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।(সূরা নিসা-৩৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لِيُنْفِقْ ذُو سَعَةٍ مِنْ سَعَتِهِ وَمَنْ قُدِرَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ فَلْيُنْفِقْ مِمَّا آتَاهُ اللَّهُ لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا مَا آتَاهَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে।(সূরা তালাক-৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাকীম ইবনু মু‘আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعَنْ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : &quot; قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا حَقُّ زَوْجَةِ أَحَدِنَا عَلَيْهِ ؟ قَالَ : ( أَنْ تُطْعِمَهَا إِذَا طَعِمْتَ ، وَتَكْسُوَهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ ، وَلَا تَضْرِبْ الْوَجْهَ ، وَلَا تُقَبِّحْ ، وَلَا تَهْجُرْ إِلَّا فِي الْبَيْتِ) &lt;/div&gt;&lt;div&gt; তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমন্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।(আবু দাউদ-২১৪২,ইবনে মা'জা-১৮৫০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ আদায় না করলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গ না দিলে,স্ত্রী যদি কাযী সাহেবের নিকট বিচার দায়ের করে,তাহলে কাযী সাহেব উক্ত বিবাহকে ভঙ্গ করে দেয়ার অধিকার রাখেন।(জাদীদ ফেকহী মাসাঈল-৩/১০০)বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/5139&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/5139&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীর অধীনে আছেন বলে সে কর্তৃত্বের উসিলা দিয়ে যখন যা ইচ্ছা করতে...বলতে.. আঘাত করতে করার মতো কাজ করতে পারবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি অন্যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার স্বামী আপনার উপর অনেকটা জুলুম করছে,আপনার হক সে আদায় করছেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার জন্য উচিত দেশে এসে জীবিকা নির্বাহের  কোনো উপায় অবলম্বন করা,সর্বদা আপনার হক আদায় করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী যেহেতু আপনার হক আদায় করছেনা,তাই তার জন্য বিদেশে থাকার বৈধতা শরীয়তে নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/55426/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/55426/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য যে সমস্ত জিনিষের প্রয়োজন, সেগুলো স্ত্রীকে প্রদান করা স্বামীর উপর ওয়াজিব। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি স্বামীকে ভালবাসুন। তার সমস্ত চাওয়া পাওয়াকে আন্তরিকতার সাথে পূরণ করুন। তাকে নরম ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করুন। আল্লাহর কাছে দু'আ করুন। আল্লাহ আপনার স্বামীকে হেদায়ত দান করুক।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতেও কাজ না হলে সেক্ষেত্রে উভয় পরিবারের মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতেও কাজ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/109237/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/109237/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ আদায় না করলে,স্ত্রীর শারীরিক হক আদায় না করলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গ না দিলে,স্ত্রী যদি কাযী সাহেবের নিকট বিচার দায়ের করে,তাহলে কাযী সাহেব উক্ত বিবাহকে ভঙ্গ করে দেয়ার অধিকার রাখেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143984/?show=143991#a143991</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:55:54 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ফ্ল্যাট কেনা প্রসঙ্গে।</title>
<link>https://ifatwa.info/143980/?show=143989#a143989</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান মতে সুদ গ্রহণ, সুদ প্রদান উভয়ই লানতপ্রাপ্ত গোনাহ। তাই এ ভিত্তিতে লোন নেওয়া,তা দিয়ে ব্যবসা করা,অন্যকে এ থেকে লোন দেওয়া জায়েজ নয়। হারাম। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَنْ جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِنْ رَبِّهِ فَانْتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ [٢:٢٧٥&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। {সূরা বাকারা-২৭৫}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;عبد الله بن مسعود عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعن الله آكل الربا وموكله وشاهديه وكاتبه&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ এর পিতা থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, তার সাক্ষী যে হয়, আর দলিল যে লিখে তাদের সকলেরই উপর আল্লাহ তায়ালা অভিশাপ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং-৩৮০৯, মুসনাদে আবি ইয়ালা, হাদিস নং-৪৯৮১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ব্যাংক লোন হারাম।কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে আসার পর সেই লোনকে পরিশোধ করার পর উক্ত লোন দিয়ে যা খরিদ বা তৈরী করা হয়েছিলো,সেটা হালালই থাকছে।যদিও লোন গ্রহণ করা হারাম ও অবৈধ ছিলো।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ব্যাংক লোন সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1085&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1085&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা করা জায়েজ নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;লোন গ্রহণ নাজায়েয ও হারাম। যদি লোনকে হালাল টাকা দ্বারা পরিশোধ করা হয়, তাহলে লোনের টাকা দ্বারা যা কিছুই করা হবে, তা জায়েয।পরবর্তীতে যত ইনকাম হবে, তার সবই জায়েয।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;লোন গ্রহণের জন্য তাওবাহ করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/42131/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/42131/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে এভাবে ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ফ্ল্যাট কেনা জায়েজ হবেনা।&lt;/div&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143980/?show=143989#a143989</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:47:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ফেসবুকের রিলস শেয়ার করা নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/143983/?show=143988#a143988</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143983/?show=143988#a143988</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:45:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: রাসুলের প্রতি অবমাননা।</title>
<link>https://ifatwa.info/143982/?show=143986#a143986</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;কুরআনের কোনো আয়াত,মহান আল্লাহর নাম,রাসুলুল্লাহ সাঃ, হাদীস, ওশরীয়তের কোনো জরুরি বিধান নিয়ে হাসি ঠাট্রা,গালি গালাজ করলে ঈমান চলে যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; قُلْ أَبِاللهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُوْلِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُوْنَ، لاَ تَعْتَذِرُوْا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيْمَانِكُمْ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে তাঁর হুকুম-আহকামের সাথে এবং তাঁর রাসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? ছলনা কর না, ঈমান আনার পর তোমরা যে কাফির হয়ে গেছ’ (তওবা ৬৫-৬৬)। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; فَنَذَرُ الَّذِيْنَ لاَ يَرْجُوْنَ لِقَاءَنَا فِيْ طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُوْنَ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘সুতরাং যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা রাখে না, আমি তাদেরকে তাদের দুষ্টামীতে ব্যতিব্যস্ত করে রাখি’ (ইউনুস ১১)। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ধরনের লোকদের সাথে উঠাবসা, চলাফেরা ত্যাগ করতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা উক্ত আচরণ পরিত্যাগ না করে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَقَدْ نَزَّلَ عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ أَنْ إِذَا سَمِعْتُمْ آيَاتِ اللهِ يُكْفَرُ بِهَا وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا فَلاَ تَقْعُدُوْا مَعَهُمْ حَتَّى يَخُوْضُوْا فِيْ حَدِيْثٍ غَيْرِهِ إِنَّكُمْ إِذًا مِثْلُهُمْ إِنَّ اللهَ جَامِعُ الْمُنَافِقِيْنَ وَالْكَافِرِيْنَ فِيْ جَهَنَّمَ جَمِيْعًا-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘আর কুরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারী করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহর আয়াত সমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রূপ করতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে। অন্যথা তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ মুনাফিক ও কাফিরদেরকে জাহান্নামে একই জায়গায় সমবেত করবেন’ (নিসা ১৪০)। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/47004/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; style=&quot;color: rgb(52, 152, 219); text-decoration: underline;&quot;&gt;https://ifatwa.info/47004/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত স্বামী স্ত্রী যদি রাসূল ﷺ কে গালিগালাজ করে,সেক্ষেত্রে তাদের ঈমান চলে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে তাদের ঈমান নবায়ন করার পর বিবাহ নবায়ন করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে তারা কি ধরনের অবমাননা করেছে,বিষয়টি স্পষ্ট করলে ভালো হতো।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143982/?show=143986#a143986</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:41:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143981/?show=143985#a143985</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143981/?show=143985#a143985</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:37:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কথা প্রসঙ্গে এসব কথা বলা যায়?আর স্বাভাবিক কথা মনে করে বলে ফেললে কি কুফরি হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/143978/?show=143979#a143979</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143978/?show=143979#a143979</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 08:46:49 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ে,সহবাস, কাফফারা</title>
<link>https://ifatwa.info/143968/?show=143977#a143977</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/11771&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/11771&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হবার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যথা-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বর ও কনেকে কিংবা তাদের প্রতিনিধিকে ইজাব তথা প্রস্তাবনা ও কবুল বলতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত ইজাব ও কবুলটি বলতে হয় দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক মসলিম পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার সামনে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وَ اسۡتَشۡہِدُوۡا شَہِیۡدَیۡنِ مِنۡ رِّجَالِکُمۡ ۚ فَاِنۡ لَّمۡ یَکُوۡنَا رَجُلَیۡنِ فَرَجُلٌ وَّ امۡرَاَتٰنِ مِمَّنۡ تَرۡضَوۡنَ مِنَ الشُّہَدَآءِ اَنۡ تَضِلَّ اِحۡدٰىہُمَا فَتُذَکِّرَ اِحۡدٰىہُمَا الۡاُخۡرٰی&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমরা তোমাদের পুরুষদের মধ্য হতে দু’জন সাক্ষী রাখ, অতঃপর যদি দু’জন পুরুষ না হয় তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক যাদেরকে তোমরা সাক্ষী হিসেবে পছন্দ কর, যাতে স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন ভুলে গেলে তাদের একজন অপরজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা ২৮২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;হাদিস শরিফে এসেছে, &lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;rtl&quot;&gt;لَا يَجُوزُ نِكَاحٌ، وَلَا طَلَاقٌ، وَلَا ارْتِجَاعٌ إِلَّا بِشَاهِدَيْنِ&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;‘রাসূল (সা.) বলেছেন, দুইজন সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, তালাক ও ফিরিয়ে আনা বৈধ হবে না।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদিস: ১০২৫৪]&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;قوله صلى الله عليه وسلم : ( لا نكاح إلا بولي وشاهدي عدل ) رواه البيهقي من حديث عمران وعائشة ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (7557) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসুলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই।” [তাবারানী কর্তৃক সংকলিত, সহীহ জামে (৭৫৫৮)]।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী- “তোমরা বিয়ের বিষয়টি ঘোষণা কর।”[মুসনাদে আহমাদ এবং সহীহ জামে গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে (১০৭২)]&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;۔&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইজাব ও কবুলটি উভয় সাক্ষ্যি স্বকর্ণে শুনতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত তিনটির কোন একটি শর্ত না পাওয়া গেলে ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হয় না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উপরোক্ত তিনটি শর্ত  পাওয়া গেলে বিবাহ হবে,অন্যথায় বিবাহ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হল দু’জন আযাদ প্রাপ্ত বয়স্ক বিবেকবান দুই জন মুসলিম স্বাক্ষের সামনে পাত্র/পাত্রি প্রস্তাব দিবে আর অপরপক্ষে পাত্র/পাত্রি তা কবুল করবে। আর সাক্ষিগণ উভয়ের কথা সুষ্পষ্টভাবে শুনবে। শরয়ী এ শর্তাবলী পরিপূর্ণভাবে পাওয়া গেলেই বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,    &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যাক্তি যদি উপরে উল্লেখিত শর্তাবলী পরিপূর্ণভাবে মেনে বিবাহ পড়ায়,সেক্ষেত্রে সেই বিবাহ শুদ্ধ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় ফরজ গোসল সম্পন্ন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে পরবর্তীতে সেই তরল বের হওয়ার পর উক্ত স্থান ধুয়ে অযু করে নিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২.১&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় ফরজ গোসল করলে গোসল সম্পন্ন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২.২&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেক্ষেত্রে পুনরায় গোসল করতে হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তবে পরবর্তীতে সেই তরল বের হলে উক্ত স্থান ধুয়ে অযু করে নিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর নামে ভবিষ্যতে কোন কাজ করা বা না করা বা ভবিষ্যতে কোনো কথা বলা বা না বলার কসম করে থাকলে,এমতাবস্থায় যদি সেই কসম যদি ভঙ্গ করা হয়, তাহলে কাফফারা আবশ্যক হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/9671/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/9671/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143968/?show=143977#a143977</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 08:11:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: উনার কি কুরবানী হবে, সাথে বাকিদেরও?</title>
<link>https://ifatwa.info/143965/?show=143975#a143975</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/48120/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/48120/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তা’আলা বলেন, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَكِن يَنَالُهُ التَّقْوَى مِنكُمْ كَذَلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَبَشِّرِ الْمُحْسِنِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন। (সূরা হাজ্ব-৩৭)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো যদি কেউ আল্লাহ তাআলার হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে কুরবানী না করে শুধু গোশত খাওয়ার নিয়তে কুরবানী করে তাহলে তার কুরবানী সহীহ হবে না। তাকে অংশীদার বানালে শরীকদের কারো কুরবানী হবে না। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শরীক নির্বাচন করতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৮, কাযীখান ৩/৩৪৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فتاوی شامی (6/ 326)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;'' قد علم أن الشرط قصد القربة من الكل''۔&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জানা গেলো যে সকলের হতে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নিয়ত করা শর্ত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الفتاوى الهندية (5/ 304)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;'' وإن كان كل واحد منهم صبياً أو كان شريك السبع من يريد اللحم أو كان نصرانياً ونحو ذلك لا يجوز للآخرين أيضاً، كذا في السراجية&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তরজমাঃযদি সাত শরীকের সাতজনই শিশু হয়,বা একজন গোস্তের নিয়তে শরীক হয় বা একজন খৃষ্টান হয়, তাহলে অন্যান্য শরীক(যাদের নিয়্যাত কুরবানি করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন )তাদের কারো কুরবানি সহীহ হবে না, বরং সবার কুরবানি নষ্ট হয়ে যাবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া;৫/৩০৪) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/18148&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/18148&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(إن کان شریک الستة نصرانیا أو مریدا اللحم لم یجز عن واحد منہم لأن الإراقة لاتتجزأ ۔ (الدرالمختار، کتاب الأضحیة: ۹/۴۷۲، ط: زکریا) ۔&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি ছয় শরীকের মধ্যে কেহ নাসারা হয়,বা গোশত খাওয়ার নিয়ত করে,তাহলে কাহারো থেকেই কুরবানী জায়েজ হবেনা। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনারা যদি সে টাকা উনাকে দিয়ে তাকে সে টাকার মালিক বানিয়ে দেন, তাহলে তার কুরবানী হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে গোশত খাওয়ার নিয়ত করলে তার কুরবানির আদায় হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি শরীকদের মধ্যে সকলেই মুসলমান হয়,এবং কাহারো থেকে এটি প্রকাশ্যভাবে বলা হয়নি যে সে গোশত খাওয়ার নিয়তে অংশ নিচ্ছে,তাহলে মুসলমানের মুআমেলাহ সঠিকতার উপর ধরা হবে,এবং ভালো ধারণা এটি রাখা হবে যে যে কুরবানীর দিন গুলোতে মুসলমান কুরবানীরই নিয়তে পশু জবাই করে,বা শরীক হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/48120/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/48120/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ,  খাওয়া যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি আপনার স্বামীর ব্যক্তিগত ব্যাপার তিনি চাইলে দিতে পারেন, নাও দিতে পারেন। তার উপর এই টাকা দেয়া আবশ্যক নয়।&lt;/div&gt;</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143965/?show=143975#a143975</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 07:49:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নিফাসের সময় কখন থেকে গণনা শুরু করবো?</title>
<link>https://ifatwa.info/143969/?show=143974#a143974</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;কোনো অসুস্থ ব্যক্তি শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত হওয়ার জন্য শর্ত হলো,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;شرط ثبوت العذر ابتداء أن يستوعب استمراره وقت الصلاة كاملا وهو الأظهر كالانقطاع لا يثبت ما لم يستوعب الوقت كله-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত হওয়ার জন্য কোনো নামাযের শুরু থেকে শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত উযর স্থায়ী থাকা শর্ত।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৪০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনো ব্যাক্তি মা'যুর প্রমানিত হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী ওয়াক্ত গুলোতে পুরো সময় উক্ত ওযর পাওয়া জরুরি নয়,বরং পরবর্তী প্রতি ওয়াক্তে এক বারও যদি উক্ত ওযর পাওয়া যায়,তাহলে সে মা'যুরই থাকবে।   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং যদি কোনো একটি নামাযের শুরু থেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত তথা  সম্পূর্ণ ওয়াক্ত আপনার এমনভাবে অতিবাহিত হয় যে,উক্ত সমস্যা বন্ধ না হয়,বরং চলতেই থাকে,এই উযরের কারণে অল্প সময়ে ছোট সুরা দিয়ে হলেও ফরয নামায পড়া আপনার জন্য কোনোভাবেই সম্ভবপর না হয়,তাহলে আপনি মা'যুর। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি প্রতি ওয়াক্তের জন্য অযু করবেন,এই অযু দিয়ে উক্ত ওয়াক্তের মধ্যে যত ইচ্ছা নামাজ আদায় করতে পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(যদি অন্য কোনো অযু ভঙ্গকারী কিছু না পাওয়া যায়।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পরবর্তী ওয়াক্তে আবার অযু করবেন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যদি আপনার ওযরটি এমন না হয়,তাহলে আপনি শরয়ী ভাবে মা'যুর প্রমাণিত হবেন না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/3954/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/3954/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মা'যুরের বিধান ইস্তেহাজা গ্রস্থ নারীর ন্যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم فَذَكَرَ خَبَرَهَا وَقَالَ &quot; ثُمَّ اغْتَسِلِي ثُمَّ تَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ وَصَلِّي &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবাইশ রাযিয়াল্লাহু ‘আনহা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তার ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তারপর গোসল করবে এবং প্রত্যেক সলাতের জন্য অযু করে সলাত আদায় করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আবু দাউদ ২৯৮.ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ পবিত্রতা, অনুঃ ঋতুবতী নারীর হায়িযের ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর রক্ত নির্গত হওয়া প্রসঙ্গে, হাঃ ৬২৪), আহমাদ (৬/৪২, ২৬২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ، اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم أَنْ تَنْتَظِرَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي فَإِنْ رَأَتْ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘ইকরিমাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হাবীবাহ বিনতু জাহশের ইস্তিহাযা হলো। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হায়িযের দিনসমূহে (সলাত ইত্যাদির জন্য) অপেক্ষা করার পর গোসল করে সলাত আদায় করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর অযু করে এক ওয়াক্ত সলাত আদায়ের পর রক্ত দেখা গেলে পরের ওয়াক্তের জন্য পুনরায় অযু করে সলাত আদায় করতে বললেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আবু দাউদ ৩০৫)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/12398/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/12398/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার অযু ভেঙ্গে যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে আপনি মা'যুর কিনা,সেটা আগে নির্ণয় করতে হবে,যদি আপনি মা'যুর না হোন,সেক্ষেত্রে প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে নামাজের জন্য আপনি অপেক্ষা করবেন। যখন স্রাব আসা বন্ধ হবে,তখন শরীর পাক করে পবিত্র কাপড়ে নামাজ আদায় করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্যাড, প্যান্টি বা পায়জামায় স্রাব লেগে থাকলে তাহা প্রতি নামাজের আগে পাক করতেই হবে বা পরিবর্তন করতেই হবে।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই জন্য নামাজের জন্য আলাদা কাপড় রাখতে পারেন। যেটাকে শুধুমাত্র নামাজের আগেই পড়বে,নামাজের পর তাহা রেখে দিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নামাজের মধ্যে স্রাব বের হলে নামাজ ছেড়ে দিয়ে অযু করে পবিত্র হয়ে এসে পুনরায় সেই নামাজ আদায় করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্রাব বের হওয়া মাত্র নামাজ ছেড়ে দিয়ে পাক হয়ে অযু করে এসে বাকি নামায আদায় করতে হবে।এক্ষেত্রে শুরু থেকে নামাজ আদায় বাধ্যতামূলক নয়। যেই রুকনে নামাজ ছেড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন,অযু করে আসার পর সেই রুকন হতেই নামাজ আদায় করতে পারবেন।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে আবারো অযু ভেঙ্গে গেলে আবারো অযু করতে যেতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যদি আপনি মা'যুর হোন,অর্থাৎ নামাজের শুরু ওয়াক্ত থেকে নিয়ে ওয়াক্তের শেষ পর্যন্ত আপনার স্রাব বের হতেই থাকে,এই ওযরের কারণে অল্প সময়ে ছোট সুরা দিয়ে হলেও ফরয নামায পড়া আপনার জন্য কোনোভাবেই সম্ভবপর না হয়,সেক্ষেত্রে আপনি যেভাবে নামাজ আদায় করছেন,এই ভাবে নামাজ আদায় হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেননা আপনি মা'যুর। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পরবর্তী ওয়াক্ত গুলোতে এই ওযর একবার পাওয়া গেলেও আপনি মা'যুর হিসেবেই বহাল থাকবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আপনি প্রতি ওয়াক্তের জন্য অযু করবেন,এই অযু দিয়ে উক্ত ওয়াক্তের মধ্যে যত ইচ্ছা নামাজ আদায় করতে পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(যদি অন্য কোনো অযু ভঙ্গকারী কিছু না পাওয়া যায়।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পরবর্তী ওয়াক্তে আবার অযু করবেন।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় প্যাড, প্যান্টি বা পায়জামায় স্রাব লেগে থাকলেও তাহা প্রতি নামাজের আগে পাক করতে হবেনা বা পরিবর্তন করা আবশ্যক নয়।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(উল্লেখ্য,  কোনো ওয়াক্তে আপনার আর উক্ত সমস্যা না দেখা গেলে সেক্ষেত্রে আপনি আর মা'যুর হিসেবে থাকবেননা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি সুস্থ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে। তখন আর মা'যুরের বিধান আপনার উপর কার্যকর হবেনা।)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★উল্লেখ থাকে যে এই অবস্থায় বসে নামাজ পড়লে যদি স্রাব নির্গত না হয়,সেক্ষেত্রে বসে নামাজ আদায় করারই পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বাচ্চার পুরো শরীর বের হলে বা শরীরের অধিকাংশ অংশ বের হলে নেফাস গণনা শুরু হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143969/?show=143974#a143974</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 07:39:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: শুধু আলহামদুলিল্লাহ বললে কি বিয়ে হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/143967/?show=143973#a143973</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হল  আযাদ প্রাপ্ত বয়স্ক বিবেকবান দু’জন মুসলিম পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা স্বাক্ষীর সামনে পাত্র/পাত্রি প্রস্তাব দিবে আর অপরপক্ষ পাত্র/পাত্রি তা কবুল করবে। আর সাক্ষিগণ উভয়ের কথা সুষ্পষ্টভাবে শুনবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وَ اسۡتَشۡہِدُوۡا شَہِیۡدَیۡنِ مِنۡ رِّجَالِکُمۡ ۚ فَاِنۡ لَّمۡ یَکُوۡنَا رَجُلَیۡنِ فَرَجُلٌ وَّ امۡرَاَتٰنِ مِمَّنۡ تَرۡضَوۡنَ مِنَ الشُّہَدَآءِ اَنۡ تَضِلَّ اِحۡدٰىہُمَا فَتُذَکِّرَ اِحۡدٰىہُمَا الۡاُخۡرٰی&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমরা তোমাদের পুরুষদের মধ্য হতে দু’জন সাক্ষী রাখ, অতঃপর যদি দু’জন পুরুষ না হয় তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক যাদেরকে তোমরা সাক্ষী হিসেবে পছন্দ কর, যাতে স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন ভুলে গেলে তাদের একজন অপরজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা ২৮২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;হাদিস শরিফে এসেছে, &lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;rtl&quot;&gt;لَا يَجُوزُ نِكَاحٌ، وَلَا طَلَاقٌ، وَلَا ارْتِجَاعٌ إِلَّا بِشَاهِدَيْنِ&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;‘রাসূল (সা.) বলেছেন, দুইজন সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, তালাক ও ফিরিয়ে আনা বৈধ হবে না।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদিস: ১০২৫৪]&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;قوله صلى الله عليه وسلم : ( لا نكاح إلا بولي وشاهدي عدل ) رواه البيهقي من حديث عمران وعائشة ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (7557) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসুলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই।” [তাবারানী কর্তৃক সংকলিত, সহীহ জামে (৭৫৫৮)]।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী- “তোমরা বিয়ের বিষয়টি ঘোষণা কর।”[মুসনাদে আহমাদ এবং সহীহ জামে গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে (১০৭২)]&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়াতে রয়েছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فى الدر المختار- ( و ) شرط ( حضور ) شاهدين ( حرين ) أو حر وحرتين ( مكلفين سامعين قولهما معا ) (الدر المختار ، كتاب النكاح،-3/9)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনুবাদ-বিবাহ সহীহ হওয়ার শর্ত হল শরীয়তের মুকাল্লাফ [যাদের উপর শরীয়তের বিধান আরোপিত হয়] এমন দুইজন আযাদ পুরুষ সাক্ষি বা একজন আযাদ পুরুষ ও দুইজন মহিলা সাক্ষি হতে হবে, যারা প্রস্তাবনা ও কবুল  বলার উভয় বক্তব্য স্বকর্ণে উপস্থিত থেকে শুনতে পায়। {আদ দুররুল মুখতার-৩/৯, ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/২৬৮}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য জরুরি হল, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ইজাব ও কবুল পাওয়া যাওয়া। যদি এর কোনো একটি না পাওয়া যায়, তাহলে বিয়ে শুদ্ধ হবে না। তবে আলহামদুলিল্লাহ দ্বারা যেহেতু কবুলের ভাবার্থ বুঝা যায় তাই আলহামদুলিল্লাহ দ্বারাও বিয়ে হয়ে যাবে। (খুলাসাতুল ফাতওয়া ২/৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ে হয়ে যাবে। তবে স্পষ্টভাবে কবুল বলাই সমীচিন। [আহসানুল ফাতাওয়া-৫/৩৬-৩৮]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কিছু কিছু মানুষের ধারণা, বিবাহের ইজাব পেশ করার পর পাত্র/পাত্রী যদি ‘কবুল’ শব্দ উচ্চারণ না করে তাহলে বিবাহ সহীহ হবে না। এ ধারণা ঠিক নয়। আসল বিষয় হল সম্মতি জ্ঞাপন করা। এখন কবুল শব্দ ছাড়া যদি ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি গ্রহণ করলাম’ বা এজাতীয় শব্দ উচ্চারণ করে তাহলেও সেটা সম্মতি বোঝাবে এবং বিবাহ সহীহ হবে। সুতরাং ‘কবুল’ শব্দই উচ্চারণ করতে হবে- এ ধারণা সঠিক নয়। তবে কবুল শব্দে সম্মতি প্রকাশ করাই শ্রেয়।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার বিবাহ শুদ্ধ হয়েছে,এটি নিয়ে চিন্তিত না হওয়ার পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/28951/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/28951/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143967/?show=143973#a143973</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 07:33:52 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঈলা সন্ক্রান্ত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143970/?show=143971#a143971</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143970/?show=143971#a143971</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 07:26:08 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: জ্বীন যাদুর সমস্যা বিষয়ে জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/143955/?show=143960#a143960</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/5803/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/5803/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ঘুম আল্লাহর নিদর্শন সমূহের একটি।যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَمِنْ آيَاتِهِ مَنَامُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَابْتِغَاؤُكُم مِّن فَضْلِهِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَسْمَعُونَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাঁর আরও নিদর্শনঃ রাতে ও দিনে তোমাদের নিদ্রা এবং তাঁর কৃপা অন্বেষণ। নিশ্চয় এতে মনোযোগী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।(সূরা রূম-২৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাতের ঘুম হল মূল,আর দিনের ঘুম হল,শাখাপ্রশাখাগত।আল্লাহ তা'আলা দিনকে কাজ রিজিক অন্বেষণের জন্য তৈরী করেছেন।এবং রাতকে বিশ্রাম ও আরামের জন্য বানিয়েছেন।দিনে কাজ এবং রাতে ঘুম।এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ لِبَاسًا وَالنَّوْمَ سُبَاتًا وَجَعَلَ النَّهَارَ نُشُورًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনিই তো তোমাদের জন্যে রাত্রিকে করেছেন আবরণ, নিদ্রাকে বিশ্রাম এবং দিনকে করেছেন বাইরে গমনের জন্যে।(সূরা ফুরকান-৪৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;أَلَمْ يَرَوْا أَنَّا جَعَلْنَا اللَّيْلَ لِيَسْكُنُوا فِيهِ وَالنَّهَارَ مُبْصِرًا إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তারা কি দেখে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্যে এবং দিনকে করেছি আলোকময়। নিশ্চয় এতে ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।(সূরা নামল-৮৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا*وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا*وَجَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,রাত্রিকে করেছি আবরণ।দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,(সূরা আন-নাবা-৯--১১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;দৈনিক কতঘন্টা ঘুমানো হবে?এ সম্পর্কে কুরআন-হাদীসে স্পষ্টত নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি।বরং ঘুমকে শারিরিক অবকাঠামোর উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।শিশু,যুবক,বৃদ্ধ তারা প্রয়োজনবোধে ঘুমাবে।যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই সে ঘুমাবে।তাছাড়া শীতকালের ঘুম গরম কালের ঘুম থেকে কিছুটা পৃথক হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সাধারণ একজন সুস্থ সবল মানুষ দৈনিক ৫থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমাবে।এর অতিরিক্ত ঘুমাবে না।শারিরিক প্রয়োজনে কেউ এর চেয়ে কমবেশ করলে তাতে কোনো সমস্যা নাই।বড় কথা হল,নামাযের সময়কে গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।শরীয়ত চায় মানুষ উদ্দ্যমী ও উৎফুল্ল হয়ে আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকুক।সুতরাং উদ্দ্যমী হতে শরীর যদি ঘুমকে কিছুটা বেশী চায়,তাহলে শরীয়ত তাতে বাধা প্রদান করবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বেশী ঘুম অনেক প্রকার খারাবী নিয়ে আসে,এবং শারিরিক অনেক প্রকার অসুস্থতাকে নিয়ে আসে,তাই স্বাভাবিক ঘুম তথা ৫-৮ থেকে বেশী ঘুম কখনো উচিৎ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটা আপনার সংসারের কাজকর্ম কম হওয়ার কারণেও হতে পারে, অথবা শারীরিক দুর্বলতার কারণেও হতে পারে। শারীরিক দুর্বলতার কারণে হয়ে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/128976/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/128976/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/92487/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/92487/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জানামতে এটা জ্বীনের সমস্যা নয়।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143955/?show=143960#a143960</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 18:27:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: গোনাহের শাস্তি নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/143953/?show=143958#a143958</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَ مَاۤ اَصَابَکُمۡ مِّنۡ مُّصِیۡبَۃٍ فَبِمَا کَسَبَتۡ اَیۡدِیۡکُمۡ وَ یَعۡفُوۡا عَنۡ کَثِیۡرٍ ﴿ؕ۳۰﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে তা তোমাদের হাত যা অর্জন করেছে তার কারণে এবং অনেক অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা আশ শুরা ৩০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَوۡ یُوۡبِقۡہُنَّ بِمَا کَسَبُوۡا وَ یَعۡفُ عَنۡ کَثِیۡرٍ ﴿۫۳۴﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অথবা তিনি তারা যা অর্জন করেছে তার কারণে সেগুলোকে বিধ্বস্ত করে দিতে পারেন। আর অনেক (অর্জিত অপরাধ) তিনি ক্ষমাও করেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা আশ শুরা ৩৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার আকীদা ঠিক আছে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গোনাহ করলেও অনেকের ধনসম্পদ বাড়ে,এটি মূলত আল্লাহর পক্ষ হতে পরীক্ষা সূলভ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অথবা আল্লাহ তায়ালা তাদের ঢিল দিয়েছে,শেষে একেবারে পাকড়াও করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তখন তাদের আর ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবেনা।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143953/?show=143958#a143958</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 18:13:35 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>