আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
94 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
reshown by
মাফ করবেন আল্লাহ তাআলার জন্য বেশ কয়টা প্রশ্ন করার জন্য।
১.আমার বাবা ব্যাংক থেকে টাকা নেই, সেটা যে সুদে নিছে পরে জানতে পারছি।আমার হাসবেন্ড সেই ব্যাংকের টাকা ধার হিসেবে নেয় বাবার থেকে,পরে ফেরত দিয়ে দিবে।আমরা কিছুদিন পর জানতে পারছি ব্যাংক এ টাকা সুদে দিছে।এখন আমার হাসবেন্ডের এ টাকা ব্যবহার করা কি জায়েজ আছে, ব্যাংকের সুদের টাকা জানার পরেও।ফিরত দিয়ে দিবে পরে, কিন্তু আমার বাবা সুদে আসলে পরে ব্যাংকে সেই টাকা ফিরত দিতে হবে।

২.স্বামী সেচ্ছায় যদি স্ত্রীকে অনেক বছর আগে ডিভোর্স দেয় খাতা কলমে তাহলে কি তালাক হয়ে যাবে?তারপর  কয়েক বছর পর আবার ২ জন বিয়ে করে তাহলে সে বিয়ে কি হালাল হবে নাকি জিনা হবে।ডিভোর্স হওয়ার পর স্বামী স্ত্রী কেউ অন্য জায়গায় বিয়ে করে নি।
৩.স্বামী যদি জামাতের সাথে নামাজ না পড়ে,অফিসে থাকা অবস্থায় অফিসের মসজিদে পড়ে বাকি গুলো ঘরে পড়ে,তাহলে এ কারণে স্ত্রী যদি রাগ করে আলাদা বিছানায় থাকে স্বামী ডাকার পরও না যায় তাহলে কি স্ত্রীর পাপ হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
فى الفتاوى الهندية- أهدى إلى رجل شيئا أو أضافه إن  كان غالب ماله من الحلال فلا بأس إلا أن يعلم بأنه حرام ، فإن كان الغالب هو الحرام ينبغي أن لا يقبل الهدية ، ولا يأكل الطعام إلا أن يخبره بأنه حلال ورثته أو استقرضته من رجل ، كذا في الينابيع 
যদি এমন কেউ কাউকে কিছু হাদিয়া দেয়,যার অধিকাংশ সম্পত্তি হালাল,তাহলে সেই মালকে গ্রহণ করা নাজায়েয নয়।তবে যদি সে জানতে পারে যে,দাতা হারাম থেকে দিচ্ছে তাহলে এমতাবস্থায় সেটা জায়েয হবে না।আর যদি তার মালের অধিকাংশই হারাম থাকে,তাহলে এমন ব্যক্তির হাদিয়া গ্রহণ জায়েয হবে না।এমন ব্যক্তির ওখানে আহার করাও যাবে না, যতক্ষণ না সে হালাল খাবারের সংবাদ দিচ্ছে বা এটা বলছে যে,সে ধার করে নিয়ে এসে আহার করাচ্ছে।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-৫/৩৪২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1900


২.স্বামী সেচ্ছায় যদি স্ত্রীকে অনেক বছর আগে ডিভোর্স দেয় খাতা কলমে তাহলে তালাক হয়ে যাবে। তিন তালাকের পর আর বিয়ে করা যায় না।

৩.স্বামী যদি জামাতের সাথে নামাজ না পড়ে,অফিসে থাকা অবস্থায় অফিসের মসজিদে পড়ে বাকি গুলো ঘরে পড়ে,তাহলে এ কারণে স্ত্রী যদি রাগ করে আলাদা বিছানায় থাকে স্বামী ডাকার পরও না যায়, তাহলে ও স্ত্রীর পাপ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...