<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Islamic Fatwa - Recent questions and answers in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</title>
<link>https://ifatwa.info/qa/family-life-marriage-%26-divorce</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>Answered: স্বামীকে হালাল ভাবে বশ করার দুয়া ও তদবির</title>
<link>https://ifatwa.info/144407/?show=144408#a144408</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত সমস্যার সমাধানের জন্য পারিবারিক মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে আপনার স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীকে চিল্লায় পাঠাতে পারেন,ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নিয়মিত নামাজী হওয়ার আমল জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/106257/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/106257/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী যেনো আপনাকে ভালোবাসে,এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল পাইনি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু কৌশল ও কর্মপন্থা আছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেগুলো অবলম্বন করলে স্ত্রী স্বামীর&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভালোবাসা পেতে পারেন। যেমন- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার সামনে সুন্দর/আকর্ষণীয় পোশাক পড়ুন। আপনার চুল সব সময় আঁচড়ে রাখুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সময় দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। দরজা খোলার সাথে সাথেই হাসিমুখে সালাম দিন। ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীর এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে মাঝে মধ্যে কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না। আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন। তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সংগৃহীত।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কেহ কেহ নিম্নের আমলের কথা বলেছেন,যদিও আমলটির দলিল নেই,তবে বুযুর্গানে দ্বীন বলে থাকতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ আমলটি করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﺨِﺬُ ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧْﺪَﺍﺩًﺍ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻧَﻬُﻢْ ﻛَﺤُﺐِّ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺃَﺷَﺪُّ ﺣُﺒًّﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻮْ ﻳَﺮَﻯ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﺇِﺫْ ﻳَﺮَﻭْﻥَ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟْﻘُﻮَّﺓَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা : আয়াত ১৬৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তখন স্ত্রী মিষ্টি জাতীয় বস্তুর ওপর এ আয়াত পাঠ করে দম (ফুঁ) করবে এবং স্বামীকে তা আহার করাবে। আল্লাহর ইচ্ছায় অসন্তুষ্ট স্বামী স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144407/?show=144408#a144408</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:36:02 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি পর্যায়ে গেলে করনীয়</title>
<link>https://ifatwa.info/144401/?show=144406#a144406</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত সমস্যার সমাধানের জন্য পারিবারিক মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে আপনার স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীকে চিল্লায় পাঠাতে পারেন,ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নিয়মিত নামাজী হওয়ার আমল জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/106257/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/106257/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী যেনো আপনাকে ভালোবাসে,এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল পাইনি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কিছু কৌশল ও কর্মপন্থা আছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেগুলো অবলম্বন করলে স্ত্রী স্বামীর&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভালোবাসা পেতে পারেন। যেমন- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার সামনে সুন্দর/আকর্ষণীয় পোশাক পড়ুন। আপনার চুল সব সময় আঁচড়ে রাখুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সময় দরজায় এমন ভাবে ছুটে যান যেন আপনি তারই অপেক্ষায় ছিলেন। দরজা খোলার সাথে সাথেই হাসিমুখে সালাম দিন। ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই সমস্যার কথা বলা শুরু করবেন না। তাকে কিছুটা মানসিক বিরতি দিন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শাশুড়ির সাথে ভাল আচরণ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীর এমন বিষয়ে প্রশংসা করুন যে বিষয়ে তিনি নিজে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে মাঝে মধ্যে কোন গৃহস্থালি কাজ দিন, কাজটি করে ফেললে তাকে ধন্যবাদ জানান। এতে সে আরও উৎসাহিত হবে। সে যখন কোন একঘেয়ে কথা বলে, তার কথা ধৈর্য ধরে শুনুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে বারবার বলুন আপনি তাকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাবেন না, আর তাকে না জানিয়ে তো অবশ্যই বের হবেন না। আপনার স্বামী আপনার জন্য কষ্ট করে কাজ করে উপার্জন করছেন এবং আপনার খাওয়া-পরার বন্দোবস্ত করছেন- এই ব্যপারটির সবসময় প্রশংসা করুন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রতি ওয়াক্তের নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের মধ্যকার ভালবাসার ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে দেন এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন। দোয়ার মত কার্যকরী কিছুই নেই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা তখনই থাকে যখন আল্লাহ তাদের মাঝে এটা দেন। তাহাজ্জুদ নামাজের সময় তাকে ডাকুন এবং আপনার সাথে তাকেও নামাজ পড়তে বলুন। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনাদের দুজনকেই মুত্তাকী হতে সাহায্য করেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সর্বাগ্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করুন। যদি সমস্ত স্ত্রীরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টায় রত থাকে, নিশ্চিতভাবেই তারা তাদের স্বামীদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সংগৃহীত।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে কেহ কেহ নিম্নের আমলের কথা বলেছেন,যদিও আমলটির দলিল নেই,তবে বুযুর্গানে দ্বীন বলে থাকতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ আমলটি করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﺨِﺬُ ﻣِﻦْ ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧْﺪَﺍﺩًﺍ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻧَﻬُﻢْ ﻛَﺤُﺐِّ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺃَﺷَﺪُّ ﺣُﺒًّﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻮْ ﻳَﺮَﻯ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﺇِﺫْ ﻳَﺮَﻭْﻥَ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟْﻘُﻮَّﺓَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺷَﺪِﻳﺪُ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা : আয়াত ১৬৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তখন স্ত্রী মিষ্টি জাতীয় বস্তুর ওপর এ আয়াত পাঠ করে দম (ফুঁ) করবে এবং স্বামীকে তা আহার করাবে। আল্লাহর ইচ্ছায় অসন্তুষ্ট স্বামী স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144401/?show=144406#a144406</guid>
<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:31:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/144311/?show=144312#a144312</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144311/?show=144312#a144312</guid>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 07:34:53 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক বিশুদ্ধ হওয়ার বিষয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144205/?show=144305#a144305</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/55291/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/55291/&lt;/a&gt;  নং ফাতাওয়াতে আমরা বলেছি যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তালাক দেওয়ার অধিকার শুধু স্বামীর। হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ سَيِّدِي زَوَّجَنِي أَمَتَهُ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنِي وَبَيْنَهَا قَالَ فَصَعِدَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَا بَالُ أَحَدِكُمْ يُزَوِّجُ عَبْدَهُ أَمَتَهُ ثُمَّ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنَهُمَا إِنَّمَا الطَّلَاقُ لِمَنْ أَخَذَ بِالسَّاقِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমার মনিব তাঁর বাদীকে আমার সাথে বিবাহ দিয়েছে। এখন সে আমার আর আমার স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে আরোহণ করলেন, অতঃপর বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের কারো এরূপ আচরণ কেন করো যে, সে তার গোলামের সাথে তার বাদীর বিবাহ দেয়, অতঃপর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়? নারীর ঊরু স্পর্শ করা যার জন্য বৈধ, তালাকের অধিকার তার। [সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮১]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم &quot; ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ &quot; . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বিষয় এমন যেগুলির যথার্থ তো যথার্থই এমনকি সেগুলোর কৌতুকের ব্যবহারও যথার্থ: বিবাহ, তালাক, রাজআত। - ইবনু মাজাহ ২০৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৮৫ ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★শরীয়তের বিধান অনুযায়ী মহিলা নিজের উপর কেবল তখনি তালাক পতিত করতে পারবে, যদি স্বামী তাকে তালাক দেবার অধিকার দিয়ে থাকে। এটি নিকাহ নামার ১৮ নং ধারাতে হ্যাঁ লেখার মাধ্যমেই হোক, বা পরবর্তীতে মৌখিক বা লিখিত ভাবেই হোক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করে, আর স্ত্রী স্বামী কর্তৃক তালাকে তাভবিজের ক্ষমতাবলে লিখিত বা মৌখিকভাবে নিজের নফসের উপর তালাক দিয়ে দিলে সেটি পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/12329/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/12329/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে তালাক হয়েছে কি না জানতে হলে ডিভোর্সড পেপার দেখার প্রয়োজন। কারণ, ডিভোর্সড পেপারে কি শব্দে তালাক লেখা ছিলো? ইত্যাদি বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকায় বিস্তারিত উত্তর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিয়ের কাবিননামা, তালাকনামা নিয়ে নিকটস্ত কোনো নির্ভরযোগ্য ইফতা বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144205/?show=144305#a144305</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:58:07 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: অধিকার অবশিষ্ট আছে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144192/?show=144293#a144293</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/36539/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/36539/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ  &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তালাক হচ্ছে স্বামীর অধিকার। স্বামী তালাক দিলেই তালাক সংঘটিত হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ مُوسَى بْنِ أَيُّوبَ الْغَافِقِيِّ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ سَيِّدِي زَوَّجَنِي أَمَتَهُ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنِي وَبَيْنَهَا قَالَ فَصَعِدَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمِنْبَرَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَا بَالُ أَحَدِكُمْ يُزَوِّجُ عَبْدَهُ أَمَتَهُ ثُمَّ يُرِيدُ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنَهُمَا إِنَّمَا الطَّلَاقُ لِمَنْ أَخَذَ بِالسَّاقِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমার মনিব তার বাঁদীকে আমার সাথে বিবাহ দিয়েছে। এখন সে আমার ও আমার স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে আরোহণ করলেন, অতঃপর বলেনঃ হে লোকসকল! তোমাদের কারো এরূপ আচরণ কেন যে, সে তার গোলামের সাথে তার বাঁদীর বিবাহ দেয়, অতঃপর তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়? নারীর ঊরু স্পর্শ করা যার জন্য বৈধ, তালাকের অধিকার তার।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮১.বায়হাকী ৯/১৫৭, ইরওয়াহ ২০৪১।)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★শরীয়তের বিধান অনুযায়ী  মহিলা নিজের উপর কেবল তখনি তালাক পতিত করতে পারবে, যদি স্বামী তাকে তালাক দেবার অধিকার দিয়ে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি নিকাহ নামার ১৮ নং ধারাতে হ্যাঁ লেখার মাধ্যমেই হোক,বা পরবর্তীতে মৌখিক বা লিখিত ভাবেই হোক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করে,আর স্ত্রী স্বামী কর্তৃক তালাকে তাভবিজের ক্ষমতাবলে লিখিত বা মৌখিকভাবে নিজের নফসের উপর তালাক দিয়ে দিলে সেটি পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/12329/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/12329/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়ায়ে শামীতে আছেঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;قال لھا: طلقي نفسک ولم ینو أو نوی واحدة فطلقت وقعت رجعیة الخ (الدر المختار مع رد المحتار، کتاب الطلاق، باب الأمر بالید، ۴: ۵۷۵، ط: مکتبة زکریا دیوبند)۔&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেহ যদি তার স্ত্রীকে বলে,তুমি তোমার নিজের নফসকে তালাক দাও,কোনো নিয়ত না করে,অথবা এক তালাকের নিয়ত করে,অতঃপর স্ত্রী তালাক দেয়,তাহলে এক তালাকে রজয়ী পতিত হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/67418/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/67418/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছে, &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তাফবীযে তালাকের সাথে কোনো শর্ত বা সময় উল্লেখ না থাকলে সেই তাফবীয বা তালাকের অধিকারটি মজলিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং স্বামীর কথা&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;তুমি ডিভোর্স দিয়া দিও&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এদ্বারা মজলিসের মধ্যে তালাকের অধিকার সীমাবদ্ধ থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفی الدر المختار مع رد المحتار:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;قال لها أنت طالق إن شئت فقالت شئت إن شئت أنت، فقال: شئت ينوي الطلاق أو قالت شئت إن كان كذا لمعدوم) أي لم يوجد بعد كإن شاء أبي أو إن جاء الليل وهي في النهار (بطل) الأمر لفقد الشرط..(وإن قالت شئت إن كان الأمر قد مضى) أراد بالماضي المحقق وجوده كإن كان أبي في الدار وهو فيها، أو إن كان هذا ليلا وهي فيه مثلا (طلقت) لأنه تنجيز (قال لها أنت طالق متى شئت أو متى ما شئت أو إذا شئت أو إذا ما شئت فردت الأمر لا يرتد ولا يتقيد بالمجلس ولا تطلق) نفسها&quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ج:٣,ص:٣٦,ط: دار الفكر)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্ম:-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি স্বামী বলে যে তুমি তালাক যখন যখন চাইবে অর্থাৎ যখন তুমি চাইবে তখন তালাক,,,,তারপর বিষয়টি ফিরিয়ে নিতে চাইলে ফিরিয়ে নেয়া যাবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এবং মজলিসের সহিত সীমাবদ্ধ থাকবেনা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;إذَا قَالَ لِامْرَأَتِهِ اخْتَارِي يَنْوِي بِذَلِكَ الطَّلَاقَ أَوْ قَالَ لَهَا طَلِّقِي نَفْسَك فَلَهَا أَنْ تُطَلِّقَ نَفْسَهَا مَا دَامَتْ فِي مَجْلِسِهَا ذَلِكَ وَإِنْ تَطَاوَلَ يَوْمًا أَوْ أَكْثَرَ مَا لَمْ تَقُمْ مِنْهُ أَوْ تَأْخُذَ فِي عَمَلٍ آخَرَ وَكَذَا إذَا قَامَ هُوَ مِنْ الْمَجْلِسِ فَالْأَمْرُ فِي يَدِهَا مَا دَامَتْ فِي مَجْلِسِهَا وَلَيْسَ لِلزَّوْجِ أَنْ يَرْجِعَ فِي ذَلِكَ وَلَا يَنْهَاهَا عَمَّا جَعَلَ إلَيْهَا وَلَا يَفْسَخُ كَذَا فِي الْجَوْهَرَةِ النَّيِّرَةِ. &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি স্বামী তার স্ত্রীকে বলে, তুমি নিজের রাস্তা নিজে গ্রহণ করো, এবং এদ্বারা স্বামী তালাকের নিয়ত করে থাকে, অথবা স্বামী তার স্ত্রীকে বলে, তুমি তোমার নিজেকে তালাক দাও, তাহলে স্ত্রী ঐ মজলিসে যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ নিজেকে তালাক দিতে পারবে।যতক্ষণ এই মজলিস থেকে না উঠবে বা অন্য কোনো কাজে মনোনিবেশ করবে, ততক্ষণ তালাকের অধিকার থাকবে,যদি মজলিসে একাধিক দিনও বসা থাকে,তাহলেও তার তালাকের অধিকার অবশিষ্ট থাকবে। স্বামী মজলিস থেকে উঠে গেলেও স্ত্রী যদি মজলিসে বসা থাকে,তাহলেও তার অধিকার বাকী থাকবে, স্বামী সে তার অধিকার প্রদানকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবে না এবং স্ত্রীকে তালাক প্রদাণের ক্ষেত্রে বাধাও দিতে পারবে না, এমনকি সেই অধিকারকে ভঙ্গও করতে পারবে না।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৮৭)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১-৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার যদি কখনো মনে হয় যে আপনার স্বামী আপনাকে ভালোবাসে না সেক্ষেত্রে আপনি তালাকের অধিকারপ্রাপ্ত হবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দুই মাস পরেও যদি আপনার এমনটি মনে হয়,সেক্ষেত্রে তখন আপনি তালাকের অধিকারপ্রাপ্ত হবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যখনই আপনার এমনটি মনে হবে,তখনই আপনি তালাকের অধিকারপ্রাপ্ত হবেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144192/?show=144293#a144293</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 08:19:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইদ্দতের সময় মুখে ক্রিম লাগানো যাবে কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/144226/?show=144291#a144291</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো কোনো মহিলার স্বামী মারা গেলে তার স্বামীর বাড়িতে চার মাস দশদিন ইদ্দত পালন করতে হবে।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ۖ فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۗ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ [٢:٢٣٤] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে, তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★তালাকপ্রাপ্তা এবং বিধবা মহিলার জন্য স্বামীর বাড়িতেই ইদ্দত পালন করা ওয়াজিব। বিশেষ ওজর ব্যতীত স্বামীর বাড়ি ছাড়া বাবার বাড়িতে কিংবা অন্য কোথাও গিয়ে ইদ্দত পালন করা জায়েয নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;সুরা আত ত্বলাকের ০১ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৬৫:১ یٰۤاَیُّهَا النَّبِیُّ اِذَا طَلَّقۡتُمُ النِّسَآءَ فَطَلِّقُوۡهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَ اَحۡصُوا الۡعِدَّۃَ ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ رَبَّکُمۡ ۚ لَا تُخۡرِجُوۡهُنَّ مِنۡۢ بُیُوۡتِهِنَّ وَ لَا یَخۡرُجۡنَ اِلَّاۤ اَنۡ یَّاۡتِیۡنَ بِفَاحِشَۃٍ مُّبَیِّنَۃٍ ؕ وَ تِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰهِ ؕ وَ مَنۡ یَّتَعَدَّ حُدُوۡدَ اللّٰهِ فَقَدۡ ظَلَمَ نَفۡسَهٗ ؕ لَا تَدۡرِیۡ لَعَلَّ اللّٰهَ یُحۡدِثُ بَعۡدَ ذٰلِکَ اَمۡرًا ﴿۱﴾&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে নবী, (বল), তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দেবে, তখন তাদের ইদ্দত অনুসারে তাদের তালাক দাও এবং ‘ইদ্দত হিসাব করে রাখবে এবং তোমাদের রব আল্লাহকে ভয় করবে। তোমরা তাদেরকে তোমাদের বাড়ী-ঘর থেকে বের করে দিয়ো না এবং তারাও বের হবে না। যদি না তারা কোন স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়। আর এগুলো আল্লাহর সীমারেখা। আর যে আল্লাহর (নির্ধারিত) সীমারেখাসমূহ অতিক্রম করে সে অবশ্যই তার নিজের ওপর যুলম করে। তুমি জান না, হয়তো এর পর আল্লাহ, (ফিরে আসার) কোন পথ তৈরী করে দিবেন। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্বামীর বাড়িতে যদি পর্দার সাথে থাকার ব্যবস্থা না হয় কিংবা তার জন্য সেখানে থাকা বেশি কষ্টকর বা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয় তাহলে সে বাড়ি ত্যাগ করে বাবার বাড়ি কিংবা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে ইদ্দত পালন করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে যেখানে যাবে সেখানেই ইদ্দত পূর্ণ করবে। ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে বিনা জরুরতে সেখান থেকে অন্যত্র থাকা জায়েয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ফাতেমা বিনতে কায়স রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছি, আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে এখন আমি আমার সাথে ব্যভিচারের ভয় করছি। তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্থানান্তর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৪৮২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ১৯১৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10353/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10353/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/104/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/104/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;ومنها وجوب الإحداد على المعتدة ...فالإحداد في اللغة عبارة عن الامتناع من الزينة، يقال: أحدت على زوجها وحدت أي امتنعت من الزينة وهو أن تجتنب الطيب ولبس المطيب والمعصفر والمزعفر، وتجتنب الدهن والكحل ولا تختضب ولا تمتشط ولا تلبس حليا ولا تتشوف&quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(کتاب الطلاق،فصل فی أحکام العدة،ج:3،ص:208،ط:العلمية)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দত পালন রত মহিলা কোনো প্রকার সুগন্ধি লাগাতে পারবেনা,কুসুম রঙ এর কিছু পরিধান করতে পারবেনা,জাফরান রঙ এর কিছু পরিধান করতে পারবেনা,তৈল,সুরমা,খেজাব লাগানো যাবেনা,চিরুনি করা যাবেনা,রেশমের কাপড় পরিধান করা যাবেনা।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দত পালন রত মহিলা কোনো প্রকার অলংকার পরিধান করতে পারবেনা, এবং সাজসজ্জাও গ্রহণ করতে পারবেনা। কানের দুল, হাত-পায়ে মেহেদি,সুন্দর জামা কিছুই করতে পারবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীর হতে সব অলংকার খুলে ফেলতে হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;https://www.ifatwa.info/94632/&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তালাক প্রাপ্তা মহিলার ইদ্দত স্বামীর বাড়িতে থেকেই পালন করতে হবে, যদি পর্দার সাথে সেখানে থাকার ব্যবস্থা না হয় কিংবা তার জন্য সেখানে থাকা বেশি কষ্টকর বা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয় তাহলে সে বাড়ি ত্যাগ করে বাবার বাড়ি কিংবা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে ইদ্দত পালন করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে যেখানে যাবে সেখানেই ইদ্দত পূর্ণ করবে। ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে বিনা জরুরতে সেখান থেকে অন্যত্র থাকা জায়েয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ফাতেমা বিনতে কায়স রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছি, আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে এখন আমি আমার সাথে ব্যভিচারের ভয় করছি। তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্থানান্তর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৪৮২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ১৯১৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10353/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10353/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/104/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/104/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দতরত অবিস্থায় যেসব সাবান,শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ,তৈলে ও ক্রিমে সুগন্ধি রয়েছে, সেসব ব্যবহার করা যাবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুগন্ধিমুক্ত বস্তু গুলো ব্যবহার করা যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ছোটবোনকে মাদ্রাসা থেকে আনতে বিকল্প পথ অবলম্বন করতে হবে। আপনার বাবা/ আপনার ভাই বা অন্য কোনো আত্মীয়র মাধ্যমে আনার চেষ্টা করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনভাবেই যদি অন্য কাউকে দিয়ে আপনার ছোট বোনকে আনা সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে পরিপূর্ণ শরীয়ত মেনে আপনি আনতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় ঘরের বাহিরে কোচিং, ফটোকপি করতে যেতে পারবেননা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বাসাতেই মেডাম রেখে পড়বেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144226/?show=144291#a144291</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 08:12:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ের বৈধতা সম্পর্কে</title>
<link>https://ifatwa.info/144160/?show=144230#a144230</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাতাপিতার সম্মতি ব্যতীত কখনো কোনো মুসলমান যুবক যুবতীর জন্য কোর্ট মেরেজ করা সমীচীন হবে না,মঙ্গলজনক হবে না।মাতাপিতাকে না জানিয়ে বালিগ ছেলে মেয়ের বিবাহ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।উনেক উলামায়ে কেরাম অভিভাবকহীন বিয়েকে বাতিল বলে মনে করেন।হানাফি মাযহাব মতে কু'ফু হিসেবে ছেলেটি যদি মেয়ের সমকক্ষ বা বেশী মর্যাদার অধীকারী হয়, কেবল তখনই বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।নতুবা মেয়ের অভিভাবকের অনুমতির উপর বিয়ে মওকুফ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;লক্ষণীয় যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হানাফি ফিকহের এই মাস'আলার সুযোগ নিয়ে অবৈধ প্রেম ভালবাসাকে গোপন বিয়ের মাধ্যমে হালাল করার অপচেষ্টা বর্তমানে চলছে। এত্থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে। গোপন বিবাহ দ্বারা কোনো কল্যাণই দৃষ্টিগোচর হয়না। শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ এবং জৈবিক চাহিদা পূরণের মত ঘৃণ্য কাজই তাতে পরিলক্ষিত হয়। এবং এই ঘৃণ্য ও জগণ্য চাহিদা পূরণই এই অমসৃণ পথে পা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3308&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3308&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এভাবে গোপন বিয়ে করাটা উচিত হয়নি। যাইহোক,  যেহেতু দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ইজাব কবুল হয়েছে, তাই বিয়ে হয়ে গেছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144160/?show=144230#a144230</guid>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 04:06:27 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ডিভোর্স লেটার ও মেসেজে তালাক দিলে তালাক হয় কিনা?</title>
<link>https://ifatwa.info/144127/?show=144154#a144154</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم  &quot; ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বিষয় এমন যেগুলির যথার্থ তো যথার্থই এমনকি সেগুলোর কৌতুকের ব্যবহারও যথার্থ: বিবাহ, তালাক, রাজআত। - ইবনু মাজাহ ২০৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) স্বামী যদি তার স্ত্রীর নিকট তালাক নামা প্রেরণ করে, তাহলে স্ত্রীর দস্তখতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নাই, বরং অটোমেটিক তালাক পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) যদি কোনো আপুকে তার হাজবেন্ড মেসেজে তিনবার &quot;তালাক&quot; লিখে। তাহলে এদ্বারাও তিন পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144127/?show=144154#a144154</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 00:56:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বোনটির এখন কি করা উচিত</title>
<link>https://ifatwa.info/144121/?show=144122#a144122</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt;  নং ফাতাওয়াতে আমরা বলেছি, যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ের আগে পাত্রপাত্রীর যে বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে তার মধ্যে ‘কুফু’ অন্যতম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরবি ‘কুফু’ শব্দের অর্থ সমতা, সমান, সাদৃশ্য, সমকক্ষ, সমতুল্য ইত্যাদি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের দ্বীনদারি, সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্যতা সব কিছু সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে ইসলামী পরিভাষায় কুফু বলে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের রুচি, চাহিদা, অর্থনৈতিক অবস্থান খুব বেশি ভিন্ন হলে সেখানে সুখী দাম্পত্যজীবন প্রতিষ্ঠা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। একজন উচ্চ শ্রেণীর ছেলেমেয়ের চাহিদা-রুচির সাথে একজন দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়ের রুচিবোধের মিল না থাকাটাই স্বাভাবিক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবার একজন দ্বীনদার পাত্রপাত্রীর সাথে একজন ধর্মবিষয়ে উদাসীন পাত্রপাত্রীর জীবনাচার নাও মিলতে পারে। দ্বীনদার চাইবে সব কিছুতে ধর্মের ছাপ থাকুক। আর দীনহীন চাইবে সব কিছু ধর্মের আবরণমুক্ত থাকুক। সুতরাং এ দুইয়ের একত্রে বসবাস কখনো শান্তি-সুখের ঠিকানা হতে পারে না। তাই পবিত্র কুরআনও বিয়ের ক্ষেত্রে দ্বীনদারিতে সমতা রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ বলেন, ‘দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্য; দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য; সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষদের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্য উপযুক্ত।’ (সূরা নূর : ২৬)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী পুরুষ যেন ব্যভিচারিণী বা মুশরিক নারী ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে। আবার ব্যভিচারিণী নারী যেন ব্যভিচারী পুরুষ বা মুশরিক পুরুষ ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে। মুমিনদের জন্য এ ধরনের চরিত্রের নারী-পুরুষকে হারাম করা হয়েছে।’ (সূরা নূর : ৩)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুরআনের পাশাপাশি রাসূল সা:-এর পবিত্র হাদিস শরিফেও ‘কুফু’ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূল সা: ‘কুফু’র বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابُورَ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَنْصَارِيُّ أَخُو فُلَيْحٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ عَنْ ابْنِ وَثِيمَةَ النَّصْرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَاكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ خُلُقَهُ وَدِينَهُ فَزَوِّجُوهُ إِلَّا تَفْعَلُوا تَكُنْ فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ عَرِيضٌ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট এমন কোন ব্যক্তি বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এলে, যার চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট, তার সাথে (তোমাদের মেয়েদের) বিবাহ দাও। তোমরা যদি তা না করো, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও ব্যাপক বিশৃংখলা ছড়িয়ে পড়বে। (ইবনে মাজাহ ১৯৬৭,তিরমিযী ১০৮৪, ইরওয়াহ ১৮৬৮, সহীহাহ ১০২২।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ عِمْرَانَ الْجَعْفَرِيُّ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَخَيَّرُوا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)  থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবচেনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো। (ইবনে মাজাহ ১৯৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدَّيْنِ تَرِبَتْ يَدَاكَ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মূলত) চারটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয়- নারীর ধন-সম্পদ, অথবা বংশ-মর্যাদা, অথবা রূপ-সৌন্দর্য, অথবা তার ধর্মভীরুর কারণে। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) সুতরাং ধর্মভীরুকে প্রাধান্য দিয়ে বিবাহ করে সফল হও। আর যদি এরূপ না কর তাহলে তোমার দু’ হাত ধূলায় ধূসরিত হোক (ধর্মভীরু মহিলাকে প্রাধান্য না দিলে ধ্বংস অবধারিত)! সহীহ : বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, নাসায়ী ৩২৩০, আবূ দাঊদ ২০৪৭, ইবনু মাজাহ ১৮৫৮, আহমাদ ৯৫২১, ইরওয়া ১৭৮৩, সহীহ আল জামি‘ ৩০০৩।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুফু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারার নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন- &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/14451/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/14451/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি আবার ইস্তেখারাহ করে ও তার পরিবারের সাথে পরামর্শ করে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারাহ করার সময় স্বপ্নেই দেখতে হবে বিষয়টা এমন না।  উপরোক্ত সব কিছু যদি ঠিক থাকে এবং ঐ প্রস্তাবের দিকে মন টানে তাহলেও ঐ বিয়ের দিকে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144121/?show=144122#a144122</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 05:42:07 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: Bie nie proshno</title>
<link>https://ifatwa.info/144075/?show=144105#a144105</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
মাতাপিতার সম্মতি ব্যতীত কখনো কোনো মুসলমান যুবক যুবতীর জন্য কোর্ট মেরেজ করা সমীচীন হবে না,মঙ্গলজনক হবে না।মাতাপিতাকে না জানিয়ে বালিগ ছেলে মেয়ের বিবাহ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।উনেক উলামায়ে কেরাম অভিভাবকহীন বিয়েকে বাতিল বলে মনে করেন।হানাফি মাযহাব মতে কু'ফু হিসেবে ছেলেটি যদি মেয়ের সমকক্ষ বা বেশী মর্যাদার অধীকারী হয়, কেবল তখনই বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।নতুবা মেয়ের অভিভাবকের অনুমতির উপর বিয়ে মওকুফ থাকবে। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;লক্ষণীয় যে,&lt;br&gt;
হানাফি ফিকহের এই মাস'আলার সুযোগ নিয়ে অবৈধ প্রেম ভালবাসাকে গোপন বিয়ের মাধ্যমে হালাল করার অপচেষ্টা বর্তমানে চলছে। এত্থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে। গোপন বিবাহ দ্বারা কোনো কল্যাণই দৃষ্টিগোচর হয়না। শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ এবং জৈবিক চাহিদা পূরণের মত ঘৃণ্য কাজই তাতে পরিলক্ষিত হয়। এবং এই ঘৃণ্য ও জগণ্য চাহিদা পূরণই এই অমসৃণ পথে পা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করে থাকে।&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2730&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2730&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
ঐ বোনের প্রথম বিয়েটি বিশুদ্ধ ছিল। এখন যে করেই হোক, বোনটি তার প্রথম স্বামীর কাছ থেকে যেভাবেই হোক তালাক নিবে। চায় আফোসে হোক বা কোর্টের মাধ্যমে হোক। মৌখিক তালাকই যথেষ্ট। প্রথম স্বামীর কাছ থেকে তালাক গ্রহণ ব্যতিত ঐ বোনটি অন্য কোথাও বিয়ে বসতে পারবে না।&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144075/?show=144105#a144105</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 00:33:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হুরমতে মুসাহারা নিয়ে অধিক জানার জন্য প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144063/?show=144099#a144099</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
لما في ردالمحتار،ج:٣-ص:٣٣ (نسخة شاملة)&lt;br&gt;
ويشترط وقوع الشهوة عليها لا على غيرها لما في الفيض لو نظر إلى فرج بنته بلا شهوة فتمنى جارية مثلها فوقعت له الشهوة على البنت تثبت الحرمة، وإن وقعت على من تمناها فلا -&lt;br&gt;
অর্থাৎ- যাকে স্পর্শ করা হচ্ছে,তাকে নিয়ে কামভাব থাকতে হবে।কেননা বর্ণিত রয়েছে,কেউ যদি তার মেয়ের লজ্জাস্থানের দিকে কামভাব ছাড়া দৃষ্টি দেয়,এবং কল্পনায় অন্য কোনো নারীকে সে সঙ্গী হিসেবে চায়,কিন্তু তৎক্ষণাৎ তার মেয়ের দিকে তার কামভাব জাগ্রত হয়ে যায়,তাহলে তখন হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হয়ে যাবে(তথা তার বিবি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে)তবে যদি তার কামভাব কল্পিত সে নারীর উপরই থাকে তাহলে হুরমতে মুসাহারাহ সাব্যস্ত হবে না।ফাতাওয়ায়ে শামী-৩/৩৩(শামেলা)( কিতাবুন-নাওয়যিল-৮/২৮৮) &lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1233&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1233&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) মানুষের সহজতার জন্য ফাতাওয়ায়ে শামীর কথাই মেনে চলবেন। &lt;br&gt;
(২) এক্ষেত্রে শশুড়কে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেই হবে।&lt;br&gt;
(৩) অনিচ্ছাকৃত দেখলে তো কোনো গোনাহ হবে না।হ্যা, ইচ্ছাকৃত দেখলে অবশ্যই গোনাহ হবে। এজন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। সংশ্লিষ্ট বান্দার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে না।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144063/?show=144099#a144099</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 20:23:33 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিবাহে ইস্তেখারার পর স্বপ্ন ও পরামর্শ বিষয়ে।</title>
<link>https://ifatwa.info/144054/?show=144058#a144058</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/13381/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/13381/&lt;/a&gt; ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ  &lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারা অর্থ হল, ভালোকে তালাশ করা। অর্থাৎ যখন কারো সামনে দু’টি রাস্তা থাকে, সে জানেনা কোন রাস্তাটি তার জন্য মঙ্গলজনক, তাহলে এমতাবস্থায় সে ইস্তেখারা করে একটি রাস্তাকে নির্দিষ্ট করবে। সুতরাং কারো অসুখ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে কি না? সেটা জানার জন্য ইস্তেখারা করার কোনো নিয়ম নাই। হ্যা এ বিষয়ে আল্লাহর মদদ ও সাহায্য কামনার স্বার্থে ইস্তেখারা করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত জাবির রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا الِاسْتِخَارَةَ فِي الأُمُورِ كُلِّهَا، كَمَا يُعَلِّمُنَا السُّورَةَ مِنَ القُرْآنِ، يَقُولُ: &quot; إِذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالأَمْرِ، فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ الفَرِيضَةِ، ثُمَّ لِيَقُلْ: &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সব কাজে ইস্তিখারাহ্* শিক্ষা দিতেন। যেমন পবিত্র কুরআনের সূরাহ্ আমাদের শিখাতেন। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করলে সে যেন ফরজ নয় এমন দু’রাক‘আত সালাত আদায় করার পর এ দু’আ পড়েঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ العَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلَّامُ الغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي - أَوْ قَالَ عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ - فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي، ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي - أَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ - فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ، وَاقْدُرْ لِي الخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، ثُمَّ أَرْضِنِي &quot; قَالَ: «وَيُسَمِّي حَاجَتَهُ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভাবার্থঃ‘‘প্রভু হে! আমি তোমার জ্ঞানের ওয়াসিলাহ্তে তোমার অনুমতি কামনা করছি; তোমার কুদরতের ওয়াসিলায় শক্তি চাচ্ছি আর তোমার অপার করুণা ভিক্ষা করছি। কারণ তুমিই সর্বশক্তিমান আর আমি দুর্বল। তুমিই জ্ঞানী আর আমি অজ্ঞ এবং তুমিই সর্বজ্ঞ। প্রভু হে! তুমি যদি মনে কর যে, এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায়, ইহকালে ও পরকালে সত্বর কিংবা বিলম্বে আমার পক্ষে মঙ্গলজনক হবে তা হলে আমার জন্য তা নির্ধারিত করে দাও এবং তার প্রাপ্তি আমার জন্য সহজতর করে দাও। অতঃপর তুমি তাতে বারাকাত দাও। আর যদি তুমি মনে কর এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায় ইহকালে ও পরকালে আমার জন্য ক্ষতিকর হবে শীঘ্র কিংবা বিলম্বে তাহলে তুমি তাকে আমা হতে দূর করে দাও এবং আমাকে তা হতে দূরে রাখো; অতঃপর তুমি আমার জন্য যা মঙ্গলজনক তা ব্যবস্থা কর- সেটা যেখান থেকেই হোক না কেন এবং আমাকে তার প্রতি সন্তুষ্টচিত্ত করে তোল।’’তিনি ইরশাদ করেন هَذَا الْأَمْرَ  তার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করবে।(সহীহ বুখারী- (শামেলা);২/৫৭,হাদীস নং১১৬২,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৪/৬২৯) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানুন-&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1472&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1472&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারাকৃত বিষয়টির ফায়সালা কিভাবে বুঝতে পারবে? কোন পদ্ধতিতে তা জানা যাবে? এ নিয়ে উলামায়ে কেরাম থেকে একাধিক পদ্ধতি জানা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত আমল শেষ করে কারো সাথে কথা না বলে কিবলামুখী হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। ঘুম থেকে জাগার পর মন যেদিকে সায় দিবে, বা যেদিকে আগ্রহী হয়ে উঠবে, সেটিই ফলাফল মনে করবে। [তুহফাতুল আলমায়ী-২/৩৩৮, বেহেশতী জেওর]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বাকি এছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি আছে,তবে সেসব  পদ্ধতিকে রাসূল সাঃ থেকে প্রমাণিত পদ্ধতি বলা যাবে না। বাকি একদম বাতিল পদ্ধতিও বলা ঠিক নয়। কারণ এটি জানার পদ্ধতি যেহেতু কোন দ্বীনী বিষয় নয়। বরং দুনিয়াবী বিষয়ের ফায়সালা জানতে এমনটি করা হয়ে থাকে, তাই এটির ক্ষেত্রে মানুষের অভিজ্ঞতার একটি দখল রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; কারো অভিজ্ঞতায় যদি এমন আমল করার দ্বারা ইস্তেখারাকৃত বিষয়ের ফলাফল স্পষ্ট হয়, তাহলে সেএর উপর আমল করতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যখন কারো সামনে দু’টি রাস্তা থাকে, সে জানেনা কোন রাস্তাটি তার জন্য মঙ্গলজনক, তাহলে এমতাবস্থায় সে ইস্তেখারা করে একটি রাস্তাকে নির্দিষ্ট করবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মানুষ বিভিন্ন সময় একাধিক বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে গ্রহণ করবে সে ব্যাপারে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। কারণ, কোথায় তার কল্যাণ নিহীত আছে সে ব্যাপারে কারো জ্ঞান নাই। তাই সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে কল্যান লাভের জন্য আসমান জমীনের সৃষ্টিকর্তার নিকট সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইস্তেখারা করতে হয় বা সাহায্য প্রার্থনা করতে হয়,যেন তিনি তার সিদ্ধান্তকে এমন জিনিসের উপর স্থীর করে দেন যা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী জন্য উপকারী হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ইস্তিখার ফলাফল নেগেটিভ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং উক্ত বিবাহে না এগোনোর পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144054/?show=144058#a144058</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 14:41:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ের ভ্যালিডিটি</title>
<link>https://ifatwa.info/144046/?show=144051#a144051</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো যদি দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক সমঝদার সাক্ষ্যির সামনে প্রাপ্ত বয়স্ক পাত্র ও পাত্রি যদি প্রস্তাব দেয় এবং অপরপক্ষ তা গ্রহণ করে নেয়, তাহলে ইসলামী শরীয়াহ মুতাবিক বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। অভিভাবকের সম্মতি থাকুক বা না থাকুক। অভিভাবক জানুক বা না জানুক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; তবে যদি গায়রে কুফুতে বিবাহ করে, তথা এমন পাত্রীকে বিবাহ করে, যার কারণে ছেলে বা মেয়ের পারিবারিক সম্মান বিনষ্ট হয়, তাহলে পিতা সে বিয়ে আদালতের মাধ্যমে ভেঙ্গে দিতে পারে। যদি কুফুতে বিবাহ করে, তাহলে পিতা এ অধিকারও পাবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটিই হানাফি মাযহাবের প্রাধান্য পাওয়া মত,যার উপরেই ফতোয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ؛ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, মেয়ে তার ব্যক্তিগত বিষয়ে অভিভাবকের চেয়ে অধিক হকদার। {মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং-৮৮৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৪২১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: ” جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبِي وَنِعْمَ الْأَبُ هُوَ، خَطَبَنِي إِلَيْهِ عَمُّ وَلَدِي فَرَدَّهُ، وَأَنْكَحَنِي رَجُلًا وَأَنَا كَارِهَةٌ. فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أَبِيهَا، فَسَأَلَهُ عَنْ قَوْلِهَا، فَقَالَ: صَدَقَتْ، أَنْكَحْتُهَا وَلَمْ آلُهَا خَيْرًا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا نِكَاحَ لَكِ، اذْهَبِي فَانْكِحِي مَنْ شِئْتِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত সালামা বিনতে আব্দুর রহমান রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক মেয়ে রাসূল সাঃ এর কাছে এল। এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা! কতইনা উত্তম পিতা! আমার চাচাত ভাই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল আর তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। আর এমন এক ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাইছেন যাকে আমি অপছন্দ করি। এ ব্যাপারে রাসূল সাঃ তার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলে পিতা বলে, মেয়েটি সত্যই বলেছে। আমি তাকে এমন পাত্রের সাথে বিয়ে দিচ্ছি যার পরিবার ভাল নয়। তখন রাসূল সাঃ মেয়েটিকে বললেন, “এ বিয়ে হবে না, তুমি যাও, যাকে ইচ্ছে বিয়ে করে নাও”। {মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১০৩০৪, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১৫৯৫৩}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: ” أَنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرَتْ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ”&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। কুমারী মেয়ে রাসূল সাঃ এর কাছে এসে বলল, আমার পিতা আমার অপছন্দ সত্বেও বিয়ে দিয়েছে, তখন রাসূল সাঃ সে মেয়েকে অধিকার দিলেন, [যাকে ইচ্ছে বিয়ে করতে পারে বা এ বিয়ে রাখতেও পারে]। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৪৬৯, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৮৭৫}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: جَاءَتْ فَتَاةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: ” إِنَّ أَبِي زَوَّجَنِي ابْنَ أَخِيهِ، لِيَرْفَعَ بِي خَسِيسَتَهُ، قَالَ: فَجَعَلَ الْأَمْرَ إِلَيْهَا، فَقَالَتْ: قَدْ أَجَزْتُ مَا صَنَعَ أَبِي، وَلَكِنْ أَرَدْتُ أَنْ تَعْلَمَ النِّسَاءُ أَنْ لَيْسَ إِلَى الْآبَاءِ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ “&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত বুরাইদা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক মহিলা নবীজী সাঃ এর কাছে এসে বলল, আমার পিতা আমাকে তার ভাতিজার কাছে বিয়ে দিয়েছে, যাতে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। রাবী বলেন, তখন রাসূল সাঃ বিষয়টি মেয়ের ইখতিয়ারের উপর ন্যস্ত করেন, [অর্থাৎ ইচ্ছে করলে বিয়ে রাখতেও পারবে, ইচ্ছে করলে ভেঙ্গেও দিতে পারবে] তখন মহিলাটি বললেন, আমার পিতা যা করেছেন, তা আমি মেনে নিলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল, মেয়েরা যেন জেনে নেয় যে, বিয়ের ব্যাপারে পিতাদের [চূড়ান্ত] মতের অধিকার নেই্ {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৮৭৪}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত মাসয়ালায় চার মাযহাবের অবস্থান দলীল,বিপরীত মুখি হাদীসের জবাব সহ বিস্তারিত জানুন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/1525/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/1525/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/4801/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/4801/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসুল সাঃ কুফু মিলাইতে বলেছেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدَّيْنِ تَرِبَتْ يَدَاكَ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মূলত) চারটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয়- নারীর ধন-সম্পদ, অথবা বংশ-মর্যাদা, অথবা রূপ-সৌন্দর্য, অথবা তার ধর্মভীরুর কারণে। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) সুতরাং ধর্মভীরুকে প্রাধান্য দিয়ে বিবাহ করে সফল হও। আর যদি এরূপ না কর তাহলে তোমার দু’ হাত ধূলায় ধূসরিত হোক (ধর্মভীরু মহিলাকে প্রাধান্য না দিলে ধ্বংস অবধারিত)!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, নাসায়ী ৩২৩০, আবূ দাঊদ ২০৪৭, ইবনু মাজাহ ১৮৫৮, আহমাদ ৯৫২১, ইরওয়া ১৭৮৩, সহীহ আল জামি‘ ৩০০৩।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুফু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে উক্ত বিবাহে যদি শরীয়তের নীতিমালা ফলো করে ইজাব কবুল করা হয় আর সাক্ষীদ্বয় যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে,সেক্ষেত্রে উক্ত বিবাহ শরীয়তের বিধান অনুসারে শুদ্ধ বলে গন্য হবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/11771&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/11771&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144046/?show=144051#a144051</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 13:18:34 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তা** সম্পর্কে প্রশ্ন??</title>
<link>https://ifatwa.info/144024/?show=144027#a144027</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তালাক খুবই মারাত্মক একটি শব্দ। নিকৃষ্ট হালাল বলা হয়েছে হাদীসে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছেঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُعَرِّفِ بْنِ وَاصِلٍ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ &quot; أَبْغَضُ الْحَلاَلِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى الطَّلاَقُ &quot; .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কাসীর  ইবন  উবায়দ .......... ইবন  উমার  (রাঃ)  নবী  করীম  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  হতে  বর্ণনা  করেছেন যে,  আল্লাহ্  তা‘আলার  নিকট  নিকৃষ্টতম  হালাল বস্তু  হল  তালাক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(আবূ দাউদ ২১৭৮, ইরওয়া ২০৪০, যইফ আবু দাউদ ৩৭৩-৩৭৪, আর-রাদ্দু আলাল বালীক ১১৩।) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ভয়ানক শব্দটি নিয়ত থাকুক বা না থাকুক রাগে বলুক আর ভালবেসে বলুক স্ত্রীকে উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ দিয়ে এ শব্দ বের হলেই তালাক পতিত হয়ে যায়। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীসে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” ثَلَاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ: الطَّلَاقُ، وَالنِّكَاحُ، وَالرَّجْعَةُ “&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, তিনি বিষয় এমন যে, ইচ্ছেকৃত করলে ইচ্ছেকৃত এবং ঠাট্টা করে করলেও ইচ্ছেকৃত বলে ধর্তব্য হয়। তা হল, তালাক, বিবাহ এবং তালাকে রেজয়ীপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২০৩৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২১৯৪}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★তালাক স্পষ্ট বাক্য দ্বারাও হতে পারে,আবার কেনায়া শব্দ,ইঙ্গিতসূচক শব্দ দ্বারাও হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কেনায়া তালাক বলা হয় স্পষ্ট তালাক শব্দ না বলে বরং তালাকের ইঙ্গিতসূচক শব্দ বলে তালাক দেওয়া। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;★★শরিয়তের পরিভাষায় ইঙ্গিত সূচক শব্দে তালাক দেয়াটাকে বলা হয় ‘কেনায়া তালাক’ বা ইঙ্গিতসূচক শব্দ দ্বারা তালাক। আর কেনায়া তালাকের ক্ষেত্রে নিয়ত তথা তালাকের ইচ্ছা থাকা অত্যাবশ্যক। আর কেনায়া তালাক দ্বারা এক তালাকে বায়েন পতিত হয় ৷&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং যদি কেউ স্ত্রীকে এরূপ কথা বলে এবং তালাকের নিয়ত করে, তবে স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। আর যদি তালাকের নিয়ত না করে তাহলে তালাক হবে না। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/৩৭৫)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/24050/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/24050/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★&lt;b&gt;সু&lt;/b&gt;-&lt;b&gt;প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে কোনো তালাক পতিত হবেনা। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144024/?show=144027#a144027</guid>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 09:08:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক ও বান্দার হক নিয়ে প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143962/?show=144017#a144017</link>
<description>&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/23529/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/23529/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিনা কারণে তালাক আবেদন কারী মহিলা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,&lt;br&gt;&lt;br&gt; ﺃَﻳُّﻤَﺎ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓٍ ﺳَﺄَﻟَﺖْ ﺯَﻭْﺟَﻬَﺎ ﻃَﻼَﻗًﺎ ﻓِﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﺎ ﺑَﺄْﺱٍ ﻓَﺤَﺮَﺍﻡٌ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﺭَﺍﺋِﺤَﺔُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔِ . ‘&lt;br&gt;&lt;br&gt;যে মহিলা বিনা কারণে তার স্বামীর নিকটে তালাক্ব চায়, তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধিও হারাম’।&lt;br&gt;&lt;br&gt;[আবুদাউদ হা/২২২৬; তিরমিযী হা/১১৮৭; ইবনু মাজাহ হা/২০৫৫; মিশকাত হা/৩২৭৯, সনদ ছহীহ।].&lt;br&gt;&lt;br&gt;ﺫﻫﺐ ﻓﻘﻬﺎﺀ ﺍﻟﺤﻨﻔﻴّﺔ ﻭﺍﻟﺤﻨﺎﺑﻠﺔ ﺇﻟﻰ ﺃﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﺑﻼ ﺳﺒﺐ ﻣﺤﺮّﻡٌ ﺷﺮﻋﺎً ﻭﻳﺄﺛﻢ ﻓﺎﻋﻠﻪ، ﻭﺫﻟﻚ ﻟﻘﻮﻟﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﻟﻌﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻛﻞ ﺫﻭﺍﻕ، ﻣﻄﻼﻕ ) ﻭﻷﻥ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻛﻔﺮﺍً ﻟﻨﻌﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﻭﺗﻌﺎﻟﻰ ، ﺣﻴﺚ ﺇﻥّ ﺍﻟﺰﻭﺍﺝ ﻧﻌﻤﺔ ﻣﻦ ﻧﻌﻢ ﺍﻟﻠﻪ، ﻭﺍﻟﻄﻼﻕ ﺑﻼ ﺳﺒﺐٍ ﻛﻔﺮٌ ﻟﻨﻌﻤﺔ ﺍﻟﺰﻭﺍﺝ؛ ﻭﻛﻔﺮﺍﻥ ﺍﻟﻨﻌﻤﺔ ﺣﺮﺍﻡ، ﻓﻼ ﻳﺤﻞّ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﺇﻻ ﻟﻀﺮﻭﺭﺓ .&lt;br&gt;&lt;br&gt;فقه السنة (الطبعة الثالثة)، بيروت: دار الكتاب العربي، صفحة 242، جزء 2&lt;br&gt;&lt;br&gt;ভাবার্থ-&lt;br&gt;&lt;br&gt;হানাফি এবং হাম্বলী ফুকাহায়ে কেরামগণ মনে করেন যে,বিনা কারণে তালাক প্রদাণ শরীয়তের দৃষ্টিকোণে হারাম।এবং তালাক প্রদাণকারী গোনাহগার। কেননা রাসূলুল্লাহ সাঃ আমভাবে বলেছেন,আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক স্বাদ আস্বাদনকারীদের উপর লা'নত প্রদাণ করেন।কেননা তালাক প্রদাণ দ্বারা আল্লাহ তা'আলা র নিয়ামতকে অস্বীকার করা হয়। বিবাহ আল্লাহর নিয়ামত সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি নিয়ামত।আর বিনা কারণে তালাক প্রদাণ মানে বিবাহ নামক নিয়ামতকে পরিত্যাগ, অস্বীকার এবং অবহেলা করা। আর নিয়ামতকে অস্বীকার বা পরিত্যাগ করা হারাম।সুতরাং প্রয়োজন ব্যতীত তালাক হালাল হবে না।&lt;br&gt;ফিকহুস সুন্নাহ-২/২৪২&lt;br&gt;&lt;br&gt;সুতরাং বিনা কারণে তালাক প্রদাণ করা হারাম।এর শাস্তি আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে অবশ্যই পেতে হবে।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/468/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/468/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেসব কারণে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া বৈধ, সেসব কারণ না পাওয়া যাওয়া সত্ত্বেও আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এর শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাতে আপনাকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে আপনি তার জন্য কোন ভালো পাত্রের সাথে বিবাহের ব্যবস্থা করে দিয়ে বা তার স্থায়ী ভরণপোষণের কোন ব্যবস্থা করে দিয়ে আপজি আপনার অভিভাবকদের মাধ্যমে তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে প্রথম স্ত্রী কে গ্রহণ করাও ঠিক হবে না, কারণ দ্বিতীয় স্ত্রীকেও বিনা ওযরে তালাক দেওয়ার দরুন আপনার গুনাহ হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143962/?show=144017#a144017</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 19:30:27 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: খোলা নিতে অসমর্থ</title>
<link>https://ifatwa.info/143999/?show=144002#a144002</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1205&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1205&lt;/a&gt; নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;br&gt;যেহেতু আপনার স্বামী এখনো আপনার সাথে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। বিচ্ছেদের আলোচনা করছেন না বা সেদিকে অগ্রসর হচ্ছেন না।এটা প্রমাণ করে সে আপনাকে ভালবাসে।হয়তো কোনো কারণে সে পরকিয়ায় লিপ্ত রয়েছে।তাই আমি মনে করি যে, আপনি তাকে পূর্ণ ভালবাসা প্রদাণ করুন।তার সাথে যথেষ্ট মায়াবী আচরন করুন।তার সামনে সু-সজ্জিত হয়ে আসুন।এবং প্রথম দিনের মত তাকে আগ্রহ ভরে দেখুন।এবং সাথে সাথে তাকে আখেরাতের ভয় প্রদর্শন করুন।বা ইসলামী বিধি-বিধান সম্পর্কে সম্মক অবগত করানোর চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমি আপনাকে বিশেষ কয়েকটি নসিহত করবো-&lt;br&gt;(ক)&lt;br&gt;আপনার স্বামীর পরকিয়া সম্পর্কে অন্য কাউকে জানাবেন না।কেননা গোনাহে গোপন রাখা ওয়াজিব।তাই গোপন রাখার চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(খ)&lt;br&gt;পূর্ণ আগ্রহের সাথে তাকে সময় দিন।তাকে কখনো একা ছেড়ে দিবেন না।বরং সর্বদা তার সাথে লেগে থাকুন।তার সকল প্রকার পছন্দের জিনিষকে নিজের পছন্দ বানিয়ে তার সাথে সর্বদা থাকার চেষ্টা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(গ)&lt;br&gt;তার হেদায়তের জন্য দু'আ করতে থাকুন।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!&lt;br&gt;আমাদের মনে রাখতে হবে,&lt;br&gt;পরকালে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ আ'মলের হিসাব নিকাশ দিতে হবে।কারো পাপের বোঝাকে অন্য কেহ বহন করবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ&lt;br&gt;ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺰِﺭُ ﻭَﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯْﺭَ ﺃُﺧْﺮَﻯ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺪْﻉُ ﻣُﺜْﻘَﻠَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺣِﻤْﻠِﻬَﺎ ﻟَﺎ ﻳُﺤْﻤَﻞْ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﺫَﺍ ﻗُﺮْﺑَﻰ الخ&lt;br&gt;কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়।&lt;br&gt;(সূরা ফাতির-১৮)&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার স্বামীকে যথাযথ ভাবে বুঝাবেন,পরকালের শাস্তির ব্যাপারে বুঝাবেন,নিজের পরিবারের মুরব্বিদের মাধ্যমে তাকে বুঝাবেন।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামীকে এই পরকিয়া থেকে হটানোর যথাযথ চেষ্টা করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেই মহিলাটির সাথে কথা বলা,যোগাযোগ  করার যাবতীয় রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনার জন্য আরো করনীয় সম্পর্কে জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/66205/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/66205/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/66187/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot; style=&quot;color: rgb(52, 152, 219); text-decoration: underline;&quot;&gt;https://ifatwa.info/66187/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;উপরে উল্লেখিত যাবতীয় করণীয় গুলির উপর আমল করার পরেও যদি আপনার স্বামী সঠিক পথে ফিরে না আসে, সেক্ষেত্রে আপনি যদি তাকে ইগনোর করে চলেন, তাহলে আপনার গুনাহ হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;তবে তার হক যথাযথ ভাবে আদায় করবেন।&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143999/?show=144002#a144002</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:25:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143966/?show=144001#a144001</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143966/?show=144001#a144001</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:16:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পরিবারে স্বামীর কর্তৃত্ব সম্পর্কিত</title>
<link>https://ifatwa.info/143984/?show=143991#a143991</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَلرِّجَالُ قَوّٰمُوۡنَ عَلَی النِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ اللّٰہُ بَعۡضَہُمۡ عَلٰی بَعۡضٍ وَّ بِمَاۤ اَنۡفَقُوۡا مِنۡ اَمۡوَالِہِمۡ ؕ فَالصّٰلِحٰتُ قٰنِتٰتٌ حٰفِظٰتٌ لِّلۡغَیۡبِ بِمَا حَفِظَ اللّٰہُ ؕ وَ الّٰتِیۡ تَخَافُوۡنَ نُشُوۡزَہُنَّ فَعِظُوۡہُنَّ وَ اہۡجُرُوۡہُنَّ فِی الۡمَضَاجِعِ وَ اضۡرِبُوۡہُنَّ ۚ فَاِنۡ اَطَعۡنَکُمۡ فَلَا تَبۡغُوۡا عَلَیۡہِنَّ سَبِیۡلًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَلِیًّا کَبِیۡرًا ﴿۳۴﴾&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক, ঐ (বিশেষত্বের) কারণে, যার দ্বারা আল্লাহ তাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং ঐ সম্পদের কারণে, যা তারা ব্যয় করেছে। সুতরাং সৎ নারীরা হল অনুগত, (স্বামীর) অবর্তমানে (নিজের সতিত্ব ও স্বামীর সম্পদ) রক্ষাকারী, আল্লাহ রক্ষা করার কারণে ... -সূরা নিসা : ৩৪&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই আয়াতে ‘পুরুষের ব্যয়কৃত সম্পদ’ মানে স্ত্রীর মোহরানা, খোরপোষ ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচ, কুরআন ও সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী যা বহন করা অবশ্যকর্তব্য। এ আয়াত প্রমাণ করে, স্ত্রীর নাফাকা ও খোরপোষ স্বামীর উপর ফরয। -তাফসীর ইবনে কাছীর ১/৪৯২; আহকামুল কুরআন, জাসসাস ২/১৮৮&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ، شَهِدَ حَجَّةَ الْوَدَاعِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَذَكَّرَ وَوَعَظَ فَذَكَرَ فِي الْحَدِيثِ قِصَّةً فَقَالَ &quot; أَلاَ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا… أَلاَ وَحَقُّهُنَّ عَلَيْكُمْ أَنْ تُحْسِنُوا إِلَيْهِنَّ فِي كِسْوَتِهِنَّ وَطَعَامِهِنَّ &quot; .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুলাইমান ইবনু আমর ইবনুল আহওয়াস (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্ণিতঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিদায় হজ্জের সময় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। তিনি আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং ওয়াজ-নাসীহাত করলেন। এ হাদীসের মধ্যে বর্ণনাকারী একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্ত্রীদের সাথে ভালো আচরণের উপদেশ নাও। ... জেনে রাখ! তোমাদের প্রতি তাদের অধিকার এই যে, তোমরা তাদের উত্তম পোশাক-পরিচ্ছদ ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করবে। (সুনানে তিরমিযী ১১৬৩)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর ওপর স্ত্রীর হকসমূহ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. স্ত্রীর সাথে সর্বদা ভালো আচরণ করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. স্ত্রীর কোনো কথায় বা কাজে কষ্ট পেলে ধৈর্য্য ধারণ করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. উচ্ছৃঙ্খল, বেপর্দা চলাফেরা করতে থাকলে নম্র ভাষায় তাকে বোঝানো।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৪. সামান্য বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ না করা। কথায় কথায় ধমক না দেওয়া। রাগ না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৫. স্ত্রীর আত্মমর্যাদায় আঘাত করে এমন বিষয়ে সংযত থাকা। শুধু শুধু স্ত্রীর প্রতি কুধারণা না করা। স্ত্রীর সম্পর্কে উদাসীন না থাকা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৬. সামর্থ্যানুযায়ী স্ত্রীর খোরপোষ দেওয়া। অপচয় না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৭. নামায পড়া এবং দ্বীনের আহকাম মেনে চলার জন্য উৎসাহ দিতে থাকা। হায়েয-নেফাসের মাসআলাগুলো ভালোভাবে শিক্ষা দেওয়া। শরীয়ত পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৮. একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মাঝে সমতা রক্ষা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৯. চাহিদানুযায়ী তাদের সাথে মেলামেশা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১০. অনুমতি ব্যতীত আযল অর্থাৎ মেলামেশার সময় শেষ মুহূর্তে স্বাভাবিক স্থান ত্যাগ না করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১১. একান্ত নিরুপায় না হলে তালাক না দেওয়া এবং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে শরীয়ত-গৃহীত পন্থায় তালাক দেওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১২. প্রয়োজন মাফিক থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১৩. মাঝে মাঝে স্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাত করার সুযোগ করে দেওয়া।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/93970/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/93970/&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর উপর ওয়াজিব যে,সে তার স্ত্রীর ভরণপোষণ করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنْفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।(সূরা নিসা-৩৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لِيُنْفِقْ ذُو سَعَةٍ مِنْ سَعَتِهِ وَمَنْ قُدِرَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ فَلْيُنْفِقْ مِمَّا آتَاهُ اللَّهُ لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا مَا آتَاهَا&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে।(সূরা তালাক-৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাকীম ইবনু মু‘আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعَنْ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : &quot; قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا حَقُّ زَوْجَةِ أَحَدِنَا عَلَيْهِ ؟ قَالَ : ( أَنْ تُطْعِمَهَا إِذَا طَعِمْتَ ، وَتَكْسُوَهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ ، وَلَا تَضْرِبْ الْوَجْهَ ، وَلَا تُقَبِّحْ ، وَلَا تَهْجُرْ إِلَّا فِي الْبَيْتِ) &lt;/div&gt;&lt;div&gt; তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমন্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।(আবু দাউদ-২১৪২,ইবনে মা'জা-১৮৫০)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ আদায় না করলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গ না দিলে,স্ত্রী যদি কাযী সাহেবের নিকট বিচার দায়ের করে,তাহলে কাযী সাহেব উক্ত বিবাহকে ভঙ্গ করে দেয়ার অধিকার রাখেন।(জাদীদ ফেকহী মাসাঈল-৩/১০০)বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/5139&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/5139&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীর অধীনে আছেন বলে সে কর্তৃত্বের উসিলা দিয়ে যখন যা ইচ্ছা করতে...বলতে.. আঘাত করতে করার মতো কাজ করতে পারবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এটি অন্যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার স্বামী আপনার উপর অনেকটা জুলুম করছে,আপনার হক সে আদায় করছেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তার জন্য উচিত দেশে এসে জীবিকা নির্বাহের  কোনো উপায় অবলম্বন করা,সর্বদা আপনার হক আদায় করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;আপনার স্বামী যেহেতু আপনার হক আদায় করছেনা,তাই তার জন্য বিদেশে থাকার বৈধতা শরীয়তে নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/55426/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/55426/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য যে সমস্ত জিনিষের প্রয়োজন, সেগুলো স্ত্রীকে প্রদান করা স্বামীর উপর ওয়াজিব। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি স্বামীকে ভালবাসুন। তার সমস্ত চাওয়া পাওয়াকে আন্তরিকতার সাথে পূরণ করুন। তাকে নরম ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করুন। আল্লাহর কাছে দু'আ করুন। আল্লাহ আপনার স্বামীকে হেদায়ত দান করুক।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class=&quot;signature&quot;&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতেও কাজ না হলে সেক্ষেত্রে উভয় পরিবারের মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে স্বামীকে বুঝাতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এতেও কাজ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/109237/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/109237/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ আদায় না করলে,স্ত্রীর শারীরিক হক আদায় না করলে এবং স্ত্রীকে সঙ্গ না দিলে,স্ত্রী যদি কাযী সাহেবের নিকট বিচার দায়ের করে,তাহলে কাযী সাহেব উক্ত বিবাহকে ভঙ্গ করে দেয়ার অধিকার রাখেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143984/?show=143991#a143991</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:55:54 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ে,সহবাস, কাফফারা</title>
<link>https://ifatwa.info/143968/?show=143977#a143977</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/11771&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/11771&lt;/a&gt; নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হবার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যথা-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বর ও কনেকে কিংবা তাদের প্রতিনিধিকে ইজাব তথা প্রস্তাবনা ও কবুল বলতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত ইজাব ও কবুলটি বলতে হয় দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক মসলিম পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার সামনে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;وَ اسۡتَشۡہِدُوۡا شَہِیۡدَیۡنِ مِنۡ رِّجَالِکُمۡ ۚ فَاِنۡ لَّمۡ یَکُوۡنَا رَجُلَیۡنِ فَرَجُلٌ وَّ امۡرَاَتٰنِ مِمَّنۡ تَرۡضَوۡنَ مِنَ الشُّہَدَآءِ اَنۡ تَضِلَّ اِحۡدٰىہُمَا فَتُذَکِّرَ اِحۡدٰىہُمَا الۡاُخۡرٰی&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমরা তোমাদের পুরুষদের মধ্য হতে দু’জন সাক্ষী রাখ, অতঃপর যদি দু’জন পুরুষ না হয় তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক যাদেরকে তোমরা সাক্ষী হিসেবে পছন্দ কর, যাতে স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন ভুলে গেলে তাদের একজন অপরজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা বাকারা ২৮২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;হাদিস শরিফে এসেছে, &lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;rtl&quot;&gt;لَا يَجُوزُ نِكَاحٌ، وَلَا طَلَاقٌ، وَلَا ارْتِجَاعٌ إِلَّا بِشَاهِدَيْنِ&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;‘রাসূল (সা.) বলেছেন, দুইজন সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, তালাক ও ফিরিয়ে আনা বৈধ হবে না।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদিস: ১০২৫৪]&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;قوله صلى الله عليه وسلم : ( لا نكاح إلا بولي وشاهدي عدل ) رواه البيهقي من حديث عمران وعائشة ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (7557) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;রাসুলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই।” [তাবারানী কর্তৃক সংকলিত, সহীহ জামে (৭৫৫৮)]।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী- “তোমরা বিয়ের বিষয়টি ঘোষণা কর।”[মুসনাদে আহমাদ এবং সহীহ জামে গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে (১০৭২)]&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;۔&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইজাব ও কবুলটি উভয় সাক্ষ্যি স্বকর্ণে শুনতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উক্ত তিনটির কোন একটি শর্ত না পাওয়া গেলে ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হয় না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উপরোক্ত তিনটি শর্ত  পাওয়া গেলে বিবাহ হবে,অন্যথায় বিবাহ হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হল দু’জন আযাদ প্রাপ্ত বয়স্ক বিবেকবান দুই জন মুসলিম স্বাক্ষের সামনে পাত্র/পাত্রি প্রস্তাব দিবে আর অপরপক্ষে পাত্র/পাত্রি তা কবুল করবে। আর সাক্ষিগণ উভয়ের কথা সুষ্পষ্টভাবে শুনবে। শরয়ী এ শর্তাবলী পরিপূর্ণভাবে পাওয়া গেলেই বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,    &lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যাক্তি যদি উপরে উল্লেখিত শর্তাবলী পরিপূর্ণভাবে মেনে বিবাহ পড়ায়,সেক্ষেত্রে সেই বিবাহ শুদ্ধ হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় ফরজ গোসল সম্পন্ন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে পরবর্তীতে সেই তরল বের হওয়ার পর উক্ত স্থান ধুয়ে অযু করে নিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২.১&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এমতাবস্থায় ফরজ গোসল করলে গোসল সম্পন্ন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২.২&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সেক্ষেত্রে পুনরায় গোসল করতে হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তবে পরবর্তীতে সেই তরল বের হলে উক্ত স্থান ধুয়ে অযু করে নিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহর নামে ভবিষ্যতে কোন কাজ করা বা না করা বা ভবিষ্যতে কোনো কথা বলা বা না বলার কসম করে থাকলে,এমতাবস্থায় যদি সেই কসম যদি ভঙ্গ করা হয়, তাহলে কাফফারা আবশ্যক হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/9671/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/9671/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143968/?show=143977#a143977</guid>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 08:11:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: দেনমোহর  ও প্রথম সহবাস প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/143891/?show=143954#a143954</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/9646/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/9646/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহর উভয় মিলেই নির্ধারণ করবে। পাত্রপক্ষ এবং পাত্রীপক্ষ উভয় পক্ষ মিলে সমঝোতার ভিত্তিতে মহর নির্ধারণ করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহর দাতা মূলত পাত্র এবং গ্রহিতা মূলত পাত্রী। এই দুজনের অনুমতিক্রমে উভয়ের পরিবারের লোকজন মহর নির্ধারণ করবে। ক্রয়-বিক্রয়ের মত যেকোনো এক পক্ষ প্রথমে মহরের প্রস্তাব দিবে এবং অন্যপক্ষ মহরের প্রস্তাবকে গ্রহণ করে নিবে। যদি পাত্রীপক্ষ বেশী মহরের দাবী করে, তাহলে পাত্রপক্ষ চাইলে তাদের দাবীকে মানতে পারে, আবার চাইলে মহরকে কম করারও প্রস্তাব দিতে পারে এবং সম্ভব না হলে, সেখানে রিশতা না জুড়তে পারে। সেটা পাত্র পক্ষের সম্পূর্ণ নিজস্ব অধীকার। মহরের আলোচনা উঠার পর যে বিয়ে করতেই হবে, বিষয়টা আসলে এমন নয়, বরং তাদের ভাঙ্গা গড়ার অধীকার থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহর যতটুকু পরিশোধ করা যায়, ততটুকু হওয়াই কাম্য ও উচিৎ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/54326/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/54326/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মহর দুই প্রকার যথা,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) مهرمعجل  মহরে মু'আজ্জল তথা এমন মহর যা তারাতারি পরিশোধ করা হবে। এমন মহর পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত স্ত্রী চাইলে নিজেকে স্বামী থেকে দূরে রাখতে পারবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) مهر مؤجل  মহরে মু'য়াজ্জল, তথা এমন মহর যা পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে। এমন মহরের বেলায় স্ত্রী নিজেকে স্বামী থেকে দূরে রাখতে পারবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فِي كُلِّ مَوْضِعٍ دَخَلَ بِهَا أَوْ صَحَّتْ الْخَلْوَةُ وَتَأَكَّدَ كُلُّ الْمَهْرِ لَوْ أَرَادَتْ أَنْ تَمْنَعَ نَفْسَهَا لِاسْتِيفَاءِ الْمُعَجَّلِ لَهَا ذَلِكَ عِنْدَهُ خِلَافًا لَهُمَا-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩১৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَإِذَا كَانَ الْمَهْرُ مُؤَجَّلًا أَجَلًا مَعْلُومًا فَحَلَّ الْأَجَلُ لَيْسَ لَهَا أَنْ تَمْنَعَ نَفْسَهَا لِتَسْتَوْفِي الْمَهْرَ عَلَى أَصْلِ أَبِي حَنِيفَةَ وَمُحَمَّدٍ - رَحِمَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى -، كَذَا فِي الْبَدَائِعِ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩১৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. মহর সম্পূর্ণ স্ত্রীর হক। স্ত্রী যদি চায় যে, মহর পরিশোধ ব্যতীত সে স্বামীকে কাছে আসতে দিবে না, তাহলে স্বামী কাছে যেতে পারবে না। কিন্তু যদি স্ত্রী অনুমতি দিয়ে দেয়, তাহলে মহর পরিশোধ ব্যতীতও স্বামী তার স্ত্রীর নিকট পৌছতে পারবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ বিধান হলো যদি বিয়ের সময় আলোচনা থাকে যে, মহর তাড়াতাড়ি পরিশোধিত হবে। কিন্তু যদি আলোচনা থাকে যে, মহর বাকীতে পরিশোধ করা হবে, তাহলে এমতাবস্থায় স্ত্রী তার স্বামীকে মহরের পরিশোধের জন্য আটকাতে পারবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. সময় সুযোগ হলে পরিশোধ করে দিয়েন ইনশাআল্লাহ।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. মহর দাতা মূলত পাত্র এবং গ্রহিতা মূলত পাত্রী। সুতরাং বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর স্ত্রী চাইলে খুশি মনে, স্বেচ্ছায় মহর কমিয়ে দিতে পারে বা একেবারে মাফ করে দিতে পারে। এই অধিকার স্ত্রীর আছে। তবে এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর থেকে লিখিত আকারে নিলে স্বামীর জন্য আরো ভালো হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে অবশ্যই উত্তম হলো সময় সুযোগ হলে পরিশোধ করে দেওয়া। &lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143891/?show=143954#a143954</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 17:17:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এমন সিচুয়েশন  হলে কি আবার বিয়ে করা যাবে</title>
<link>https://ifatwa.info/143947/?show=143948#a143948</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143947/?show=143948#a143948</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 16:50:31 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: kunu prokar ki gunah hoi?</title>
<link>https://ifatwa.info/143905/?show=143928#a143928</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ &quot; ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ .&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ? আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো। নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে। আর গোনাহ হল সেটা, যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয় এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে। যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন। (মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা. কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো। (সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নু'মান ইবনে বশির বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن عامر، قال: سمعت النعمان بن بشير، يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: &quot;الحلال بين، والحرام بين، وبينهما مشبهات لا يعلمها كثير من الناس، فمن اتقى المشبهات استبرأ لدينه وعرضه، ومن وقع في الشبهات: كراع يرعى حول الحمى، يوشك أن يواقعه، ألا وإن لكل ملك حمى، ألا إن حمى الله في أرضه محارمه، ألا وإن في الجسد مضغة: إذا صلحت صلح الجسد كله، وإذا فسدت فسد الجسد كله، ألا وهي القلب &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, (কোনো জিনিষ) হালাল (হওয়া) পরিস্কার। (এবং কোনো জিনিষ) হারাম(হওয়া) ও পরিস্কার। হ্যা এ দুয়ের মধ্যে কিছু বিধান রয়েছে সাদৃশ্যপূর্ণ। যার সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষই জানেনা। যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষ থেকে বেঁছে থাকল, সে যেন তার দ্বীন এবং ইজ্জতকে হেফাজত করে নিল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষে পতিত হল, সে যেন হারামে পতিত হল। যেমন রাখাল ক্ষেতের দেয়াল ঘেষে পশু চড়ালো। এখানে সম্ভাবনা রয়েছে যে, পশু ক্ষেতে নেমে যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জেনে রাখ! প্রত্যেক বাদশারই একটি সীমান্তরেখা রয়েছে এবং আল্লাহ যমীনে তার সীমারেখা হল, তার হারাম বিধি-বিধান। জেনে রাখ! শরীরে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে। যখন সেই মাংসপিণ্ড ভাল থাকে তখন সারা শরীর-ই ভাল থাকে। আর যখন সেই মাংসপিণ্ড নষ্ট হয়ে যায়, তখন সমস্ত শরীরই নষ্ট হয়ে যায়। সেই বস্তু হল, ক্বলব বা অন্তর। (সহীহ বুখারী-৫২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যদি আগে আমাদের এই ফাতওয়া ওয়েবসাইট থেকে আপনার পুরো বিবরণ দেখে বলে থাকেন যে, “কোনো সমস্যা হবে না” তাহলে আপনি তার উপর আমল করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। &lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143905/?show=143928#a143928</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 07:02:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ভিন্ন শব্দে তালাক, সরীহ জিহার, হুরমত সংক্রান্ত প্রশ্ন?</title>
<link>https://ifatwa.info/143872/?show=143908#a143908</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143872/?show=143908#a143908</guid>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 05:07:01 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: অমুসলিম দেশের পাত্র নাকি দেশি পাত্র কে প্রাধান্য দেওয়া উচিত হবে দ্বীনের দৃষ্টিকোণ থেকে?</title>
<link>https://ifatwa.info/143867/?show=143871#a143871</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেনঃ&lt;br&gt;
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : ( تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا ، وَلِحَسَبِهَا ، وَلِجَمَالِهَا ، وَلِدِينِهَا ، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ) &lt;br&gt;
চারটি জিনিস দেখে মহিলাকে সাধারণত বিয়ে করা হয়,(১)সম্পদ(২)বংশ(৩)সুন্দর্য্য (৪)দ্বীনদারী&lt;br&gt;
তুমি দ্বীনদারীকে অগ্রাধিকার দাও।{যদি তা না করো তবে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে(تَرِبَتْ يَدَاكَ এর অনেক ব্যাখার একটি ব্যাখা)}(সহীহ বুখারী-৪৮০২,সহীহ মুসলিম-১৪৬৬)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;অমুসলিম দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করার বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/3447&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3447&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
আপনার জন্য দ্বীনদার পাত্র বাচাই করা উচিত।চায় দেশী পাত্র হোক বা দাওয়াত ও তাবলীগের নিয়তে অবস্থানরত প্রবাসী পাত্র হোক। অবশ্যই প্রবাসী পাত্রর চেয়ে দ্বীনদার দেশী পাত্র বাচাই করা উচিত ও উত্তম। আপনি ৭ দিন ইস্তেখারা করবেন। তারপর মন যেদিকে সায় দেয়, সেদিকে অগ্রসর হবেন। অমুসলিম দেশে অবস্থানরত কোনো পাত্র যদি দ্বীন পালন নিয়ে নিশ্চয়তা প্রদান না করে, তাহলে এমন পাত্রর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে না।&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143867/?show=143871#a143871</guid>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 10:10:18 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাকের পর শশুর মাহরাম হয় কিনা এবং গয়না ফেরত দেয়া প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/143826/?show=143856#a143856</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য বিদগ্ধ গবেষক আলেমগণ এ  সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, তিন  তালাকে তিন তালাক-ই পতিত হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সৌদী গবেষকবৃন্দে সিদ্ধান্তের কপি এই -&lt;br&gt;
 توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)&lt;br&gt;
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ (সৌদী আরব)- অধিকাংশ সদস্য ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;তিন তালাকই পতিত হবে।স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবে।(ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যা-১২/৩৯১)&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/18630&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/18630&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আরো জানুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/222&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/222&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) এক সাথে তিন তালাক দিলে কয় তালাক পতিত হবে? তা নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে। &lt;br&gt;
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী তিন তালাক পতিত হয়ে যায়। &lt;br&gt;
সুতরাং আপনার স্বামী মেসেজে &quot;তালাক তালাক তালাক&quot; লিখে পাঠানোর দরুণ তিন তালাক পতিত হয়ে গেছে। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(২) তালাকের পর শশুর মাহরামই থাকবেন।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৩) আপনার বিয়ের মোহর ছিলো ২ লাখ ৪০ হাজার। পাত্রপক্ষ আপনাকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে এক ভড়ি স্বর্ণ দিয়েছিলো। মোহর বাকি ছিলো ৮০ হাজার, এই ৮০ হাজার টাকা আপনি মাফ করে দিয়েছিলেন তালাক নেয়ার সময়। তারা বিয়ের সময় আপনাকে দুই সেট জুয়েলারি দিয়েছিলো। এগুলো যদি মহর হিসেবে তারা দেয়, তাহলে মহর হিসেবে গণ্য হবে এবং কর্তন হবে। নতুবা গিফট হিসেবে গণ্য হবে।&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143826/?show=143856#a143856</guid>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 04:58:38 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ ইচ্ছাকৃত ভাবে জায়েজ কিনা</title>
<link>https://ifatwa.info/143823/?show=143844#a143844</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
দ্বিতীয় প্রকার তথা 'অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ' শরীয়ত সম্মত প্রয়োজন ব্যতীত মাকরুহে তানযিহি।তবে শরীয়ত সম্মত নিম্নোক্ত প্রয়োজনে বৈধ রয়েছে।&lt;br&gt;
(ক)মহিলা এত দুর্বল যে, গর্ভধারণের বর্তমানে যোগ্যতা নেই।&lt;br&gt;
(খ)মহিলা নিজ বাসস্থান থেকে এত দূর সফরে যেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের আপতত কোনো মনোবাসনা নেই।আবার নিজ বাসস্থানে আসতেও কয়েক মাস লেগে যাবে বা কয়েক মাসের প্রয়োজন।&lt;br&gt;
(গ)স্বামী-স্ত্রীর পারস্পারিক সম্পর্ক চূড়ান্ত নিম্ন পর্যায়ের,এমনকি উভয়ের অন্তরে বিচ্ছেদের চিন্তাভাবনা চলছে। &lt;br&gt;
(ঘ)পূর্বের বাচ্চার সু-সাস্থ্যর ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে।&lt;br&gt;
(ঙ)স্থান-কালের ফাসাদ অর্থাৎ দ্বীনী পরিবেশের চূড়ান্ত পর্যায়ের অবনতির ধরুন বাচ্চা বদ-আখলাক বা অসচ্চরিত্র এবং মাতাপিতার বে-ইজ্জতির কারণ হবে বলে আশঙ্কা করলে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃ দ্রঃ&lt;br&gt;
সম্পদ কমে যাবে বা বেশী সন্তান নিলে সমাজে লজ্জিত হতে হবে মনেকরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ কখনো বৈধ হবে না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/446&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/446&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
বিশেষ জরুরতে অস্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের রুখসত রয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের সুযোগ শরীয়তে নাই। হ্যা, যদি দু'জন মুসলিম ডাক্তার সন্তান নেয়া কারো জীবনের জন্য হুমকি বলে পরামর্শ প্রদাণ করে, এবং ভবিষ্যতে সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে তখন স্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করার সুযোগ থাকবে। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে পরিস্থিতি তেমন জটিল মনে হচ্ছে না, তাই উক্ত দ্বীনি বোনের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি  গ্রহণ করা কাম্য হতে পারে না। হ্যা, তারপরও আযল বা কনডম ব্যবহার করে নিলে বিধানে কিছুটা শীতিলতা চলে আসবে।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143823/?show=143844#a143844</guid>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 23:54:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্বামী/ স্ত্রী  কথা মনে পড়লে বালিশ  জড়িয়ে ধরল।  এটা কী গুনাহের বিষয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/143761/?show=143800#a143800</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
(১) প্রবাসে থাকা স্বামীর কল্পনা করে স্ত্রী যদি বালিশ জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করে। এটা গুনাহের কোনো বিষয় নয়। স্বামী যদি তার স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিত বছরের পর বছর প্রবাসে থাকে, তাহলে এক্ষেত্রে অবশ্যই স্বামীকে জবাবদিহিতা করতে হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(২) শুধু নিজে পর্দাবৃত হলে হবে না বরং পরিবেশ পর্দাসম্মত হতে হবে তবেই ঐ সব অনুষ্ঠানে যাওয়ার রুখসত থাকবে। পর্দাসম্মত পরিবেশ নেই, এমন অনুষ্ঠান সমূহে নিজে পর্দাবৃত হয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(فإن قدر علی المنع فعل وإلا) یقدر (صبر إن لم یکن ممن یقتدی بہ فإن کان) مقتدی (ولم یقدر علی المنع خرج ولم یقعد) لأن فیہ شین الدین والمحکی عن الإمام کان قبل أن یصیر مقتدی بہ (وإن علم أولا) باللعب (لا یحضر أصلا) سواء کان ممن یقتدی بہ أو لا لأن حق الدعوة إنما یلزمہ بعد الحضور لا قبلہ۔ ( الدر المختار مع رد المحتار : ۳۴۸/۶، کتاب الحظر والاباحة، ط: دار الفکر، بیروت )&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2867&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2867&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৩) বর্তমানে যেসব নারীরা এমনিতেই বাইরে চলাফেরা করে, তাদের জন্যও মসজিদে যাওয়ার সুযোগ নেই বরং মাকরুহে তাহরিমী হিসেবে বিবেচিত হবে।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143761/?show=143800#a143800</guid>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 01:29:12 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইসলামি পরিবার গঠনে স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ক বই পরামর্শ দেওয়ার অনুরোধ</title>
<link>https://ifatwa.info/143771/?show=143797#a143797</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।&lt;br&gt;
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا &quot; إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا &quot;&lt;br&gt;
তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;denied:tel:265051&quot;&gt;২৬৫০-৫১&lt;/a&gt;, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
আশরাফ আলী থানভী রাহ কর্তৃক লিখিত, &lt;br&gt;
&quot;কুরআন হাদীসের আলোকে পারিবারিক জীবন&quot; বই খানা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এবং  ড. ইয়াসির ক্বাদি কর্তৃক লিখিত &quot;দাম্পত্য রসায়ন&quot; কিতাবখানাও উল্লেখযোগ্য। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;তাছাড়া উর্দু ভাষায় রচিত দুয়েকটি বইও সংগ্রহে রাখা মত।&lt;br&gt;
*ازدواجی زندگی مسائل اور حل - د.حافظ محمد زبير &lt;br&gt;
*فقہ الزواج مؤلف: مولانا مفتی احسان اللہ شائق صاحب استاذ و معين مفتى جامعۃ الرشید احسن آباد کراچی:&lt;br&gt;
*ازدواجی زندگی اور اس کے آداب - شيخ خالد عبد الرحمن &lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143771/?show=143797#a143797</guid>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 01:09:01 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: যদি কসম না করে বলে থাকে তাহলে কি হবে</title>
<link>https://ifatwa.info/143762/?show=143794#a143794</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143762/?show=143794#a143794</guid>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 00:11:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়েতে পাত্রে বা পাত্রীর বংশমর্যাদা যাচাই সম্পর্কিত</title>
<link>https://ifatwa.info/143730/?show=143758#a143758</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
 &quot; ثم الكفاءة تعتبر في النسب &quot; لأنه يقع به التفاخر &quot; فقريش بعضهم أكفاء لبعض والعرب بعضهم أكفاء لبعض &quot; والأصل فيه قوله عليه الصلاة والسلام &quot; قريش بعضهم أكفاء لبعض بطن بيطن والعرب بعضهم أكفاء لبعض قبيلة بقبيلة والموالي بعضهم أكفاء لبعض رجل برجل &quot; ولا يعتبر التفاضل فيما بين قريش لما روينا وعن محمد رحمه الله كذلك إلا أن يكون نسبا مشهورا كأهل بيت الخلافة كأنه قال تعظيما للخلافة وتسكينا للفتنة وبنو باهلة ليسوا بأكفاء لعامة العرب لأنهم معروفون بالخساسة. &lt;br&gt;
কাফা'আত বা সমতা বিধান নসব তথা বংশের মধ্যেও গ্রহণযোগ্য। কেননা এদ্বারা গর্ব করা হয়।সুতরাং কোরাইশ বংশের একে অন্যর কু'ফু হবে।এবং আরব বাসীদের একজন অন্যজনের কু'ফু। এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্তর মূল উৎস হচ্ছে নবীজী সাঃ এর ঐ প্রসিদ্ধ হাদীস যেথায় তিনি বলেছেন যে, &quot;কুরাইশ বংশের একে অন্যর কু'ফু হবে তথা কুরাইশদের মধ্য থেকে এক বতন অন্য বতনের কু'ফু হিসেবে বিবেচিত হবে।আর আরব বাসীদের মধ্যে থেকে একে অন্যর কু'ফু,তথা সমস্ত আরবের মধ্য থেকে এক কবিলা অন্য কবিলার কু'ফু হবে। আর আরব ব্যতীত অর্থাৎ অনারবের মধ্যে একজন অন্যজনের কু'ফু হিসেবে বিবেচিত হবে।অর্থাৎ আরব ব্যতীত পৃথিবীর সমস্ত মানুষ সমান। একজন আরেকজনের কু'ফু। কুরাইশদের মধ্যকার কোনো বিশেষ ফযিলত নেই।বরং সমতার বিধানে প্রায় সবাই সমান। ইমাম মুহাম্মদ রাহ ও অনুরূপ মতামত ব্যক্ত করেছেন।তবে তিনি মনে করেন যদি কুরাইশদের আহলে বাইত(সরকার পরিচালক) থাকে তাহলে কুরাইশদের অন্যদের উপর তাদের বিশেষ ফযিলত থাকবে।সুতরাং উনার মতে কুরাইশদের অন্যান্যরা আহলে বাইতের কু'ফু হবে না। ইমাম মুহাম্মদ রাহ খেলাফতকে সম্মান ও ফিৎনা দমন করার স্বার্থেই উপরোক্ত মতামত ব্যক্ত করেছিলেন। আরবের &quot;বনু বাহেলা&quot; গোত্র অন্যান্য আরব বাসীদের কু'ফু হবে না।কেননা তারা নিম্নস্তরের নিকৃষ্টতম কাজের সাথে জড়িত থাকে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/780&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/780&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
ব্যাপারী, মোল্লা এগুলো বংশ মর্যাদার বিশেষ কোনো প্রভাব ফেলবে না। মোটকথা, এগুলোকে বংশমর্যাদা হিসেবে গণ্য করা হবে না।&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143730/?show=143758#a143758</guid>
<pubDate>Wed, 06 May 2026 00:51:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: Talake tafwij</title>
<link>https://ifatwa.info/143727/?show=143757#a143757</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143727/?show=143757#a143757</guid>
<pubDate>Wed, 06 May 2026 00:44:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এইভাবে পরে বিবাহ করলে ও কি আবার তালাক হয়ে যায়??</title>
<link>https://ifatwa.info/143728/?show=143752#a143752</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;br&gt;
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
সহবাসের আগে, খালওয়াহ শাহিহার আগে, একটি তালাকের পরে এবং সেই পরিস্থিতির কিছুদিন পর যদি স্বামী বলে, &quot;আল্লাহর কসম আমি যদি তোমাকে বিয়ে করি তবে আমি তোমাকে আর কখনো আমার স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করব না&quot;, তাহলে সে তাকে পুনরায় আর বিয়ে করতে পারবে না। এবং পুনরায় বিয়ে করলে সাথে সাথে দ্বিতীয় তালাক হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143728/?show=143752#a143752</guid>
<pubDate>Wed, 06 May 2026 00:20:42 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হারাম থেকে বাঁচার জন্য কি করব?</title>
<link>https://ifatwa.info/143671/?show=143750#a143750</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
বিয়ের পূর্বে নাবালক এবং সাবালক সকল প্রকার মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব পিতার উপর। &lt;br&gt;
ونفقة البنت بالغة والابن بالغا زمنا أو أعمى على الأب خاصة به يفتى &lt;br&gt;
বালেগ মেয়ে এবং বালেগ পঙ্গু বা অন্ধ ছেলের ভরণপোষণের দায়িত্ব পিতার উপর।এটার উপরই ফাতাওয়া।(আল-উকুদুদ-দুররিয়া-১/৮২) বিস্তারিত জানুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2362&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2362&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;তবে বিয়ের সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব স্বামীর উপর।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;الفتاوی الھندیة: (563/1، ط: دار الفكر)&lt;br&gt;
ونفقة الإناث واجبة مطلقا على الآباء ما لم يتزوجن إذا لم يكن لهن مال كذا في الخلاصة&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/8853&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/8853&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(ক) বাচ্চা ডেলিভারির সময় বাবার বাড়িতে গেলেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার সমপরিমাণ টাকা দান সদকাহ করে নিতে হবে। বিনা জরুরতে না যাওয়াই উচিত।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(খ) আপনার ছোট ভাই যে কি না তিন তালাক প্রদানের পর হয়েছে, তার নসব নামা যেহেতু আপনার মা থেকে প্রমাণিত হবে, তাই সে আপনার মাহরাম হিসেবে বিবেচিত হবে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(গ) সম্পূর্ণ যাকাতই আদায় করতে হবে। নতুবা গোনাহ হবে। নেসাব পরিমাণের কম স্বর্ণ নিজের মালিকানায় রেখে দিবেন। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(ঘ) স্বামী শারীরিক অক্ষম হলে আপনি তাকে আরো সময় ও সুযোগ দিন। তারপরও ঠিক না হলে, আপনি বিকল্প রাস্তাও গ্রহণ করতে পারবেন। সন্তান জন্ম নিচ্ছে, তার অর্থ হল, তার শারীরিক অবস্থা উন্নতি হতে পারে।&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143671/?show=143750#a143750</guid>
<pubDate>Wed, 06 May 2026 00:05:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: &quot;না আসলে কিন্তু ডিভোর্স দিয়া দিবো&quot;- এই কথার ক্ষেত্রে তালাক বর্তাবে কিনা</title>
<link>https://ifatwa.info/143721/?show=143737#a143737</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণ মতে তালাক হবে না।কেননা এখানে তালাকের ওয়াদা করা হচ্ছে মাত্র।আর ভবিষ্যতে ওয়াদা করার দ্বারা তালাক পতিত হয় না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قال شيخ الإسلام ابن تيمية -رحمه الله- في مجموع الفتاوى: الوعد بالطلاق لا يقع ولو كثرت ألفاظه، ولا يجب الوفاء بهذا الوعد ولا يستحب. اهـ.(مجموع الفتاوي)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;صيغة المضارع لا يقع بها الطلاق الا اذا غلب فى الحال كما صرح به الكمال بن الهمام (الفتاوى الحامدية، كتاب الطلاق-38، رشيدة)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى الدر المختار، بخلاف قوله طلقى نفسك فقالت أنا طالق، أو أنا اطلق نفسى، لم يقع لأنه وعد، (رد المحتار، كتاب الطلاق، باب تفويض الطلاق-3/319)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/2825&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2825&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;তোমার বাসা থেকে লোকজন আসতে বলো নাহলে বলো যে ডিভোর্স দিয়া দিবো।&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামীর এই কথা দ্বারা কোনো তালাক হবে না।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143721/?show=143737#a143737</guid>
<pubDate>Tue, 05 May 2026 19:45:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: স্ত্রীকে গালি দিতে &quot;চ্যাটের বাল&quot; বলার সময় তা* এর নিয়ত থাকলে কি বৈবাহিক কোন সমস্যা হবে কি না?</title>
<link>https://ifatwa.info/143708/?show=143734#a143734</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্ত্রীকে গালি দিতে &quot;চ্যাটের বাল&quot; বলার সময় তালাকের নিয়ত থাকলে বৈবাহিক সম্পর্কে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143708/?show=143734#a143734</guid>
<pubDate>Tue, 05 May 2026 19:31:49 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: চাপ প্রয়োগে স্বামী আমার সুবিধামত বাসা নিয়েছেন, তবে তিনি রাগান্বিতঃ এখন করণীয় কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/143702/?show=143723#a143723</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا &quot; إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনি আপনার স্বামীর সাথে হাসিমুখে সদাসর্বদা কথা বলুন। তার যাতায়াত দূরত্বের যেই কষ্ট হচ্ছে, সেটা ভালবাসা দিয়ে দূর করার চেষ্টা করুন। সার্বিক বিবেচনা আপনার বাসা নেওয়াটা সুবিধাজনক বলেই হচ্ছে, তাই স্বামীকে খুশী রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করুন। তাকে বলুন, এই বাসা নেওয়াতে আপনি তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও কৃতজ্ঞ। এখানে যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনি নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন। তার কাছে প্রশ্ন রাখবেন, এই সব সুযোগ সুবিধার থাকা সত্বেও আপনি তার সিদ্ধান্তকে ভালবাসার খাতিরে মেনে নিতে পারবেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143702/?show=143723#a143723</guid>
<pubDate>Tue, 05 May 2026 11:58:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক সংক্রান্ত প্রশ্ন।</title>
<link>https://ifatwa.info/143700/?show=143701#a143701</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143700/?show=143701#a143701</guid>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 18:33:25 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পুরুষের একাধিক বিয়ের নিয়ম সংক্রান্ত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143679/?show=143693#a143693</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/6683&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/6683&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় বর্ণিত রয়েছে ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান মতে একাধিক স্ত্রীর মাঝে যদি ইনছাফ করতে পারে,তাহলে প্রয়োজনের স্বার্থে একাধিক বিবাহ করতে পারবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তায়ালা বলেন&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তোমরা বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমার ভালো লাগে—দুই, তিন অথবা চার। আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকে (বিয়ে করো)।(সুরা : নিসা, আয়াত-৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দ্বিতীয় বিয়ে করার ইসলামী শর্ত বেশ কঠিন অনেক কড়া। আগের স্ত্রীর সব ধরনের হক আদায়ের পর নতুন বিয়ের পরেও সমান তালে সব অধিকার পালন করার আত্মবিশ্বাস থাকলেই কেবল যৌক্তিক কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قال اللہ تعالی:فإن خفتم ألا تعدلوا فواحدة الآیة (سورہ نسا، آیت:۳)&lt;/div&gt;&lt;div&gt; আল্লাহতায়ালা বলেন, একাধিক বিয়ের সুবিধা যাদের আছে, তারা যদি সম অধিকার বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভীত হও, তাহলে এক বিয়ে পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাক। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ : «إِذَا كَانَتْ عِنْدَ الرَّجُلِ امْرَأَتَانِ فَلَمْ يَعْدِلْ بَيْنَهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّه سَاقِطٌ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُوْ دَاودَ وَالنَّسَائِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِىُّ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোনো পুরুষের দু’জন সহধর্মিণী থাকে আর সে তাদের মধ্যে যদি ন্যায়বিচার না করে, তবে সে কিয়ামতের দিন একপাশ ভঙ্গ (অঙ্গহীন) অবস্থায় উঠবে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/6683&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/6683&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একাধিক স্ত্রীর মাঝে দুই বিষয়ে সমতা রক্ষা করা অতীব প্রয়োজন। স্ত্রীদের সঙ্গে রাতযাপন ও ভরণ-পোষণ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ দুই অধিকার সব স্ত্রীর ক্ষেত্রে সমানভাবে স্বামীকে পালন করে যেতে হবে। কোন স্ত্রী সুন্দর বা অসুন্দর, আর কোনটি কুমারী বা বিধবা তা পার্থক্য করা যাবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কিন্তু কোনো স্ত্রীর প্রতি মনের ভালোবাসা বেশি হওয়া, আবার অন্য স্ত্রীর প্রতি কম হওয়া তা সমতার অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা, এটি মনের বিষয়, আর মনের ওপর কারও কোনো অধিকার নেই। একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে শুধু রাতযাপন ও খরচাপাতি এ দুই বিষয়ে সমতা ধর্তব্য। এটাই হলো একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতা রক্ষার ইসলামি শরিয়তের বিধান। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদিসে আছে, হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) স্ত্রীদের মধ্যে পালাবণ্টন করতেন এবং ন্যায়বিচার করতেন। আর বলতেন, হে আল্লাহ! আমি আমার শক্তি-সামর্থ্যানুযায়ী পালাবণ্টন করলাম। সুতরাং যাতে শুধু তোমার ক্ষমতা রয়েছে, তাতে আমার শক্তি নেই। কাজেই তাতে তুমি আমাকে ভর্ৎসনা করো না। (তিরমিজি : ১১৭০, আবু দাউদ : ২১৩৬)।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনো ব্যাক্তির যদি একাধিক বিবাহ বাস্তবেই খুবই প্রয়োজন হয়, বর্তমান স্ত্রী দ্বারা যদি তার শারিরীক চাহিদা ও অন্যান্য আবশ্যকীয় হক আদায় না হয়,আর সেই ব্যাক্তি একাধিক স্ত্রীর চাহিদা পূরন করতেও সক্ষম হয়,তাদের ভরনপোষণ এর ব্যপারেও পূর্ণ সক্ষম হয়,আর একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে শরীয়তের শর্তাবলী পূর্ণ ভাবে মানার উপরেও সক্ষম হয়,তার জন্য একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে ইসলাম অনুৎসাহিত নয়।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরন মতে উক্ত বিয়েগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে সহীহ হবে। তবে (একসাথে) চারটি থেকে বেশি বিবাহ করা যাবেনা,উপরে উল্লেখিত শর্তাবলী পূর্ণ ভাবে মেনে চলতে হবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143679/?show=143693#a143693</guid>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 16:51:25 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তা** অধিকার সংক্রান্ত প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/143680/?show=143688#a143688</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143680/?show=143688#a143688</guid>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 16:40:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক সম্পর্কে ---------?</title>
<link>https://ifatwa.info/143662/?show=143666#a143666</link>
<description>&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143662/?show=143666#a143666</guid>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 07:36:52 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিয়ের জন্য কী আমল করতে পরি ও সকল প্রকার যিনা, হতাশা থেকে বাঁচার উপায়?</title>
<link>https://ifatwa.info/143550/?show=143618#a143618</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০১)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;কোনো মুসলিমের সামনে কোনো প্রয়োজন দেখা দিলে আল্লাহর কাছে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে নিজ প্রয়োজন চাওয়াকে সলাতুল হাজত বলে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সলাতুল হাজত নামাজের বিশেষ কোনো নিয়ম নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;(চার রাকাতও পড়া যাবে) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;নামাজ শেষে আল্লাহ তাআলার হামদ ও ছানা (প্রসংসা) এবং রাসূল ﷺ এর ওপর দরুদ পাঠ করে নিজের মনের কথা ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবেন।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ নামাজ সম্পর্কে এক হাদিসে এভাবে এসেছে–&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مَنْ كَانَتْ لَهُ إِلَى اللَّهِ حَاجَةٌ أَوْ إِلَى أَحَدٍ مِنْ بَنِي آدَمَ فَلْيَتَوَضَّأْ وَلْيُحْسِنِ الْوُضُوءَ ثُمَّ لْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ لْيُثْنِ عَلَى اللَّهِ وَلْيُصَلِّ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ ثُمَّ لْيَقُلْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلاَمَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ لاَ تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلاَّ غَفَرْتَهُ وَلاَ هَمًّا إِلاَّ فَرَّجْتَهُ وَلاَ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلاَّ قَضَيْتَهَا يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থাৎ, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী আওফা থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন যে, আল্লাহর কাছে বা কোন আদম-সন্তানের কাছে যদি কারো কোন প্রয়োজন হয় তবে সে যেন অজু করে এবং খুব সুন্দরভাবে যেন তা করে। পরে যেন দু’রাকআত নামাজ আদায় করে, এরপর যেন আল্লাহর হামদ করে ও রাসূল ﷺ-এর উপর দরূদ সালামের পর এই দোয়াটি পড়ে:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلاَمَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ لاَ تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلاَّ غَفَرْتَهُ وَلاَ هَمًّا إِلاَّ فَرَّجْتَهُ وَلاَ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلاَّ قَضَيْتَهَا يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থ- আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি অতি সহিষ্ণু ও দয়ালু, সকল দোষ-ক্রটি থেকে পবিত্র তিনি, মহান আরশের প্রভু। সকল প্রশংসা আল্লাহর, তিনি সারা জাহানের রব। আপনার কাছেই আমরা যাঞ্ছা করি, আপনার রহমত আকর্ষণকারী সকল পূণ্যকর্মের ওয়াসীলায়, আপনার ক্ষমা ও মাগফিরাত আকর্ষণকারী সকল ক্রিয়াকাণ্ডের বরকত, সকল নেক কাজ সাফল্য লাভের এবং সব ধরনের গুনাহ থেকে নিরাপত্তা লাভের। আমার কোন গুনাহ যেন মাফ ছাড়া না থাকে। কোন সমস্যা যেন সমাধান ছাড়া না যায় আর আমার এমন প্রয়োজন যাতে রয়েছে আপনার সন্তুষ্টি তা যেন অপূরণ না থাকে, হে আর রাহমানুর রাহিমীন; হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (ইবনু মাজাহ ১৩৮৪, তিরমিজী ৪৭৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং দোয়ার ক্ষেত্রে হাদিস শরিফে বর্ণিত উপরোক্ত দোয়াটি অন্যান্য দোয়ার সাথে নামাজের শেষে বিশেষভাবে পড়া যেতে পারে। তবে পড়তেই হবে–এমন নয়। আপনি আপনার মত করে দোয়া করলেও কোনো অসুবিধা নেই।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/1453/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/1453/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;সালাতুল হাজত আদায় করে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তিনি যদি কবুল করেন,তাহলে সেক্ষেত্রে সবই সম্ভব।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে নিজে পূর্ণ দ্বীন মেনে চলবেন,সালাতুল হাজত আদায় করে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পাশাপাশি নিম্নোক্ত লিংক গুলিতে দেয়া  দ্রুত বিবাহের আমল গুলি করার পরামর্শ থাকবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/73602/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/73602/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/5833/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/5833/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/5258/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/5258/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(০২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দ্রুত বিবাহ করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অন্যথায় লাগাতার রোযা রাখতে হবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো করনীয় জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/51080/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/51080/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143550/?show=143618#a143618</guid>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 17:27:13 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাক ইদ্দত বিষয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/143605/?show=143613#a143613</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান হলো কোনো মহিলার স্বামী মারা গেলে তার স্বামীর বাড়িতে চার মাস দশদিন ইদ্দত পালন করতে হবে।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ۖ فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۗ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ [٢:٢٣٤] &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে, তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★তালাকপ্রাপ্তা এবং বিধবা মহিলার জন্য স্বামীর বাড়িতেই ইদ্দত পালন করা ওয়াজিব। বিশেষ ওজর ব্যতীত স্বামীর বাড়ি ছাড়া বাবার বাড়িতে কিংবা অন্য কোথাও গিয়ে ইদ্দত পালন করা জায়েয নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;সুরা আত ত্বলাকের ০১ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৬৫:১ یٰۤاَیُّهَا النَّبِیُّ اِذَا طَلَّقۡتُمُ النِّسَآءَ فَطَلِّقُوۡهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَ اَحۡصُوا الۡعِدَّۃَ ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ رَبَّکُمۡ ۚ لَا تُخۡرِجُوۡهُنَّ مِنۡۢ بُیُوۡتِهِنَّ وَ لَا یَخۡرُجۡنَ اِلَّاۤ اَنۡ یَّاۡتِیۡنَ بِفَاحِشَۃٍ مُّبَیِّنَۃٍ ؕ وَ تِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰهِ ؕ وَ مَنۡ یَّتَعَدَّ حُدُوۡدَ اللّٰهِ فَقَدۡ ظَلَمَ نَفۡسَهٗ ؕ لَا تَدۡرِیۡ لَعَلَّ اللّٰهَ یُحۡدِثُ بَعۡدَ ذٰلِکَ اَمۡرًا ﴿۱﴾&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে নবী, (বল), তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দেবে, তখন তাদের ইদ্দত অনুসারে তাদের তালাক দাও এবং ‘ইদ্দত হিসাব করে রাখবে এবং তোমাদের রব আল্লাহকে ভয় করবে। তোমরা তাদেরকে তোমাদের বাড়ী-ঘর থেকে বের করে দিয়ো না এবং তারাও বের হবে না। যদি না তারা কোন স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়। আর এগুলো আল্লাহর সীমারেখা। আর যে আল্লাহর (নির্ধারিত) সীমারেখাসমূহ অতিক্রম করে সে অবশ্যই তার নিজের ওপর যুলম করে। তুমি জান না, হয়তো এর পর আল্লাহ, (ফিরে আসার) কোন পথ তৈরী করে দিবেন। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্বামীর বাড়িতে যদি পর্দার সাথে থাকার ব্যবস্থা না হয় কিংবা তার জন্য সেখানে থাকা বেশি কষ্টকর বা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয় তাহলে সে বাড়ি ত্যাগ করে বাবার বাড়ি কিংবা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে ইদ্দত পালন করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে যেখানে যাবে সেখানেই ইদ্দত পূর্ণ করবে। ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে বিনা জরুরতে সেখান থেকে অন্যত্র থাকা জায়েয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ফাতেমা বিনতে কায়স রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছি, আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে এখন আমি আমার সাথে ব্যভিচারের ভয় করছি। তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্থানান্তর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৪৮২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ১৯১৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10353/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10353/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/104/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/104/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;ومنها وجوب الإحداد على المعتدة ...فالإحداد في اللغة عبارة عن الامتناع من الزينة، يقال: أحدت على زوجها وحدت أي امتنعت من الزينة وهو أن تجتنب الطيب ولبس المطيب والمعصفر والمزعفر، وتجتنب الدهن والكحل ولا تختضب ولا تمتشط ولا تلبس حليا ولا تتشوف&quot;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(کتاب الطلاق،فصل فی أحکام العدة،ج:3،ص:208،ط:العلمية)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দত পালন রত মহিলা কোনো প্রকার সুগন্ধি লাগাতে পারবেনা,কুসুম রঙ এর কিছু পরিধান করতে পারবেনা,জাফরান রঙ এর কিছু পরিধান করতে পারবেনা,তৈল,সুরমা,খেজাব লাগানো যাবেনা,চিরুনি করা যাবেনা,রেশমের কাপড় পরিধান করা যাবেনা।&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,&lt;/b&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার উপর এক তালাকে বায়েন পতিত হয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;গত মাসের ২১ তারিখ হতে আপনি ইদ্দত গণনা করবেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে বিধি নিষেধ গুলো হলোঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দত পালন রত মহিলা কোনো প্রকার অলংকার পরিধান করতে পারবেনা, এবং সাজসজ্জাও গ্রহণ করতে পারবেনা। কানের দুল, হাত-পায়ে মেহেদি,সুন্দর জামা কিছুই করতে পারবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীর হতে সব অলংকার খুলে ফেলতে হবে। &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;https://www.ifatwa.info/94632/&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;তালাক প্রাপ্তা মহিলার ইদ্দত স্বামীর বাড়িতে থেকেই পালন করতে হবে, যদি পর্দার সাথে সেখানে থাকার ব্যবস্থা না হয় কিংবা তার জন্য সেখানে থাকা বেশি কষ্টকর বা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয় তাহলে সে বাড়ি ত্যাগ করে বাবার বাড়ি কিংবা অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে ইদ্দত পালন করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে যেখানে যাবে সেখানেই ইদ্দত পূর্ণ করবে। ইদ্দত শেষ হওয়ার আগে বিনা জরুরতে সেখান থেকে অন্যত্র থাকা জায়েয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত ফাতেমা বিনতে কায়স রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছি, আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে এখন আমি আমার সাথে ব্যভিচারের ভয় করছি। তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্থানান্তর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৪৮২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ১৯১৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/10353/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/10353/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/104/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/104/&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেসব সাবান ও ক্রিমে সুগন্ধি রয়েছে, সেসব সাবান ও ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দতরত অবস্থায় ঘরের বাইরে বের হওয়ার বিধান বিস্তারিত আকারে উপরে উল্লেখ রয়েছে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143605/?show=143613#a143613</guid>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 17:07:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কোন বিয়েটি জায়েজ হয়েছে?</title>
<link>https://ifatwa.info/143555/?show=143589#a143589</link>
<description>&lt;div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَّ الۡمُحۡصَنٰتُ مِنَ النِّسَآءِ اِلَّا مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُکُمۡ ۚ کِتٰبَ اللّٰہِ عَلَیۡکُمۡ ۚ وَ اُحِلَّ لَکُمۡ مَّا وَرَآءَ ذٰلِکُمۡ اَنۡ تَبۡتَغُوۡا بِاَمۡوَالِکُمۡ مُّحۡصِنِیۡنَ غَیۡرَ مُسٰفِحِیۡنَ ؕ فَمَا اسۡتَمۡتَعۡتُمۡ بِہٖ مِنۡہُنَّ فَاٰتُوۡہُنَّ اُجُوۡرَہُنَّ فَرِیۡضَۃً ؕ وَ لَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ فِیۡمَا تَرٰضَیۡتُمۡ بِہٖ مِنۡۢ بَعۡدِ الۡفَرِیۡضَۃِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَلِیۡمًا حَکِیۡمًا ﴿۲۴﴾ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া সব সধবা (অন্যের বিবাহিতা স্ত্রী) তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ, তোমাদের জন্য এগুলো আল্লাহর বিধান। উল্লেখিত নারীগণ ছাড়া অন্য নারীকে অর্থব্যয়ে বিয়ে করতে চাওয়া তোমাদের জন্য বৈধ করা হল, অবৈধ যৌন সম্পর্কের জন্য নয়। তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমর সম্ভোগ করেছ তাদের নির্ধারিত মাহর অর্পণ করবে। মাহর নির্ধারণের পর কোন বিষয়ে পস্পর রাযী হলে তাতে তোমাদের কোন দোষ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(সুরা নিসা ২৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فتاوی ہندیہ   :&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot;لا يجوز للرجل أن يتزوج زوجة غيره وكذلك المعتدة.&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(کتاب النکاح ،القسم السادس المحرمات اللتی یتعلق بہا حق الغیر،ج:۱،ص:۲۸۰،دارالفکر)&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সারমর্মঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোনো পুরুষের জন্য অন্যের বিবাহিতা স্ত্রীকে বিবাহ করা জায়েজ নেই,অনুরুপ ভাবে ইদ্দতপালন রত কোনো স্ত্রীকে বিবাহ করা জায়েজ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নে উল্লেখিত মহিলার ১ম বিবাহ শুদ্ধ ছিলো।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;এ সংক্রান্ত জানুনঃ- &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/123092/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/123092/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে তার জন্য ১ম স্বামী থেকে তালাক না নিয়ে এভাবে অন্যের সাথে বিবাহ বসে ঘর সংসার জায়েজ হচ্ছেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এক্ষেত্রে তাদের যেনার সংসার হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;b&gt;এই লোকটির সাথে বিবাহ বৈধ করার পদ্ধতিঃ-&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;এখন ঐ মহিলার জন্য করনীয় দ্রুত ১ম স্বামীর কাছে ফিরিয়ে যাওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি ১ম স্বামীর সাথে সংসার না করতে চায়,সেক্ষেত্রে তালাক চাইবে,তালাক চাওয়ার পরেও না দিলে আদালত বা কাজি সাহেবের স্বরনাপন্ন হয়ে খোলা তালাক দিয়ে ইদ্দত পালন করবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইদ্দতকাল শেষ হয়ে গেলে ২য় স্বামীর সাথে বিবাহ বসবে বা অন্য কাহারো সাথে সে বিবাহ বসতে পারবে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের উক্ত বিধানটি আপনি সেই মহিলাকে বা তার অভিভাবককে জানিয়ে দিন। এটা আপনার জন্য নৈতিক দায়িত্ব।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143555/?show=143589#a143589</guid>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 10:48:08 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কাল্পনিক নিয়তে কিনায়া কথা বললে কি তালাক হয়?&quot;</title>
<link>https://ifatwa.info/143580/?show=143584#a143584</link>
<description>&lt;div&gt;وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته &lt;/div&gt;&lt;div&gt;بسم الله الرحمن الرحيم &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://iom.edu.bd/free-ruqyah-session/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://idaars.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://idaars.com/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;/div&gt;&lt;div&gt;⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143580/?show=143584#a143584</guid>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 09:15:43 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আসসালামুয়ালাইকুম, আমি আমাদের বিয়ের ব্যাপারে কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই,</title>
<link>https://ifatwa.info/143514/?show=143528#a143528</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দারুল উলূম দেওবন্দের একটি ফাতাওয়ায় লোকদের সহজতার জন্য এ সম্পর্কে বলা হয় যে, যদি পাত্র পাত্রী উভয় বিয়ে নিয়ে সন্তুষ্ট ও সম্মত থাকে, এবং মৌখিক ইজাব কবুল না করে বরং দস্তখত করে নেয়, তাহলে সহজতার নিমিত্তে এই বিয়ে বিশুদ্ধ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;Fatwa:209-1375/L=1/1440&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اگر لڑکی کو یہ معلوم تھا کہ یہ نکاح نامہ ہے اور لڑکی نے بغیر کسی جبر واکراہ کے اس پر دستخط کردیا تھا تو نکاح صحیح اور درست ہوگیا۔&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সাধারণ শুধুমাত্র দস্তখত দ্বারা বিয়ে সংগঠিত হয় না। তবে যদি কখনো অজ্ঞতাবশত দস্তখত দ্বারা বিয়ে হয়ে যায়, মুখে ইজাব কবুল না হয়, এবং সংসারও হয়ে যায়, তাহলে উক্ত বিবাহকে বৈধ বিবেচনা করা হবে। এটা মূলত মূল বিধান থেকে সরে এসে সহজতার জন্য কিছু সংখ্যক ফুকাহায়ে কেরাম মতামত দিয়েছে। হ্যা, আমাদের দৃষ্টিতে এমতাবস্থায়ও বিবাহ নবায়ন করে নেওয়া উচিত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/8800&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/8800&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আপনাদের বিবাহ হয়েছে। আপনাদের কোনো গোনাহ হবে না। তবে উত্তম হল, এক্ষেত্রে পূনরায় বিবাহকে দোহড়িয়ে নেওয়া। দুইজন সাক্ষীর সামনে ইজাব কবুল করে নেয়া। না করলেও কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143514/?show=143528#a143528</guid>
<pubDate>Fri, 01 May 2026 01:50:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: মা ও ছেলের যিনা সম্পর্কে....</title>
<link>https://ifatwa.info/143444/?show=143473#a143473</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/3571/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/3571/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়াতে আমরা বলেছি যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হুরমতে মুসাহারাত স্পর্শ  এর মাধ্যমেও হয়, আবার শুধুমাত্র দৃষ্টিপাতের মাধমেও হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শর্তগুলো হল:&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. সরাসরি খালি গায়ে বা এমন কাপড়ের উপর দিয়ে স্পর্শ করে, যা এতটাই পাতলা যে, শরীরের উষ্ণতা অনুভব হয়। যদি এমন মোটা কাপড় পরিধান করে থাকে যে, শরীরের উষ্ণতা অনুভূত না হয়, তাহলে নিষিদ্ধতা সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فى الدر المختار- أو لمس ) ولو بحائل لا يمنع الحرارة&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وقال ابن عبدين– ( قوله : بحائل لا يمنع الحرارة ) أي ولو بحائل إلخ ، فلو كان مانعا لا تثبت الحرمة ، كذا في أكثر الكتب (الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-3/107-108)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যার সারমর্ম হলো যদি এমন কাপড়ের উপর দিয়ে স্পর্শ করে, যেটা শরীরের গরমি ভাব অনুভব হয়,তাহলে হুরমতে মুসাহারাত প্রমানীত হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. স্পর্শ করলে পুরুষ মহিলা যেকোন একজনের উত্তেজনা অনুভুত হওয়া। পুরুষের উত্তেজনা অনুভূত হওয়ার লক্ষণ হল গোপনাঙ্গ দাঁড়িয়ে যাওয়া, আর পূর্ব থেকে দাঁড়িয়ে থাকলে স্পর্শ করার পর উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى رد المحتار- قوله (بشهوة) اي ولو من احدهما،&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى الدر المختار- وحدها فيهما تحرك آلته أو زيادته به يفتى&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفي امرأة ونحو شيخ كبير تحرك قلبه أو زيادته (الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/107-109)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. স্পর্শ করার সময় উত্তেজিত হতে হবে। যদি স্পর্শ করার সময় কেউ উত্তেজিত না হয়, তাহলেও নিষিদ্ধতা প্রমাণিত হবে না। সেই সাথে স্পর্শ করার আগে বা শেষে, হাত ছেড়ে দেওয়ার আগে বা পর যদি উত্তেজনা অনুভূত হয় তাহলেও নিষিদ্ধতার সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى الدر المختار- والعبرة للشهوة عند المس والنظر لا بعدهما&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى رد المحتار- ( قوله : والعبرة إلخ ) قال في الفتح : وقوله : بشهوة في موضع الحال ، فيفيد اشتراط الشهوة حال المس ، فلو مس بغير شهوة ، ثم اشتهى عن ذلك المس لا تحرم عليه (رد المحتار-كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/108)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যার সারমর্ম হলো স্পর্শ, দৃষ্টিপাত করার সময় উত্তেজনা থাকতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৪. স্পর্শ করার পর উদ্ভূত উত্তেজনা স্থীর হওয়ার পূর্বেই বীর্যপাত না হতে হবে। যদি উত্তেজনা হওয়ার সাথে সাথেই বীর্যপাত হয়ে যায়, তাহলেও নিষিদ্ধতা সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى الدر المختار- هذا إذا لم ينزل فلو أنزل مع مس أو نظر فلا حرمة به بفتى&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وفى رد المحتار- قوله : فلا حرمة ) لأنه بالإنزال تبين أنه غير مفض إلى الوطء هداية .&lt;/div&gt;&lt;div&gt;قال في العناية : ومعنى قولهم إنه لا يوجب الحرمة بالإنزال أن الحرمة عند ابتداء المس بشهوة كان حكمها موقوفا إلى أن يتبين بالإنزال ، فإن أنزل لم تثبت ، وإلا ثبت(الفتاوى الشامية، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-4/109&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যার সারমর্ম হলো যদি  যদি দেখা  বা স্পর্শ করার দ্বারায় বির্যপাত হয়ে যায়, তাহলে হুরমতে মুসাহারাত প্রমানীত হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৫. মহিলার বয়স ৯ বছর থেকে কম না হতে হবে। আর পুরুষের বয়স ১২ বছর থেকে কম না হতে হবে।  {হুরমতে মুসাহারাত-১৯}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উপরোক্ত ৫টি শর্ত পাওয়া গেলে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وكذا المقبلات، أو الممسوسات بشهوة لأصوله، أو فروعه (رد المحتار-4/100)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لأن حرمة المصاهرة إذا ثبتت لا تسقط أبدا (رد المحتار-4/109)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অনুবাদ হুরমতে মুসাহারাত এক বার প্রমানীত হলে সেটার হুকুম সারাজীবন থাকে। এই হুকুম তার থেকে দূর হবেনা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★দৃষ্টিপাতের বিষয়েও হুরমাতে মুসাহারাত সংশ্লিষ্ট। তবে এখানে ৬টি শর্ত রয়েছে। যথা-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. দৃষ্টিপাতটি হতে হবে মহিলা পুরুষের আর পুরুষ নারীর সরাসরি শরীরের দিকে। ছবি বা ভিডিও বা কারো অবয়বের পুতুল হলে হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;২. দৃষ্টিটি নিবদ্ধ হতে হবে মহিলার লজ্জাস্থানের খানিকটা ভিতরাংশে। শুধু উপরের অংশ দেখার দ্বারা হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না। আর পুরুষের ক্ষেত্রে শুধু লজ্জাস্থান দেখার দ্বারাই হুরমত সাবেত হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৩. দৃষ্টি নিবদ্ধের সময় শারিরিক উত্তেজনা অনুভূত হতে হবে। পরে বা আগে হলে হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৪. যার লজ্জাস্থান দেখছে সে জীবিত হতে হবে। মৃত হলে হুরমত সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৫. দৃষ্টি নিবদ্ধের সাথে সাথেই বীর্যপাত না হতে হবে। বীর্যপাত হয়ে গেলে হুরমত সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;৬. মেয়ের বয়স কমপক্ষে ৯ বছর আর ছেলের বয়স কমপক্ষে ১২ বছর হতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উপরোল্লিখিত ৬টি শর্ত পাওয়া গেলে দৃষ্টিপাতের দ্বারাও হুরমাতে মুসাহারাত তথা বৈবাহিক সম্পর্কের দরূন আজীবন বিবাহ হারাম হওয়ার নীতি কার্যকর হবে দৃষ্টিপাতকারী পুরুষ ও মহিলার মাঝে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;একটি শর্ত না পাওয়া গেলেও হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিস্তারিত জানতে পড়ুন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী দা.বা.কৃত হুরমাতে মুসাহারাত&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহ.কৃত আলহীলাতুন নাযিজাহ লিলহালীলাতিল আজেযা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো বিস্তারিত জানুন- &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/3571/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/3571/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুন- &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/60297/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/60297/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যদি উপরোক্ত শর্তগুলো পাওয়া যাওয়ার মাধ্যমে নিজ বালেগ ছেলের দ্বারা (হুরমাতে মুসাহারাত) প্রমাণিত হয় তাহলে ঐ মহিলা তার স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যাবে। &lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143444/?show=143473#a143473</guid>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 16:02:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এমন হলে কি তালাক হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/143441/?show=143457#a143457</link>
<description>&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;জবাবঃ&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/143276/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/143276/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;প্রথমত মৌলিক একটি বিষয় আমাদেরকে বুঝে নিতে হবে যে, মাসআলা বা ফাতাওয়া দেয়া হয়, প্রশ্নকারীর বর্ণনা অনুপাতে। প্রশ্নের শব্দের হেরফের ফাতাওয়া পাল্টে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;যাইহোক, আপনার বক্তব্য অনুপাতেই সমাধান পেশ করা হচ্ছে। যদি আসল অবস্থা ভিন্ন হয়, তাহলে এর দায়দায়িত্ব আমাদের নয়। &lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;.&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;.&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;যেহেতু প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে স্বামী রাগান্বিত হয়ে স্ত্রীকে বলেছে, &quot;তোমাকে তালাক দিলাম, তালাক দিলাম, তালাক দিলাম&quot;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে তিন তালাক পতিত হয়ে গেছে। এখন আর সংসার করার কোনো সুযোগ নাই। হ্যাঁ অন্যত্র বিয়ের পর সেখানে ঘটনাক্রমে তালাক হয়ে গেলে তখন প্রথম স্বামীর সাথে উক্ত স্ত্রীর বিয়ে বৈধ হবে।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;.&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt; فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে,তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা;যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। [সূরা বাকারা-২৩০] &lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;.&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;وقال الليث عن نافع كان ابن عمر إذا سئل عمن طلق ثلاثا قال لو طلقت مرة أو مرتين فأن النبي صلى الله عليه و سلم أمرني بهذا فإن طلقتها ثلاثا حرمت حتى تنكح زوجا غيرك&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;হযরত নাফে রহ. বলেন,যখন হযরত ইবনে উমর রা. এর কাছে ‘এক সাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাক পতিত হওয়া না হওয়া’ (রুজু‘করা যাবে কিনা) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলো,তখন তিনি বলেন, “যদি তুমি এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো তাহলে ‘রুজু’ [তথা স্ত্রীকে বিবাহ করা ছাড়াই ফিরিয়ে আনা] করতে পার। কারণ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরকম অবস্থায় ‘রুজু’ করার আদেশ দিয়েছিলেন। যদি তিন তালাক দিয়ে দাও তাহলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, সে তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত। {সহীহ বুখারী-২/৭৯২, ২/৮০৩}&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;عن مجاهد قال كنت عند ابن عباس فجاء رجل فقال إنه طلق امرأته ثلاثا. قال فسكت حتى ظننت أنه رادها إليه ثم قال ينطلق أحدكم فيركب الحموقة ثم يقول يا ابن عباس يا ابن عباس وإن الله قال (وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا) وإنك لم تتق الله فلم أجد لك مخرجا عصيت ربك وبانت منك امرأتك&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;অর্থ: হযরত মুজাহিদ রহ. বলেন, আমি ইবনে আব্বাস রা. -এর পাশে ছিলাম। সে সময় এক ব্যক্তি এসে বলেন- ‘সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস রা. চুপ করে রইলেন। আমি মনে মনে ভাবছিলাম- হয়ত তিনি তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার কথা বলবেন (রুজু করার হুকুম দিবেন)। কিছুক্ষণ পর ইবনে আব্বাস রা. বলেন, তোমাদের অনেকে নির্বোধের মত কাজ কর; [তিন তালাক দিয়ে দাও!] তারপর ‘ইবনে আব্বাস! ইবনে আব্বাস! বলে চিৎকার করতে থাক। শুনে রাখ আল্লাহ তা‘য়ালা বাণী- “যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘য়ালাকে ভয় করে আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য পথকে খুলে দেন। তুমিতো স্বীয় রবের নাফরমানী করেছো [তিন তালাক দিয়ে]। এ কারণে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে পৃথক হয়ে গেছে। {সুনানে আবু দাউদ-১/২৯৯, হাদীস নং-২১৯৯, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১৪৭২০, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১৪৩}&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;শরীয়তের বিধান হলো এক বৈঠকে ৩ তালাক দেওয়া হোক, বা একাধিক বৈঠকে, এক শব্দে ৩ তালাক দেওয়া হোক বা একাধিক শব্দে ৩ তালাক দেওয়া হোক, সব ছুরতেই ৩ তালাকই পতিত হয়ে যাবে।  &lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143441/?show=143457#a143457</guid>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 06:50:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: তালাকের নিয়ত সুস্পষ্ট না</title>
<link>https://ifatwa.info/143440/?show=143453#a143453</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(وَأَمَّا) بَيَانُ صِفَةِ الْحُكْمِ الثَّابِتِ بِالتَّفْوِيضِ: فَمِنْ صِفَتِهِ أَنَّهُ غَيْرُ لَازِمٍ فِي حَقِّ الْمَرْأَةِ حَتَّى تَمْلِكَ رَدَّهُ صَرِيحًا أَوْ دَلَالَةً لِمَا ذَكَرْنَا أَنَّ جَعْلَ الْأَمْرِ بِيَدِهَا تَخْيِيرٌ لَهَا بَيْنَ أَنْ تَخْتَارَ نَفْسَهَا وَبَيْنَ أَنْ تَخْتَارَ زَوْجَهَا، وَالتَّخْيِيرُ يُنَافِي اللُّزُومَ وَمِنْ صِفَتِهِ أَنَّهُ إذَا خَرَجَ الْأَمْرُ مِنْ يَدِهَا لَا يَعُودُ الْأَمْرُ إلَى يَدِهَا بِذَلِكَ الْجَعْلِ أَبَدًا،&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাফবীযে তালাকের মাধ্যমে অর্জিত তালাকের অধিকার স্ত্রীর জন্য গ্রহণ করা অত্যাবশ্যকীয় নয়।এমনকি স্ত্রী প্রকাশ্যে বা ইশারায় সেই অধিকার কে ফিরিয়ে দেয়ারও ক্ষমতা রাখে। কেননা আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে, স্ত্রীর হাতে অর্পিত অধিকারটি তার ইচ্ছাধীন।স্ত্রী চাইলে সে তার অধিকার কে বাস্তবায়িত করতে পারে, আবার সে স্বামীকে গ্রহণ করেও নিতে পারে।সুতরাং ইচ্ছাগত বিষয় অত্যাবশ্যকীয় বিষয়ের সম্পূর্ণ বিরোধী।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ হিসেবে বলা যায় যে,যখন স্ত্রী তার স্বামী কর্তৃত প্রদত্ত তালাকের অধিকারকে ফিরিয়ে দেবে তখন পূর্বে প্রদত্ত অধিকার দ্বারা স্ত্রী আর নিজের উপর তালাক প্রয়োগ করতে পারবে না।(বরং নতুন করে আবার স্বামী অধিকার দিলে স্ত্রী তালাকের মালিক বনবে।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(বাদায়ে সানায়ে-৩/১১৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;التَّفْوِيضُ الْمُعَلَّقُ بِشَرْطٍ إمَّا أَنْ يَكُونَ مُطْلَقًا عَنْ الْوَقْتِ وَإِمَّا أَنْ يَكُونَ مُوَقَّتًا فَإِنْ كَانَ مُطْلَقًا بِأَنْ قَالَ إذَا قَدِمَ فُلَانٌ فَأَمْرُك بِيَدِك فَقَدِمَ فُلَانٌ فَأَمْرُهَا بِيَدِهَا إذَا عَلِمَتْ فِي مَجْلِسِهَا الَّذِي قَدِمَ فِيهِ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তাফবীযে তালাক হয়তো কোনো সময়ের সাথে নির্দিষ্টি থাকবে না, অথবা সময়ের সাথে নির্দিষ্ট থাকবে।যদি কোনো সময়ের সাথে নির্দিষ্ট না থাকে, যেমন কেউ বলল, যখন ঐ ব্যক্তি আসবে, তখন তোমার বিষয়(তাফবীযে তালাক) তোমার হাতে ন্যস্ত থাকবে, যেদিন ঐ ব্যক্তি আসবে, সেদিন স্ত্রী তালাকের অধিকারপ্রাপ্ত হবে। যে মজলিসের মধ্যে ঐ ব্যক্তি আসবে, সেই মজলিসে স্ত্রী তালাক-কে গ্রহণ করতে পারবে।মজলিস শেষ হওয়ার পর আর পারবে না।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৯৬)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/9409&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/9409&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&quot; ঠিক আছে সংসার কইরো না&quot; এটা দ্বারা তাফবীযে তালাক বুঝাবে। যেহেতু আপনি নিজের উপর কিছু গ্রহণ করেননি, তাই আপনার উপর তালাক পতিত হবে না।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143440/?show=143453#a143453</guid>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 05:45:41 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বিয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি</title>
<link>https://ifatwa.info/143425/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ&lt;br /&gt;
বাসায় বিয়ের কথা চলছে, ছেলে আমাদের আত্মীয়। চেনা জানার মধ্যে তাই উনার সাথে পারিবরিক স্ট্যাটাস না মিললেও ভাবা হচ্ছে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উনি ভালো জব করছেন &amp;amp; পিএইচডির প্ল্যান আছে কিছু বছর পর।&lt;br /&gt;
আমি অনেকদিন ধরে ইস্তেখারা করছি &amp;amp; আমার রেজাল্ট সবসময়ই পজিটিভ &amp;amp; সব সুন্দর ভাবে আগাচ্ছে।আমার বাবার রাজি হওয়া টাও অবাক করা ছিলো। সব সহজ ভাবেঔ হয়ে যাচ্ছে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে যেহেতু ধার্মিক পরিবার নন, তাই আমাদের বিয়ে &amp;nbsp;দিতে চাচ্ছেন নেক্সট ইয়ার ডিসেম্বরে।ঐ ছেলে আত্মীয় হওয়ায় কথা বার্তা হয়ে যায়,দেখা হয়...&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমার অপরাধবোধ হয় অনেক তাই আমি চাচ্ছি এটলিস্ট কাবিন করে ফেলতে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু আমার একটা ব্যাপারে একটু ভয় লাগছে-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১) যেহেতু উনার বাসা বাড়ি গ্রামে,উনি একাই ভালো ইনকাম করেন &amp;amp; পিএইচডির পর আরো ভালো হবে... আমার কথা হলো যদি আমি যেমন চাচ্ছি আশানুরূপ কিছু না হয়?</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143425/</guid>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 04:16:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বাবা মা কোন দোষ ছাড়াও অভিশাপ দিলে তা কি কার্যকর হবে</title>
<link>https://ifatwa.info/143405/</link>
<description>&lt;p&gt;আসসালামু আলাইকুম&lt;br&gt;&lt;br&gt;আমার হাসবেন্ড প্রবাসে থাকেন। উনি উনার মা বাবাকে খুব ভালোবাসেন। যখন দেশে অবস্থান করেন তখন তিনি তাদের অনেক যত্ন নেন। তাদের কখন কি প্রয়োজন সে বিষয়ে সবসময় খেয়াল রাখেন। এক কথায় উনি উনার সাধ্য মতে তাদের হক আদায়ে সচেষ্ট।&lt;br&gt;&lt;br&gt;আমাদের বিয়ে হয়েছে আড়াই বছর। আমাদের একটি সন্তান আছে দেড় বছরের।উনি আমার প্রতি ও অনেক যত্নশীল। আমরা দুজনের মধ্যে তেমন কোনো বিষয়ে অমিল নেই, দুজনের মধ্যে যথেষ্ট আন্তরিকতা ও ভালোবাসা বিরাজমান। আমাদের অহেতুক কোনো ঝগড়াঝাটি হয়না বললেই চলে। আমারা স্বামী স্ত্রী একে অন্যের প্রতি সন্তুষ্ট আলহামদুলিল্লাহ।&lt;br&gt;&lt;br&gt;বিয়ের পর থেকেই একটা জায়গায় এসে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হই। সেটা হলো আমার হাসবেন্ড যখন বিদেশে চলে যান তখন আমি আমার বাবার বাড়িতে গিয়ে অবস্থান করলে সেটা আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি পছন্দ করেন না। বলা বাহুল্য আমি শুধু আমার বাবার বাড়িতেই থাকি বিষয়টা এমন না। আমি দুই জায়গায়ই থাকি। আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি চান আমি যেন&amp;nbsp; বাবার বাড়ি অল্প কয়েক দিন থেকেই আবার চলে আসি। আমি চাই আমি মাস খানেক&amp;nbsp; এর মতে থাকি। কারণ আমার হাসবেন্ডকে ছাড়া সেখানে অবস্থান করা আমার জন্য অনেক যন্ত্রণাদায়ক। আমার অনেক মানসিক সমস্যা অনুভব হয়।&lt;br&gt;&lt;br&gt;কিন্তু যেহেতু আমার হাসবেন্ড প্রবাসে উনার বাবা মায়ের দেখাশেনা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমিও চাই আমি যতদিন&amp;nbsp; সেখানে অবস্থান করি&amp;nbsp; সাধ্য অনুযায়ী তাদের দেখাশোনা করতে। এবং উনারা&amp;nbsp; যেন তাদের নাতিকে কাছে পান স্নেহ করতে পারেন সে বিষয়েও আমি সচেষ্ট। আমার বাবার বাড়িতে থাকা নিয়ে আমার হাসবেন্ডের কোনো আপওি নেই।&lt;br&gt;&lt;br&gt;কিন্তু বিপওি ঘটে তখন যখন ১০/১২ দিন পর আমি শ্বশুরবাড়ি যাই না আরও কিছুদিন থাকার আবদার করি।&amp;nbsp; উনারা তখন আমার হাসবেন্ড এর সাথে&amp;nbsp; রাগ করেন। আমার হাসবেন্ড এর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।&amp;nbsp; উনাকে অভিশাপ দেন। যেটা আমার হাসবেন্ড এর জন্য কষ্টকর।&lt;br&gt;&lt;br&gt;পুরো বিষয়টি নিয়ে আমার হাসবেন্ডের কিছু প্রশ্ন আছে।&lt;br&gt;&lt;br&gt;১.সন্তানের কোনো দোষ না থাকলে ও যদি বাবা মা অভিশাপ দেন তাহলে কি আমার হাসবেন্ড গুনাহগার হবেন। অভিশাপ কি কার্যকর হবে?&lt;br&gt;&lt;br&gt;২.আমার হাসবেন্ড যেহেতু প্রবাসে থাকেন তিনি চান বাবা মায়ের জন্য একজন খাদেমা নিয়োগ দিতে। তাহলে কি উনাদের হক আদায় হবে না?&lt;br&gt;&lt;br&gt;৩. আমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে আমি কি আমার বাবার বাড়িতে থাকলে গুনাহ হবে?&lt;br&gt;&lt;br&gt;৪. উনারা যাতে অভিশাপ না দেন কিংবা উনাদের হক আদায়ে আমার স্বামী আর কি পদক্ষেপ নিতে পারেন?&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br&gt;&amp;lt;!--/data/user/0/com.samsung.android.app.notes/files/clipdata/clipdata_bodytext_260427_192052_637.sdocx--&amp;gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/143405/</guid>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 13:21:14 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>