ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত।
عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كُنَّا نَرْقِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَيْفَ تَرَى فِي ذَلِكَ؟ فَقَالَ: اعْرِضُوا عَلَيَّ رُقَاكُمْ لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ تَكُنْ شِرْكًا
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। অতঃপর আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বলেনঃ তোমাদের ঝাড়ফুকের ব্যবস্থাগুলো আমার সামনে পেশ করো; তবে যেসব ঝাড়ফুঁক শির্কের পর্যায়ে পড়ে না, তাতে কোনো দোষ নেই।[মুসলিম (২২০০)-৬৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৯৪, আবূ দাঊদ ৩৮৮৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১০৬৬, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৩২৫৭, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১৪৫১৫, মুসতাদরাক হাকিম ৭৪৮৫, বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৮১, আস্ সুনানুল সুগরা ৪২৮৯, মা‘রিফাতুস্ সুনান লিল বায়হাক্বী ৫৯৫৪, আল জামি‘উস্ সগীর ১৯২৮, সহীহুল জামি‘ ১০৪৮]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহ সবকিছুর খালিক ও মালিক,জগতের সব কিছু উনার হুকুমেই সংগঠিত হয়,তাবিজ বা ঔষধের অদ্য কোনো ক্ষমতা নেই।এমন আক্বিদা পোষণ করে শিরিক মুক্ত কালিমা দ্বারা চিকিৎসা হিসেবে ঝাড়-ফুক ও তাবিজ ব্যবহার বৈধ আছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/226
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(ক) কেউ কোন কালো যাদু করেছে কি না? তুলা রাশির লোক দিয়ে চেক করা যাবে। অনুমান গ্রহণের নিমিত্তে। তবে নিশ্চিত জ্ঞান গ্রহণের নিমিত্তে করা যাবে না।
(খ) "রাশি" বলতে ভাগ্য। এটাকে শরীয়ত সমর্থন করে না। তবে চেক করার নিমিত্তে গ্রহণযোগ্য।
(গ) এটা রাকীকে জিজ্ঞাসা করতে হবে। আর নিজে নিজে রুকইয়াহ করলে স্বপ্নে ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
ঘ) সূরা নাস ও সূরা ফালাক পড়ার দ্বারা কালোযাদুতে ব্যবহৃত তাবীজ এর গুণাগুণ নষ্ট হতে পারে
(ঙ) সূরা নাস ও ফালাক।
(চ) সুরা ফালাক্ব, সুরা নাস,এই সুরাগুলি সবকিছুর জন্যও যথেষ্ট।