<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Islamic Fatwa - Recent questions and answers</title>
<link>https://ifatwa.info/qa</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>Answered: তালাকের ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/144361/?show=144418#a144418</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144361/?show=144418#a144418</guid>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 00:34:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এভাবে ঝগড়ার সময় রাগে বললে কি কোন সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144340/?show=144410#a144410</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144340/?show=144410#a144410</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 18:55:36 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আগের প্রশ্ন না বুঝা নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144387/?show=144409#a144409</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144387/?show=144409#a144409</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 18:55:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্বামীকে হালাল ভাবে বশ করার দুয়া ও তদবির</title>
<link>https://ifatwa.info/144407/?show=144408#a144408</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত সমস্যার সমাধানের জন্য পারিবারিক মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে আপনার স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীকে চিল্লায় পাঠাতে পারেন,ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নিয়মিত নামাজী হওয়ার আমল জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/106257/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/106257/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী যেনো আপনাকে ভালোবাসে,এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল পাইনি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু কৌশল ও কর্মপন্থা আছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেগুলো অবলম্বন করলে স্ত্রী স্বামীর&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভালোবাসা পেতে পারেন। যেমন- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার সামনে সুন্দর/আকর্ষণীয় পোশাক পড়ুন। আপনার চুল সব সময় আঁচড়ে রাখুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সময় দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। দরজা খোলার সাথে সাথেই হাসিমুখে সালাম দিন। ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীর এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে মাঝে মধ্যে কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না। আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন। তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সংগৃহীত।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কেহ কেহ নিম্নের আমলের কথা বলেছেন,যদিও আমলটির দলিল নেই,তবে বুযুর্গানে দ্বীন বলে থাকতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ আমলটি করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﺨِﺬُ ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧْﺪَﺍﺩًﺍ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻧَﻬُﻢْ ﻛَﺤُﺐِّ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺃَﺷَﺪُّ ﺣُﺒًّﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻮْ ﻳَﺮَﻯ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﺇِﺫْ ﻳَﺮَﻭْﻥَ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟْﻘُﻮَّﺓَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা : আয়াত ১৬৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তখন স্ত্রী মিষ্টি জাতীয় বস্তুর ওপর এ আয়াত পাঠ করে দম (ফুঁ) করবে এবং স্বামীকে তা আহার করাবে। আল্লাহর ইচ্ছায় অসন্তুষ্ট স্বামী স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/121584/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/121584/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144407/?show=144408#a144408</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:36:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি পর্যায়ে গেলে করনীয়</title>
<link>https://ifatwa.info/144401/?show=144406#a144406</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত সমস্যার সমাধানের জন্য পারিবারিক মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে আপনার স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীকে চিল্লায় পাঠাতে পারেন,ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নিয়মিত নামাজী হওয়ার আমল জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/106257/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/106257/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী যেনো আপনাকে ভালোবাসে,এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল পাইনি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু কৌশল ও কর্মপন্থা আছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেগুলো অবলম্বন করলে স্ত্রী স্বামীর&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভালোবাসা পেতে পারেন। যেমন- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার সামনে সুন্দর/আকর্ষণীয় পোশাক পড়ুন। আপনার চুল সব সময় আঁচড়ে রাখুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সময় দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। দরজা খোলার সাথে সাথেই হাসিমুখে সালাম দিন। ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীর এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে মাঝে মধ্যে কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না। আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন। তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সংগৃহীত।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কেহ কেহ নিম্নের আমলের কথা বলেছেন,যদিও আমলটির দলিল নেই,তবে বুযুর্গানে দ্বীন বলে থাকতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ আমলটি করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﺨِﺬُ ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧْﺪَﺍﺩًﺍ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻧَﻬُﻢْ ﻛَﺤُﺐِّ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺃَﺷَﺪُّ ﺣُﺒًّﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻮْ ﻳَﺮَﻯ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﺇِﺫْ ﻳَﺮَﻭْﻥَ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟْﻘُﻮَّﺓَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা : আয়াত ১৬৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তখন স্ত্রী মিষ্টি জাতীয় বস্তুর ওপর এ আয়াত পাঠ করে দম (ফুঁ) করবে এবং স্বামীকে তা আহার করাবে। আল্লাহর ইচ্ছায় অসন্তুষ্ট স্বামী স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144401/?show=144406#a144406</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:31:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইমান নিয়ে জানতে চাই!!</title>
<link>https://ifatwa.info/144400/?show=144405#a144405</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144400/?show=144405#a144405</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:27:43 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঈমান নিয়ে জানতে</title>
<link>https://ifatwa.info/144336/?show=144404#a144404</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144336/?show=144404#a144404</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:26:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143893/?show=144403#a144403</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143893/?show=144403#a144403</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:25:41 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা জনিত একটা বিষয় একটু জানার ছিল।</title>
<link>https://ifatwa.info/143159/?show=144402#a144402</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143159/?show=144402#a144402</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:25:12 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কাউকে নাস্তিক বললে</title>
<link>https://ifatwa.info/144390/?show=144394#a144394</link>
<description>وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا &quot; إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অতীব জরুরী ও সাধারণ মাস'আলা মাসাঈল আয়ত্বে না থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনে দ্বীন-ইসলাম পালন করতে, যে সমস্ত দ্বীনি ভাই-বোন থমকে দাড়ান,এবং যাদের দ্বীনি ইলম অর্জনের কাছাকাছি কোনো নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নেই, মূলত তাদেরকে দিকনির্দেশনা দিতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস .....&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মুহতারাম/মুহতারামাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দ্বীনের পরিধি অনেক ব্যাপক, সকল বিষয়ে আলোচনা করা বা দিকনির্দেশনা দেওয়া স্বল্প পরিসরের এই ভার্চুয়ালি মাধ্যম দ্বারা আমাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে। চেষ্টা করলেও প্রশ্নকারীর পিপাসা মিটানো সম্ভব হবে না। প্রত্যেক বিষয়ে আমরা শুধুমাত্র সামান্য আলোকপাত করে থাকি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উপরোক্ত  প্রশ্নগুলোর উত্তরের জন্য আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট উলামায় কেরামের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা আপনার জন্য কল্যাণকর হবে বলেই আমাদের ধারণা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাছাড়া ইলম অর্জনের জন্য সফর করা অত্যান্ত  জরুরী। এবং কষ্ট করে ইলম অর্জন করাই আমাদের  আকাবির আসলাফদের রীতি ও নীতি। এদিকেই কুরআনের এই আয়াত ইঙ্গিত দিচ্ছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ۚفَلَوْلَا نَفَرَ مِن كُلِّ فِرْقَةٍ مِّنْهُمْ طَائِفَةٌ لِّيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্ব-জাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।(সূরা তাওবাহ-১২২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং আপনাকে বলবো, আপনি বিস্তারিত জানতে স্ব-শরীরে কোনো দারুল ইফতায় যোগাযোগ করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।আল্লাহ তা'আলা আপনার ইলম অর্জনের স্পৃহাকে আরো বাড়িয়ে দিক, আমীন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথে নিম্নের হাদীসকে লক্ষ্য রাখবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি।তিনি বলেন,সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো।(সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144390/?show=144394#a144394</guid>
<pubDate>Mon, 25 May 2026 08:53:11 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঈলা নিয়ে জানতে চায়</title>
<link>https://ifatwa.info/144389/?show=144393#a144393</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144389/?show=144393#a144393</guid>
<pubDate>Mon, 25 May 2026 08:51:13 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: লুকিয়ে লুকিয়ে বিয়ে নিয়ে। ইমদাদুল হুজুরের কাছে প্রশ্ন জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144380/?show=144385#a144385</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144380/?show=144385#a144385</guid>
<pubDate>Sat, 23 May 2026 17:05:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঈমান নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/144381/?show=144382#a144382</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144381/?show=144382#a144382</guid>
<pubDate>Sat, 23 May 2026 07:37:44 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: মহিলারা স্বামীকে এভাবে বললে কি তালাক হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/143961/?show=144378#a144378</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143961/?show=144378#a144378</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:01:41 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এমনিতে কথা বললে কি কোন সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144352/?show=144375#a144375</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144352/?show=144375#a144375</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:01:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ভুলে কারো এমন হলে</title>
<link>https://ifatwa.info/144353/?show=144374#a144374</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144353/?show=144374#a144374</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:00:48 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এসব নিয়ত ছাড়া বললে কি তালাক হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144354/?show=144373#a144373</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144354/?show=144373#a144373</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:00:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এই প্রশ্নটার একটু ক্লেয়ার করে জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144355/?show=144372#a144372</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144355/?show=144372#a144372</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:00:26 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কোন সমস্যা হয় বৈবাহিক?</title>
<link>https://ifatwa.info/144357/?show=144370#a144370</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144357/?show=144370#a144370</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:59:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: শপথ না করে বললে কি বৈবাহিক কোন সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144358/?show=144369#a144369</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144358/?show=144369#a144369</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:59:45 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: দুইটা বিষয়ে একটু জানাবেন</title>
<link>https://ifatwa.info/144362/?show=144367#a144367</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144362/?show=144367#a144367</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:59:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এটা কি কোন শর্ত যুক্ত তালাকের পর্যায়ে পরে? কিছু প্রশ্ন জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144363/?show=144366#a144366</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144363/?show=144366#a144366</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:59:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এটা কি নিয়ত ছাড়া কোন সমস্যা হয়?ইমদাদুল হুজুরের কাছে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144364/?show=144365#a144365</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144364/?show=144365#a144365</guid>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:57:34 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাকের ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/144335/?show=144345#a144345</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে &lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোন মহিলা রাগে বা ঝগড়ার সময় স্বামীর কাছে তালাক চাইলে বা তালাকের মজলিশ হলে ।স্বামী যদি নিয়ত ছাড়া কোন কেনায়া শব্দ বলে তাহলে তালাক হবে না(দিয়ানাতান)। অর্থাৎ তালাকের মজলিসে কেনায়া শব্দ বললে নিয়ত ছাড়া তালাক হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144335/?show=144345#a144345</guid>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 23:23:35 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নিয়ত ছাড়া বললে কি তালাক হয়??</title>
<link>https://ifatwa.info/144341/?show=144344#a144344</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144341/?show=144344#a144344</guid>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 23:20:51 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পর্দা ও চাকরি  সংক্রান্ত</title>
<link>https://ifatwa.info/144331/?show=144332#a144332</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/39894/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/39894/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ  &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;পর্দা রক্ষা করা ফরজ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ وَمَا كَانَ لَكُمْ أَنْ تُؤْذُوا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا أَنْ تَنْكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِنْ بَعْدِهِ أَبَدًا إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ عِنْدَ اللَّهِ عَظِيمًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থ : আর তোমরা তাঁর (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্য এবং তাঁদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। {সূরা আহযাব-৫৩}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিখ্যাত তাফসীরবিদ ইমাম কুরতুবী রাহ. উক্ত আয়াতের আলোচনায় বলেন, উক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ সাঃ এর স্ত্রীদের কাছে কোনো প্রয়োজনে পর্দার আড়াল থেকে কিছু চাওয়া বা কোনো মাসআলা জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিয়েছেন। সাধারণ নারীরাও উপরোক্ত হুকুমের অন্তর্ভুক্ত। (তাফসীরে কুরতুবী ১৪/১৪৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★অসুস্থ্য মানুষদের সেবা করাও সওয়াবের কাজ। যেহেতু মহিলাদের  জন্য মহিলা ডাক্তারের প্রয়োজন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাই মহিলাদের জন্য পর্দার বিধান পুরোপুরি ভাবে পালনের শর্তে ডাক্তারী শিক্ষা অর্জন করা,ডাক্তারী করা জায়েজ আছে।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(কিতাবুন নাওয়াজেল ১৪/২৫৬)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ইসলামি স্কলারগন  মুসলিম মহিলাদের মেডিকেল পড়াকে ফরযে কিফায়া বলেছেন। অর্থাৎ মুসলিমদের মধ্যে অবশ্যই কিছু মহিলার এ পেশায় আসা আবশ্যক যেন মহিলা সংক্রান্ত অসুখ-বিসুখ, সিজার, সন্তান ডেলিভারি ইত্যাদি ক্ষেত্রে মুসলিম নারীদেরকে পর পুরুষ বা অমুসলিমদের শরণাপন্ন না হতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং সমাজের অর্থশালী ও উদ্যোগী ব্যক্তিদের জন্য মহিলাদের জন্য স্বতন্ত্র মেডিকেল কলেজ/ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা ফরজ- যেন আমাদের দ্বীনদার বোনেরা পর পুরুষ থেকে আলাদা থেকে নির্বিঘ্নে এ বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্বতন্ত্র ব্যবস্থা না থাকলেও দীনী কিছু বোনেরা পূর্ণ পর্দা ও শরীয়তের সীমারেখার মধ্যে থেকে প্রচলিত সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মেডিকেল বা নার্সিং বিষয়ে পড়াশোনা করবেন এবং ভবিষ্যতে মহিলাদের জন্য আলাদা মেডিক্যাল কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় খোলার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/7003/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/7003/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা (আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ ফতোয়া কমিটি)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قد تجد الطبيبة حرجا وصعوبات في تغطية وجهها عن غير المحارم أثناء عملها، فهل هذا يعتبر من الضرورة لكشفه؟&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহিলা ডাক্তার তার কর্মস্থলে ডিউটি করার সময় পরপুরুষের সামনে চেহারা ঢেকে রাখতে সমস্যা ও কষ্ট হয়। সুতরাং চেহারা খোলা রাখার জন্য এটাকে জরুরত হিসেবে গণ্য করা যাবে কিনা?&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাঁরা উত্তর দিয়েছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يحرم على المرأة كشف وجهها لغير محارمها، وليس هناك ضرورة لكشف الوجه في العمل&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারীর জন্য পরপুরুষের সামনে চেহারা খোলা রাখা হারাম। আর ডিউটি করার সময় প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে চেহারা খুলে রাখার জরুরত বিদ্যমান নেই। (ফাতাওয়া লাজনাতিদ্দায়িমা ১৭/২৭৭)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/7003/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/7003/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং নারীদের মেডিক্যালে পড়াশোনা করা,ডাক্তার/নার্স হওয়া জায়েজ আছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে পরিপূর্ণ পর্দা মেইনটেইন করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করতে হবে।    &lt;/div&gt;&lt;div&gt;শুধুমাত্র নারীদের সেবা করতে হবে।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সহকর্মীদের সাথে পর্দা মেইনটেইন করে কথা বলবে,অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে হেফাজতে থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;উপরোক্ত শর্তগুলি পূর্ণ রুপে মেনে পুরো শরীর,চেহারা,হাতা পা ঢেকে পর্দা করে মহিলাদের জন্য মেডিকেলে লেখাপড়া করা জায়েজ হবে।   &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উম্মাহ এর খিদমাহ এর স্বার্থে,পর্দানশীন নারী রোগী দের পর্দা রক্ষার্থে সার্জারিতে দ্বীনদার মহিলা ডাক্তারদের ক্যারিয়ার করা জায়েজই শুধু নয়,বরং এটি&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বর্তমান সময়ে অতিব প্রয়োজন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে উম্মাহ এর খিদমাহ এর স্বার্থে,পর্দানশীন নারী রোগী দের পর্দা রক্ষার্থে আপনি চাকরি চালিয়ে যেতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে পূর্ণ ঈমান ও আমল ধরে রাখতে হবে,গুনাহ ও ফিতনাহ মুক্ত চলতে হবে,সর্বক্ষেত্রে পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে চলবেন,গায়রে মাহরাম পুরুষদের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা বলে থেকে বিরত থাকবেন।   &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে কর্মস্থলে বাধ্যতামূলক ফেইস ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে এটেন্ডেন্স নেওয়া হলে এবং তাহা গায়রে মাহরাম পুরুষ দেখলে এর জন্য মহান আল্লাহর কাছে তওবা করে নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাহরাম পুরুষ সহকারেই যেনো সফরের দূরত্বে যাতায়াত করতে হয়,তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর কাছে নিজের ঈমান আমলের উন্নতির জন্য দোয়া চালিয়ে যাবেন,এবং নিজ হতে পূর্ণ চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144331/?show=144332#a144332</guid>
<pubDate>Mon, 18 May 2026 17:00:49 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঠোঁটের ঠিক নীচের দাড়ি মূল দাড়ির অর্ন্তভুক্ত কী না জানা প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/144324/?show=144329#a144329</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একমুষ্টি পরিমান দাড়ি রাখা চার মাযহাব মতে ওয়াজিব।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﻋﻤﺮ - ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ – ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : &quot; ﺃﻧﻬﻜﻮﺍ ﺍﻟﺸﻮﺍﺭﺏ ﻭﺃﻋﻔﻮﺍ ﺍﻟﻠﺤﻰ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তরজমাঃ- নবী কারীম সাঃ বলেন,তোমরা  গোঁফকে ছাটাই করো ,এবং দাড়িকে বাড়ার জন্য ছেড়ে দাও।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ বুখারী-৫৪৪৩,সহীহ মুসলিম-৬০০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দাড়ি মুন্ডানো হারাম।এবং একমুষ্টি থেকে কম দাড়ি রেখে অবশিষ্ট দাড়ি ছাঁটাই করাও হারাম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতে কবীরা গুনাহ হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(জাওয়াহিরুল ফিকহ-৭/১৬০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;عن ابن عمر  : عن النبي صلى الله عليه و سلم قال ( خالفوا المشركين وفروا اللحى وأحفوا الشوارب  . وكان ابن عمر إذا حج أو اعتمر قبض على لحيته فما فضل أخذه&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-তোমরা মুশরিকদের বিরোধীতা কর। দাড়ি লম্বা কর। আর গোঁফকে খাট কর।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর ইবনে ওমর রাঃ যখন হজ্ব বা ওমরা করতেন, তখন তিনি তার দাড়িকে মুঠ করে ধরতেন, তারপর অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৫৫৩}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/3975/?show=3975#q3975&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/3975/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;کان حلق اللحیۃ محرّما عند ائمۃ المسلمین المجتہدین أبی حنیفۃ، ومالک، والشافعی، وأحمد وغیرھم -رحمہم اللہ تعالیٰ-“․ (المنہل العذب المورود، کتاب الطہارۃ، أقوال العلماء فی حلق اللحیۃ واتفاقہم علی حرمتہ: 1/186، موٴسسۃالتاریخ العربی، بیروت، لبنان) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ চার মাযহাব এই বিষয়ে একমত যে সমস্ত মুসলমান মুজতাহিদিনের নিকটে দাড়ি কাটা হারাম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;۔&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وأما تقصیرُ اللحیۃ بحیثُ تصیرُ قصیرۃ من القبضۃ، فغیرُ جائزٍ فی المذاھب الأربعۃ“․ (العرف الشذی، کتاب الآداب، باب ما جاء فی تقلیم الأظفار، 4/162، دار الکتب العلمیۃ) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক মুষ্ঠি থেকে কম রেখে দাড়ি কাটা চার মাযহাবের সম্মতিক্রমে নাজায়েজ।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দাড়ির চৌহদ্দি হলো গালের শেষ ভাগে এবং গলার শুরু ভাগে বাম কান থেকে ডান কান পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা হাড্ডিতে গজানো চুল হলো দাড়ির সীমারেখা। বাকিটা দাড়ি নয়। থুতনির উপরের ছোট চুল কাটাও উচিত নয়।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এর মধ্যে যাহা পড়বে,সেগুলো কাটা জায়েজ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;شامی(671/9):&lt;/div&gt;&lt;div&gt;نتف الفنيكين بدعة وهما جانبا العنفقة وهي شعر الشفة السفلى كذا في الغرائب&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فتاوی عالمگیری( (174/9:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;نتف الفنيكين بدعة وهما جانبا العنفقة وهي شعر الشفة السفلى كذا في الغرائب&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عمدةالقاري ،كتاب اللباس،باب قص الشارب(طبع:دار احياء التراث العربی بیروت،43/22):&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وقال الكرماني: (هذين) يعني طرفي الشفتين اللذين هما بين الشارب واللحية وملتقاهما كما هو العادة عند قص الشارب في أن ينظف الزاويتان أيضا من الشعر&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فیض الباری ،کتاب اللباس،باب قص الشارب(طبع:دار الکتب العلمیہ بیروت،99/6):&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قوله: (ويأخذ هذين) والمراد منهما الشدقان، دون الفنيكين، فإن قطع الأشعار التي على وسط الشفة السفلى، أي العنفقة، بدعة، ويقال لها: “ريش بجه”.&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;&lt;br&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন&lt;/b&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে ঠোটের দুই পার্শ্বে যে দাড়ি গজায় তা মূল দাড়ির অর্ন্তভুক্ত নয়।  এটা কাটা যাবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144324/?show=144329#a144329</guid>
<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:25:54 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বেদ্বীন পরিবেশে থাকা লাগলে ও দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীনতা এসে পড়লে কী করবো?</title>
<link>https://ifatwa.info/144317/?show=144318#a144318</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আনাস রাযি. বলেন, রাসুল ﷺ (উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য) সব সময় এই দোয়া করতেন, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِىْ عَلىٰ دِيْنِكَ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তর আপনার দীনের উপর দৃঢ় করে দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আনাস রাযি. বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা আপনার উপর এবং আপনার আনিত শিক্ষার উপর ঈমান এনেছি। এখন আপনার মনে কি আমাদের সম্পর্কে কোনো সন্দেহ আছে? ( যে বেশি বেশি এই দোয়া করেন!) রাসুল ﷺ উত্তর দিলেন হ্যাঁ! সব অন্তর আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মধ্যে পড়ে আছে। আল্লাহ যেভাবে চান, এগুলোকে পরিবর্তন করেন। (তিরমিযি ২১৪০ তাকদির অধ্যায়)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ্ ﷺ দোয়া করতেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَن زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে আল্লাহ আমাকে তাকওয়ার তওফীক দান করুন এবং নাফসকে পবিত্র করুন, আপনিই তো উত্তম পবিত্রকারী। আর আপনিই আমার নাফসের মুরুব্বী ও পৃষ্ঠপোষক। (মুসলিম ২৭২২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং আপনিও দোয়াটি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নেককারদের সোহবত গ্রহণ করুন। তাদের সাথে বেশি উঠাবসা করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★মাহরাম পুরুষ এর সাথে মাস্তুরাত জামাতে যেতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতে নফস নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাওবার উপর অটল থাকা আপনার জন্য সহজ হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাস্তুরাত জামাতে গিয়ে এক চিল্লা দিবেন,প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩ দিন আল্লাহর রাস্তায় সময় লাগাবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَكُونُواْ مَعَ الصَّادِقِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক। (সূরা আত তাওবাহ ১১৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অধিকহারে ইস্তেগফার করুন। প্রয়োজনে এর জন্য প্রত্যেক নামাজের পর একটা নিয়ম করে নিন। যেমন, প্রত্যেক নামাজের পর ৫০/১০০/২০০ বার أسْتَغْفِرُ اللهَ   অথবা أسْتَغْفِرُ اللهَ وَأتُوبُ إلَيهِ অথবা  اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي পড়ার নিয়ম করে নিতে পারেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★কখনো একাকী নিভৃতে থাকবেন না। কেননা একাকীত্ব গোনাহ চিন্তা করার কারণ হতে পারে। আপনার সময়কে উপকারী বিষয়ে ব্যয় করতে সচেষ্ট হোন। ঈমান ও ইসলামের পরিবেশে সময় ব্যয় করুন।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনাকে বেশি পরিমাণে কোরআন তেলাওয়াত করার ও শোনার পরামর্শ দিচ্ছি। এ মর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায়। (সূরা আনফাল ২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনুরূপভাবে আমরা আপনাকে বুঝে বুঝে নবীদের কাহিনী, সাহাবায়ে কেরামের জীবনী পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★অধিকহারে আল্লাহর যিকির করুন। কেননা, দুর্বল ঈমানের সুস্থতার জন্য যিকির খুবই উপকারী। আল্লাহর যিকির অন্তরে ঈমানের বীজ বপন করে। মুমিনের অন্তর যিকিরের মাধ্যমে প্রশান্ত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়। (সূরা রা’দ ২৮)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★পারিবারিকভাবে একজন দ্বীনদার পাত্রের সাথে দ্রুত বিবাহের পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতে দ্বীন পূর্ণতা পাবে,ইনশাআল্লাহ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার জীবনের এই সবগুলোর সমস্যার মূল কারণ হল, দ্বীনি ইলমের স্বল্পতা এবং দ্বীনি পরিবেশ দেখার দৈন্যতা।  আপনি দ্বীনি পরিবেশকে কখনো কাছ থেকে অবলোকন করেননি, দ্বীনদার কারো সাথে আপনার তেমন সখ্যতা কখনো গড়ে উঠেনি।  এত্থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হল, যেহেতু আপনি একজন নারী, তাই নারী হিসেবে একজন দ্বীনদার নারীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন। প্রয়োজনে অনলাইনে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করবেন। দ্বীনি কিতাবাদি পড়বেন। ইসলামের ইতিহাস ও ঈমানে প্রেরণা দেয়, এমন কিতাবাদি পড়বেন। আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুক।আমীন। এইভাবে আ'মল করে নিলে ধীরে ধীরে অলসতা কমে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/92487/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/92487/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144317/?show=144318#a144318</guid>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 16:51:11 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: লিফলেটে সম্মানিত লেখা ব্যবহার এবং ব্লোর করা ছবির ব্যবহার</title>
<link>https://ifatwa.info/144275/?show=144315#a144315</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) কুরআন এর আয়াত, হাদিস,আল্লাহ {رب العالمين} এর নাম,হযরত মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم) এর নাম সহ লিফলেট দাওয়াতী কাজের উদ্দেশ্যে মানুষকে সাবধান করে দেওয়া সহ (যেনো না ফেলে দেয়) দিলে গুনাহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২)  নন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম বা নাস্তিক কাউকে দিলে এবং সতর্ক করার পর সে ফেলে দিলে গোনাহ হবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩) যেহেতু দাওয়াতি কাজে টার্গেটের বড় একটা অংশ নন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম, তাই নন প্র্যাক্টিসিং মুসলিমদেরকে দেয়ার পর সে ফেলে দিলে আপনার কোনো গোনাহ হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৪)  দাওয়াতের জন্য ছবির কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে হচ্ছে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৫) দাওয়াতী উদ্দ্যেশে ব্লোর করা ছবিও ব্যবহার করা যেতে পারে যদি জরুরত হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৬) দাওয়াতী কাজের উদ্দ্যেশে ব্লোর করা ছবিও ব্যবহার করা যেতে পারে যদি জরুরত হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144275/?show=144315#a144315</guid>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 10:38:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বাবা মার অবাধ্য এবং হক</title>
<link>https://ifatwa.info/144313/?show=144314#a144314</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/118921&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/118921&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;মা বাবার সর্বদা আনুগত্য করতে হবে,তাদের কথার নাফরমানী করা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাদের সাথে সর্বদা ভালো ব্যবহার করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তারা কষ্ট পায়,এমন কাজ কখনোও করা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাদের হক বা অধিকারসমূহ এবং তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করা সন্তানের ওপর ওয়াজিব বা আবশ্যক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; পিতামাতার খরচ বহন করা; তাদের খোঁজ-খবর নেয়া; প্রয়োজনের সময় বিশেষ করে বার্ধক্যে তাদের পাশে থাকা আবশ্যক ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মাতাপিতার দেখভাল করা ও তাদের সাথে উত্তম আচরণ করা শরীয়ত কর্তৃক ফরয ঘোষনা করা হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا ۖ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا ۖ وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;“আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টসহকারে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্টসহকারে প্রসব করেছে। তাকে গর্ভে ধারণ করতে ও তার স্তন্য ছাড়তে লেগেছে ত্রিশ মাস।” (সূরা আহকাফ-১৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَقَضَى رَبُّكَ أَلاَّ تَعْبُدُواْ إِلاَّ إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلاَهُمَا فَلاَ تَقُل لَّهُمَآ أُفٍّ وَلاَ تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلاً كَرِيمًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।(সূরা বনী ইসরাঈল-২৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;أن جاهمة جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، أردت أن أغزو وقد جئت أستشيرك، فقال: «هل لك من أم؟» قال: نعم، قال: «فالزمها، فإن الجنة تحت رجليها»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;“হযরত জাহিমাহ (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের ইচ্ছা করেছি, আপনার কাছে পরামর্শ নিতে এসেছি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, “তোমার কি মা আছেন?” সাহাবী জবাব দিলেন, “হ্যাঁ!”। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, “তাঁর সেবাকে নিজের উপর আবশ্যক করে নাও। নিশ্চয়ই তাঁর দুই পায়ের নিচে রয়েছে জান্নাত।” (সুনানে নাসাঈ: ৩১০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরীফে আরও এসেছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : &quot;جاء رجلٌ إلى رسول الله -صلى الله عليه وسلم- فقال : يا رسول الله، من أحق الناس بحسن صحابتي؟، قال: (أمك) ، قال: ثم من؟ قال: (أمك) ، قال: ثم من؟ قال: (أمك) ، قال: ثم من؟ قال: (أبوك) متفق عليه .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার এক সাহাবী এসে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের মধ্যে কে আমার সর্বাধিক মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য?” রাসূল (সা.) উত্তর দিলেন, “তোমার মাতা।” লোকটি জিজ্ঞেস করলো, “তারপর কে?” রাসূল (সা.) উত্তর দিলেন, “তোমার মাতা।” লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো, “তারপর কে?” রাসূল (সা.) উত্তর দিলেন, “তোমার মাতা।” লোকটি পুনরায় জিজ্ঞেস করলো, “তারপর কে?” রাসূল (সা.) উত্তর দিলেন, “তোমার পিতা।”(বুখারী ও মুসলিম)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তবে গুনাহের কাজে মাতা পিতার আদেশ মানা জায়েজ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে,রাসূলুল্লাহ সাঃবলেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لا طاعة في معصية إنما الطاعة في المعروف&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গোনাহের কাজে কারো বশ্যতা স্বীকার করা যাবে না।(শরীয়ত যাদের বিধিনিষেধ মেনে চলার আদেশ দিয়েছে তাদের) আদেশ শুধুমাত্র বৈধ ও নেকীর কাজে মানা যাবে।(সহীহ বুখারী-৭২৫৭,সহীহ মুসলিম-১৮৪০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অন্য এক হাদীসে বর্ণিত রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لَا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর অবাধ্যতায় কারো বিধিনিষেধ কে মান্য করা যাবে না।(মুসনাদে আহমাদ-১০৯৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;চার মাযহাবের গ্রহণযোগ্য ফেকহী গ্রন্থ 'আল-মা'সুআতুল ফেকহীয়্যায়(২৮/৩২৭)' বর্ণিত রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;طاعة المخلوقين - ممّن تجب طاعتهم – كالوالدين ، والزّوج ، وولاة الأمر : فإنّ وجوب طاعتهم مقيّد بأن لا يكون في معصية ، إذ لا طاعة لمخلوق في معصية الخالق&quot; انتهى&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়ত কর্তৃক যাদের বিধিনিষেধের অনুসরণ করা ওয়াজিব।যেমনঃ মাতাপিতা,স্বামী,এবং রাষ্ট্রীয় প্রধান বা তাদের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।তাদের বিধিনিষেধ আমলে নেয়া তখনই ওয়াজিব যখন তা শরীয়ত বিরোধী হবে না।কেননা 'সৃষ্টিকর্তার নাফরমানীতে কোনো সৃষ্টজীবের অনুসরণ করা যায় না'(মর্মে হাদীসে বর্ণিত রয়েছে)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহঃ লিখেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ويلزم الإنسان طاعة والديه في غير المعصية وإن كانا فاسقين ، وهو ظاهر إطلاق أحمد ، وهذا فيما فيه منفعة لهما ولا ضرر ، فإن شق عليه ولم يضره : وجب ، وإلا فلا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গোনাহের কাজ ব্যতীত মুবাহ তথা বৈধ কাজে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাতা পিতার আদেশকে মান্য করা ওয়াজিব।যদি তার ফাসিকও হয়।এটা তখন যখন তাতে মাতাপিতার ফায়দা থাকবে,এবং সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক হবে না।যদি সন্তানের উপর কষ্টদায়ক হয় তবে ক্ষতিকারক না হয়, তাহলে তখন মাতাপিতার আদেশ মান্য করা ওয়াজিব নয়।(আল-ফাতাওয়াল কুবরা-৫/৩৮১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;★মাতাপিতার আদেশকে মান্য করা মূলত তিনটি মূলনীতির আলোকে হয়ে থাকে।&lt;br&gt;(১) তাদের আদেশ কোনো মুবাহ বিষয়ে হতে হবে।কোনো ওয়াজিব তরকের ব্যাপারে হতে পারবে না।এবং কোন হারাম কাজের জড়িত হওয়ার জন্যও হতে পারবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(২)যে কাজের আদেশ তারা দিবেন,এতে তাদের ফায়দা থাকতে হবে,বা শরীয়তের পছন্দসই কাজ হতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৩)যে কাজের আদেশ দিচ্ছেন,তা তাদের সন্তানদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সুতরাং যদি সন্তানের কষ্ট লাগবের জন্য তারা আদেশ দিয়ে থাকেন,তাহলে এক্ষেত্রে মাতাপিতার আদেশকে মান্য করা ওয়াজিব।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1707&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1707&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১.২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি আপনার বাবা মার অবাধ্য সন্তান হবেন।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে মার থেকে মিথ্যা বলে টাকা নিলে তাহা জায়েজ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এখন মার হক নষ্ট করলে তাহা উল্লেখ করে মাফ চেয়ে নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি সে ইবাদতের নিয়ত করে,সেক্ষেত্রে তাহা নফল ইবাদত হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144313/?show=144314#a144314</guid>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 10:30:49 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/144311/?show=144312#a144312</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144311/?show=144312#a144312</guid>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 07:34:53 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সালাত দাঁড়িয়ে বা বসে পড়া যাবে কিনা</title>
<link>https://ifatwa.info/144308/?show=144309#a144309</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/44884/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/44884/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَتْ بِي بَوَاسِيرُ، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الصَّلاَةِ، فَقَالَ: «صَلِّ قَائِمًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমার একবার অর্শগেজ হয়ে গেলো।আমি এমন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট নামায পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে জিজ্ঞাসা করলাম।তখন তিনি প্রতিউত্তরে বললেন,তুমি দাড়িয়ে নামায পড়বে,তারপর দাড়ানো সম্ভব না হলে বসে বসে নামায পড়বে।যদি বসেও সম্ভব না হয় তাহলে হেলান দিয়ে নামায আদায় করবে।(সহীহ বোখারী-১১১৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ولو كان قادرا على بعض القيام دون تمامه يؤمر بأن يقوم قدر ما يقدر &lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কেউ নামাযে কিছু সময় কিয়াম করার পর  অক্ষম হয়ে যায়,এবং এরপর আর দাড়াতে সক্ষম না হয়,তাহলে তার জন্য হুকুম হল যে, সে নামাযে ততটুকুই দাড়াবে যতটুকু তার জন্য সম্ভব হবে।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/১৩৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তারপর উল্লেখ করা হয়,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وإن عجز عن القيام والركوع والسجود وقدر على القعود يصلي قاعدا بإيماء ويجعل السجود أخفض من الركوع، كذا في فتاوى قاضي خان حتى لو سوى لم يصح، كذا في البحر الرائق.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কেউ নামাযে কিয়াম,রুকু,সিজদা করতে অক্ষম থাকে,কিন্তু সে আবার বসে বসে পড়তে সক্ষম হয়,তাহলে তার জন্য হুকুম হল যে,;সে বসে বসে ইশারায় নামায পড়বে।এবং সেজদার সময় মাথাকে রুকু থেকে একটু বেশী নিচু করবে।(ফাতাওয়ায়ে কাযীখান)তবে যদি কেউ রুকু এবং সেজদার সময়ে মাথাকে সমান করে রাখে তাহলে তার নামাযই বিশুদ্ধ হবে না।(বাহরুর রায়েক্ব)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১-২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার আম্মু বসে নামাজ আদায় করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে নামাজের ন্যায় বসা আবশ্যক নয়,আপনি আপনার সুবিধা মতো পা দুটি ডান দিকে বের করে দিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বসে থেকেই রুকু সেজদাহ ইশারার মাধ্যমে আদায় করবেন। রুকুর তুলনায় সেজদায় মাথা একটি বেশি ঝুকে দিবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10313/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10313/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ, এমনটি পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৪-৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি যদি জমিনে বসে নামাজ আদায় করতে সক্ষম না হোন,সেক্ষেত্রে তিনি প্রশ্নে উল্লেখিত পদ্ধতিতে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করতে পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উল্লেখ্য, আপনার আম্মু যদি রুকু করতে সক্ষম হোন,সেক্ষেত্রে তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবেন এবং রুকুর নিয়মে রুকু করে চেয়ারে বসে ইশারায় সিজদাহ দিবেন। অর্থাৎ মাথা ঝুকে দিবেন। &lt;/div&gt;</description>
<category>সালাত(Prayer)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144308/?show=144309#a144309</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 18:12:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নিয়ত থাকা সত্ত্বেও সদকা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা, সমাধান বিষয়ে দিকনির্দেশনা চাওয়া</title>
<link>https://ifatwa.info/144197/?show=144307#a144307</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেছেন- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَوْمًا يَنْهَانَا عَنِ النَّذْرِ وَيَقُولُ إِنَّهُ لاَ يَرُدُّ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الشَّحِيحِ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ (সা.) একদিন আমাদের মান্নত করতে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেন, মান্নত কোনো কিছুকে ফেরাতে পারে না। তবে মান্নতের মাধ্যমে কৃপণ ব্যক্তির সম্পদ বের করা হয়। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং- ৪৩২৫)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মান্নত এমন কোনো কিছুকে আদম সন্তানের নিকটবর্তী করে দিতে পারে না যা আল্লাহ তাআলা তার জন্য তাকদীরে নির্দিষ্ট করেননি। তবে মান্নত কখনো তাকদীরের সাথে মিলে যায়। এর মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে ঐ সম্পদ বের করে নিয়ে আসা হয় যা কৃপণ (এমনিতে) বের করতে চায় না। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৬৪০&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★মান্নত শরিয়তে পছন্দনীয় নয়। শরিয়ত উদ্বুদ্ধ করে নফল সদকার প্রতি; মান্নতের প্রতি নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; بَاكِرُوا بِالصَّدَقَةِ ؛ فَإِنَّ الْبَلَاءَ لَا يَتَخَطَّى الصَّدَقَةَ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;“তোমরা দানের ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করবে। কেননা বিপদাপদ তাকে অতিক্রম করতে পারে না”। (বাইহাকী ৭৩৭৪)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★মান্নত করার পর তা থেকে রুজু করার কোন সুযোগ নেই। তাই মান্নতকৃত ইবাদতটি করা আবশ্যক।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ [٢٢:٢٩]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাদের মানত পূর্ণ করে [সূরা হজ্জ-২৯]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★মনে মনে মান্নত করলে মান্নত হয় না। মান্নত হবার জন্য মুখে উচ্চারণ করা জরুরী।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;النذر لا تكفى أيجابه النية بل لابد من التلفظ به (الأشباه والنظائر-89)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মান্নত ছাবেত হওয়ার জন্য শুধু নিয়ত যথেষ্ট নয়,বরংং উচ্চারণ করা জরুরী। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;المسألة الأولى فى حقيقة النذر، وهو التزام الفعل بالقول مما يكون طاعة لله عز وجل، من الأعمال قربة (احكام القرآن لابن عربى، دار الكتب العلمية-1\352، كرتاشى-2\18)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فركن النذر: هو الصيغة الدالة عليه، وه قوله: لله عز شانه على كذا، أو على كذا، وهذا هدى، أو صدقة، أو مالى صدقة أو ما أملك صدقة أو نحو ذلك (بدائع الصنائع، كتاب النذر-4\226)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মান্নতের রুকন হলো এমন শব্দ ব্যবহার করতে হবে,যেটি তার উপর বুঝায়,,,, &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/16066/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/16066/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনি যে বেশি বেশি দান ছদকার করার নিয়ত করেছিলেন, এর দ্বারা এটি মান্নত হয়নি। সুতরাং এটি পূরণ করা আপনার উপর আবশ্যক নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি যদি দান সদকাহ করেন,সেক্ষেত্রে সেটি নফল দান সদকাহ বলে বিবেচিত হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যা আপনার ইচ্ছাধীন বিষয়, আপনি চাইলে দান করতেও পারেন, নাও করতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে দান করার জন্য ঘর হতে বের হওয়া আবশ্যক নয়, আপনি চাইলে আপনার মাহরাম কোন পুরুষের মাধ্যমে দান ছদকা করতে পারেন, আপনার বাড়িতে যেসব ফকির মিসকিন ভিক্ষার জন্য আসে, তাদেরকে দান-সদকা করতে পারেন, অনলাইনে নির্ভরযোগ্য যেসব সাইট আছে, সেখানেও দান সদকাহ করতে পারেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144197/?show=144307#a144307</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 17:18:28 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কুরবানির নিসাব বিষয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144227/?show=144306#a144306</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/55464/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/55464/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়াতে উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একজন মানুষ দৈনিক যত টাকাই উপার্জন করুক না কেন বৎসর শেষে যদি যাকাতের নিসাব পরিমান সম্পদ তার নিকট না থাকে তাহলে তার উপর জাকাত ফরয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا زَكَاةَ فِي مَالٍ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আয়েশা রা থেকে বর্ণিতঃনবী কারীম সাঃ বলেনঃ-সম্পত্তিতে কোনো যাকাত নেই যতক্ষণ না এক বৎসর পূর্ণ হবে। (সুনানে ইবনে মাজা-১৭৯২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ اسْتَفَادَ مَالًا فَلَا زَكَاةَ عَلَيْهِ، حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الحَوْلُ عِنْدَ رَبِّهِ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাঃ বলেনঃ- বৎসরের মধ্যখানে অর্জিত সম্পদে জাকাত আসবেনা যতক্ষণ না মালিকের পূর্ণ সম্পত্তির একবৎসর পূর্ণ হবে। (জামে তিরমিযি-৬৩১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/13075&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/13075&lt;/a&gt;  নং ফাতওয়ায় আমরা বলেছি যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাকাত ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিধানের একটি। নেসাব পরিমাণ মালের মালিকের উপর যাকাত প্রদান করা ফরয।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাকাতের নেসাব-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সোনা, রূপা, টাকা, এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বর্ণের নেসাবঃ ৭. ৫ ভরি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রূপার নেসাবঃ ৫২. ৫ ভরি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এখানে একটি জিনিষ লক্ষণীয় যে,কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে। অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যা যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা  এভাবে থাকে যে, কোনো একটির নেসাব পূর্ণ হওয়ার জন্য সামান্য বাকী। তাহলে এক্ষেত্রে যেটা বেশী সেটারই নেসাব পূর্ণ করা হবে। যেমন কারো কাছে স্বর্ণ ৭. ৫ ভড়ির চেয়ে সামান্য কম, তাহলে এমতাবস্থায় রূপা দ্বারা স্বর্ণের নেসাবকে পূর্ণ করা হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;টাকা এবং মালের নেসাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;টাকা এবং মালকে রূপার সাথে সংযুক্ত করে রূপার নেসাব হিসেবেই ধরা হবে। তথা কারো কাছে ৫২. ৫ ভড়ি সমমূল্যের টাকা বা ব্যবসায়িক পণ্য থাকলে তার উপর যাকাত আসবে। এক্ষেত্রে স্বর্ণকে মানদন্ড হিসেবে ধরা হবে না। সোনা রূপার বিক্রয়মূল্যর উপরই যাকাত আসে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/121&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/121&lt;/a&gt;       &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালে নামীতে যাকাত আসে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালে নামী বলতে যে মাল শরীয়তের দৃষ্টিতে বাড়তে থাকে, সেগুলো সর্বমোট চার প্রকার, (১) সোনা (২) রুপা (৩) ব্যবসার মাল (৪) গবাদি পশু&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এগুলোকে যেহেতু শরীয়ত বাড়ন্ত মাল বলে আখ্যা দিয়েছে, সুতরাং এগুলো বাড়ন্ত মাল। বাস্তবে সবগুলো বাড়ুক বা নাই বাড়ুক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মালে গায়রে নামী বলতে যে মাল শরীয়তের দৃষ্টিতে বাড়ে না।উপরোক্ত মাল ব্যতীত সবগুলোই অবাড়ন্ত। যেমন-স্থাবর সম্পত্তি এবং নিজ প্রয়োজনে ক্ররিদকৃত গাড়ী আসবাবপত্র ইত্যাদি। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1434&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1434&lt;/a&gt;  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাকাতের খাত:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলছেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ فَرِيضَةً مِّنَ اللّهِ وَاللّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাকাত হল কেবল (১) ফকির, (২) মিসকীন, (৩) যাকাত উসূলকারী ও (৪) যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদের হক (৫) এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে ও (৬) ঋণগ্রস্তদের জন্য, (৭) আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং (৮) মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সূরা আত-তাওবাহ-৬০) বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/699&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/699&lt;/a&gt;   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا زَكَاةَ فِي مَالٍ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আয়েশা রা থেকে বর্ণিতঃ নবী কারীম সাঃ বলেনঃ-সম্পত্তিতে কোনো যাকাত নেই যতক্ষণ না এক বৎসর পূর্ণ হবে। (সুনানে ইবনে মাজা-১৭৯২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/29371&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/29371&lt;/a&gt;   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যাকাত যোগ্য সম্পদ আর কী কী আছে তা বিস্তারিত বললে তখন উত্তর দেওয়া সহজ হতো। স্বর্ণ ও রূপা আছে কী না? জমানো টাকা কতো আছে? &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে বর্তমানে আনুমানিক ১,৭৮,৫০০ টাকার মতো থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হয়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবার প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে লিখিত ছাড়া কোনো জমি আপনার মা ব্যবহার করছেন কি না? যা আপনার মায়ের অতিরিক্ত সম্পদ হিসাবে গণনা করা হয়। &lt;/div&gt;</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144227/?show=144306#a144306</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 17:05:09 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক বিশুদ্ধ হওয়ার বিষয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144205/?show=144305#a144305</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/55291/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/55291/&lt;/a&gt;  নং ফাতাওয়াতে আমরা বলেছি যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তালাক দেওয়ার অধিকার শুধু স্বামীর। হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ سَيِّدِي زَوَّجَنِي أَمَتَهُ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنِي وَبَيْنَهَا قَالَ فَصَعِدَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَا بَالُ أَحَدِكُمْ يُزَوِّجُ عَبْدَهُ أَمَتَهُ ثُمَّ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنَهُمَا إِنَّمَا الطَّلَاقُ لِمَنْ أَخَذَ بِالسَّاقِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমার মনিব তাঁর বাদীকে আমার সাথে বিবাহ দিয়েছে। এখন সে আমার আর আমার স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে আরোহণ করলেন, অতঃপর বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের কারো এরূপ আচরণ কেন করো যে, সে তার গোলামের সাথে তার বাদীর বিবাহ দেয়, অতঃপর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়? নারীর ঊরু স্পর্শ করা যার জন্য বৈধ, তালাকের অধিকার তার। [সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮১]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم &quot; ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ &quot; . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বিষয় এমন যেগুলির যথার্থ তো যথার্থই এমনকি সেগুলোর কৌতুকের ব্যবহারও যথার্থ: বিবাহ, তালাক, রাজআত। - ইবনু মাজাহ ২০৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৮৫ ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★শরীয়তের বিধান অনুযায়ী মহিলা নিজের উপর কেবল তখনি তালাক পতিত করতে পারবে, যদি স্বামী তাকে তালাক দেবার অধিকার দিয়ে থাকে। এটি নিকাহ নামার ১৮ নং ধারাতে হ্যাঁ লেখার মাধ্যমেই হোক, বা পরবর্তীতে মৌখিক বা লিখিত ভাবেই হোক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করে, আর স্ত্রী স্বামী কর্তৃক তালাকে তাভবিজের ক্ষমতাবলে লিখিত বা মৌখিকভাবে নিজের নফসের উপর তালাক দিয়ে দিলে সেটি পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/12329/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/12329/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে তালাক হয়েছে কি না জানতে হলে ডিভোর্সড পেপার দেখার প্রয়োজন। কারণ, ডিভোর্সড পেপারে কি শব্দে তালাক লেখা ছিলো? ইত্যাদি বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকায় বিস্তারিত উত্তর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিয়ের কাবিননামা, তালাকনামা নিয়ে নিকটস্ত কোনো নির্ভরযোগ্য ইফতা বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144205/?show=144305#a144305</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:58:07 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নবী-রাসূলগণের ইসমাত বিষয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144303/?show=144304#a144304</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;সমস্ত নবী রাসুল নিষ্পাপ। এটি কোরআন, হাদিস, উম্মতের ঐকমত্য সিদ্ধান্ত ও অকাট্য যুক্তির আলোকে প্রমাণিত। তবে কিছু আয়াতে যে  নবীদের তাওবা, ইস্তেগফার কবুল করা সংক্রান্ত এসেছে,তার মানে হলো বৈধতার সীমায় অবস্থান করে নবীরা যদি নিজস্ব ইজতিহাদ বা চিন্তার ভিত্তিতে কোনো অনুত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, আল্লাহ তাআলা সেটিও ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যুগে যুগে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন। সব নবী ও রাসুল নিষ্পাপ ছিলেন। কোনো নবীকে গুনাহগার বা কোনো কাজে আল্লাহর অবাধ্য মনে করলে ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কাজি আয়াজ (রহ.) লিখেছেন : নবীগণ মাসুম তথা নিষ্পাপ হওয়ার বিষয়ে গোটা মুসলিম উম্মাহ ঐকমত্য রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নবি রাসুল দের নিষ্পাপ হওয়া সংক্রান্ত জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/7210/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/7210/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/8658/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/8658/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/142236/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/142236/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;নবীগণ হচ্ছেন শ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁরা সৃষ্টিকুলের মাঝে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। আল্লাহ্ তাআলা তাঁদেরকে কবিরা গুনাহ থেকে মুক্ত করেছেন। তাই তাঁরা কখনও কবিরা গুনাহ করেন না। তাঁরা কবিরা গুনাহ থেকে মাসুম বা মুক্ত; সেটা নবুয়তপ্রাপ্তির আগে হোক কিংবা পরে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) মাজমুউল ফাতাওয়া গ্রন্থে (৪/৩১৯) বলেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;নবীগণ কবিরা গুনাহ থেকে মাসুম (নিষ্পাপ); সগিরা গুনাহ থেকে নয়- এটি কিছু সংখ্যক আলেমের মত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সগিরা গুনাহ তাঁদের কাছ থেকে কিংবা তাঁদের কারো কারো কাছ থেকে সংঘটিত হতে পারে। এ কারণে কিছু আলেমের অভিমত হল: তাঁরা সগিরা গুনাহ থেকে মাসুম নন। যদি এমন কোন সগিরা গুনাহ তাঁদের দ্বারা ঘটে যায় তাহলে তাতে সম্মতি দেওয়া হয় না; বরং আল্লাহ্ তাঁদেরকে সতর্ক করে দেন এবং অবিলম্বে তাঁরা সেগুলো থেকে তওবা করে ফিরে আসেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে অধিকাংশ আলেমের মত হল,যেভাবে নবীগণ কবিরা গোনাহ থেকে মুক্ত ঠিকতেমনিভাবে সগিরা গোনাহ থেকেও মুক্ত। এটা তাফসিরবিদ, হাদিসবিদ, ফিকাহবিদেরও অভিমত। বরং সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী, সলফে সালেহিন ও ইমামদের কাছ থেকে যে সব বক্তব্য এসেছে সেগুলো এ অভিমতের অনুকূলে।&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নবীদের দ্বারাও কবিরা গুনাহ হয়েছে'- এই আকিদায় বিশ্বাস করলে অবশ্যই জরুরিয়াতে দ্বীনকে অস্বীকার করা হয়।যে জন্য অবশ্যই ঈমান চলে যাবে।তবে সবীদের কাছ থেকে সগিরা গোনাহ হয়েছে,এটা ইজতেহাদি মাসাঈল,সুতরাং এমন আকিদা পোষণ করলে অবশ্যই জরুরিয়াতে দ্বীনকে অস্বীকার করা হয়,যেজন্য ঈমান চলে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ধরণের গুনাহ হচ্ছে মূসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক মিশরি কিবতি লোকটিকে হত্যা করা। কারণ বিনা অপরাধে লোকটিকে হত্যা করা হয়েছিল। এ হত্যা মূসা আলাইহিস সালাম ইচ্ছাকৃতভাবে করেননি। বরং ভুলক্রমে ঘটেছে। যে কারণে তিনি এতে প্ররোচিত হয়েছিলেন সেটা হচ্ছে- মজলুম লোকটিকে সাহায্য করা। কারণ মিশরি কিবতিরা বনী ইসরাঈলদেরকে দাস বানাত এবং তাদের উপর অবিচার করত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইমাম কুরতুবী বলেন: &quot;তিনি তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন; কেননা মজলুমকে সাহায্য করা সকল উম্মতের কাছে দ্বীনি কাজ ও সকল শরিয়তে ফরয। কাতাদা বলেন: কিবতি লোকটি চাচ্ছিল প্রভাব খাটিয়ে ইসরাঈলি লোকটিকে দিয়ে ফেরাউনের রান্নাঘরের জন্য কাঠ বহন করাতে। ইসরাঈলি লোকটি অস্বীকার করল এবং তাকে সাহায্য করার জন্য মূসাকে ডাকল।&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনুরূপভাবে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قالَ رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي فَغَفَرَ لَهُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(অর্থ: সে বলল: হে আমার রব, আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করে ফেলেছি। অতএব, তুমি আমাকে ক্ষমা কর। তখন তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন।) এর ব্যাখ্যায় কুরতুবী বলেন: মূসা আলাইহিস সালাম যে ঘুষিটি মেরেছিলেন সেটার জন্য তিনি অনুতপ্ত হয়েছেন; যে ঘুষির কারণে লোকটির প্রাণ অবসান হয়। এ অনুতপ্ততা তাঁকে তাঁর রবের প্রতি বিনয়াবনত হওয়া ও ক্ষমাপ্রার্থনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে...।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাঁর এ হত্যাটি ছিল ভুলক্রমে। যেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘুষি বা লাথি মারলে মানুষ মরে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সালিম বিন আব্দুল্লাহ থেকে ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ওহে ইরাকবাসী! সগিরা গুনাহ সম্পর্কে তোমাদের অধিক প্রশ্ন, আর কবিরা গুনাহতে লিপ্ত হওয়া বড়ই বিস্ময়কর! আমি আবু আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: ফিতনা এদিক থেকে আসবে। তিনি হাত দিয়ে পূর্বদিকে ইশারা করেছেন, যেদিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। তোমরা একে অপরের গর্দান কর্তন করতেছ। অথচ ফেরআউনের গোষ্ঠীর যে লোকটিকে মূসা আলাইহিস সালাম ভুলক্রমে হত্যা করেছিলেন সে প্রসঙ্গে আল্লাহ্ বলেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَقَتَلْتَ نَفْساً فَنَجَّيْناكَ مِنَ الْغَمِّ وَفَتَنَّاكَ فُتُوناً&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(অর্থ- তুমি একজনকে হত্যা করে বসলে। তারপর আমি তোমাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলাম এবং আমি তোমাকে বড় রকম পরীক্ষায় ফেলেছিলাম।)[তাফসিরে কুরতুবী (১৩/২৬১) থেকে সংক্ষেপে সমাপ্ত]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুস্তালানি বলেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি তাঁর ইসমতকে (নিষ্পাপ হওয়াকে) প্রশ্নবিদ্ধ করবে না। কারণ সেটা ভুল ছিল। আয়াতে কারীমাতে সেটাকে শয়তানের কাজ বলা হয়েছে, অন্যায় বলা হয়েছে। অবহেলাবশতঃ কোন ছোট গুনাহ হয়ে গেলে তাঁদের (নবীদের) অভ্যাস অনুযায়ী সেটাকে বড় জ্ঞান করে তিনি সেটা থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।[ইরশাদুস সারি (৭/২০৬)]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বরং এর উপরে আমরা যে কথাটি বলতে চাই: নিশ্চয় এ মিশরি কিবতিকে হত্যা করাটা (হত্যা করার কারণ থাকা সত্ত্বেও) ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল। কিন্তু এটি মূসা আলাইহিস সালামের নবুয়তের আগে সংঘটিত হয়েছে। আর নবীগণ নবুয়তপ্রাপ্তির আগে ভুল করা থেকে মাসুম বা মুক্ত নন। বিশেষত তাঁদের অভিপ্রায় যদি ভাল হয় এবং কার্যকারণ থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;আমি এমন কিছু জানি না যে, বনী ইসরাঈল কোন নবীকে কোন কাজ থেকে তওবা করার কারণে সমালোচনা করেছে। বরং তারা মিথ্যাচার করে তাঁদের উপর দোষারোপ করত; যেমনিভাবে তারা মূসা আলাইহিস সালামকে কষ্ট দিয়েছিল। নচেৎ মূসা আলাইহিস সালাম মিশরি কিবতি লোকটিকে হত্যা করেছেন নবুয়তপ্রাপ্তির আগে। এবং তিনি আল্লাহ্কে দেখতে চাওয়া থেকে ও অন্যান্য ভুল থেকে নবুয়তপ্রাপ্তির পর ক্ষমা চেয়েছেন। আমি জানি না যে, বনী ইসরাঈলের কেউ এ ধরণের কোন কিছুর জন্য মূসা আলাইহিস সালামের উপর দোষারোপ করেছেন।[মিনহাজুস সুন্নাহ আন-নাবাওয়্যিয়াহ (২/৪০৯)]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নবিদের উপর ছিল আল্লাহর বিশেষ রহম ও করম। যার ফলে তাঁরা সর্ব প্রকার গুনাহ থেকে নিজেদেরকে সযত্নে দূরে রাখতে পেরেছিলেন। &lt;/div&gt;</description>
<category>ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144303/?show=144304#a144304</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 11:19:00 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সেজদায়ে পা সহ বিবিধ প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/144277/?show=144301#a144301</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী নামাজে সেজদায় পা ফাক রাখা সুন্নাত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে উভই পা মিলিয়ে নামাজ পড়ার ছুরতও জায়েজ  আছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনো সমস্যা নেই। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে মারগুবুল ফাতওয়া ২/১১৬) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘এক রাত্রিতে আমি রাসূল (ছাঃ)-কে বিছানায় না পেয়ে আমার হাত দিয়ে খুঁজতে থাকলাম। অতঃপর আমার হাত তাঁর দু’পায়ের উপর পতিত হয়। তখন তিনি সিজদারত ছিলেন এবং তাঁর পা দু’টি খাঁড়া ছিল’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৮৯৩,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ‘সিজদা ও সিজদার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ)। অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘এ সময় তাঁর গোড়ালীদ্বয় মিলানো ছিল এবং পায়ের অঙ্গুলি সমূহ কিবলার দিকে ছিল’ (মুস্তাদরাক হাকেম ১/৩৪০ পৃঃ, হা/৮৩২; ছহীহ ইবনু খুযায়মাহ হা/৬৫৪, ইবনু হিববান হা/১৯৩৩)। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমি সাত অঙ্গের উপর সিজদা করতে আদিষ্ট হয়েছি। নাকসহ চেহারা, দু’হাত, দু’হাটু এবং দু’পায়ের আঙ্গুলসমূহের অগ্রভাগ’ (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৮৮৭)। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত বারা রা. বর্ণনা করেন যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রুকুতে যেতেন, তখন পায়ের আঙ্গুলগলোকে এমনভাবে কিবলামূখী করাইতেন যে, উভয় পায়ের মাঝখানে ফাঁকা থাকত। (বাইহাকী)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/5786/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/5786/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত  সিজদার  সময় উভয় পায়ের মাঝে যেহেতু ফাকা রাখা সুন্নাত,তাই উভয় পায়ের  গোড়ালির মাঝে ফাকা রাখাও সুন্নাত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে মিলিয়ে রাখাও জায়েজ আছে।   &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাটুতে হাত রেখে সিজদাহ্ তে যেতে হয়।&lt;br&gt;&lt;br&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي رَزِينٍ وَأَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم &quot; إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ &quot; . - صحيح&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ রাত্রে জাগ্রত হলে সে যেন নিজের হাত তিনবার না ধুয়ে (পানির) পাত্রে হাত ডুবিয়ে না দেয়। কারণ তার জানা নেই (ঘুমের অবস্থায়) তার হাত কোথায় রাত কাটিয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মুসলিম (অধ্যায়ঃ পবিত্রতা, ৩/১৮১ নাবাবী), আহমাদ (২/২৫৩, ৪৭১) আবু দাউদ ১০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ &quot; إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلاَ يُدْخِلْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لاَ يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ أَوْ أَيْنَ كَانَتْ تَطُوفُ يَدُهُ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আহমাদ ইবনু আমর .............. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যখন তোমাদের কেউ ঘুম হতে জাগ্রত হয়, তখন সে যেন স্বীয় হস্ত তিনবার ধৌত করার পূর্বে পাত্রের মধ্যে প্রবেশ না করা। কেননা তোমাদের কেউ জানে না (ঘুমন্ত অবস্হায়) তার হাত কোথায় ছিল অথবা তার হস্ত কোথায় কোথায় ঘুরছিল-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আবু দাউদ ১০৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★★হাদীসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছেঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ হাদীসে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মাতকে পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা শিক্ষা দিয়েছেন। হাদীসের মধ্যে বিষয়টি এভাবে এসেছে যে, ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর পানির পাত্রে হাত প্রবেশ করানো যাবে না; কারণ জাগ্রত ব্যক্তি জানে না যে, রাতের বেলায় তার হাত কোথায় ছিল। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এজন্য রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তাই ঘুম থেকে উঠে আগে হাত ধুয়ে নেয়া পরিচ্ছন্নতা ও রুচির পরিচায়ক। মূলকথা হলো এই যে, ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর হাত ধোয়া ছাড়া পানির পাত্রে হাত প্রবেশ করানো মাকরূহ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; হাতে নাপাকী থাকা নিশ্চিত হলে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিতে হবে এবং নাপাক কিছু না থাকলেও পানির পাত্রে হাত প্রবেশের পূর্বে ধুয়ে নেয়া মুসতাহাব।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ ঘুম থেকে উঠে হাত নাপাক থাকেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে ঘুমের মধ্যে হাতে নাপাকি লাগার সম্ভাবনা থাকতে পারে, তাই ধোয়ার কথা বলা হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/9136/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/9136/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br&gt;৪.প্রস্রাবের পর টিস্যু ধরে  ফোটা পড়া বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে টিস্যু ফেলে দিলেই হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে উক্ত স্থান ধুয়ে ফেলা উত্তম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;(০৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একবার পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন। &lt;br&gt;&lt;br&gt;(০৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শুধু পানি ঢাললেই হবে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;(০৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যতটুকু পানি ঢাললে আপনি নিশ্চিত হন যেন নাপাকি চলে গিয়েছে, ততটুকু পানি ঢালবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে ৫০-১০০ গ্রাম পানি ঢালা যথেষ্ট। &lt;br&gt;&lt;br&gt;(০৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আগে মাথায় পানি ঢালবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/141566/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/141566/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;(০৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ গুনাহ হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144277/?show=144301#a144301</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 10:05:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>মুসলিম নামধারী কেউ ইসলামের আহকাম নিয়ে এরকম মন্তব্য করলে তার শরয়ী হুকুম কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/144298/</link>
<description>আমি ব্যক্তিগতভাবে উনাকে চিনি। তিনি হজ করেছেন, দাড়ি রাখেন না, প্রায়ই নামাজ পড়েন, কিন্তু প্রায়ই এ ধরনের বক্তব্য দেন। কুরবানির বিষয়ে তিনি সম্প্রতি এরকম কথা বললেন -&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;টাকা পয়সা ধন দৌলত সোনা রুপার হিসেবে কোরবানি হয় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোরবানি হলো-&amp;quot;নিজের ভিতরের পশুশক্তিকে আল্লাহর ওয়াস্তে বিলিন করে দেয়া&amp;quot;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভন্ড মুসলিম নামধারীরা পশু জবাই করে মাংস খাওয়া ও চামড়া ব্যবসার জন্য,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ তো খায় না মাংস ওরা খেয়ে পেট ভরে।&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন উনার ব্যাপারে শরিয়তের হুকুম কি? উনার সাথে অন্য মুসলিমদের মুয়ামালাত, মুয়াশারাত কি হবে?</description>
<category>ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144298/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 08:43:35 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মিউজিক ও বাদ্যযন্ত্রের বিধান সম্পর্কে জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/144282/</link>
<description>&amp;amp;ldquo;আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রিয় শায়খ/হুজুর, আশা করি ভালো আছেন। আমি সম্প্রতি ইন্টারনেটে সংগীত বা মিউজিক ও বাদ্যযন্ত্রের বৈধতা নিয়ে একটি ভিডিও দেখেছি। ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে যে, পবিত্র কুরআনে সরাসরি মিউজিক বা বাদ্যযন্ত্রকে হারাম ঘোষণা করা হয়নি, বরং এটি একটি নিরপেক্ষ মাধ্যম বা টুল&amp;amp;mdash;যার ব্যবহার ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভালো বা মন্দ হতে পারে। ভিডিওটিতে আরও বলা হয়েছে, নবী দাউদ (আ.)-এর সুরের মূর্ছনা এবং মহাবিশ্বের ফ্রিকোয়েন্সির যুক্তি ব্যবহার করে মিউজিককে ইসলামে &amp;amp;lsquo;হারাম নয়&amp;amp;rsquo; বলে দাবি করার চেষ্টা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দাবির প্রেক্ষিতে আমার জানার বিষয় হলো:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মিউজিক ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপারে ইসলামের অকাট্য বিধান কী?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. কোনো বিষয় কুরআন বা হাদীসে স্পষ্টভাবে সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও কি তা হারাম হতে পারে? (যেমনটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে।)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩. এই ভিডিওতে যে যুক্তিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো কি ইসলামী ফিকহ ও শরীয়াহর দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দয়া করে আমাকে কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিস্তারিত বুঝিয়ে বললে উপকৃত হতাম।&amp;amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিডিওর শিরোনাম: &amp;amp;ldquo;মিউজিক (গান-বাদ্যযন্ত্র) কি সত্যিই হারাম? সত্য জানলে চমকে উঠবেন&amp;amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিডিও লিংক: &lt;a href=&quot;https://youtu.be/srZH3fP8cS4?si=2ZYZhvKh5S8A400h&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://youtu.be/srZH3fP8cS4?si=2ZYZhvKh5S8A400h&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://youtu.be/srZH3fP8cS4?si=2ZYZhvKh5S8A400h&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://youtu.be/srZH3fP8cS4?si=2ZYZhvKh5S8A400h&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চ্যানেল: Lost Sunjed</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144282/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 07:18:07 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কোরবানি ওয়াজিব প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/144281/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম। আমার কাছে ৫ ভরির মত স্বর্ণ আছে।সাথে এই মাসের বেতনের খরচ বাবদ ৩০হাজার টাকা আছে। এই টাকা আমি আমার জামাইকে তার ব্যবসার জন্য জমানো সমিতিতে দেওয়ার জন্য দিয়েছি। যা আমার প্রয়োজন নেই এবং আমার মালিকানায় আর নেই। আমার উপর কি কোরবান ওয়াজিব হবে?</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144281/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 07:02:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>রূপার নিসাবের পাশাপাশি নগদে ০.৩০ টাকা থাকলে কুরবানি ওয়াজিব হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144278/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম।&lt;br /&gt;
আমার ৭ ভরির কম স্বর্ণের গহনা আছে। এই গহনা স্বর্ণের নেসাব পূরণ না করলেও রূপার নেসাব পূরণ করে তবে পাশাপাশি আমার কোনো টাকা নেই। শুধুমাত্র ০.৩০ ডিজিটাল টাকা আছে Nagad এ। আমার স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা এখন খুব একটা ভালো না। এখন কি গহনা বিক্রয় করে হলেও আমার উপর কুরবানী ওয়াজিব? &amp;nbsp;আর এখন কোনো টাকা না থাকলেও ঈদের দিন হয়তো কিছু সেলামি পেতে পারি। হয়তো এক/দেড় হাজার? তখন কি কুরবানী ওয়াজিব হবে? সেলামি পাব কিনা নিশ্চিত নই।</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144278/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 06:33:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>এক বোনের স্বপ্নের ব্যাখ্যা (জানাটা খুবই জরুরি, তাড়াতাড়ি উওর দিলে খুব উপকার হয়)</title>
<link>https://ifatwa.info/144263/</link>
<description>আজ ফজরের পর ছয়টার দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। স্বপ্ন দেখলাম যে কোনো একটি বিষাক্ত পোকা আমার বাম হাতের তালুতে কামড়ে ধরেছে। এবং ধীরে ধীরে আমার শরীরের রক্ত শুষে নিচ্ছে। কোনোভাবেই কোনো উপায়েই সেটা হাত থেকে ফেলতে পারছি না। আমার পরিবারের সবাই থেকে শুরু বন্ধুরাও চেষ্টা করছে তবে কিছুতেই সেটা ছাড়ছে না। কামড়ে ধরেই আছে। অতঃপর আমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং অপারেশন-এর মাধ্যমে সেটা ওই জায়গা থেকে কেটে ফেলা হয়।</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144263/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 05:30:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>স্বপ্নে ভূমিকম্প দেখা</title>
<link>https://ifatwa.info/144253/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ&lt;br /&gt;
আজকে ফজরের পরে ঘুমানোর সময় স্বপ্নে দেখি আমার খাট দুলছে। বেশ অনেকক্ষণ ভূমিকম্প হচ্ছে। কিন্তু আমাদের বাসা একতলা হওয়ায় এবং আশেপাশে বহুতল ভবন না থাকায় আমি নিশ্চিন্তে খাটে অবস্থান করছি। এরই মাঝে ঘুম ভেঙ্গে যায়</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144253/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 05:05:44 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ন্যায্য ভাড়া দেওয়ার পরেও যদি সে আরও টাকা দাবি করে</title>
<link>https://ifatwa.info/144247/</link>
<description>রিকশা ভাড়া ৩০ টাকা সব সময় এই ভাড়া আসা যাওয়া হয়। যার ধরুন রিকশা চালকের সাথে কথা না বলে উঠা হয়। পরবর্তীতে সে ৪০ টাকা দাবি করে। কিন্তু তাকে যে ভাড়া ৩০ টাকা সে ভাড়ায় দেওয়া হয়। যদি সে ১০ টাকা দাবি রাখে তাহলে এটা দাবি থাকবে আমার প্রতি?এখন কি এটা কি ঠিক হয়েছে?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144247/</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 04:47:46 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ইদ্দতের সময় মুখে ক্রিম লাগানো যাবে কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/144226/</link>
<description>ইদ্দতের সময় মুখে ক্রিম দেয়া বা ফেসওয়াশ করা যাবে কি? আমি চুলে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দেই। এগুলো কি দেয়া যাবে? এগুলোতে একটু সুগন্ধিও রয়েছে। আর গোলাপ জল, অ্যালোভেরা এগুলো ক্রিমের সাথে মেখে তারপর আমি মুখে দেই। এটাতে কোনো সমস্যা হবে? আর চুলে বা শরীরে তেল দেয়াতে কি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে? আমার চুলে একটু সিরাম দেয়া লাগে নাহয় চুল উষ্কখুষ্ক হয়ে যায়। আর আমার আম্মুর অনেক সময় শরীর খারাপ থাকে বিধায় আমাকে আমার ছোটবোনকে মাদ্রাসা থেকে আনতে যেতে হয়। এটা কি জায়েজ হবে? আমার ১.৫ মাস পরে এইচএসসি পরীক্ষা তাই এখন কোচিংয়ে যাওয়াটা জরুরি। তো কোচিং থেকে আসার সময় আমি কিছু শীট ফটোকপি করেছি যেন আমার পড়তে সুবিধা হয়। এটা কি ইদ্দতের মধ্যে করাটা অনুচিত হয়েছে?</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144226/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 23:48:38 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেন</title>
<link>https://ifatwa.info/144220/</link>
<description>আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মি.মি./আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেনম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্মম্ম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেনG74793আল্লাহ তায়ালা পশু পাখিকে কেন পংগু বা বিভিন্ন রোগ দেন</description>
<category>ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144220/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 17:44:28 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>গোনাহ এবং ইমান নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144219/</link>
<description>১।গোনাহ করলে গোনাহ &amp;nbsp;করার সময় করার সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল ইচ্ছা আছে &amp;nbsp;করার এমন কাজ করতে &amp;nbsp;বা কথা বলতে বা &amp;nbsp;নিয়ত করলে আবার এগুলো না করার বলার বা ছাড়ার নিয়ত করতে গেলে করার সময় &amp;nbsp;আল্লাহ পাক রাসুল সাঃ উনাদের আদেশ নিষেধ পালন করতে গেলে করার সময় &amp;nbsp;পালনের কথা শুনলে কেউ পালন করতে &amp;nbsp;বললে ।নেক আমল বা নেক কথা বলতে গেলে &amp;nbsp;করতে গেলে করার সময় করার ইচ্ছা করলে নিয়ত করলে। &amp;nbsp;জায়েজ, নাজায়েজ, হালাল, হারাম, কথা বলতে গেলে কাজ করতে গেলে করার সময় বলার সময় আমার মনে বা ভিতরে আসে যে ইমান চলে যাবে বা ইসলামের বিরুদ্ধে শিরক কুফরি অমুসলিম দের বিষয় &amp;nbsp;&amp;nbsp;।আবার আমি যাই করি বা যাই হোক &amp;nbsp;আমার মনে হয় বা ভিতরে আসে আমি ইমান চলে যাবে বা ইসলামের বিরুদ্ধে &amp;nbsp;এমন কিছু করলাম। আমার মনে বা ভিতরে আসে আমি নিশ্চিত না ইমান চলে যাবে বা ইসলামের বিরুদ্ধে অমুসলিমদের &amp;nbsp;কথা বা কাজ কিনা?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144219/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 17:08:45 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আমার সম্নধে মিথ্যা কথা বলার কারনে রাগে তাকে মুনাফিক বলে ফেলি</title>
<link>https://ifatwa.info/144217/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম শায়েখ, একজন আমাকে বলেন যে অমুকে তোমার সমন্ধে এই কথা বলেছেন আমার কাছে, কিন্তু কথাটা ছিল একেবারে মিথ্যা। আমার সমন্ধে মিথ্যা কথা বলেছিল তাই রাগের বশে বলে ফেলি মুনাফেক। &amp;nbsp;শায়েখ কথা বলার পরে আমার মনে আসে একটা হাদিস যে কেউ কাউকে মুনাফেক বা কাফের বলে গালি দিলে যদি সে তা না হয়ে থাকে তাহলে এই কথা তার উপরেই এসে পরবে এবং মরার পুর্বে সে তাই হয়ে মারা যাবে। &amp;nbsp;শায়েখ আমি উক্ত কথা বলার পরে আল্লাহর কাছে তওবা করেছি, আর যাকে গালি দিয়েছি সে আমার বলা কথাটা শোনেনি আর তার কাছে এখনো কথাটা বলিনি, উনাকে বললে মনে কস্ট পাবেন। শায়েখ আমার প্রশ্ন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১,উনাকে মুনাফেক বলে ফেলার কারনে আমি নিজেই মুনাফেক হয়ে যাব বা মুনাফেক হয়ে মারা যাব এই সমন্ধ্যে জানতে চাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২,আল্লাহর কাছে তাওবা করেছি আর যাকে কথাটা বলেছি উনাকে বললে মনে কস্ট পাবেন তাই তার কাছে কথাটা বলিনি এখন আমার করনীয় কি?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144217/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 16:54:25 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আগের প্রশ্ন থেকে</title>
<link>https://ifatwa.info/144216/</link>
<description>&lt;p&gt;আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।&lt;br&gt;&lt;a target=&quot;_blank&quot; rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://ifatwa.info/143930/&quot;&gt;https://ifatwa.info/143930/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/144014/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/144014/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;br&gt;★হুজুর আর না গেলে দারুল ইফতায় এতে গুণাহ হবে না এটা বুঝিয়েছেন?আর এমন হলে তহ সংসার করে গেলে কোন সমস্যা হবে না তাই না?একজন আত্মীয় মুফতি আছে কিন্তু কিছু সমস্যার কারণে মানে প্রাইভেসির কারনেও ওনার কাছে জিজ্ঞেসা করা সম্ভব না।আর এমনতেও সুযোগ হলেও আর এসব বিষয়ে জিজ্ঞেস না করলে কি কোন সমস্যা হয়?মানে কি রকম না কি রকম জবাব দেয় এসব ভেবে মানে এখানে যেমন দিছে তেমন না দিলে এসব ভেবে আর জিজ্ঞেস না করলে।এখানে হয়ত পরিস্থিতি বিবেচনায় দিতে পারে ওখানে না দিলে এমন চিন্তা আসলে কি কোন সমস্যা হয়?&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144216/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 16:17:08 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>নির্ধারিত বোনাসের অতিরিক্ত টাকা যাকাতের অর্থ থেকে দেওয়া যাবে কি না?</title>
<link>https://ifatwa.info/144215/</link>
<description>আমরা যে বাসায় থাকি সেই বাসার কেয়ারটেকার এর জন্য ঈদের সময় বেতনের অতিরিক্ত একটা পরিমাণ প্রতিটা ফ্ল্যাট ভিত্তিক বরাদ্দ থাকে। যেমন প্রতি ফ্ল্যাট বাবদ ৫০০ টাকা। অনেক সময় কেয়ারটেকার এই টাকার বাহিরেও কিছু টাকা চেয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত টাকার বাহিরের টাকা কি যাকাতের টাকা থেকে দেওয়া যাবে যদি সে যাকাতের উপযুক্ত হয়?</description>
<category>যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144215/</guid>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 15:53:18 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>