আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
97 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (2 points)
১. আমি নারীবাদ এবং জাতীয়তাবাদ এর ওপর একটা বিষয় নিয়ে থিসিস করছি। থিসিসের বিষয়বস্তু নিজের ইচ্ছায় সিলেক্ট করেছি। তবে এখন দেখছি এখানে হয়তো বিভিন্ন কুফরি বা নাজায়েজ কথা লেখা লাগতে পারে। এমন অনেক লেখকের বইয়ের বা রিসার্চের রেফারেন্স ব্যবহার করতে হতে পারে যারা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক যেমন সমকামিতা বা কুফর সম্পর্কে ওইসব লেখায় লিখেছেন। আমি বিষয়টা সিলেক্ট করার সময় এতসব ভাবিনি। এখন ভয় হচ্ছে এতে ইমান নষ্ট করার মতো কোন গুনাহ হবে কী না। আমি আমাদের সুপারভাইজার যেভাবে বলছে সেভাবেই লেখা চালাচ্ছি কারণ আমার থিসিস লেখার ব্যাপারে কোন ধারণা নেই। তাই স্যারের কথামতো লিখতে হবে। এসব লিখতে গিয়ে যদি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কোন কিছু বা কুফরি শির্কি কিছু লেখি তাহলে কি ইমান নষ্ট হবে?

২. এই থিসিসটা লেখার পরে এর একটা কপি কি আমি নিজের কাছে রাখতে পারবো?

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم 

https://ifatwa.info/26400/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ-
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেনঃ-
 
مَنۡ کَفَرَ بِاللّٰہِ مِنۡۢ بَعۡدِ اِیۡمَانِہٖۤ اِلَّا مَنۡ اُکۡرِہَ وَ قَلۡبُہٗ مُطۡمَئِنٌّۢ بِالۡاِیۡمَانِ وَ لٰکِنۡ مَّنۡ شَرَحَ بِالۡکُفۡرِ صَدۡرًا فَعَلَیۡہِمۡ غَضَبٌ مِّنَ اللّٰہِ ۚ وَ لَہُمۡ عَذَابٌ عَظِیۡمٌ ﴿۱۰۶﴾

কেউ বিশ্বাস করার পরে আল্লাহকে অস্বীকার করলে এবং অবিশ্বাসের জন্য হৃদয় উন্মুক্ত রাখলে তার উপর আপতিত হবে আল্লাহর ক্রোধ এবং তার জন্য রয়েছে মহাশাস্তি; তবে তার জন্য নয়, যাকে অবিশ্বাসে বাধ্য করা হয়েছে, অথচ তার চিত্ত বিশ্বাসে অবিচল।
(সুরা নাহল ১০৬ নং আয়াত।)
,

ইমাম নববী রহঃ বলেনঃ
 
قول الإمام النووي رحمه الله: "من نقل الشهادتين حكايةً بأنْ يقول: سمعت فلاناً يقول: لا إله إلا الله، محمد رسول الله، فهذا لا يصير مسلماً بلا خلاف؛ لأنه حاكٍ، كما لا يصير المسلم كافراً بحكايته الكفر" [المجموع 3/ 99].
কোনো কাফের  যদি নকলের ভিত্তিতে শাহাদত কালেমা পাঠ করে,তাহলে সে মুসলিম হবেনা।
কেননা সে শুধু বর্ণনা কারী।
অনুরুপ ভাবে কেহ যদি বর্ণনার জন্য কুফরী কালাম বলে,তাহলেও সে কাফের হয়না। 
,
★সুতরাং পরীক্ষায় বর্ণনার জন্য যেকোনো কুফরী কথা/মিথ্যা গল্প লিখলে ঈমান চলে যাবেনা।
এক্ষেত্রে তাকে তওবা করতে হবে।
,
তবে ইসলাম বিরোধী কোনো আকীদা পোষন করা জায়েজ হবেনা।    

আরো জানুনঃ  

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
(০১)
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার আকীদা বিশুদ্ধ রেখে এভাবে থিসিস-এ কুফরি/ঈমান বিরোধী কোনো কথা লেখার দরুন আপনার ঈমান চলে যাবেনা। কুফরি হবেনা।
তবে আপনাকে তওবা করতে হবে। ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে। 

(০২)
এক্ষেত্রে আপনার ঈমান আকিদা সমস্যা হওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকলে, বা সেই থিসিস আপনার কাছে রাখার দরুন অন্য কেউ তা পড়ে তা হতে তার ঈমান আকিদা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে সেই থিসিস আপনার কাছে রাখতে পারেন।

তবে অন্য কেউ যেনো তাহা না পড়ে,সেই ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...