জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
বাইয়ে ফাসেদ বলতে এমন ক্রয়–বিক্রয়কে বোঝায়,যে বিক্রয় চুক্তিতে মূল আকদ সহীহ হলেও কোনো শর্ত, পদ্ধতি বা উপাদানে শরীয়তবিরোধী ত্রুটি থাকে।
অর্থাৎ বিক্রয়ের মূল উপাদান (ক্রেতা–বিক্রেতা, পণ্য, মূল্য) বিদ্যমান,কিন্তু কোনো নিষিদ্ধ শর্ত বা অনিশ্চয়তা (غرر) যুক্ত হয়েছে।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“নবী ﷺ এমন সব বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছেন যাতে অনিশ্চয়তা রয়েছে।”
(সহীহ মুসলিম)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رضي الله عنه قال:
نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنْ بَيْعٍ وَشَرْطٍ.
হযরত আমর ইবনু শু‘আইব (রহ.) তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ শর্তযুক্ত বিক্রয় থেকে নিষেধ করেছেন।
(সুনান আবু দাউদ, হাদীস: 3504, জামে, তিরমিযী, হাদীস: 1234, মুসনাদ আহমাদ)
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه قال:
نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الْبَيْعِ وَالشَّرْطِ.
হযরত জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা.) বলেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ বিক্রয়ের সাথে শর্ত আরোপ করা থেকে নিষেধ করেছেন।
(জামে তিরমিযী, আল-মু‘জামুল কাবীর (ত্ববরানী)
ক্রয় বিক্রয় চুক্তির সময় এমন কোনো শর্তারোপ করা যা উক্ত চুক্তি বা লেনদেনের উদ্দেশ্যের বিপরীত। এমন কররে ঐ ক্রয়বিক্রয় চুক্তিটি ফাসিদ বলে গণ্য হবে। সুতরাং চুলা বিক্রয়ের সময় নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত ব্যবহারের শর্তারোপ করা উদ্দেশ্যের বিপরীত হওয়ার কারণে উক্ত ক্রয়বিক্রয় চুক্তিটি ফাসিদ বলে গণ্য হবে।
কিন্তু যদি বিক্রয়ের সময় শর্তারোপ না করে বরং নির্দিষ্ট তারিখে বিক্রয়ের ওয়াদা করে, তাহলে তখন বিক্রয়ের পূ্ব পর্যন্ত বিক্রেতা উক্ত জিনিষ ব্যবহার করতে পারবে।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যদি ৩০ তারিখে উক্ত পন্য বিক্রয় হবে বলে,আর প্রথমে শুধু প্রাথমিক কথাবার্তা বলে, ফাইনাল চুক্তি ৩০ তারিখেই হবে বলে,সেক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে উক্ত ক্রয় বিক্রয় বৈধ হবে।