আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
91 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (20 points)
closed by
স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাকের নয়ত করে বলে:

‎"তুমি তোমার ইচ্ছা প্রয়োগ কর" কিংবা স্ত্রীকে বলে "তুমি নিজেকে তালাক প্রদান কর"। অর্থাৎ স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক নেওয়ার অনুমতি দেয় তাহলেই সে তার স্বামী থেকে তালাক গ্ৰহন করতে পারবে। স্ত্রী তার স্বামীকে নির্দিষ্ট ফিদিয়া দিবে এবং স্বামী তার গ্ৰহণ করবে আর তা হবে 'তালাকে বাইন' এর মতো, এখানে স্বামী চাইলেই তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে সদ্য আচরণের মাধ্যমে বা স্বামী চাইলে তাকে তিন তালাক প্রদান করে মুক্ত করে দিতে পারবে।

‎

‎এখন বিষয় হলো স্ত্রীকে তার মা বাবা জোরপূর্বক স্বামীকে তালাক দিতে বলেছে। আর ইসলামে আমার জানা মতে নারী তার স্বামীকে বলবে এক তালাক দুই তালাক তিন তালাক এমন তো বিধান নেই। আর যদি একান্তই প্রয়োজন হয় বিচ্ছেদের তাহলে স্ত্রী খোলা করতে পারবে, তাতেও ফিরিয়ে নেওয়ার ইচ্ছাধিকার স্বামীর রয়েছে। কারণ স্বামী তার স্ত্রীকে কোনো তালাক দেননি এমনকি ইচ্ছাধিকারও দেন নি।

‎এখন কী স্ত্রী তার স্বামীর নিকট ফিরে যেতে পারবে?
closed

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
selected by
 
Best answer

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا " إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا "
তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। আপনি স্পষ্টকরে ইডিট করে দিবেন।তারপর কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।আমরা আপনার প্রশ্নেন জবাব দিবো।ইনশাআল্লাহ। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...