জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ-
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلًا مِّن قَبْلِكَ
مِنْهُم مَّن قَصَصْنَا عَلَيْكَ وَمِنْهُم مَّن لَّمْ نَقْصُصْ عَلَيْكَ
“আর অবশ্যই আমি তোমার আগে বহু রাসুল পাঠিয়েছি।
তাদের মধ্যে কিছুর কাহিনি আমি তোমাকে বলেছি,
আর কিছুর কাহিনি বলিনি।”
(সূরা গাফির: ৭৮)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَمِ الْأَنْبِيَاءُ قَالَ: مِائَةُ أَلْفٍ وَأَرْبَعَةٌ وَعِشْرُونَ أَلْفًا قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَكَمِ الرُّسُلُ؟ قَالَ: ثَلَاثُ مِائَةٍ وَثَلَاثَةَ عَشَرَ، جَمًّا غَفِيرًا
আবু যর (রা.) বলেন: আমি বললাম,
“হে আল্লাহর রাসুল! নবিগণের সংখ্যা কত?”
তিনি বললেন, “এক লক্ষ চব্বিশ হাজার।”
আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, “হে আল্লাহর রাসুল! রাসুল কতজন?” তিনি বললেন,
“তিনশ তেরো জন—যারা অনেক।”
(মুসনাদ আহমাদ: ২১৪৭০, তাবারানি আল-মু‘জামুল কাবীর)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
উক্ত হাদীসটি জয়ীফ।
ইমাম ইবনু কাসীর, ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রহ.) প্রমুখ আলেম এ বিষয়ে দুর্বলতার কথা বলেছেন।
তবে নবি রাসুলের সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্যটি মিথ্যা নয়। এটি বিশ্বাস যোগ্য।
(০২)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَبِيٌّ كَانَ آدَمُ؟ قَالَ: نَعَمْ، مُكَلَّمٌ قِيلَ: فَكَمْ كَانَ
بَيْنَهُ وَبَيْنَ نُوحٍ؟ قَال: عَشْرَةُ قُرُونٍ
হযরত আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করা হলো, “হে আল্লাহর রাসুল! আদম কি নবী ছিলেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” জিজ্ঞেস করা হলো, “আদম ও নূহের মাঝে কত সময়?”
তিনি বললেন, “দশ কুরূন (শতাব্দী/প্রজন্ম)”।
(হাকেম ৩৬৫৪; ইবনু হিববান ৬১৯০; সিলসিলা ছহীহাহ ২৬৬৮)
ইমাম হাকেম হাদীসটিকে সহিহ বলেছেন।
সুতরাং এ তথ্যটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
★নূহ (আঃ) ও ইব্রাহীম (আঃ)-এর মাঝে দশ শতাব্দীর ব্যবধান ছিল।
এটি সহীহ নয়।
অনেকে হাদীসটিকে মওকুফ বলেছেন। তবে যেহেতু বর্ণনাটি হাদিসে এসেছে তাই এটি বিশ্বাস যোগ্য।
★মূসা (আঃ) ও ঈসা (আঃ)-এর মাঝে ব্যবধান এক হাযার সাতশত বছর।
এটি হাদীসের কোনো কিতাবে পাইনি।