<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Islamic Fatwa - Recent questions and answers in ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/qa/%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>Answered: তালাকের ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/144361/?show=144418#a144418</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144361/?show=144418#a144418</guid>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 00:34:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এভাবে ঝগড়ার সময় রাগে বললে কি কোন সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144340/?show=144410#a144410</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144340/?show=144410#a144410</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 18:55:36 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আগের প্রশ্ন না বুঝা নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144387/?show=144409#a144409</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিস্তারিত.............&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://islamqapro.com&quot;&gt;https://islamqapro.com&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144387/?show=144409#a144409</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 18:55:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144014/?show=144077#a144077</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144014/?show=144077#a144077</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:34:54 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143981/?show=143985#a143985</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143981/?show=143985#a143985</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:37:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ে টি কি সঠিক হয়েছে?</title>
<link>https://ifatwa.info/143951/?show=143952#a143952</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143951/?show=143952#a143952</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 17:12:13 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা জনিত কয়েকটি বিষয় নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম</title>
<link>https://ifatwa.info/143578/?show=143585#a143585</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143578/?show=143585#a143585</guid>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 09:16:28 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ঈ-সরা-য়েলী পন্য</title>
<link>https://ifatwa.info/142412/?show=142416#a142416</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭَﺗَﻌَﺎﻭَﻧُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﺒﺮِّ ﻭَﺍﻟﺘَّﻘْﻮَﻯ ﻭَﻻَ ﺗَﻌَﺎﻭَﻧُﻮﺍْ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻹِﺛْﻢِ ﻭَﺍﻟْﻌُﺪْﻭَﺍﻥِ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌِﻘَﺎﺏ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ِতরজমাঃ সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মায়েদা-২&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، ح وَعَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ أَخْرَجَ مَرْوَانُ الْمِنْبَرَ فِي يَوْمِ عِيدٍ فَبَدَأَ بِالْخُطْبَةِ قَبْلَ الصَّلَاةِ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا مَرْوَانُ خَالَفْتَ السُّنَّةَ أَخْرَجْتَ الْمِنْبَرَ فِي يَوْمِ عِيدٍ وَلَمْ يَكُنْ يُخْرَجُ فِيهِ وَبَدَأْتَ بِالْخُطْبَةِ قَبْلَ الصَّلَاةِ . فَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ مَنْ هَذَا قَالُوا فُلَانُ بْنُ فُلَانٍ . فَقَالَ أَمَّا هَذَا فَقَدْ قَضَى مَا عَلَيْهِ سَمِعْتُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ &quot; مَنْ رَأَى مُنْكَرًا فَاسْتَطَاعَ أَنْ يُغَيِّرَهُ بِيَدِهِ فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘ঈদের দিন মারওয়ান ঈদের মাঠে মিম্বার স্থাপন করে সলাতের পূর্বেই খুত্ববাহ শুরু করায় জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেন, হে মারওয়ান! তুমি সুন্নাত বিরোধী কাজ করলে। তুমি ‘ঈদের দিন বাইরে মিম্বার এনেছো এবং সলাতের পূর্বেই খুত্ববাহ শুরু করেছো। অথচ ইতিপূর্বে (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও খুলাফায়ি রাশিদীনের যুগে) কখনো এমনটি করা হয়নি। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? লোকজন বললো, অমুকের পুত্র অমুক। তিনি বললেন, সে তার দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কেউ কোন গর্হিত (শারী‘আত বিরোধী) কাজ সংঘটিত হতে দেখলে তাকে হাত দিয়ে প্রতিরোধ করবে। এরূপ করতে অক্ষম হলে তা কথার দ্বারা প্রতিহত করবে। যদি এতেও অক্ষম হয় তাহলে সে তা অন্তরে ঘৃণা করবে (বা তা দূর করার উপায় অন্বেষনে চিন্তা-ভাবনা করবে)। তবে এটি হচ্ছে দুর্বলতম ঈমানের পরিচায়ক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(মুসলিম , ইবনু মাজাহ  হাঃ ১২৭৫,  হাঃ ৪০১৩), আহমাদ (৩/১০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পন্য বয়কট সংক্রান্ত শরীয়তের বিধান জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/18568/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/18568/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন,&lt;/b&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;vaseline ব্যবহার করা জায়েজ হবে,কেননা এর মধ্যে জানামতে হারাম কোনো উপাদান নেই,পাশাপাশি এটি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে ঈমানী দাবিতে কেহ যদি ইসরায়েলি পণ্য বয়কট হিসেবে উক্ত প্রডাক্ট ক্রয় না করে,সেক্ষেত্রে তাহা ঈমানী জজবার পরিচায়ক হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/142412/?show=142416#a142416</guid>
<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 22:42:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ফরয গোসল সম্পর্কে জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/142069/?show=142081#a142081</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) আল্লাহ আপনাকে সুস্থ করুক।আমীন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) মাথায় পানি ঢেলে দিবেন। মাথায় পানি ঢেলে দিয়ে চুলের গোড়ায় হাতের আঙ্গুল দ্বারা নাড়িয়ে নিবেন। এভাবে আপনার চুলের গোড়ায় পানি পৌছে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩) কুলি করার সময় পুরো মুখ এর ভিতরে পানি পৌছতে হবে। কুলি করলে অবশ্যই পুরো মুখের ভিতর পানি পৌছাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৪) নাকে যে লোম থাকে ঐ লোমকে ভিজানো শর্ত নয় তবে নাকে পানি দিলে এমনিতেই লোমগুলো ভিজবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৫) হাত পায়ের আঙুলের ফাকে পানি পৌছাতে হবে নতুবা ফরয গোসল হবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৬) নাভির ভিতরেও পানি দিতে হবে। নতুবা ফরয গোসল হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৭) এক হাতে নিলেই হবে। তবে দুই হাত দ্বারা নেয়া হলে আরো ভালো।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/142069/?show=142081#a142081</guid>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 01:20:28 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: মনের সন্দেহ।শয়তানের ধোকাই পড়ে গুনাহ করেছি।</title>
<link>https://ifatwa.info/141156/?show=141255#a141255</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
তাওবাহর দ্বারা আল্লাহ পাক সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;br&gt;
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ&lt;br&gt;
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা যুমার-৫৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1048&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1048&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
আপনি আল্লাহর কাছে তাওবাহ করুন। তাওবাহ সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেয়। নিজের ভবিষ্যত জীবনের কল্যাণ চেয়ে চেয়ে আল্লাহর কান্না করে করে আল্লাহর কাছে দু'আ করুন।&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/141156/?show=141255#a141255</guid>
<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 06:24:34 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাকের ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/141138/?show=141222#a141222</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/141138/?show=141222#a141222</guid>
<pubDate>Wed, 18 Mar 2026 21:49:40 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কল্পনায় কুমন্ত্রণা</title>
<link>https://ifatwa.info/141058/?show=141100#a141100</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم &quot; إِنَّ لِلشَّيْطَانِ لَمَّةً بِابْنِ آدَمَ وَلِلْمَلَكِ لَمَّةً فَأَمَّا لَمَّةُ الشَّيْطَانِ فَإِيعَادٌ بِالشَّرِّ وَتَكْذِيبٌ بِالْحَقِّ وَأَمَّا لَمَّةُ الْمَلَكِ فَإِيعَادٌ بِالْخَيْرِ وَتَصْدِيقٌ بِالْحَقِّ فَمَنْ وَجَدَ ذَلِكَ فَلْيَعْلَمْ أَنَّهُ مِنَ اللَّهِ فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ وَمَنْ وَجَدَ الأُخْرَى فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ ثُمَّ قَرَأ : (الشََّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُمْ بِالْفَحْشَاءِ ) &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আদম সন্তানের প্রতি শাইতানের এক স্পর্শ রয়েছে এবং ফেরেশতারও এক স্পর্শ রয়েছে। শাইতানের স্পর্শ হচ্ছে মন্দ কাজের প্ররোচনাদান ও সত্যকে অস্বীকার করার। ফেরেশতার স্পর্শ হচ্ছে কল্যাণের কাজে উৎসাহিত করা এবং সত্যকে স্বীকার করা। কাজেই যে ব্যক্তি নিজের মধ্যে এরূপ নেকীর স্পর্শ অনুভব করে সে যেন জ্ঞাত হয় যে, এটা আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে এবং এজন্য সে যেন আল্লাহ তা’আলার প্রতি শুকরিয়া আদায় করে। আর কেউ নিজের মধ্যে এর বিপরীত স্পর্শ উপলব্ধি করলে সে যেন তখন শয়তান হতে আল্লাহ তা’আলার নিকট আশ্রয় চায়। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করেনঃ (অনুবাদ) “শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং অশ্লীল কাজের নির্দেশ দেয়। আর আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে তার ক্ষমা ও অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আল্লাহ তা’আলা প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ&quot;- (সূরা বাকারাহ ২৬৮)।(সুনানু তিরমিযি-২৯৮৮মিশকাত -৭৪)(আল মাওসু'তুল ফেকহিয়্যাহ-৪৩/১৪৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/835&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/835&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কল্পনায় এইসব জিনিষ আসা শয়তানের ওয়াসওয়াসা। সুতরাং এত্থেকে বেচে থাকার চেষ্টা করবেন। এবং পাশাপাশি আল্লাহ তা'আলার কাছে পানাহ চাইবেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/141058/?show=141100#a141100</guid>
<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 18:23:09 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াস ওয়াসা জনিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/140679/?show=140681#a140681</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/140679/?show=140681#a140681</guid>
<pubDate>Sat, 14 Mar 2026 06:25:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইমাম সাহেবের দোয়াতে আমীন বলার দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্কে কি কোনো সমস্যা হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/140233/?show=140374#a140374</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে ইমাম সাহেবের দু'আতে আমীন বলার দ্বারা আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্কে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/140233/?show=140374#a140374</guid>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 15:58:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পাক নাপাক সম্পর্কে।</title>
<link>https://ifatwa.info/140156/?show=140278#a140278</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/140156/?show=140278#a140278</guid>
<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 20:45:53 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আমি স্বপ্নে অনেক আশ্চর্য জনক কিছু সম্মুখীন হচ্ছি অনেক দিন থেকে,এগুলোর ব্যাখ্যা ও সমাধান পাওয়া যাবে কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/140042/?show=140056#a140056</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ &quot; الرُّؤْيَا الْحَسَنَةُ مِنَ الرَّجُلِ الصَّالِحِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ &quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেককার লোকের ভাল স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(বুখারী শরীফ ৬৫১২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى ـ هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ ـ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا قَتَادَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ &quot; الرُّؤْيَا مِنَ اللَّهِ، وَالْحُلْمُ مِنَ الشَّيْطَانِ &quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ... আবূ কাতাদা (রাঃ) সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে আর অশুভ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৬৫১৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي ابْنُ الْهَادِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَبَّابٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ &quot; إِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا يُحِبُّهَا فَإِنَّمَا هِيَ مِنَ اللَّهِ، فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ عَلَيْهَا، وَلْيُحَدِّثْ بِهَا، وَإِذَا رَأَى غَيْرَ ذَلِكَ مِمَّا يَكْرَهُ، فَإِنَّمَا هِيَ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَلْيَسْتَعِذْ مِنْ شَرِّهَا، وَلاَ يَذْكُرْهَا لأَحَدٍ، فَإِنَّهَا لاَ تَضُرُّهُ &quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যখন তোমাদের কেউ এমন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে, তাহলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এর উপর আল্লাহর প্রশংসা করে এবং অন্যের কাছে তা বর্ণনা করে। আর যদি এর বিপরীত অপছন্দনীয় কিছু দেখে, তাহলে তা শয়তানের পক্ষ থেকে। তাই সে যেন এর অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায়। আর কারো কাছে যেন তা বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি সাধন করবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(বুখারী শরীফ ৬৫১৪)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/85842/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/85842/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;স্বপ্নে মায়ের বাচ্চা হতে দেখার অনেক অর্থ হতে পারে। এই অর্থ সমূহের মধ্যে সর্বেত্তম অর্থ হল, ঐ ঘরে আল্লাহর রহমত ও বরকত নাযিল হবে।&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং আপনার ঘরে আল্লাহর রহমত ও বরকত নাযিল হবে,এবং অচিরেই আপনার বিবাহ হবে এবং আপনার গর্ভে আল্লাহর রহমত স্বরুপ সন্তান আসতে পারে,ইনশাআল্লাহ। &lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/140042/?show=140056#a140056</guid>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 23:52:59 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/139958/?show=139959#a139959</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/139958/?show=139959#a139959</guid>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 06:29:09 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আমার এক বোনের ইসলাম নিয়ে নানা ধরনের মিথ্যা  চিন্তা মাথায় আসে নাউজুবিল্লাহ</title>
<link>https://ifatwa.info/139952/?show=139954#a139954</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; يَأْتِي الشَّيْطَانُ أَحَدَكُمْ ، فَيَقُولَ : مَنْ خَلَقَ كَذَا وَكَذَا ؟ حَتَّى يَقُولَ لَهُ : مَنْ خَلَقَ رَبَّكَ ؟ فَإِذَا بَلَغَ ذَلِكَ ، فَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ وَلْيَنْتَهِ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;শয়তান তোমাদের কারো নিকট আসে এবং বলে, এটা কে সৃষ্টি করেছে, ওটা কে সৃষ্টি করেছে? পরিশেষে এ প্রশ্নও করে, তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? এ পর্যায়ে পৌঁছলে তোমরা আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর এবং এ ধরণের ভাবনা থেকে বিরত হও। ( বুখারী ৩২৭ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★প্রশ্নে উল্লেখিত বোনের জন্য করনীয়ঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার মনে যে আল্লাহকে নিয়ে উল্টা পাল্টা কথা চলে আসে,প্রশ্নে উল্লেখিত যাবতীয় সব বিষয় শয়তানের ওয়াসওয়াসা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং আপনি আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হবেন না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিস শরিফে  এসেছে, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: جَاءَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلُوهُ: إِنَّا نَجِدُ فِي أَنْفُسِنَا مَا يَتَعَاظَمُ أَحَدُنَا أَنْ يَتَكَلَّمَ بِهِ، قَالَ: وَقَدْ وَجَدْتُمُوهُ؟ قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: ذَاكَ صَرِيحُ الْإِيمَانِ.&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একবার সাহাবায়ে কেরমের একদল রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা আমাদের অন্তরে কখনো কখনো এমন বিষয় অনুভব করি, যা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা আমাদের কাছে খুব কঠিন মনে হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, সত্যিই কি তোমরা এরকম পেয়ে থাক? তাঁরা বললেন হ্যাঁ, আমরা এরকম অনুভব করে থাকি। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ذَاكَ صَرِيحُ الْإِيمَانِ এটি তোমাদের ঈমানের স্পষ্ট প্রমাণ। (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, অনুচ্ছেদ: অন্তরের ওয়াসওয়াসা)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং এইসব অনাহূত ভাবনা যখন আপনাকে বিরক্ত করবে তখন স্মরণ করুন যে, এটা ঈমানের আলামত। শয়তান তার উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি নিজ কাজে মগ্ন হয়ে যান। এদিকে বেশি মনোযোগ দিবেন না। কেননা, এইসব অবাঞ্ছিত চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়ে কীভাবে তা দূর করা যায় এ চিন্তায় পড়ে গেলে আপনি এখানেই আটকা পড়ে যাবেন। সামনে অগ্রসর হওয়া আর সম্ভব হবে না। এভাবে শয়তানের উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যে কোনো ওয়াসওয়াসার প্রধান চিকিৎসা এটাই যে, একে গুরুত্ব না দেয়া। কী চিন্তা আসল, কী চিন্তা গেল-তা না ভেবে নিজের কাজে মশগুল থাকুন। কেননা, এটা মূলত শয়তানের কাজ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;إِنَّمَا النَّجْوَىٰ مِنَ الشَّيْطَانِ لِيَحْزُنَ الَّذِينَ آمَنُوا وَلَيْسَ بِضَارِّهِمْ شَيْئًا إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই ওয়াসওয়াসা তো শয়তানের কাজ; মুমিনদেরকে দুঃখ দেয়ার দেয়ার জন্যে। তবে (এই ওয়াসওয়াসা সৃষ্টি করে) সে মুমিনদেরকে চুল পরিমাণ ক্ষতি করতে পারে না, আল্লাহর হুকুম ছাড়া। মুমিনদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা। (সূরা মুজাদালাহ ১০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি آمنت بالله ورسوله পড়ে নিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পরামর্শ থাকবে, এহেন চিন্তা মাথায় আসলেই অন্য মনস্ক হয়ে যাওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনো কাজ শুরু করে দেয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাথায় এগুলো আসতেই দিবেননা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবেন। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/139952/?show=139954#a139954</guid>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 06:18:11 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত সমস্যা।</title>
<link>https://ifatwa.info/139354/?show=139409#a139409</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে মুমিণগন, এমন কথাবার্তা জিজ্ঞেস করো না, যা তোমাদের কাছে পরিব্যক্ত হলে তোমাদের খারাপ লাগবে। যদি কোরআন অবতরণকালে তোমরা এসব বিষয় জিজ্ঞেস কর, তবে তা তোমাদের জন্যে প্রকাশ করা হবে। অতীত বিষয় আল্লাহ ক্ষমা করেছেন আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল। (সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এরূপ কথা বার্তা তোমাদের পুর্বে এক সম্প্রদায় জিজ্ঞেস করেছিল। এর পর তারা এসব বিষয়ে অবিশ্বাসী হয়ে গেল।(সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : ما نهيتكم عنه ، فاجتنبوه ، وما أمرتكم به فأتوا منه ما استطعتم ، فإنما أهلك الذين من قبلكم كثرة مسائلهم واختلافهم على أنبيائهم . رواه البخاري ومسلم .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি যে,তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে যে সমস্ত জিনিষ থেকে নিষেধ করেছি, সে সমস্ত জিনিষ থেকে বিরত থাকো,এবং যে সমস্ত জিনিষের আদেশ করেছি, যথাসম্ভব সেগুলো পালন করার চেষ্টা করো। তোমাদের পূর্ববর্তীগণ তাদের অধিক প্রশ্ন এবং মতপার্থক্যর কারণেই ধংস হয়েছে।[সহীহ বুখারীঃ ৭২৮৮, সহীহ মুসলিম: ১৩৩৭] এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1379&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1379&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) মনের মধ্যে যেইসব ওয়াসওয়াসা আসবে, সেগুলোকে কোনো স্থান দেয়া যাবে না। বরং সেগুলোকে মন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) সাদাস্রাবের দাগ যদি পায়জামায় শুকনো অবস্থায় থাকে এবং দাগটুকু পানি দিয়ে ঘসে তুলে ফেলা হয়, তাহলে একবার ধৌত করলেই পবিত্র হয়ে যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩) হায়েযের রক্তের দাগ উঠিয়ে ফেললে ৩ বার ধৌত করতে হবে না বরং দাগ উঠিয়ে ফেললেই পবিত্র হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/139354/?show=139409#a139409</guid>
<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 18:27:49 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্বপ্নে খারাপ কিছু দেখা বন্ধ করার উপায়।</title>
<link>https://ifatwa.info/139150/?show=139185#a139185</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইসলামী দৃষ্টিতে স্বপ্ন তিন প্রকার। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. যা আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাহকে দেখানো হয় যা কল্যানকর হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. শয়তানের পক্ষ হতে দেখানো হয় যাতে মানুষ খারাপ, মন্দ ভয়ংকর কিছু দেখে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে শয়তান স্বপ্ন দেখানোর দ্বারা মানুষের কোন ক্ষতি করতে পারেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ভয়ংকর স্বপ্ন দেখলে দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই। শয়তান মানুষকে দুশ্চিন্তায় ফেলার জন্যই এমন সব আজব আজব জিনিস দেখায়। এমনটা দেখলে ঘুম থেকে জেগে বাম দিকে থুথু ফেলে আস্তাগফিরুল্লাহ বলতে হয়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. মানুষের কল্পনা। অর্থাৎ মানুষ যা কল্পনা করে স্বপ্নে তা দেখতে পায়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ &quot; إِذَا اقْتَرَبَ الزَّمَانُ لَمْ تَكَدْ رُؤْيَا الْمُسْلِمِ تَكْذِبُ وَأَصْدَقُكُمْ رُؤْيَا أَصْدَقُكُمْ حَدِيثًا وَرُؤْيَا الْمُسْلِمِ جُزْءٌ مِنْ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ وَالرُّؤْيَا ثَلاَثَةٌ فَرُؤْيَا الصَّالِحَةِ بُشْرَى مِنَ اللَّهِ وَرُؤْيَا تَحْزِينٌ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرُؤْيَا مِمَّا يُحَدِّثُ الْمَرْءُ نَفْسَهُ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ مَا يَكْرَهُ فَلْيَقُمْ فَلْيُصَلِّ وَلاَ يُحَدِّثْ بِهَا النَّاسَ &quot;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল-মাক্কী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন যুগ ও সময় (কিয়ামাতের) সন্নিকটে হয়ে আসবে তখন প্রায়শ (খাঁটি) মুসলিমের স্বপ্ন মিথ্যা ও ভ্রান্ত হবে না। তোমাদের (মাঝে) অধিক সত্যভাষী লোক সর্বাধিক সত্য (ও বাস্তব) স্বপ্নদ্রষ্টা হবে। আর মুসলিমের স্বপ্ন নুবুওয়াতের পয়তাল্লিশ ভাগের এক ভাগ। আর স্বপ্ন তিন (প্রকার)- ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে সুসংবাদ (বাহক)। আর (এক ধরনের) স্বপ্ন শাইতানের পক্ষ হতে দুর্ভাবনা তৈরি করে। আর (এক ধরনের) স্বপ্ন যা মানুষ তার মনের সাথে কথা বলে (এবং ভাবনা-চিন্তা করে) তা থেকে (উদ্ভূত)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অতএব তোমাদের কেউ যদি এমন কিছু (স্বপ্ন) দর্শন করে- যা সে পছন্দ করে না, তাহলে সে যেন (ঘুম থেকে) উঠে দাঁড়ায় এবং সলাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে আর মানুষের নিকট সে (স্বপ্নের) কথা গোপন রাখে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(মুসলিম ৫৭৯৮, (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭০৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৭৪০)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا قَتَادَةَ يَقُوْلُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلميَقُوْلُ الرُّؤْيَا مِنْ اللهِ وَالْحُلْمُ مِنْ الشَّيْطَانِ فَإِذَا رَأٰى أَحَدُكُمْ شَيْئًا يَكْرَهُه“فَلْيَنْفِثْ حِينَ يَسْتَيْقِظُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَيَتَعَوَّذْ مِنْ شَرِّهَا فَإِنَّهَا لاَ تَضُرُّه“وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ وَإِنْ كُنْتُ لأَرَى الرُّؤْيَا أَثْقَلَ عَلَيَّ مِنَ الْجَبَلِ فَمَا هُوَ إِلاَّ أَنْ سَمِعْتُ هٰذَا الْحَدِيثَ فَمَا أُبَالِيهَا.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ ক্বাতাদাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়, আর মন্দ স্বপ্ন হয় শয়তানের তরফ থেকে। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি এমন কিছু স্বপ্ন দেখে যা তার কাছে খারাপ লাগে, তা হলে সে যখন ঘুম থেকে জেগে ওঠে তখন সে যেন তিনবার থুথু ফেলে এবং এর ক্ষতি থেকে আশ্রয় চায়। কেননা, তা হলে এটা তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ সালামাহ বলেনঃ আমি যখন এমন স্বপ্ন দেখি যা আমার কাছে পাহাড়ের চেয়ে ভারি মনে হয়, তখন এ হাদীস শোনার ফলে আমি তার কোন পরোয়াই করি না। [বুখারী ৫৭৪৭ মুসলিম পর্ব ৪২/হাঃ ২২৬১, আহমাদ ২২৭০৭] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ومن رای انہ مات…………ان رای شیئا من ہیئۃ الاموات کالغسل والکفن فذالک زیادۃ فی نقص دینہ (تعطیر الانام ۲۹۱؍ج۲؍باب المیم،موت،مطبوعہ مصر)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যার সারমর্ম হলো কেহ স্বপ্নে দেখে যে সে মারা গিয়েছে,,বা মৃতদের হালত,কাফন গোসল ইত্যাদি  দেখে,তাহলে সেটি নিজের দ্বীনের কমতি মনে করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ তে এসেছে যে স্বপ্নে মৃত মানুষ দেখা এটি কবরের কথা স্বরন করে দেওয়ার জন্য।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ ২৯/১৬০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার আমল বাড়িয়ে দিতে হবে,দ্বীনদার লোকদের সাথে উঠাবসা করতে হবে,পবিত্র হালতে থাকতে হবে,অহংকার থেকে বেঁচে থাকতে হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত, যিকির আযকার,ফরজ সহ নফল নামাজ পড়তে হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বপ্নের কথা কাউকে বলা যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;চাইলে কিছু টাকা দান ছদকাহ করতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★আপনার যদি কোনো ভুল কাজ করার ইচ্ছা থাকে,সেক্ষেত্রে স্বপ্নের মধ্যে সতর্কতা রয়েছে যে তার থেকে বিরত থাকতে হবে,অন্যথায় ক্ষতি হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে গুনাহ মুক্ত জীবন যাপনের পরামর্শ থাকবে,আর বেশি বেশি নেক আমলের অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/63183/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/63183/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★স্বপ্নে টয়লেট দেখা হারাম সম্পদ ভক্ষনের ঈঙ্গিত বহন করে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেহ কেহ বলেছেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বপ্নে পায়খানা করতে দেখিলে(নিজের) সৌভাগ্যের নিদর্শন। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে করনীয় জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/56784/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/56784/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/139150/?show=139185#a139185</guid>
<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 11:39:58 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নাম নিয়ে শর্ত সন্দেহ</title>
<link>https://ifatwa.info/138919/?show=139002#a139002</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শর্তের মাধ্যমে তালাক প্রদাণের জন্য নিম্নোক্ত হরফ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।যথা-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১)إنْ-যদি&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২)إِذَا-যখন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩)إِذْمَا-যখন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৪)كُلُّ-সব&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৫)كُلَّمَا-যখনই&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৬)مَتَى-যখন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৭)مَتَى مَا-যখন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বাক্যর প্রারম্ভে এ সকল শব্দ প্রয়োগ করে কোনো কাজের সাথে সম্পর্কিত করে তালাক প্রদাণ করলে যখনি উক্ত শর্ত পাওয়া যাবে,তখন তাৎক্ষণাৎ তালাক পতিত হয়ে উক্ত শর্তযুক্ত বাক্য বিনষ্ট হয়ে যাবে।পরবর্তীতে একাজের পূনরাবৃত্তি ঘটলে আর তালাক পতিত হবে না।তবে শুধুমাত্র ৫ নং বাক্য এর বিপরিত।এটা ব্যবহার করলে যখনই শর্ত পাওয়া যাবে তখনই তালাক পতিত হতে থাকবে।যতক্ষণ না উক্ত বিয়ে বন্ধন শেষ হচ্ছে।শরীয়া মোতাবেক দ্বিতীয়বার উক্ত স্বামী উক্ত স্ত্রীকে বিয়ে করলে তখন আর তালাক পতিত হবে না।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৪১৫) বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1237&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1237&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী কোনো একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে শর্তযুক্ত তালাক দিয়ে বলেছে, যে তার নাম নেওয়া যাবে না। এখন আপনি যদি কথা বলার সময় অন্য একজন ব্যক্তি যার নামও সেইম, শর্ত দেওয়া ব্যাক্তির সাথে মিলে যায়, এখন তার নাম নিয়ে তার ব্যাপারে কথা বলছিলেন, এতে শর্তযুক্ত তালাক হবে না। শর্ত ভঙ্গ হয়ে তালাক পতিত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/138919/?show=139002#a139002</guid>
<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 00:50:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা, দুশ্চিন্তা ও ভয়</title>
<link>https://ifatwa.info/138918/?show=138952#a138952</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/138918/?show=138952#a138952</guid>
<pubDate>Fri, 27 Feb 2026 17:52:44 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: শয়তানের পূজা করবো বললে কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/138693/?show=138703#a138703</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;চার মাযহাব সম্ভলিত সর্ববৃহৎ ফেকহি গ্রন্থ &quot;আল-মাওসুআতুল ফেকহিয়্যা&quot;গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;نَقَل ابْنُ عَابِدِينَ عَنِ اللَّيْثِ: فِي مَسْأَلَةِ طَلاَقِ الْمُوَسْوَسِ  أَنَّهُ لاَ يَجُوزُ طَلاَقُ  الْمُوَسْوَسِ  ، قَال: يَعْنِي الْمَغْلُوبَ فِي عَقْلِهِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَنَقَل ابْنُ الْقَيِّمِ: إِنَّ الْمُطْلِّقَ إِنْ كَانَ زَائِل الْعَقْل بِجُنُونٍ أَوْ إِغْمَاءٍ أَوْ وَسْوَسَةٍ لاَ يَقَعُ طَلاَقُهُ،  قَال: وَهَذَا الْمَخْلَصُ مُجْمَعٌ عَلَيْهِ بَيْنَ عُلَمَ ـ اءِ الأُْمَّةِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;- رِدَّةُ الْمُوَسْوَسِ:  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;٢١ - إِنْ تَكَلَّمَ الْمُوَسْوَسُ  بِكَلاَمٍ يَقْتَضِي الرِّدَّةَ لَمْ يَكُنْ فِي حَقِّهِ رِدَّةٌ. صَرَّحَ بِذَلِكَ الْحَنَفِيَّةُ، يَعْنُونَ الْمَغْلُوبَ فِي عَقْلِهِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে আবেদিন শামী রাহ বর্ণনা করেন,ওয়াসওয়াসা গ্রস্থ ব্যক্তি -যার বিবেকবুদ্ধি লোপ পেতে বসেছে-তার তালাক গ্রহণযোগ্য নয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনুল কাইয়িম রাহ বলেন, যদি তালাক প্রদানকারী ব্যক্তির ওয়াসওয়াসা,বেহুশি বা পাগলামির দরুণ বিবেকবুদ্ধি লোপ পেতে থাকে, তাহলে তার তালাকও গ্রহণযোগ্য হবে না। এর উপর সমস্ত উলামাদের ঐক্যমত রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিবেক বুদ্ধি লোপ পেতে বসা ওয়াসওয়াসা রোগীর এমন কোনো কথা বার্তা যা মুরতাদ হওয়াকে লাযিম করে দেয়, সেই কথাবার্তার দরুণ উক্ত ওয়াসওয়াসার রোগী মুরতাদ হবে না।(আল-মাওসু'আতুল ফেকহিয়্যাতুল কোয়েতিয়্যাহ-৪৩/১৫৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে মনে হচ্ছে যে, আপনার মুখ থেকে অনিচ্ছা সত্বে শয়তানের পূজা করার বিষয়টি বের হয়েছে, তাই আপনার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/7448&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/7448&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/138693/?show=138703#a138703</guid>
<pubDate>Wed, 25 Feb 2026 12:59:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আমি ওয়াসওয়াসার কোর্সটি করতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/138278/?show=138293#a138293</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসার কোর্স সম্পর্কে জানতে IOM এর হটলাইনে ফোন দেয়ার পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে আপনার প্রতি কিছু আমলের পরামর্শ রইলোঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/64968&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/64968&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন, তাঁর রজ্জু মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরুন। তিনি অসীম দয়ালু। সুতরাং তিনি আপনাকে ক্ষমা করবেন ও মুক্তি দিবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মূলত এই নির্দেশ স্বয়ং আল্লাহরই। তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ ۖ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি শয়তানের পক্ষ থেকে তুমি কিছু কুমন্ত্রণা অনুভব কর, তবে আল্লাহর শরণাপন্ন হও। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সূরা হা-মীম-সিজদাহ ৩৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে কোনো উপকারী কাজে ব্যস্ত হয়ে যান।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বেশি পাঠ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আনাস রাযি. বলেন, রাসুল ﷺ (উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য) সব সময় এই দোয়া করতেন, يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِىْ عَلىٰ دِيْنِكَ হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তর আপনার দীনের উপর দৃঢ় করে দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★যে সকল স্থানে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া শিক্ষা দেয়া হয়েছে, সেখানে ওই দোয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিন। যেমন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; টয়লেটে ঢোকার সময় পড়ুন–اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ ( হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র জিনিস ও শয়তান থেকে তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাগ উঠলে পড়ুন– أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيم (আমি আল্লাহর নিকট বিতাড়িত থেকে তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্ত্রীসহবাসের সময় পড়ুন–بِسْمِ اللّهِ اللّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَ جَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا (আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ! আমাদেরকে তুমি শয়তান থেকে দূরে রাখ এবং আমাদেরকে তুমি যা দান করবে তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখ।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ঘরে প্রবেশ করার পর এবং ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর পড়ুন– أَعُوذُ بِكلِمَاتِ الله التّامّاتِ مِن شَرّ مَا خَلَقَ (আমি আল্লাহ তাআলার পূর্ণাঙ্গ কালামের কাছে তাঁর সৃষ্টির সকল অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★বেশী করে আল্লাহর জিকির করুন। কেননা, জিকির শয়তান থেকে আত্মরক্ষার শক্তিশালী দুর্গ। আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اسْتَحْوَذَ عَلَيْهِمُ الشَّيْطَانُ فَأَنسَاهُمْ ذِكْرَ اللَّهِ أُوْلَئِكَ حِزْبُ الشَّيْطَانِ أَلَا إِنَّ حِزْبَ الشَّيْطَانِ هُمُ الْخَاسِرُونَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শয়তান তাদেরকে বশীভূত করে নিয়েছে, অতঃপর আল্লাহর জিকির ভুলিয়ে দিয়েছে। তারা শয়তানের দল। সাবধান, শয়তানের দলই ক্ষতিগ্রস্ত। (সূরা মুজাদালাহ ১৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ঈমান ও ইসলামের পরিবেশে সময় ব্যয় করুন। কেননা, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فَمَنْ أَرَادَ مِنْكُمْ بَحْبَحَةَ الْجَنَّةِ فَلْيَلْزَمُ الْجَمَاعَةَ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ مَعَ الْوَاحِدِ، وَهُوَ مِنَ الِاثْنَيْنِ أَبْعَدُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জান্নাতের মাঝখানে থাকতে ইচ্ছুক, সে যেন অবশ্যই জামাতবদ্ধ জীবন যাপন করে। কেননা শয়তান একাকী মানুষের সঙ্গী এবং দু’জন থেকে সে অপেক্ষাকৃত দূরে থাকে। (তিরমিযি ২২৫৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★আপনি যেই বিষয়ে ওয়াসওয়াসায় আছেন,সে সংক্রান্ত কোন মাসআলা পড়বেন না। কাউকে জিজ্ঞাসা করতেও যাবেন না। কারো সাথে এ সংক্রান্ত আলাপ ও আলোচনাও করবেন না। মনের মাঝে এ বিষয়ক কোন কিছু আসতে দিবেন না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আসলেই অন্য বিষয় নিয়ে মগ্ন হয়ে যাবেন, প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে হাজার আল-হাইতামি রহ. বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘ওয়াসওয়াসার কার্যকরী চিকিৎসা হল, একে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও।’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা ১/১৪৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ইয্য ইবনে আব্দুস সালাম রহ. বলেন, ওয়াসওয়াসার প্রতিষেধক হচ্ছে- ব্যক্তি এ বিশ্বাস করা যে, এটি শয়তানী কুমন্ত্রণা। ইবলিস এটি তার অন্তরে আরোপ করছে এবং তার সাথে লড়াই করছে। এতে করে সে ব্যক্তি জিহাদ করার সওয়াব পাবে। কেননা সে ব্যক্তি আল্লাহ্র শত্রুর সাথে লড়াই করছে। যদি কেউ এভাবে অনুভব করতে পারে তাহলে শয়তান তার থেকে পালিয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ুন-–أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমার আশ্রয় প্রার্থনা করি তার অসম্ভষ্টি ও শাস্তি থেকে এবং তার বান্দার অনিষ্ট থেকে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে ও শয়তানের সংস্পর্শ থেকে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ফজর ও মাগরিবের পর এবং ঘুমানোর আগে সূরা ফালাক ও নাস পড়ুন। হাদিসে এসেছে, উকবা ইবনে আমের রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;أَلَمْ تَرَ آيَاتٍ أُنْزِلَتِ اللَّيْلَةَ ، لَمْ يُرَ مِثْلُهُنَّ قَطُّ ؟ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ، وَقُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমার কি জানা নেই আজ রাতে আমার ওপর যে আয়াতগুলো নাজিল হয়েছে এগুলোর মতো কোনো আয়াত দেখা যায় নি। আর তা হলো কুল আয়ুজু বি রাব্বিল ফালাক ও কুল আয়ুজু বি রাব্বিন নাস। (মুসলিম ৮১৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে গিয়ে চিল্লা বা তিনদিন সময় লাগানোর পরামর্শ রইলো। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(কিছু তথ্য সংগৃহীত)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন যে ওয়াসওয়াসায় আপনি আক্রান্ত তা দূর করে দেন। আমাদের ও আপনার ঈমান, দ্বীনদারি ও তাকওয়া বাড়িয়ে দেন।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/138278/?show=138293#a138293</guid>
<pubDate>Sat, 21 Feb 2026 13:35:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আসসালামু আলাইকুম।  ওয়াসওয়াসা এত বেড়ে গেছে যে, মাঝেমাঝে মনে হয়, নিজের অজান্তেই আমি ওই কাজগুলো করে ফেলি যা ওয়াসওয়াসা হিসেবে আসে। এইটা কি ওজর হতে পারে?</title>
<link>https://ifatwa.info/137438/?show=137439#a137439</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/137438/?show=137439#a137439</guid>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 06:36:29 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এমন কারো হলে সংসার করে গেলে কি গুণাহ হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/137110/?show=137115#a137115</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/137110/?show=137115#a137115</guid>
<pubDate>Wed, 04 Feb 2026 11:10:41 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/137067/?show=137075#a137075</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/137067/?show=137075#a137075</guid>
<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 19:37:30 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এরকম বললে কি কোন সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/137070/?show=137074#a137074</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/137070/?show=137074#a137074</guid>
<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 19:37:01 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্বপ্নে বার বার জিন দেখি।এর ব্যাখা জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/136779/?show=136792#a136792</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين&lt;br&gt;
(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)&lt;br&gt;
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত&lt;br&gt;
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي ) &lt;br&gt;
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/734&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/734&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
আপনার প্রতি নসিহা হল,আপনি ফরয ওয়াজিব বিধানকে গুরুত্বসহকারে পালন করবেন।সামর্থ্যানুযায়ী গরীব-মিসকিনকে কিছু দান করবেন। সকাল সন্ধ্যা হেফাজতের আমলগুলো করবেন। প্রতিদিন সকাল এবং বিকাল রুকইয়াহ করবেন। এবং নিম্নোক্ত দুআ পড়বেন। &quot;আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম,ওয়া নাউযুবিকা মিন শুরুরিহিম।&quot; ঘরোয়াভাবে নিজে নিজে রুকইয়াহ করবেন। &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/3469&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3469&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/136779/?show=136792#a136792</guid>
<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 08:51:43 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এটার কারণে কি কোন সমস্যা হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/136220/?show=136273#a136273</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে মুমিণগন, এমন কথাবার্তা জিজ্ঞেস করো না, যা তোমাদের কাছে পরিব্যক্ত হলে তোমাদের খারাপ লাগবে। যদি কোরআন অবতরণকালে তোমরা এসব বিষয় জিজ্ঞেস কর, তবে তা তোমাদের জন্যে প্রকাশ করা হবে। অতীত বিষয় আল্লাহ ক্ষমা করেছেন আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল। (সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এরূপ কথা বার্তা তোমাদের পুর্বে এক সম্প্রদায় জিজ্ঞেস করেছিল। এর পর তারা এসব বিষয়ে অবিশ্বাসী হয়ে গেল।(সূরায়ে মায়েদা-১০১-১০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : ما نهيتكم عنه ، فاجتنبوه ، وما أمرتكم به فأتوا منه ما استطعتم ، فإنما أهلك الذين من قبلكم كثرة مسائلهم واختلافهم على أنبيائهم . رواه البخاري ومسلم .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি যে,তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে যে সমস্ত জিনিষ থেকে নিষেধ করেছি, সে সমস্ত জিনিষ থেকে বিরত থাকো,এবং যে সমস্ত জিনিষের আদেশ করেছি, যথাসম্ভব সেগুলো পালন করার চেষ্টা করো। তোমাদের পূর্ববর্তীগণ তাদের অধিক প্রশ্ন এবং মতপার্থক্যর কারণেই ধংস হয়েছে।[সহীহ বুখারীঃ ৭২৮৮, সহীহ মুসলিম: ১৩৩৭] এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1379&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1379&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা মূলত ইলম কম থাকার কারণে তৈরী হয়। বিশেষত তালাক ও পবিত্রতা এবং হালাল হারাম বিষয়ে মৌলিক ধারণা না থাকার দরুণ ওয়াসওয়াসা তৈরী হয়। ওয়াসওয়াসা দূর করার সবচেয়ে নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ও ফলফসু মাধ্যমে হল, সরাসরি কারো কাছ থেকে উক্ত বিষয়ে বিশদ ধারণা গ্রহণ করা। তাহলে ওয়াসওয়াসা কিছুটা হলেও দূর হবে। প্রশ্নের বিবরণমতে উক্ত প্রশ্নটাই ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন। এবং এর সমাধান হল, স্থানীয় পর্যায়ে কারো কাছ থেকে উক্ত বিষয়ে জেনে নেওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা রোগী যে কি না পাগলের মত উদ্ভ্রান্ত, যার জীবনের চতুর্দিক অন্ধকারাচ্ছন্ন, সে সর্বদাই সবকিছু নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অবাস্তব ও অতিরিক্ত চিন্তা করে, তার উপর অত্যাবশ্যকীয় ওয়াসওয়াসা কোর্সকে সম্পন্ন করা। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত কথোপকথন দ্বারা কোনো সমস্যা হবে না। &lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/136220/?show=136273#a136273</guid>
<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 04:39:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: অসুস্থতা সম্পর্কে জানতে চাই যে এইটা কি জিনের দ্বারা হচ্ছে নাকি</title>
<link>https://ifatwa.info/136076/?show=136079#a136079</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে এটি জাদুর প্রভাবেও হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে বিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলার পাশাপাশি নিম্নোক্ত আমল গুলি করার পরামর্শ থাকবেঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যাদুতে আক্রান্ত রোগীর উপর অথবা কোন একটি পাত্রে আয়াতুল কুরসি অথবা সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস, সূরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো পড়বে। এগুলোর সাথে সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়বে এবং রোগীর জন্য দোয়া করবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিশেষতঃ যে দুআটি রাসূলুল্লাহ ﷺ  থেকে সাব্যস্ত হয়েছে:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اللَّهُمَّ ربَّ النَّاسِ، أَذْهِب الْبَأسَ، واشْفِ، أَنْتَ الشَّافي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفاءً لاَ يُغَادِرُ سقَماً&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(অর্থ- হে আল্লাহ! হে মানুষের প্রতিপালক! আপনি কষ্ট দূর করে দিন ও আরোগ্য দান করুন। (যেহেতু) আপনিই রোগ আরোগ্যকারী। আপনার আরোগ্য দান হচ্ছে প্রকৃত আরোগ্য দান। আপনি এমনভাবে রোগ নিরাময় করে দিন যেন তা রোগকে নির্মূল করে দেয়।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জিব্রাইল আ. নবী ﷺ-কে যে দোয়া পড়ে ঝাড়ফুঁক করেছেন সেটাও পড়া যেতে পারে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সে দুআটি হচ্ছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ , مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ أَوْ حَاسِدٍ , اللَّهُ يَشْفِيكَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(অর্থ- আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি। সকল কষ্টদায়ক বিষয় থেকে। প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চক্ষুর অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য করুন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই দোয়াটি তিনবার পড়ে ফুঁ দিবেন। সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস তিনবার পড়ে ফুঁ দিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলেমগণ বলেছেন, এ দোয়াগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিতে হবে। এরপর যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তি সে পানি পান করবে। আর অবশিষ্ট পানি দিয়ে প্রয়োজনমত একবার বা একাধিক বার গোসল করবে। তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় রোগী আরোগ্য লাভ করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/6735/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/6735/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সমস্যার সমাধান না হলে আরো করনীয় জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/50670/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/50670/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/136076/?show=136079#a136079</guid>
<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 09:13:25 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: যত হাসি তত কি কান্না হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/135313/?show=135356#a135356</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবু হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لاَ تُكْثِرُوْا الضَّحِكَ ؛ فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيْتُ الْقَلْبَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘‘তোমরা বেশি হেসো না। কারণ, বেশি হাসলে একদা অন্তরখানা নিস্তেজ প্রাণহীন হয়ে যায়’’।[তিরমিযী, হাদীস ২৩০৫ ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৬৮]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বরং একজন মুসলমানের উচিৎ নিজের অপরাধ ও আল্লাহ্ তা’আলার শাস্তির কথা মনে করে বেশি বেশি কান্না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আনাস্ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لَوْ تَعْلَمُوْنَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيْلاً وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيْرًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘‘তোমরা যদি জানতে যা আমি জানি তা হলে তোমরা কম হাসতে এবং বেশি কান্না করতে’’।[ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৬৬]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বারা’ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা আমরা রাসূল (সা.) এর সঙ্গে জনৈক ব্যক্তির জানাযার নামায ও তার কাফনে-দাফনে অংশ গ্রহণ করলে তিনি তার কবরের পাশে বসে কাঁদতে কাঁদতে কবরের মাটি ভিজিয়ে ফেললেন। অতঃপর বললেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا إِخْوَانِيْ! لِمِثْلِ هَذَا فَأَعِدُّوْا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘‘হে আমার ভাইয়েরা! এমন জায়গা তথা কবরের জন্য প্রস্ত্ততি নাও’’।[ইবনু মাজাহ্, হাদীস ৪২৭০]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যত হাসি তত কান্না, বিষয়টা আসলে এমন নয়। তবে অধিক কান্না করাই কল্যাণকর।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/135313/?show=135356#a135356</guid>
<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 05:34:51 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হিদায়ত ফিরে কীভাবে পাব</title>
<link>https://ifatwa.info/135161/?show=135170#a135170</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আনাস রাযি. বলেন, রাসুল ﷺ (উম্মতকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য) সব সময় এই দোয়া করতেন, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِىْ عَلىٰ دِيْنِكَ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তর আপনার দীনের উপর দৃঢ় করে দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আনাস রাযি. বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা আপনার উপর এবং আপনার আনিত শিক্ষার উপর ঈমান এনেছি। এখন আপনার মনে কি আমাদের সম্পর্কে কোনো সন্দেহ আছে? ( যে বেশি বেশি এই দোয়া করেন!) রাসুল ﷺ উত্তর দিলেন হ্যাঁ! সব অন্তর আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মধ্যে পড়ে আছে। আল্লাহ যেভাবে চান, এগুলোকে পরিবর্তন করেন। (তিরমিযি ২১৪০ তাকদির অধ্যায়)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ্ ﷺ দোয়া করতেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَن زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে আল্লাহ আমাকে তাকওয়ার তওফীক দান করুন এবং নাফসকে পবিত্র করুন, আপনিই তো উত্তম পবিত্রকারী। আর আপনিই আমার নাফসের মুরুব্বী ও পৃষ্ঠপোষক। (মুসলিম ২৭২২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং আপনিও দোয়াটি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নেককারদের সোহবত গ্রহণ করুন। তাদের সাথে বেশি উঠাবসা করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পুরুষ হলে তাদের  মজলিসে আসা যাওয়া করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দাওয়াত তাবলিগের মেহনতের সাথে যুক্ত হতে পারেন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নারী হলে মাহরাম পুরুষ সহকারে মাস্তুরাত জামাতে যাওয়ার পরামর্শ রইলো। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতে নফস নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাওবার উপর অটল থাকা আপনার জন্য সহজ হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَكُونُواْ مَعَ الصَّادِقِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক। (সূরা আত তাওবাহ ১১৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অধিকহারে ইস্তেগফার করুন। প্রয়োজনে এর জন্য প্রত্যেক নামাজের পর একটা নিয়ম করে নিন। যেমন, প্রত্যেক নামাজের পর ৫০/১০০/২০০ বার أسْتَغْفِرُ اللهَ   অথবা أسْتَغْفِرُ اللهَ وَأتُوبُ إلَيهِ অথবা  اللَّهُمَّ اغْفِرْ لي পড়ার নিয়ম করে নিতে পারেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★কখনো একাকী নিভৃতে থাকবেন না। কেননা একাকীত্ব গোনাহ চিন্তা করার কারণ হতে পারে। আপনার সময়কে উপকারী বিষয়ে ব্যয় করতে সচেষ্ট হোন। ঈমান ও ইসলামের পরিবেশে সময় ব্যয় করুন।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনাকে বেশি পরিমাণে কোরআন তেলাওয়াত করার ও শোনার পরামর্শ দিচ্ছি। এ মর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায়। (সূরা আনফাল ২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনুরূপভাবে আমরা আপনাকে বুঝে বুঝে নবীদের কাহিনী, সাহাবায়ে কেরামের জীবনী পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★অধিকহারে আল্লাহর যিকির করুন। কেননা, দুর্বল ঈমানের সুস্থতার জন্য যিকির খুবই উপকারী। আল্লাহর যিকির অন্তরে ঈমানের বীজ বপন করে। মুমিনের অন্তর যিকিরের মাধ্যমে প্রশান্ত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়। (সূরা রা’দ ২৮)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4622/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4622/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত স্বপ্ন ভয়ানক স্বপ্নের অন্তর্ভুক্ত। মূলত শয়তান এগুলো দেখায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ধরনের স্বপ্ন দেখার পর أعوذ بالله من الشيطان الرجيم বেশি বেশি পড়তে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাতে ঘুমানোর আগে অযু করে পবিত্র কাপড়,পবিত্র বিছানায় তাকে ঘুমাবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে শরীরে ফুক দিবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিন কুল পড়ে পুরো শরীরে ফুক দিবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;একাকী ও পূর্ণ অন্ধকার রুমে ঘুমাবেননা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/135161/?show=135170#a135170</guid>
<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 12:31:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা সমস্যার সমাধান দরকার</title>
<link>https://ifatwa.info/134599/?show=134603#a134603</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/134599/?show=134603#a134603</guid>
<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 08:54:35 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওসওয়াসা রোগী হবো কি না</title>
<link>https://ifatwa.info/132455/?show=132470#a132470</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/132455/?show=132470#a132470</guid>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 22:55:09 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: শয়তানের ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/131887/?show=131891#a131891</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/131887/?show=131891#a131891</guid>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 13:46:05 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওয়াসওয়াসা রোগী বলা হবে কি না?</title>
<link>https://ifatwa.info/131768/?show=131822#a131822</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার প্রশ্ন পড়েছি, আপনার প্রশ্ন থেকে মনে হচ্ছে যে, আপনি ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত আছেন। আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুক।আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা দান করুক।আমীন।&lt;/div&gt;</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/131768/?show=131822#a131822</guid>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 00:46:58 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>সনদেহ নিয়ে আলচ্য</title>
<link>https://ifatwa.info/131615/</link>
<description>&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/130693&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/130693&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখানে বলে আছে প্রেমের উদ্দেশ্য নক করলেই তালাক হবে এবং আমার স্বামী আরো বলেছিলেন &amp;quot;তুমি তো জানো কাকে তুমি পছন্দ করতা অতীতে তাদের নক দিবা না মোটকথা পছন্দ করো এমন কাউকে নক দিবা না &amp;quot; তবুও নাম বলছি কে কে তারপর কিছু নাম বলে . এখন সমস্যা হচ্ছে শর্ত দেওয়ার আগে অতীতে একটা মাশয়ালা নিয়ে কথা বলতে একজন হুজুরের সাথে কথা হয়েছে তখন আমি মনে মনে বলছিলাম উনি কত ভালো মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে আসছে তাই তো ব্যবহার ভালো , সুন্দর করে কথা বলে, আমার স্বামী এমন করে বলে যাতে ব্যবহার তা দোয়া করছিলাম, (শেষ এগুলো শুধু মনে মনে ধারনা ছিল এছাড়া কিছু না ) এখন শর্ত দেওয়ার পর উনার সাথে আমার আবার যোগাযোগ হয় শুধুমাত্র তালাক মাশয়ালা নিয়েই কথা হয় । কথা বলার সময় আমার বারবার মনে হচ্ছিল পূর্বের করা ধারনা নিয়ে মন বারবার বলছিল আমি তো অতীতে উনাকে পছন্দ করেছি ভালো ধারণা করছি এর জন্য কি শর্ত ভঙ্গ হলো কিনা। যতটুকু কথা হয়েছে পুরো টাইম আমি বেশ নার্ভাস ছিলাম কি হবে ভেবে তাই একবার একটু অস্বস্তিকর হাসি দিয়ে কথা বলে শেষ করি (কথা মাশয়ালা নিয়ে বলেই শেষ কিন্তু মনে সন্দেহ জাগে প্রচুর যে &amp;nbsp;হাসি দেওয়া নিয়ে এবং মনে মনে করা পূর্বের ধারনা নিয়ে)&lt;br /&gt;
এখানে আপনি ক্লিয়ার করেছেন তবে আমার একটি ব্যাপারে সন্দেহ আছে। আমি ওয়াসওয়াসা রোগী আমার স্বামীর দেওয়া শর্ত নিয়ে অনেক টেনশনে আছি যাই করি মনে হয় শর্ত ভঙ্গ হলো কিনা, তালাক হলো কিনা সবসময় এ ব্যাপারে সন্দেহ হতেই থাকে। আমাকে একটু বলবেন শর্ত ভঙ্গ হলো কিনা এবং ওয়াস ওয়াসার দেওয়া কোর্স করছি আলহামদুলিল্লাহ অনেক কমেছে বাট এই ঘটনা নিয়ে অনেক টেনশনে ছিলাম তাই একটা উওর দরকার।</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/131615/</guid>
<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 11:20:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওয়াসওয়াসা রোগী কি না জানাবেন</title>
<link>https://ifatwa.info/131070/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ&lt;br /&gt;
আমি ওয়াসওয়াসা রোগী কি না একটু দেখে জানাবেন ইনশাআল্লাহ&lt;br /&gt;
১)আমি হুটহাট রেগে গেলে একটা বাজে শব্দ উচ্চারণ করতাম। একদিন নামাজ আর পবিত্রতা নিয়ে বলে ফেলেছি আস্তাগফিরুল্লহ। তখন আমি ঈমান, কুফরি সংক্রান্ত মাসআলা জানতে পারি। তখন থেকে ধীরে ধীরে আমার একটা না একটা চিন্তা লেগে থাকে। আমি এখন চেষ্টা করি রাগ হলে নিজের রাগ সংবরণ করে থাকতে যেন কোনো খারাপ কথা আর না আসে। কিন্তু আমার মাথাতে সবসময় রাগ হলেই ওই শব্দ টা চলে আসে আর সেটা মনে মনে চিন্তা তে আসে নাকি আমি মুখে উচ্চারণ করে ফেলেছি এটা নিয়ে সন্দেহ হয়। এখন সবকিছু নিয়ে ভয় হয় এই বুঝি আমার ইমানে সমস্যা হয়ে গেল। বাজে চিন্তার বেশিরভাগেরই ওই শব্দ টা নিয়ে আসে সেটা মুখে বলেছি নাকি মনে মনে এটা নিয়ে টেনশনে পরে যাই। মনে চায় কেউ যদি সর্বক্ষণ আমার সাথে থাকতো কি বলি না বলি সব সে শুনতো আর তার থেকে শুনে নিতাম কোনো খারাপ কিছু বলেছি কি না। এছাড়া অন্য যেকোনো চিন্তা আসলে আমি মুখ খুলতে ভয় পাই এই বুঝি কিছু বলে ফেলবো।&lt;br /&gt;
২) একদিন নামাজ পড়াকালীন সময়ে আমার ছোট বাবু সিজদা দেওয়ার সামনেই বসে ছিল। যখন সিজদা দিব তখন মনে হলো আমি ওকে সিজদাহ্ দিচ্ছি নাউজুবিল্লাহ। এটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।পরদিন আবার নামাজ পড়ার সময় কালকের ঘটনা ভাবতেছিলাম যে কিভাবে ওই চিন্তা টা আমার মাথায় আসলো তাই আজ ইচ্ছে করে মনে ওই চিন্তা টা নিয়ে আসি যে আমি ওকে সিজদাহ্ দিচ্ছি।এটা আমি জাস্ট বুঝার জন্য মনে এনেছি। আমি তো জানি ইবাদত, সিজদাহ্ পাওয়ার যোগ্য একমাত্র আল্লাহ। কিন্তু এহেন ভাবনাতে কি আমি কাফের হয়ে গেলাম কি না বড় টেনশনে পরে যাই তখন। এতে কি কোনো সমস্যা হবে?&lt;br /&gt;
৩)আজ নামাজ পড়াকালীন সময়ে মূর্তি নিয়ে কি জানি চিন্তা করতেছিলাম। সিজদা দেওয়ার সময় মনে হলো আমি ওই মূর্তি কে সিজদা দিচ্ছি। এটা আজকে একবারই মনে হলো। আমি সম্ভবত ভাবতেছিলাম অনেকের সিজদা দেওয়ার সময় মূর্তি কে সিজদা দিচ্ছে এরকম ভাবে আমার এমন হয়নি। কিন্তু আমি শিওর না এটাই ভাবতেছিলাম কি না। আমার এমন ভাবনাতে কি কোনো সমস্যা হবে? নামাজ শেষে নিজেকে দোষ দিচ্ছি কেন মূর্তি নিয়ে ভাবতে গেলাম নাউজুবিল্লাহ।&lt;br /&gt;
৪) উপরের ওগুলো তে আমার ঈমানে সমস্যা হবে? নাকি এগুলো আমার ওয়াসওয়াসা? যদি ওয়াসওয়াসা হয় তাহলে আমার উপর শরীয়ত এর হুকুম কি হবে?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/131070/</guid>
<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 17:14:12 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>স্বপ্নের ব্যাখ্যা+ ওয়াসওয়াসা  রোগী কি না!!</title>
<link>https://ifatwa.info/130907/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১) কাল ঘুমের মধ্যে আমি ছোট ছোট অনেকগুলো কেটে কুটে রাখা &amp;nbsp;তেলাপিয়া মাছ ধোঁয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটা দিয়ে কি বুঝাচ্ছে?&lt;br /&gt;
২)আমি ওয়াসওয়াসা রোগী কি না দয়া করে একবার জানাবেন উস্তাদ। আমি খুব পেরেশানি তে আছি আমাকে একটু দয়া করুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমি হুটহাট রেগে গেলে একটা বাজে শব্দ উচ্চারণ করতাম। একদিন পবিত্রতা নিয়ে অন্য দিন নামাজ নিয়ে বলে ফেলেছি। এভাবে বললে যে মানুষ কাফের হয়ে যাবে তা আমি জানতাম না। আর ওগুলো ইচ্ছা কৃত নাকি অনিচ্ছায় বলেছি সেটা আমার মনে নেই কারণ তখন আমি এগুলোর বিষয়ে জানতাম না তাই গুরুত্ব ও দেই নি। একদিন পবিত্রতা নিয়ে যখন বাজে কথা বলে ফেলেছি সেদিন যখন মনে পরে আমি বাজে কথা বলে ফেলেছি পবিত্রতা নিয়ে তখন আল্লাহর কাছে তওবা করি। আমি রাগের বশে বলে ফেলেছি তখন আমার মাথায় চলে আসে স্বামী স্ত্রী কেউ কুফুরি কাজ করলে বিবাহ ভঙ্গ হয়। সেদিন আই ফতোয়া তে এগুলো ঘাটাঘাটি করে আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পরেছিলাম এর পর থেকে আমি নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করছি কিন্তু এখন একটার পর একটা চিন্তা লেগেই থাকে। আল্লাহ, নবীজি, নামাজ সব নিয়ে গালিগালাজ চলে আসে। আমি এখন সর্বোচ্চ চেষ্টা করি আর কোনো বাজে শব্দ যেন না উচ্চারণ করি কিন্তু আমার মাথায় শুধু গালিগালাজ চলে আসে। যখন মাথায় বাজে চিন্তা আসে তখন কিছুক্ষণ পর ভয় পেয়ে যাই এগুলো আমার মনে মনে চলে আসছে নাকি মুখে উচ্চারণ করে ফেলেছি। তখন আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পরি আমি মুখে বলেছি নাকি মনের মধ্যে ওই কথা গুলো সীমাবদ্ধ ছিল তা নির্ণয় করতে পারিনা। এখন কোনো কথা বলতে গেলেই আমি ভয় পাই। বাজে চিন্তা আসলে ঠোঁট একটু খোলা থাকলেই আমার চিন্তা বেড়ে যায়। আমি জানিনা এগুলো সত্যি নাকি ওয়াসওয়াসা। আমাকে একবার বলে দিন প্লিজ আমার মধ্যে ওয়াসওয়াসা সমস্যা আছে কি না?? আমি অজ্ঞ তা বশত নামাজ,পবিত্রতা নিয়ে যে বাজে কথা বলে ফেলেছি এর জন্য আমার ঈমানে সমস্যা হবে কি না?? &amp;nbsp;আমি না জেনে বলে ফেলেছি। একবার দয়া করে আমাকে উত্তর দিয়ে সাহায্য করুন প্লিজ উস্তাদ।</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130907/</guid>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 05:01:53 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>রুকইয়াহ আম্মা বিষয়ক প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/130822/</link>
<description>السلام عليكم و رحمة الله و بركاته&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উস্তায, আমি নিজেই নিজের রুকইয়াহ আম্মা করাতে চাই।&lt;br /&gt;
১. রুকইয়াহ করানোর ক্ষেত্রে পর্দার বিধান কেমন হবে? আমরা যেভাবে নামাজ পড়ি, সেভাবে সতর ঢাকা থাকলেই হবে? নাকি পরিপূর্ণ মুখ ঢেকে পর্দা করে রুকইয়াহ আয়াতগুলো পড়তে হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. রুকইয়াহ আম্মাতে এক যায়গায় পানি ছিটানোর কথা উল্লেখ আছে। অর্থাৎ বসার পূর্বেই সামনে পানি নিয়ে বসতে হবে। ঐ পানি কি রোগীর গায়ে এবং আশেপাশে ছিটানোর কথা বলা হয়েছে?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130822/</guid>
<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 02:45:46 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>তালাক সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/130814/</link>
<description>Assalamu Alaikum Warahmatullah.kono sami k bar bar kenya talaker niot jigges korle niot k ossikar korele mane niote kichu bole ni bolle r jigges korle rege jabe/jai bidhai istri jodi shami na buje moto emnite bole amake valo baso sorasori niot jigges na kore?sami jodi emnite bole na basi na.sami dhoren janeo na istri kno jigges korteche ba emnite prosnor uttor vebe amn bolle ki kono somossa hoi?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
eirokom sami na buje moto kuno istri question korle r sami na buje utthor dile ki kono somossa hoi?mane sorasori jigges korle sami rege jabe vebe eivabe korle ?kinto jotobar dhoren jigges koreche sorasori mane talaker niote kichu boleche kina totobar na bolle ?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130814/</guid>
<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 16:27:53 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>একই বিষয় নিয়ে বারবার ওয়াসওয়াসা কাজ করে</title>
<link>https://ifatwa.info/130687/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন চিকিৎসক। একজন মা।চিকিৎসা ক্ষেত্রে, আমাকে অনেক বেশি পড়াশোনা, জব এগুলিতে ফোকাস করতে হয় &amp;nbsp;। নিজের আচার-আচরণ,অনেক সময় পরিবর্তন হয়।বাইরের stress সন্তানের উপর পড়ে অনেক সময় । এবং অনেক সময় নিয়মিত সালাত আদায় করা, সঠিক সময়ে সালাত আদায় করা ও কষ্টকর হয়ে যায়। স্বামীকেও সব যথেষ্ট সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। এমত অবস্থায় &amp;nbsp;মন &amp;nbsp;সব সময় অস্থির থাকে, &amp;nbsp;কোনভাবেই শান্ত হয় না। &amp;nbsp;মনে হয় গুনাহ করছি। সাহাবীদের মত জীবন যাপন করতে পারছি না।আশারে মোবাশারা &amp;nbsp;যারা ছিলেন তারাই সফলকাম। আখেরাতের জিন্দেগি নিয়ে খুব বেশি ভয় হয়, কবরের সঠিক জবাব দিতে পারব কিনা, এত লম্বা সময় পরকাল কাটাবো। প্রতিটা কাজের জন্য ভয় হয়। মনে হয় সব ছেড়ে দিয়ে বাসায় থাকি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বাসায় থাকলেও, মন অস্থির থাকে। কয়েকদিন ভালো লাগে এরপর আবার অশান্ত হয়ে যায়। বাইরের সবার বিভিন্ন ধরনের কথা শুনতে হয়। পরিবারের চাপ তো আছেই।এমত অবস্থায় ভয় হয়, আবার জব শুরু করলে, কোন কথায় কাজে স্বামীকে যদি আবার কষ্ট দিয়ে ফেলি, সেজন্য তো জাহান্নামী হতে হবে (আমার স্বামীকে ছোটখাটো কথার /কাজের মাধ্যমে অজান্তে কষ্ট দিয়ে ফেলে সরি বললেও ঠিক হতে চায়না, প্রতিটা এরকম ব্যাপারের জন্য এক দেড় মাস ঝগড়া থাকে, এর জন্যও তো জাহান্নামী হতে হবে আমাকে এই ভয় হয়)। এখন আমার স্বামী বলেন, তুমি জব না করলে ডিপ্রেশনে পড়ে যাবা। আমি আল্লাহর উপর একিন রেখেছি। আমি যদি চাকরিতে জয়েন না করি, এটা কি আল্লাহর জন্য করা হবে ?? আমি প্রচন্ড ভয় পাচ্ছি, মন অস্থির থাকছে, আমি যদি আবার ফিতনায় পড়ে যাই,কারণ বাইরের &amp;nbsp;রূঢ় আচরণ &amp;nbsp;আমাকে কিছুটা হলেও প্রভাবিত করতে পারে, নাও করতে পারে। কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে। এই অবস্থায়, কোন দিকে ঠিক থাকতে পারছি না। একবার মনে হচ্ছে, জবে জয়েন করি, দ্বিনি বোনদের খেদমতের জন্য কাজ করবো, এতে সাদগায় জারিয়া হিসেবে সারা জীবন সব পেতে থাকবো, আবার এক দিকে চিন্তা করি, যদি ওই ফিতনার পরিবেশে(মহিলাদের পরিবেশ কিন্তু অনেক রুঢ ও পরিবেশ,যেখানে গিয়ে আমার আচরণ রূঢ় &amp;nbsp;&amp;nbsp;হয়ে পরবর্তীতে স্বামীকে কষ্ট দিয়ে ফেলতে পারি ) &amp;nbsp;। আবার ভাবি আমার ঈমান আমল ঠিক রাখতে পারব তো ঐরকম পরিবেশে গিয়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমত অবস্থায় ইস্তেখারা করেছি অনেকদিন। কিছুই বুঝিনা। একবার এক দিক চিন্তা করি তো আরেকবার আরেক দিক।মনে সব সময় অস্থির থাকছে। অনেক বেশি ইস্তেগফার করছি। কি করা উচিত এমন অবস্থায়??? কেন কোন কথাতেই মন শান্ত হচ্ছে না। কোন নির্দিষ্ট ফিক্সড ডিসিশনে যেতে পারছি না। দয়া করে পরামর্শ দিবেন এবং আমার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করবেন। কোন দিকে গেলে আল্লাহর পথে যাওয়া হবে?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130687/</guid>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 12:26:05 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/130420/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম। একটা বিষয় এ আমি নতুন জানলাম। যে আল্লাহর গুনবাচক নাম কারো রাখা যাবে না৷ আর সেই নামে &amp;nbsp;নাকি কাউকে ডাকা যাবে না। এখন আমি জানি না কোন কোন নাম ডাকলে সমস্যা হয়। আপনাদের কাছে তাই বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি। কিন্তু মানুষ তো অহরহ ভাবে কত নামেই ডাকতেছে। &amp;nbsp;যেমন : জব্বার, রাজ্জাক, কাদির, লতিফ, রহীম, রহমান । মানুষ এগুলো নাম রাখে, আর অনেকে ডাকেও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১) কেউ এসব নামে &amp;nbsp;মানুষ কে ডাকার কারনে তার ঈমানে সমস্যা হবে? &amp;nbsp;নাকি এসব নাম নিয়ে মজা করলে? &amp;nbsp;কারোর নাম যদি এসব হয় তাহলে তো মানুষ কে এই নামে ডাকতেই হবে। যে ডাকতেছে সে তো মানুষ কে ডাকতেছে। &amp;nbsp;আমাকে বুঝায় দিন দয়া করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২) আমার এক মামার নাম কাইয়ুম। আমি প্রায়ই ডেকে ফেলি কাইয়ুম মামা। আমার বাসায় সবাই তাকে নাম ধরে ডাকে। উনাকে সবাই এই নামেই ডাকে। আবার এক নানার নাম ওয়াহাব। উনাকেও সবাই এই নামেই ডাকে। এখন থেকে কি এই নামে আর ডাকতে পারবো না? ডাকলে কি ঈমানে সমস্যা হবে? যেহেতু এখন জেনে গেছি।</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130420/</guid>
<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 06:09:30 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওমরা করতে যাওয়া নিয়ে একটি প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/130207/</link>
<description>السلام عليكم و رحمة الله و بركاته&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমার খুব সেনসেটিভ একটা প্রশ্ন।সঠিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করুন প্লীজ।&lt;br /&gt;
আমার বাবা মা উমরাহ সফরে যাবে ইনশাআল্লাহ। তো আমাকেও জিজ্ঞেস করতেছে আমি যাবো কিনা,গেলে নিয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিটা মানুষেরই তো ইচ্ছে থাকে রাসূলের দেশে যাওয়ার। আমারও অনেক ইচ্ছে। কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না যাবো কিনা।কারণ আমার অনেক ওয়াসোওয়াসার সমস্যা আছে।আল্লাহ,রাসূল ﷺ নিয়ে মাঝে মাঝে অবমাননা আসে,একদম নিকৃষ্ট ভাবে (নাউযুবিল্লাহ),এতটাই নিকৃষ্ট এজন্য উল্লেখ করছি না। আমি ইচ্ছে করে এমন করিনা, কেন এমন হয় আমি নিজেও জানি না।আমি ফোনেই মক্কা,মদিনা,রাসূলের রওজা বেশি দেখতে পারি না এ কারণে। এগুলো নিয়ে চিন্তাও করতে পারি না।আমার পা কাপে,খারাপ চিন্তা মাথায় আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন ভয় হচ্ছে সরাসরি যখন দেখবো তখনও তো এমনই হবে।না চাইতেও হবে।&lt;br /&gt;
আর এ কারণে আমার মন সায় না উমরাহ করতে যাওয়ার জন্য। মনে হয় আল্লাহ ও রাসূলের ﷺ প্রতি অবমাননা হওয়ার চাইতে না যাওয়াই ভালো ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;আমাকে এখন পরামর্শ দিন আমার কি করা উচিত। যাওয়া ঠিক হবে নাকি না যাওয়া?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/130207/</guid>
<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 01:58:18 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>তালাক সংক্রান্ত ওয়াসওয়াসা</title>
<link>https://ifatwa.info/128984/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। কোন স্ত্রী তালাক চায়লে স্বামী দিবে বললে এমনিতে কিন্তু যদি দেওয়ার ইচ্ছে না থাকে এমনিতে দিবে বললে।পরে তালাকের মজলিস ছাড়া বা কয়েকদিন পর ঝগড়াঝাটিতে এমনিতে কেনায়া শব্দ বললে নিয়ত ছাড়া কি তাহলে কি তালাক হয়?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/128984/</guid>
<pubDate>Sun, 05 Oct 2025 15:05:00 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/128880/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ&lt;br /&gt;
১) এক বোন পাক পবিত্রতা বজায় রাখতে গিয়ে বিরক্ত হয়ে গালিগালাজ করলে সে কি কাফের হয়ে যাবে? তার বৈবাহিক সম্পর্কে কোনো সমস্যা হবে? &amp;nbsp;ঘটনটি সকালের দিকে ঘটে, আর মাগরিবের পর তওবা করেছে।&lt;br /&gt;
২) বিয়ের পর কুফরি যুক্ত গান গেয়ে ফেলেছি কি না সন্দেহ হলে কি করনীয়?&lt;br /&gt;
৩) কেউ কুফরি বা শিরক যুক্ত গান শুনলে বিবাহ ছিন্ন হয়ে যায়?</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/128880/</guid>
<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 12:51:08 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>রুকাইয়া সংক্রান্ত</title>
<link>https://ifatwa.info/128455/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম, আমার সম্পর্কের একজন মহিলা সে কবিরাজি করে জানতে পারে যে তার স্বামী তার টাকা - পয়সা সম্পদ ইত্যাদি তার মাকে দিয়ে দিচ্ছে, এখন যে কবিরাজ কবিরাজি করেছে সে এগুলো কিভাবে জানতে পারে এটা প্রশ্ন করলে মহিলা বললো সেই কবিরাজ নাকি কোরআনের আয়াত দিয়ে চেক করে বলতে পারে, সে নাকি একজন রাক্বি, আমার প্রশ্ন হলো যে ঐ কোরআনের আয়াত দিয়ে কি আসলেও এগুলো জানা যায়, যেমন তার স্বামী কি বিয়ে করেছে, তার সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ করার পিছনে কার কার হাত আছে? এই মহিলা প্রায় সময় এই বিষয় গুলো সে কবিরাজ কে দিয়ে চেক করে জানতে পারে, এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কি জায়েজ হবে? কারণ এগুলো তো গায়েবের খবর, বিস্তারিত ব্যাখ্যা সহ জানাবেন ইনশাআল্লাহ,</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/128455/</guid>
<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 10:34:29 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/128439/</link>
<description>১।যদি এমন হয় অনিচ্ছাকৃত ভাবে রাগে বলে যাও ছেড়ে দিলাম তবে কি তালাক হবে?&lt;br /&gt;
২।আর যদি এমনও হয় অনিচ্ছাকৃত ভাবে ঝগড়ায় বলে এক তালাক দিলাম তবেও কি তালাক হবে?&lt;br /&gt;
ঘটনাটি হল - হাজবেন্ড দুইবার দুই সময়ে ঝগড়ার মধ্যে বলেছে ছেড়ে দিসি, চলে যাও। হজবেন্ড তখন জানতেনই না এগুলোর মাধ্যমেও তাকাক পতিত হতে পারে।আরেকবার ঝগড়ার &amp;nbsp;সময় বলেছে এক তালাক দিলাম। তাও ইচ্ছাকৃত নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন কি তাদের তালাক হয়েছে? আর যদি না হয় কিভাবে ফিরিয়ে আনবে</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/128439/</guid>
<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 06:54:52 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/128402/</link>
<description>১। কোন মানুষ অন্য মানুষের এমনিতে কথার রিপ্লে দিতে গিয়ে মেসেজে আচ্ছা লিখতে চেয়ে হঠাৎ তালাকের ওয়াসওয়াসা আসার কারনে অর্ধেক লিখে কেটে দিয়ে আবার লিখে।এমনিতে কথার রিপ্লাই হিসেবে।এতে কি কোন সমস্যা হয় বৈবাহিক?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২।কোন মানুষ &amp;nbsp;মাসআলা জানার জন্য যদি মানে তালাকের মাসআলা জানার জন্য &amp;nbsp;প্রশ্ন করার সময় শব্দটা লেখার সময় ওয়াসওয়াসা আসে আবার কেটে দেয়।আবার লেখে বা অন্য শব্দ লেখে তাহলে কি কোন সমস্যা হয়?উদ্দেশ্য যদি হয় শুধু মাসআালা জানতে চাওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩।কাউকে কোন কথা বুঝানোর &amp;nbsp;মুখে বা মেসেজে সময় ও এমন কারো হলে কি কোন সমস্যা &amp;nbsp;হয় ২ নং এর মত?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪।কোন প্রশ্ন করার সময় বা কাউকে কথা বুঝানোর অন্য প্রশ্ন থেকে &amp;nbsp;কপি করে এনে এরকম ফতোয়া।যতটুকু লাগে রেখে বাকি অংশ কেটে &amp;nbsp;দিলে কোন সমস্যা হয়? যেমন কোন প্রশ্নে লেখা আছে কোন মানুষ তালাক দিছে কিন্তু যে কপি করে আনতেছে সে ঐ লেখাটা কেটে যতটুকু তার লাগবে ততটুকু রাখলে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসব বিষয়ে জানার জন্য।</description>
<category>ওয়াসওয়াসা</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/128402/</guid>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 16:36:45 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>